Syeda's timeline

Syeda's timeline Digital creator

09/11/2025

লক্ষ্যে না পৌছানো পর্যন্ত, আগে থেকে কোনো কিছু কাউকে বলতে নেই, কারণ মানুষের বদ'নজর লেগে যায়!

🤚যখনই মা সন্তানকে শাসন করে...বাড়ির সবাই হঠাৎ যেন ‘সহানুভূতির দূত’।বাচ্চা একটুখানি মুখ ভার করলেই—কেউ বলে, “আহা, ওকে এমন ...
04/11/2025

🤚যখনই মা সন্তানকে শাসন করে...
বাড়ির সবাই হঠাৎ যেন ‘সহানুভূতির দূত’।
বাচ্চা একটুখানি মুখ ভার করলেই—
কেউ বলে, “আহা, ওকে এমন বলো না!”
কেউ আবার বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে আদর করতে করতে বলে,
“আমার নাতিকে বকিস না, ও তো কিছুই করেনি!” 😔

কিন্তু জানেন?
ওই এক মুহূর্তেই বাচ্চা শিখে যায় —
‘মায়ের কথা না শুনলেও চলবে।’
ও বুঝে যায়, একটু মুখ বানালেই কেউ না কেউ এসে
মাকে ‘ভুল’ প্রমাণ করে দেবে।

এরপর থেকে মায়ের শাসন তার কাছে আর শাসন থাকে না,
মায়ের কথা আর গুরুত্ব পায় না।
আর সেখান থেকেই তৈরি হয় বেপরোয়া সন্তান —
যে জানে, মায়ের কথা কাটিয়ে গেলেও কেউ না কেউ ওর পাশে থাকবে।

🥺 মা হয়তো চুপ করে যায়, কিন্তু ভিতরে ভিতরে ভেঙে পড়ে।
কারণ সে জানে, সে যে শাসন করছে—
তা ভালোবাসা দিয়েই, সন্তানকে মানুষ করার জন্যেই।

তাই অনুরোধ—
যখন মা সন্তানকে শাসন করছে,
তখন একটু দূর থেকে ভালোবাসা দিন, কিন্তু
মায়ের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করবেন না।
ওই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সহানুভূতি হলো—
মাকে সম্মান দেওয়া। ❤️

কারণ, যখন আপনি মাকে ছোট করেন,
তখন সন্তান শেখে মায়ের কথা তুচ্ছ,
আর মায়ের মন শেখে নীরব কষ্টে বাঁচতে। 💔
যৌথ পরিবারে এই সমস্যা খুবই বেশি 🤚।

17/10/2025
গুলতেকিনের লেখা পড়ছি, আর বেদনাক্রান্ত হয়ে পড়ছি। উনার বড় বোন রিঙ্কু ও আমি একই  ডিপার্টমেন্টে, একসাথে  ঢাকা ইউনিভার্সি...
07/10/2025

গুলতেকিনের লেখা পড়ছি, আর বেদনাক্রান্ত হয়ে পড়ছি। উনার বড় বোন রিঙ্কু ও আমি একই ডিপার্টমেন্টে, একসাথে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়তাম।
১৯৭৩ সালের কথা। আত্মমগ্ন, খুব শান্ত একজন অপূর্ব সুন্দরী তরুনী। কারো সাথে তেমন কথা বা আড্ডা দেয়ায় তেমন আগ্রহী ছিল না। ক্লাস শেষ হলেই বাড়ি চলে যেত। আমার সাথে মাঝে মাঝে কথা হত টুকটাক। পাশাপাশি ক্লাসে বসতাম। তখন 'নন্দিত নরকে' পড়ে আমরা থ। কিভাবে এমন অসাধারণ উপন্যাস লিখা যায়? জানতাম এই প্রতিভাবান লেখক ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক।

হঠাৎ শুনি রিঙ্কুর ছোট বোনের সাথে বিয়ে হয়েছে। যে মাত্র মেট্রিক দিয়েছে বা এরকম কিছু। প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ'র নাতনির এই বয়সে পড়াশুনা শেষ না করে বিয়ে? আমরা একটু স্তম্ভিত। কিন্তু রিঙ্কুকে কখনও এ ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাসা করি নি। আমি হুমায়ূন আহমেদ সম্পর্কে কিছুই বলব না। যদিও তিনি আমার প্রিয় লেখক। শাওনের কথাও কিছু বলব না। আমার ডাক ছেড়ে কাঁদতে ইচ্ছা করে গুলতেকিনের জন্য একজন মা হিসাবে। আহারে! মেয়েটাকে বাস্তবতা কেউ শিখায় নি। 'বেবি সিটিং ' করে যে টাকা পেত, পুরাটাই তুলে দিত স্বামীর হাতে।
তার কোন একাউন্ট ছিল না। শ্বশুর বাড়িতে পাঠাতো টাকা সংসার চালানোর জন্য। সে তাদের সবার অকুন্ঠ ভালবাসাও পেয়েছে সবসময়। এটাই গুলতেকিনের বিশাল প্রাপ্তি। ইব্রাহিম খাঁ'র ধানমন্ডিতে যে বাড়ি ছিল, পরে ভাগ হয়ে ও যে ফ্ল্যাটটা পেয়েছিল, সেটাও ডিভোর্সের পরও হুমায়ূন আহমেদের দখলে, এখন সদর্পে শাওন বসবাস করছে। কেউ তাকে বলে নাই পৈতৃক সম্পত্তি বাড়িটি হাতছাড়া কোর না।

চারদিকে কান্ড কারখানা দেখে এমন বিশ্বাস তো কবেই আমাদের ভঙ্গ হয়ে গেছে। দার্শনিক টাইপের পুরা পরিবার। তারাও বুঝেন নি , এই প্রথিতযশা জামাইটি অমানুষ। এজন্য অমানুষ বলব, যেদিন গুলতেকিনকে ডিভোর্স দিয়েছে, সামান্য মনুষত্ব থাকলে সেদিনই 'দখিন হাওয়া' তার ছেড়ে দেয়া উচিত ছিল।
আহা গুলতেকিন, এক বুক কষ্ট নিয়ে এমন একটা নিষ্ঠুর মানুষের সংসার করেছে। তবে সৃষ্টিকর্তা তাকে উজাড় করে দিয়েছেন সোনার টুকরা চারটি সন্তান। যারা তাদের মাকে বুক দিয়ে আগলে রাখে।
আর বিধাতার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি মৃত ব্যক্তির নামে ক্ষোভ প্রকাশ করায়।

Tapasi Haque

যারা ফেসবুকে দিনে ২ ঘণ্টার বেশি সময় ব্যয় করেন, আমার ধারণা তাদের বেশির ভাগ মানুষ ফটোগ্রাফার শহিদুল আলমকে চেনেন না। আচ্ছ...
02/10/2025

যারা ফেসবুকে দিনে ২ ঘণ্টার বেশি সময় ব্যয় করেন, আমার ধারণা তাদের বেশির ভাগ মানুষ ফটোগ্রাফার শহিদুল আলমকে চেনেন না। আচ্ছা, না চিনলেও সমস্যা নেই। ঘটনাটা শোনেন।

Glob*al Su*mud নামে এক মিশনে নেমেছেন বিশ্বজুড়ে আলোচিত অ্যাক্টিভিস্টরা। এদের দলটি অনেকগুলো জাহাজে করে সমুদ্রপথে গা*জা উপকূলের দিকে যাচ্ছে।

গা*জার মানুষদের প্রতি আন্তর্জাতিক মনোযোগ টানা এবং মিডিয়ার কাছে সেখানে কী হচ্ছে সেটি। তুলে ধরা এই দলের মূল উদ্দেশ্য।

২০১০ সালের এমন এক অভিযানে প্রাণ দিয়েছিলেন কিছু অ্যাক্টিভিস্ট। এই দলের ক্ষেত্রেও তা হতে পারে। কিছুক্ষণ আগেই শুনলাম একটি জাহাজকে টার্গেট করা হয়েছে।

এই বিশ্ব বিখ্যাত অকুতোভয় মানুষদের দলে আছেন আমাদের বাংলাদেশের শহিদুল আলম।

Collected sabbir ahmed

টাকা আর সম্মান এক নয়।
21/09/2025

টাকা আর সম্মান এক নয়।

আজকে আমার বাসার হেল্পিং হ্যান্ড আসে নাই🤦‍♀️তাই আমি এভাবে কোনরকম মুরগির মাংস রান্না করেছি। আর অফিস শেষ করে আমার সাহেব বাস...
20/09/2025

আজকে আমার বাসার হেল্পিং হ্যান্ড আসে নাই🤦‍♀️

তাই আমি এভাবে কোনরকম মুরগির মাংস রান্না করেছি। আর অফিস শেষ করে আমার সাহেব বাসায় ঢুকেই বললো ভাত দাও,অনক ক্ষিদা লাগছে। তখন বুঝলাম তার মেজাজ গরম কারণ ইদানীং কাজের প্রেশার অনেক বেশি ।আর টেবিলে সবকিছু দিয়ে তাকে ডাক দিলাম আমিও যেয়ে পাশে বসলাম।

খাওয়ার মাঝখানে প্লেটে সে চুল পেল,আর চুলটাকে মেপে দেখল অনেক লম্বা চুল।তখন আমি বুঝলাম এটা আমার মাথার চুল😑

সে চুল হাতে নিয়ে আমার দিকে তাকালো তখন আমি তখন মনে করেছিলাম এইবার দিবে একটা ধমক কারণ আজকে তার মেজাজ একটুও ভালো না আর তার উপরে আবার খাবারে চুল পেয়েছে কিন্তু সে কিছুই না বলে চুলটা উল্টা সাইডে রেখে সুন্দর করে খাবার শেষ করে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিয়ে বললো তোমার চুল তো আমার অনেক ক পছন্দ তাহলে খাবারে এক দুইটা চুল থাকলে তো সমস্যা নেই,বুয়া যে আসে নাই তাও তুমি রান্না করছো
এতেই আমি খুশি।🥰

আপনারা যে বলেন না নারী কিসে আটকায়?

নারী হচ্ছে পুরুষের এমন ব্যবহারে আটকায়,আর সম্মানে আটকায়।এমন প্রতিটা নারী চায় তার স্বামী তার কাজকে এভাবে এপ্রিশিয়েট করবে ,এমনভাবে ভুল-ত্রুটি বাদ দিয়ে স্ত্রীর পরিশ্রমের কদর করুক।দোয়া করি আল্লাহ সব পুরুষের মানসিকতা এমন করে দিক।🤲
আমিন।

- কালেক্টেড

17/09/2025

একটি সুন্দর পরিবার শুরু হয় একজন ভালো পুরুষ দিয়ে। যখন একজন পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে ভালো ব্যবহার করে, তখন তা তার সন্তানদের উপর প্রভাব ফেলে এবং পুরো পরিবার আশীর্বাদপ্রাপ্ত হয়!

ছোট বেলা বুঝতাম যারা বড়লোক তাদের ঘরে এটা থাকে। হায়রে শৈশব 😁😁
06/08/2025

ছোট বেলা বুঝতাম যারা বড়লোক
তাদের ঘরে এটা থাকে। হায়রে শৈশব 😁😁

একজন স্বামী প্রতিটা কাজে স্ত্রীর খুঁত ধরেন।খুব সাধারণ বিষয়ে বিশ্রীভাবে বকাঝকা করেন।এমনকি মাঝে মাঝে গায়ে হাত তোলার জন্য ত...
14/07/2025

একজন স্বামী প্রতিটা কাজে স্ত্রীর খুঁত ধরেন।

খুব সাধারণ বিষয়ে বিশ্রীভাবে বকাঝকা করেন।

এমনকি মাঝে মাঝে গায়ে হাত তোলার জন্য তেড়ে আসেন। স্ত্রীর বলা প্রতিটি কথা এবং কাজ যেন ভুলে ভর্তি। খাবার দিতে এক মিনিট দেরী হলে ক্রুদ্ধ হয়ে স্বামী চলে যান। আবার ফিরার আগেও বলেন না। কোনো রুটিন নেই। যখন-তখন ঘরে ফিরে একই ব্যবহার করেন।

ভয়ে কুঁকড়ে থাকা স্ত্রী তার সন্তানকে পড়তে বসার কথা বললেও দোষ। স্বামীর কথা, "সারাক্ষণ পড়ার কথা বলতে হবে কেন?" আবার পড়ার কথা না বললেও দোষ। "ঘরে থেকে বাচ্চাকে কেন পড়াতে পারবে না? এতো কীসের কাজ?"

বাচ্চা দুষ্টুমি করলেও স্ত্রীর দোষ। আবার চুপচাপ থাকলে-ও দোষ। শাসন করলেও দোষ। তবে স্বামী সবকিছু করতে পারবেন। স্ত্রী-সন্তানদের প্রতি সম্পূর্ণ অধিকার দেখিয়ে মারতেও পারবেন। আর স্ত্রী মানেই দোষে ভরপুর একটি মানুষ। যার ভুল-ভ্রান্তি ছাড়া আরকিছুই নজরে পড়ে না। কথায় কথায় আবার ছেড়ে দেওয়ার হুমকি!

সহ্যসীমা পাড় করে একদিন স্ত্রী স্বে-চ্ছায় বিচ্ছেদ চাইলেন। কিন্তু, স্বামী ছাড়তে নারাজ। কপাল কুঁচকে বলেন, "সন্তানদের কী হবে? এ কেমন মা যে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চায়!"

কোমলমতি স্ত্রী এই বিষাক্ততা পুনরায় সহ্য করতে লাগলেন। কিন্তু, স্বামীর পরিবর্তন হলো না৷ তিনি ছাড়বেনও না, ধরবেনও না। আবার ভালো ব্যবহারও করবেন না। সারাক্ষণ রাগ-ক্ষোভ, বিরক্তি এবং হিংস্র আচরণ করেও চান স্ত্রী তার সাথে থাকুক।

এ পৃথিবীতে এমন স্ত্রীদের অভাব নেই, যারা দিনের পর দিন একটা টক্সিক মানুষকে সহ্য করে যাচ্ছেন। তিনি জানেন মানুষটি শুধরাবে না, তবুও সন্তানের দিকে তাকিয়ে সবটুকু মেনে নেন। যেন সন্তান তার বাবাকে না হারায়। অথচ, এসব বাবারা কিন্তু কখনোই সন্তানের প্রতি টান দেখান না।

উল্লেখিত ঘটনার এই নারী বর্তমানে বাইপোলার ডিসওর্ডারে আক্রান্ত। যা নিরাময়অযোগ্য। এই নারী এখন না সুখ বুঝেন, আর না তো দুঃখ। হাসতে হাসতে কান্না করে ফেলেন, আবার কাঁদতে কাঁদতে হাসেন। রাত কাটে তার টক্সিক মূহুর্ত স্মরণ করে। নিজের জীবনের প্রতি এতোটাই বিতৃষ্ণা, বিষাদ জমেছে যে, মৃত্যুকে তার মুক্তি বলে মনে হয়।

এই ধরণের রোগীরা সুযোগ পেলে পরিশেষে মৃত্যুকেই বেছে নেয়।

দুঃখজনকভাবে অসুস্থ স্ত্রী এখন স্বামীর বোঝা। এখনো সেই আগের মতো স্বামী তার টক্সিক আচরণ ধরে রেখেছেন। তবে স্ত্রীও আগের মতো কুঁকড়ে নেই। যে কোনো মূহুর্তে স্বামীকে ছাড়তে তিনি প্রস্তুত। তবুও তাদেরকে একসাথে থাকতে হচ্ছে। পারিবারিকভাবে এই বিচ্ছেদ কখনোই সম্ভবপর নয়। স্বামীও তা চান না।

এতকিছুর পরেও স্বামীর আচরণ আর বদলায় নি। তিনি স্ত্রীকে রাখতে চান, কিন্তু ভালো ব্যবহার ও ভালোবাসা দেখাতে পারবেন না। জগতের সবকিছু দিয়ে হলেও স্ত্রীকে পাশে দেখতে চান, তবে স্ত্রীকে একটু মানসিক শান্তি দিতে পারবেন না। এমনকি এই যে তার ধরে রাখার চেষ্টা, এটাও স্ত্রীকে বুঝতে দেন না।

টক্সিক পার্সন বরাবরই ভয়ংকর এবং বিপদজনক এক অভিশপ্তের নাম। সময়মতো তা প্রতিহত করতে না পারলে এরা একটা মানুষকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়। অন্যকে মানসিকভাবে অত্যাচার করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে এরা নিজের সুখ-শান্তি উপড়ে ফেলতেও পিছ পা হয় না😔😔

Copy post

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syeda's timeline posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share