17/07/2026
শুরুতেই একটা কথা বলে রাখি ভাই,এই পোস্টটা ইগনোর করলে আপনার পকেটের না, সরাসরি কিডনির বারোটা বাজতে পারে।২ মিনিট সময় দেন,এই গল্পটা আপনার নিজের বা ভাই-বোনের ডায়ালাইসিসের বিল বাঁচায় দিতে পারে।
গত শুক্রবার মাগরিবের পর আমার কলেজের বেস্ট ফ্রেন্ডটা কল দিল।কান্না চাপতে চাপতে বললো"দোস্ত,ছোট বোনটারে হাসপাতালে ভর্তি করাইছি। ডাক্তার বলতেছে দুইটা কিডনিই নাকি ৬০% ড্যামেজ। অথচ ওর বয়স মাত্র ২৬!"
২ মাস আগের কথা। ২৯ বছরের সুমি আপু। একটা মাল্টিন্যাশনালে জব করে। সারাদিন এসির মধ্যে ল্যাপটপে, টার্গেটের প্রেশার। বাসায় ফিরে টিকটক আর বিরিয়ানি। ওজন ঠিক আছে, দেখতেও ফিট। লাস্ট ১ বছর ধরে শুধু বলতো, "দোস্ত, চোখের নিচে কালি পড়ে গেছে, আর একটু পরপর ওয়াশরুমে যাওয়া লাগে"। আমরা সবাই বলতাম, "আরে পানি কম খাস, রাত জাগিস, তাই এমন হয়"। নিজে নিজে গুগল করে পানি খাওয়া বাড়ায় দিলো।
ঈদের ২ দিন পর। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে পা দুইটা ফুলে ঢোল হয়ে আছে। জুতা ঢুকতেছে না। সাথে বমি বমি ভাব। ফ্যামিলি ভাবছে ফুড পয়জনিং। হাসপাতালে নিয়ে ব্লাড টেস্ট করতে গিয়ে ডাক্তারের মাথায় হাত। Creatinine লেভেল 4.8! নরমাল থাকে 1 এর নিচে।
ডাক্তার জিজ্ঞেস করলো, "আপনি এতদিন টের পান নাই? আপনার কিডনি তো প্রায় অকেজো হওয়ার পথে।"
আরেকটা ঘটনা শোনেন। আমার মামা, বয়স ৪৫। হাই প্রেশারের রোগী, কিন্তু ওষুধ খায় আর ছাড়ে। বলে, "ধুর, ওষুধ খাইলে কিডনি নষ্ট হয়"। লাস্ট ২ বছর ধরে প্রেশার 160/100 এর নিচে নামেই না। আমরা বললে হাসে। লাস্ট মাসে হঠাৎ শরীর চুলকাইতে শুরু করলো, মুখ দিয়ে মাছের মতো গন্ধ। টেস্ট করে দেখে কিডনি ফেইলিউর। এখন সপ্তাহে ৩ দিন ডায়ালাইসিস। প্রতিবার ৩৫০০ টাকা।
দুইটা মানুষ, দুইটা কাহিনী, কিন্তু কালপ্রিট একটাই। শরীরের সবচেয়ে নিরীহ অর্গানটা ভিতরে ভিতরে শেষ হয়ে যাইতেছে, কিন্তু সে একটা টুঁ শব্দও করে নাই। এইটার নামই – সাইলেন্ট কিলার। আজকের টপিক: কিডনি ফেইলিউর।
ভাই, ব্যথা ছাড়া কিডনি কীভাবে নষ্ট হয়? এইখানেই আমরা ধরা খাই।
আমাদের কিডনি হইলো আপনার বাসার পানির ফিল্টারের মতো। প্রতিদিন ১৮০ লিটার রক্ত ছাঁকে, ময়লা বের করে দেয়। কিন্তু মজার ব্যাপার হইলো, এই ফিল্টারের ৭০% নষ্ট হয়ে গেলেও বাকি ৩০% দিয়ে সে চুপচাপ কাজ চালায় যায়। আপনি টেরও পাবেন না। মুখে রুচি আছে, ঘুম হইতেছে, কাজও করতেছেন।
যেইদিন ৮৫% ফিল্টার বাদ হয়ে গেল, ওইদিন সকালে উঠে দেখবেন পা ফুলা, বমি, শ্বাসকষ্ট। তখন