Tanmina's Collection

Tanmina's Collection Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tanmina's Collection, Digital creator, Chittagong.

16/08/2025

“দাজ্জাল” শুধু একজন ব্যক্তি না — সে একটা পূর্ণ ‘সিস্টেম’। একটা ফাঁদ। এক ভয়ংকর কন্ট্রোল মেশিন। আমরা অনেকেই হয়তো দাজ্জালকে ভবিষ্যতের কেউ মনে করি — কিন্তু তার ছায়া ইতিমধ্যেই আমাদের জীবনে ঢুকে গেছে, চোখের সামনে।

আজ একটু খোলা চোখে চিন্তা করি…

📡 RFID চিপ — শরীরে ঢোকানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে “সুবিধা হবে”। বাস্তবে? আপনার লোকেশন, অর্থ, স্বাস্থ্য, চলাফেরা সব ট্র্যাকিংয়ের আওতায়।

🤖 AI (Artificial Intelligence) — এখন শুধু প্রশ্নের উত্তর দেয় না, আপনার মন কী চায় সেটাও অনুমান করে। AI দিয়ে তৈরি হচ্ছে deepfake ভিডিও, যেখানে মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে দেখানো হচ্ছে। দাজ্জালের সেই “অগ্নি ও জান্নাতের বিভ্রান্তি” কি একে মনে পড়ে না?

💳 Centralized Banking System — এক দেশ নয়, পুরো পৃথিবীর পেমেন্ট সিস্টেম এক এক করে ক্যাশলেস হচ্ছে। আগামী দিনে বলা হবে, “RFID ছাড়া কেনাবেচা নিষিদ্ধ”। আপনি যদি দাজ্জালীয় সিস্টেম মেনে না চলেন — আপনার একাউন্ট বন্ধ।

🛰️ Satellite Surveillance + Smart City — ঘরে, রাস্তায়, গাড়িতে, অফিসে, এমনকি বাথরুমে পর্যন্ত ক্যামেরা-সেন্সর বসছে। কে কোথায়, কার সাথে, কী ভাবছে, কী খাচ্ছে, সব রেকর্ড হচ্ছে।

🧬 Genetic Engineering & Cloning — রোগ নিরাময়ের নামে DNA বদলানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে বলা হবে, “আমরা আপনাকে দুর্বলতা ছাড়া মানুষ বানাবো।” আসলে বানাবে “আত্মাহীন রোবট মানুষ” — যাদের ইচ্ছাও নিয়ন্ত্রণযোগ্য।

🔐 Personal Data = সবচেয়ে বড় অস্ত্র
আপনি কী ভয় পান, কী বিশ্বাস করেন, কখন কাঁদেন, কোথায় সফট… এসবই AI দিয়ে বিশ্লেষণ করে রাখা হচ্ছে। আর আপনি ভেবেছেন, “আমি তো ফেসবুকে শুধু মজা করি”?

💣 Nuclear Weapon Systems এখন AI দ্বারা চালিত — যদি দাজ্জালের মত একজন এগুলো হ্যাক করে বা তারই তৈরি AI এগুলো চালায়? আপনি ঠান্ডা মাথায় কল্পনা করুন — যদি মানুষ নয়, কোন “সিস্টেম” পুরো মানবজাতির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলে?

🕋 Religion Elimination Plan — বলা হবে, “সব ধর্ম এক করো, নতুন এক Global Unity বানাও।”
যারা এক আল্লাহর ইবাদত করবে, নামাজ পড়বে, তারা হবে “cut-off”।
তাদের ওপর নামবে লেনদেন নিষেধাজ্ঞা, খাদ্য নিষেধ, চিকিৎসা নিষেধ।
ঠিক যেমন হাদিসে বলা হয়েছে:
“যে তার অনুসরণ করবে না, সে খেতে পাবে না, চলতে পারবে না।”

আজকের AI, Blockchain, BioChip, Surveillance Technology, Digital Currency — এগুলো কী কেবল অগ্রগতি?
না কি এগুলোই একদিন বলবে:
“তুমি যদি দাজ্জালকে না মানো, তুমি পৃথিবীর নাগরিক না!”

✅ আমি কারও বিরুদ্ধে না, আমি প্রযুক্তিরও বিরোধী না। আমি শুধু বলছি:

তুমি প্রযুক্তি ব্যবহার করো — কিন্তু প্রযুক্তি যেন তোমাকে ব্যবহার না করে।
তুমি চিপ ব্যবহার করো না — যেন চিপ একদিন তোমার ঈমান না ব্যবহার করে।

🔰 করণীয়:
• সূরা কাহফ পড়ো, অন্তত প্রতি শুক্রবার
• দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার দোয়া মুখস্থ রাখো
• জীবনকে ধীরে ধীরে “Tayyib” করো — খাবার, চিন্তা, সমাজ
• সন্তানকে শেখাও “সত্য-মিথ্যার পার্থক্য”
• আর সবশেষে, এমনভাবে তৈরি হও — যেন সে (দাজ্জাল) এলে তুমি বলতে পারো:
“আমি আল্লাহর বান্দা — কোনো সিস্টেম, কোনো ইল্যুশন, কোনো ফেক ঈশ্বর আমাকে কিনতে পারবে না।”

দাজ্জাল আসবে। এটা কুরআন-হাদিসে নিশ্চিত। কিন্তু সে আসার আগেই যদি আমরা তার সিস্টেমে ঢুকে পড়ি — তখন আর আমাদের বের হবার পথ থাকবে না।
আজ থেকে প্রস্তুতি নিন, ঈমানকে Technology Proof করুন। 💦💦💦
Collected : Dr. Jahangir kabir

হেদায়েত কেন হারিয়ে যায়?আল্লাহ তায়ালা কেবল তাঁর বাছাইকৃত বান্দাদেরই হেদায়েত দান করেন। হেদায়েত আল্লাহ তায়ালার অনুগ্...
11/08/2025

হেদায়েত কেন হারিয়ে যায়?

আল্লাহ তায়ালা কেবল তাঁর বাছাইকৃত বান্দাদেরই হেদায়েত দান করেন। হেদায়েত আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহ। হেদায়েত পাওয়ার পর তা ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আল্লাহর কিছু বান্দাকে দেখা যায় হঠাৎ খুব ইবাদত বন্দেগী করছেন। কিছুদিন যাওয়ার পর তিনি হেদায়েত হারিয়ে ফেলেন, ইবাদতে আগের মত স্পৃহা পান না। এর উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ নিম্নরূপ:

(১) ফিতনা:
হেদায়েত পেলেই কারো জান্নাত নিশ্চিত নয়। হেদায়েতপ্রাপ্তকে আল্লাহ তায়ালা বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করেন। নানারকম ফিতনা তার সামনে আসে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফিতনা হলো বিপরীত লিঙ্গের ফিতনা। এসব ফিতনা থেকে বাঁচতে চোখের হিফাজত করা ও ফিতনায় পড়লে আল্লাহর দেওয়া শিক্ষার অনুযায়ী আচরণ করা জরুরি।

(২) দ্বীনদারদের সান্নিধ্যে না থাকা:
অনেকে হেদায়েত পাওয়ার পর ব্যক্তিজীবনে কেবল নামাজকে ধরে রাখেন। ইসলামের ফরজ জ্ঞানার্জনের চেষ্টা করেন না, দ্বীনি মাজলিসগুলোতে যান না, আলেমদের সাথে থাকেন না। সরাসরি আলেমদের থেকে জ্ঞানার্জন করতে না পারলে অনলাইনে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা শোনা যেতে পারে।

(৩) সঠিক পদ্ধতিতে জ্ঞানার্জন না করা:
সদ্য হিদায়াতপ্রাপ্ত অনেককে দেখা যায় ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো বাদ দিয়ে অনেক গভীর বা ইখতিলাফি বিষয় নিয়ে পড়ে আছেন যেগুলো সম্পর্কে তার প্রাথমিক জ্ঞান নেই। কেউ হয়তো নাস্তিকদের সাথে তর্কে জড়াচ্ছে, কেউ বা শিয়া রাফেজিদের নিয়ে পড়াশোনা করে বিভ্রান্ত হচ্ছে। অথচ প্রত্যেকের জন্য জরুরি হলো দ্বীনের মৌলিক বিষয় যেমন : ঈমান, আকীদা, সালাত, পবিত্রতা, কুরআন, হাদীস, আখলাক ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞানার্জন করা।

(৪) অহংকার করা:
অনেকেই হিদায়াত পেয়ে অহংকারী হয়ে ওঠেন, অন্য মুসলিম ভাইবোনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন। পোশাক, চলাফেরা, গুনাহ কিংবা ইবাদতের দৈন্যতা নিয়ে তাদের সমালোচনা করেন, খাটো চোখে দেখেন, জাহান্নামী বলে কটাক্ষ করেন। কে হাফপ্যান্ট পরে মসজিদে এলো, কে কানে দুল পরে মসজিদে এলো, কার হিজাব পরিপূর্ণ না ইত্যাদি দোষত্রুটি ধরা শুরু করেন। এতেও হেদায়েত হারিয়ে যায়।

(৫) দুআ না করা:
অনেকেই ভাবেন হেদায়েত চিরস্থায়ী। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে দোয়া শিখিয়েছেন,
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক, হেদায়েত দেওয়ার পর আমাদের অন্তরকে পুনরায় বাঁকা করে দেবেন না এবং আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা। (সুরা আলে ইমরান, আয়াত ৮)
নবীজী সাঃ ও হেদায়েত ধরে রাখার জন্য অনেক দোয়া করতেন যেমন: يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك
অর্থাৎ, হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের উপর অবিচল রাখুন।
সুতরাং হেদায়েত ধরে রাখতে অধিক পরিমাণে দোয়া করা জরুরি।

(৬) নিয়মিত তাওবাহ ইস্তিগফার না করা:
মানুষ হিসেবে নিজের অজান্তেই আমাদের অনেক গুনাহ হয়ে যায়। এসব গুনাহ থেকে বাঁচতে ও নিজের হেদায়েতকে নবায়ন করতে নিয়মিত তাওবাহ ইস্তিগফার করা জরুরি। গুনাহের জন্য নিয়মিত ক্ষমা প্রার্থনা না করলে গুনাহ জমতে জমতে মানুষ একসময় হেদায়েত থেকে ছিটকে পড়ে।

হারিকেনের মৃদু আলোকে যেমন বাতাস থেকে রক্ষা করতে হয়, চিমনির ভেতর অনেক যত্ন আগলে রাখতে হয়, তেমনি হেদায়েত ধরে রাখার জন্য এর যত্ন ও পরিচর্যা করা জরুরি।

©

নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ১৫ টি কৌশল :১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।২....
09/08/2025

নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ১৫ টি কৌশল :
১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।
২. দিনে ম্যক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার- যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবে না। ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।
৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।
৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যক? উত্তর না হলে; ওই কথা বলার দরকার নাই।
৫. সকাল সন্ধ্যার জিকির-আযকার পাঠ করুন।
৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করুন।
৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করুন। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।
৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।
৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করুন। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।
১০. দৃষ্টি অবনত রাখুন। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।
১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. বিশেষকরে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷
১৪. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।
১৫. নিয়মিত তাহাজ্জুদের সালাত আদায়ের অভ্যাস করুন। ইনশাআল্লাহ, রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।
মহান আল্লাহ তা‘আলা লেখার প্রতিটি কথার উপর আমাদের সবাইকে এবং সাথে আমাকেও আমল করার তাওফিক দান করুক।
আমিন

(Collected)

17/07/2025

:: সঞ্চয় করবেন যেভাবে ::

একদিন দুই বন্ধু—রাহুল ও জুবায়ের—একসাথে চাকরিতে যোগ দিলো। দুজনেই সমান বেতন পেতো, সমান বয়স, সমান স্বপ্ন।

৫ বছর পর দেখা গেল, রাহুল ব্যাংক ব্যালান্সে ৩ লাখ টাকা জমিয়েছে, ডিপিএস চলছে, কিছু ইনভেস্টও করেছে। আর জুবায়ের? সব টাকা খরচ, কিছুই হাতে নেই। অসুস্থতায় ধার করে চলতে হচ্ছে।

রাহুল বলল, "বন্ধু, আয় যতই হোক না কেন, যদি অভ্যাস না বদলাও—সঞ্চয় হবে না।"

এই গল্পটা আজ আমাদের সবার বাস্তব চিত্র। এখনই যদি ব্যবস্থা না নিই, ভবিষ্যৎ শুধু কষ্ট আর অনিশ্চয়তায় ডুবে যাবে।

তাই উপায় হলো সঞ্চয় করা।

কিন্তু কিভাবে সঞ্চয় করবেন সেটারই কিছু টিপস এখানে দেয়া হলো-

১. লক্ষ্য ঠিক করুন – কেন সঞ্চয় করবেন?

আপনার কি ভবিষ্যতে একটি বাড়ি দরকার? সন্তানদের জন্য শিক্ষা? জরুরি চিকিৎসা? নাকি একটু নিশ্চিন্ত জীবন? এই লক্ষ্য থাকলে সঞ্চয় হবে অর্থবহ। কারণ, "যার লক্ষ্য নেই, তার সঞ্চয়ও নেই।"

২. আগে সঞ্চয়, পরে খরচ” নিয়মে চলুন:

বেতন পেলেই প্রথমেই একটা নির্দিষ্ট অংশ (ধরুন ১৫%) আলাদা করে রাখুন সঞ্চয়ের জন্য। বাকি দিয়ে খরচ করুন। উল্টোটা করলে কিছুই থাকবে না।

৩. অপ্রয়োজনীয় খরচ কেটে ফেলুন:

প্রতিদিনের অর্ডার করা খাবার, অব্যবহৃত সাবস্ক্রিপশন, অহেতুক কেনাকাটা—এই খরচগুলো আস্তে আস্তে আপনাকে দেউলিয়া করে ফেলে। কারণ, প্রয়োজন নয়, লোভই বেশিরভাগ খরচের কারণ।”

৪. জরুরি তহবিল তৈরি করুন (Emergency Fund):

জীবনে হঠাৎ অসুস্থতা, চাকরি হারানো বা কোনো বিপদ এলেই এই ফান্ড হবে আপনার নিরাপত্তা। অন্তত ৩-৬ মাসের খরচ জমিয়ে রাখুন।

৫. ডিপিএস/সঞ্চয়পত্র চালু করুন:

এই প্ল্যানগুলো সঞ্চয়কে নিয়মিত রাখে। মাসে অল্প অল্প করে জমিয়ে রাখলে একদিন তা বড় হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, ধৈর্যের সঞ্চয়ই বড় ফল দেয়।

৬. খরচের হিসাব রাখুন – টাকা কোথায় যাচ্ছে?

একটা খাতা বা অ্যাপ ব্যবহার করুন। প্রতিদিন কত টাকা কোথায় খরচ করছেন তা লিখে রাখলে মনের অজান্তে অপচয় কমে যাবে।

৭. ক্যাশলেস অভ্যাস গড়ুন – কিন্তু সীমা মেনে:

কার্ড বা মোবাইল পেমেন্ট অনেক সুবিধাজনক, কিন্তু সাথে লোভের ফাঁদও। তাই ডিজিটাল ব্যবহার করুন, কিন্তু সীমাবদ্ধ বাজেটের মধ্যে।

৮. ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করুন:

প্রথমে ৫০০ টাকা, তারপর ১০০০, এরপর ২০০০… এভাবে বাড়িয়ে নিন। সঞ্চয় কখনো হঠাৎ বড় হয় না—ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়।

৯. বাড়তি আয়ের পথ খুঁজুন এবং তা সঞ্চয় করুন:

ফ্রিল্যান্সিং, পার্টটাইম, অনলাইন সেল—এই বাড়তি আয় পুরোপুরি সঞ্চয়ে রাখতে পারেন। এতে আপনার মূল আয় চাপমুক্ত থাকবে।

১০. নিজেকে মাঝে মাঝে পুরস্কার দিন, কিন্তু সঞ্চয়ের ক্ষতি নয়:

সঞ্চয় মানে সব আনন্দ ছেড়ে দেয়া নয়। একটি নির্দিষ্ট বাজেট রেখে মাঝে মাঝে নিজের জন্য ছোট আনন্দ রাখুন—এতে অভ্যাস ভাঙে না।

সব শেষ কথা কথা হলো, জীবনের প্রতিটি ধাপেই টাকা দরকার। কিন্তু টাকা শুধু আয় করলেই হবে না, সঞ্চয় করাই আসল বুদ্ধিমত্তা। যিনি কম আয় করেও সঞ্চয় করতে পারেন, তিনি সত্যিকারের নিরাপদ মানুষ। কারণ, “ভবিষ্যতের জন্য যিনি আজ থেকেই ভাবেন, তিনিই আগামীতে সবচেয়ে নিশ্চিন্ত থাকেন।”

( Copy)

25/06/2025

বিয়ের পর আমার বড় ননাসের বাসায় প্রথম যেদিন যাই,আমি শুধু তাকিয়ে তাদের ফার্নিচার দেখছিলাম। ঘরটা কত সুন্দর গোছানো।প্রত্যেক টা সদস্যদের জন্য আলাদা আলাদা আলমারি।অথচ আমার ঘরে একটা আলমারি নেই, এটা ভাবতেই বুকের মধ্যে যেন কেমন করে উঠলো।

ঘরের সৌন্দর্য বাড়ে ফার্নিচারে আর নারীর সৌন্দর্য বাড়ে অলংকারে।এই দুটোর কোনটারই কমতি নেই আমার ননাসের।নিজের গলার দিকে তাকিয়ে দেখলাম, খুবই পাতলা একটা চেইন।লজ্জায় সেটা ঢেকে রাখলাম।

হঠাৎ আপার ডাকে ভাবনার জগৎ থেকে ফিরে আসলাম।উনি বলছিলো,

-মহুয়া শুধু এদিক সেদিক তাকালেই হবে! খাবার সামনে রয়েছে জলদি এগুলো শেষ করো।

আপাকে কি ভাবে বলবো,খাবার যে আমার গলা দিয়ে নামছে না।তবুও ভদ্রতার খাতিরে খাচ্ছি কিন্তু মনের মধ্যে কেমন যেন একটা, না পাওয়ার আফসোস হচ্ছে।খাওয়া শেষ হওয়ার পর আপা তার বাড়ির চারিদিক ঘুরিয়ে দেখাচ্ছে, আমিও মুগ্ধ হয়ে দেখছি।এরমধ্যে তিনি দেখতে পেলেন তার একটা টব ভেঙে গেছে।মুহুর্তেই তার মন খারাপ হয়ে গেলো।টব টার জন্য কেমন করতে রইলো।আমি অবাক হয়ে মনে মনে ভাবছি,এতো বড়লোক হয়েও সামান্য একটা ফুলের টবের জন্য এমন করছে!

তিনি বোধহয় আমার অবাক হওয়া টা বুঝতে পেরেছিলেন।কিন্তু তখন কিছু বলেননি।

রাতে যখন আমি বিছানায় শুয়ে ছিলাম তখন আপা ডেকে ছাদে নিয়ে গেলো।বললো,

-জানো মহুয়া, এই যে এত সুন্দর বাড়ি,বাড়ির প্রত্যেক টা শৌখিন জিনিস দেখতে পাচ্ছো সবগুলো আমার ধৈর্যের ফল।তোমাদের ভাইয়ার বেতন কিন্তু শুরুতে তেমন একটা বেশি ছিল না।তার বেতনে প্রয়োজনীয় জিনিস হলেও,শখের কিছু কিনতে পারতাম না।আমি রোজ তার থেকে টাকা চেয়ে রাখতাম।তবে তোমার ভাইয়াও সাহায্য করেছে, আমাকে টাকা জমাতে দিতে কখনো কার্পন্য করেনি।যখন যা পেরেছে তাই দিয়েছে,কখনো বেশি কখনো একবারে স্বল্প।আমার শখের জিনিস কিনে দেয়ার জন্য তার মনেও ছিল অনেক আগ্রহ।অবশ্য আমার টাকা জমানোর অভ্যাস ছোটবেলা থেকেই ছিল।আস্তে আস্তে জমানো টাকার পরিমাণ বাড়লো,তোমাদের ভাইয়ারও বেতন বাড়তে শুরু করলো।এখানকার কোনো ফার্নিচার একসাথে বানানো নয়।আমার সংসার জীবনের শুরু থেকে একটা একটা করে করেছি।শূন্য থেকে আজ আমার ঘর পরিপূর্ণ।প্রত্যেক টা জিনিসের প্রতি আমার মায়া জড়ানো, দীর্ঘ অপেক্ষার পর সব সবকিছু গোছাতে পেরেছি।তাই আমার সামান্য টব ভেঙে গেলেও প্রচুর কষ্ট হয়, মহুয়া!

আমি একনাগাড়ে আপার কথা গুলো শুনছিলাম। কিন্তু আপার লাস্ট কথা টায় লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে ফেললাম।

রাতে ঘুমানোর সময় ভাবছি,আপার বিয়ে হয়েছে ত্রিশ বছর।আমার তো তিন মাসও হয়নি। আমার তিন মাসের সংসারের সাথে ,কারো ত্রিশ বছরের সংসারের তুলনা করা মোটেও ঠিক হয়নি।অনুতপ্ত হলাম এবং আজকে বুঝতে পারলাম নিজের অবস্থান থেকে সন্তুষ্ট থেকে ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে হয়,আল্লাহর কাছে চাইতে হয়।অন্য কারো চাকচিক্য দেখে তার মতই পাওয়ার জন্য আফসোস করতে হয়না।একদিন আমারও একটা ঘর হবে,হবে পুরো ঘরটা মনের মত সাজানো,অপেক্ষা শুধু ধৈর্যের এবং আল্লাহর ওপর ভরসার।

[কখনো কারো সংসারে দামি কিছু দেখে কিংবা কারো গায়ে দামি পোশাক দেখে হীনমন্যতায় ভুগতে হয়না।শখ থাকা ভালো তবে নিজের ইনকাম ৫ টাকা হলে ৫শ তে চোখ গেলেও মানানসই,কিন্তু ৫০ হাজার টাকার জিনিসের দিকে চোখ দেয়া টা কেমন যেন উচ্চ বিলাসিতার মধ্যে পরে যায়!]

গল্গ:শখের ফার্নিচার
লেখা: সাদিয়া আফরিন মার্জান

06/06/2025

আল্লহু আকবর আল্লাহু আকবর ওয়ালিল্লাহিল হামদ

আজ শুক্রবার ফজর থেকে মঙ্গলবার আসর অবধি ২৩ ওয়াক্ত প্রত্যেক ফরজ সালাতের পরে তাকবীরে তাশরীক পড়া ওয়াজিব।
06/06/2025

আজ শুক্রবার ফজর থেকে মঙ্গলবার আসর অবধি ২৩ ওয়াক্ত প্রত্যেক ফরজ সালাতের পরে তাকবীরে তাশরীক পড়া ওয়াজিব।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanmina's Collection posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share