21/01/2026
**সত্যের জয়: ইতিহাস স্বাক্ষী, ভাসানচর (ঠেঙ্গারচর) সন্দ্বীপেরই ছিল, সন্দ্বীপেরই আছে! 🏝️🔥** কথায় আছে— *"ঢোলের বাড়ি কাপড়ের তলে আবদ্ধ করে রাখা যায় না"*, তেমনি সত্যকেও কোনোদিন ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায় না। দীর্ঘ ১০ বছরের বঞ্চনা আর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে অবশেষে সন্দ্বীপের মানচিত্রে ফিরলো আমাদের প্রাণের ভাসানচর (ঠেঙ্গারচর)। **📜 একটু ইতিহাস থেকে জেনে নিন:** ২০০৭ সালে যখন এই চরটি প্রথম দৃশ্যমান হয়, তখন এর নাম ছিল **'ঠেঙ্গারচর'**। সেই সময় থেকেই **চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলা প্রশাসন** এই চরে বনায়নের কাজ শুরু করেছিল। সন্দ্বীপের মানুষের ঘাম আর শ্রমে গড়ে ওঠা সেই বনভূমিই আজ সন্দ্বীপের দাবিকে জোরালো করেছে। **⚠️ ২০১৭-এর সেই কালো অধ্যায়:** কিন্তু ২০১৭ সালে এসে তৎকালীন রাজনৈতিক অপশক্তির প্রভাবে (ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে) গায়ের জোরে এই চরকে সন্দ্বীপের থেকে বিচ্ছিন্ন করে নোয়াখালীর হাতিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সন্দ্বীপের মানুষের মুখের গ্রাস কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তখন। কিন্তু আমরা দমে যাইনি। **✅ আজকের বিজয়:** ২০২৬ সালের ১৮ জানুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত চিঠির মাধ্যমে প্রমাণিত হলো— ভাসানচর ঐতিহাসিকভাবেই সন্দ্বীপের **ন্যায়মস্তি ইউনিয়নের** অংশ। সিএস ও আরএস রেকর্ড এবং জিআইএস ম্যাপ পর্যালোচনা করে মন্ত্রণালয় এই ঐতিহাসিক ভুল সংশোধন করেছে। **✊ স্যালুট সন্দ্বীপের সংগ্রামী জনতাকে:** ধন্যবাদ জানাই সন্দ্বীপের সেই সচেতন মানুষদের, যারা গত ১০ বছর ধরে নিজেদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি রক্ষার এই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে **'বাপ-দাদা ভিটামাটি রক্ষা আন্দোলন'**-এর সকল লড়াকু সৈনিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলেই আজ বাংলাদেশের মানচিত্রে সন্দ্বীপ তার সঠিক অধিকার ফিরে পেল।