21/06/2024
কথায় আছে সত মানুষ কষ্ট দিলেও কষ্ট মনে হয় না যদি স্বামী পাশে থাকে। মেয়েটা কিন্তু বলেছে আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। কখনো বলেনি তুমি আমাকে ভালোবাসো বলেছে তোমার যখন চাকরি ছিলোনা আমি তোমাকে ছেড়ে যাই নাই এ কথাই বোঝা যায় চাকরি হওয়ার পর বউকে কতটা অবহেলা করেছে। আরও বলেছে যাকে নতুন জীবন সঙ্গী করে আনবে তাকে একটু সময় দিও মূল্য দিও তাহলে বলুন স্বামী যদি ভালোবাসতো তাহলে কোন দিন মেয়েটা আত্মহত্যা করতো না। মেয়েটা তার স্বামীকে যথেষ্ট ভালোবাসে বলেই তার দোষ দিয়ে গেল না।
তবে আসল দোষ তার স্বামীরই।কারণ একটা মেয়ের বিয়ের পর তার স্বামীই সব হয়।সে যদি রেমিকে মানসিক ভাবে সাপোর্ট আর এটেনশন দিতো,আর তার মর্যাদা শ্বশুড়বাড়িতে সুনিশ্চিত করতো।আজ মেয়েটার এমন অবস্থা হতো না।কারণ একটা মেয়ের বিয়ের পর তার বাবার বাড়ি আর বাবা মা বিষয়টা এতটা মেটার করে না। যদি স্বামী ঠিক থাকতো তাহলে সব ঠিক।
ছয় বছর থেকে কষ্ট করছে মা বাবার আদোর ভালোবাসা পায়নি। বিয়ের পর কোন মেয়ে মা বাবার ভালোবাসার অভাবে আত্মহত্যা করে না। জীবনে সবার অবহেলা সহ্য করেছে তাই স্বামীর অবহেলা সইতে পারে নাই। মেয়েটা তার স্বামীকে অনেক ভালোবাসতো তাই মরে গিয়ে ও স্বামীকে কষ্ট দিতে চায় নাই তাই তার বাবাকে অনুরোধ করেছে যেন তার স্বামীর নামে মামলা না করে। সব শেষে বলবো আত্মহত্যা কোন সমাধান হতে পারে না, মেয়েকে নিয়ে আলাদা হয়ে নীজের মতো করে বাচার চেষ্টা করতে পারতে। তাহলে ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু হতো।