Movie Stu.2024

  • Home
  • Movie Stu.2024

Movie Stu.2024 Movie Stu.2024 :Stay and tune every day . With entertainment and enjoyment

Solve the math without using calculator 👇
01/08/2025

Solve the math without using calculator 👇

Movie Stu.2024
29/07/2025

Movie Stu.2024

furious 7 jumping clip with Rider song Stay tune . Like , subscribe and comment for more videos .Good Bye .2024

অন্ধকারের আর্তনাদগ্রামের নাম শ্যামপুর। বর্ষার শেষ, চারদিকে থমথমে অন্ধকার। বিদ্যুৎ নেই, শুধু ঝিঁঝি পোকার একটানা ডাক আর ভে...
09/04/2025

অন্ধকারের আর্তনাদ

গ্রামের নাম শ্যামপুর। বর্ষার শেষ, চারদিকে থমথমে অন্ধকার। বিদ্যুৎ নেই, শুধু ঝিঁঝি পোকার একটানা ডাক আর ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ। রহমত আলী, বৃদ্ধ কৃষক, দাওয়ায় বসে তামাক টানছিলেন। রাত গভীর, বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে।

হঠাৎ, দূরে একটা করুণ yআর্তনাদ ভেসে এলো। বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠলো রহমত আলীর। এমন কান্না তিনি আগে কখনো শোনেননি – যেন কোনো পশুর নয়, আবার মানুষেরও নয়। কেমন যেন গলায় আটকে আসা গোঙানির মতো।

তিনি কান খাড়া করে রইলেন। কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর আবার সেই আর্তনাদ, তবে এবার যেন আরও কাছে। রহমত আলীর সারা শরীর হিম হয়ে এলো। পুরনো দিনের কথা মনে পড়লো – গ্রামের elders রা বলতেন, অমাবস্যার রাতে নাকি বনবিবি রুষ্ট হলে এমন আওয়াজ বের হয়। কেউ যেন একা বাইরে না বের হয়।

সাহস করে রহমত আলী লাঠিটা হাতে নিলেন। উঠোনে নেমে চারদিকে তাকালেন। কিছুই দেখা যাচ্ছে না, নিকষ কালো অন্ধকার। শুধু বাঁশঝাড়ের পাতাগুলো বাতাসে তিরতির করে কাঁপছে।

আবার সেই আর্তনাদ। এবার মনে হলো যেন বাড়ির পেছনের পুকুর পাড় থেকে আসছে। রহমত আলীর পায়ের পাতা ঠান্ডা হয়ে গেল। পুকুর পাড়ে তো কারো যাওয়ার কথা না। ছোট খোকাটাকেও আজ কেমন যেন অন্যমনস্ক লাগছিল।

ধীরে ধীরে, টলতে টলতে রহমত আলী পুকুর পাড়ের দিকে এগোলেন। বুকের ভেতর ধুকপুক করছে। হাতে ধরা লাঠিটা ঘামাচি ধরা হাতের মুঠোয় শক্ত করে ধরেছেন।

পুকুর পাড়ে পৌঁছে তিনি থমকে দাঁড়ালেন। আবছা অন্ধকারে পুকুরের কালো জল চিকচিক করছে। আর জলের ঠিক মাঝখানে...

রহমত আলীর চোখ বিস্ফারিত হলো। যা দেখলেন, তা কোনো দুঃস্বপ্নেও দেখা যায় না। জলের উপর, একটি অস্পষ্ট, লম্বাটে ছায়া ভাসছে। তার শরীর থেকে দুর্বল আলো ঠিকরে বের হচ্ছে, আর সেই আলোয় দেখা যাচ্ছে বীভৎস এক মুখ – লম্বাটে, চোখগুলো কোটর থেকে ঠেলে বেরিয়ে আসা, আর মুখের দুপাশে ধারালো দাঁতের সারি।

আর সেই ছায়া থেকেই ভেসে আসছে সেই করুণ, বুকফাটা আর্তনাদ।

রহমত আলীর হাত থেকে লাঠি পড়ে গেল। তিনি পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন, কথা বলার শক্তিও হারিয়ে ফেলেছেন। তার মনে হলো, বনবিবি নয়, এ যেন আরও ভয়ংকর কিছু – কোনো অভিশাপ, কোনো পিশাচ।

ছায়াটা ধীরে ধীরে জলের নিচে ডুবতে শুরু করলো। আর্তনাদটা ক্ষীণ হয়ে মিলিয়ে গেল অন্ধকারের সাথে।

রহমত আলী বহুক্ষণ পুকুর পাড়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। তারপর, কোনোমতে টলতে টলতে ঘরে ফিরে দরজা বন্ধ করে দিলেন। সারা রাত তিনি ঘুমাতে পারলেন না। শুধু সেই বীভৎস মুখ আর কান্নার আওয়াজ তার মনে ঘুরতে লাগলো।

সকাল হলো। গ্রামের মানুষজন পুকুর পাড়ে ভিড় করলো। রাতে রহমত আলী যা দেখেছিলেন, তা তিনি কাউকে বলতে সাহস পাননি। শুধু তার চোখের আতঙ্ক আর ফ্যাকাসে মুখ দেখেই সবাই বুঝতে পারছিল, রাতে নিশ্চয়ই কিছু ভয়ংকর ঘটেছিল।

পুকুরের জল শান্ত। রোদের আলোয় চারদিক ঝলমল করছে। কিন্তু রহমত আলীর মনে সেই রাতের অন্ধকারের আর্তনাদ আজও প্রতিধ্বনিত হয়। তিনি জানেন, শ্যামপুরের পুকুরে আজও কিছু ভয়ংকর লুকিয়ে আছে, যা রাতের অন্ধকারে আবার জেগে উঠবে।



Copied

"🐸 Explore the amazing frog life cycle! From tadpoles to hoppers, nature's wonders unfold. 🌿      "
03/02/2025

"🐸 Explore the amazing frog life cycle! From tadpoles to hoppers, nature's wonders unfold. 🌿 "

Sea life
11/01/2025

Sea life

The Evil Inside | Horrible Short Film in 2024
07/01/2025

The Evil Inside | Horrible Short Film in 2024

It is my New Chanel Stu.2024 "The Evil Inside" is a terrifying short film that will leave you questioning what lurks in the shadows. Watch to find ou...

Royal Eagle
01/01/2025

Royal Eagle

01/11/2024

উপুড় হয়ে ঘুমিয়ে ক্ষতি ডেকে আনছেন না তো?

ঘুমের অভ্যাস একেকজনের একেকরকম। কেউ কাত হয়ে ঘুমাতে ভালোবাসেন, কেউ আবার চিৎ হয়ে। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা উপুর হয়ে ঘুমাতে বেশি পছন্দ করেন। ভালো এবং পর্যাপ্ত ঘুম আমাদের সবার জন্যই জরুরি। আর ভালো ঘুমের জন্য মেনে চলতে হয় কিছু অভ্যাস। আচ্ছা, আপনার কীভাবে ঘুমান? আপনার কি উপুড় হয়ে ঘুমোনার অভ্যাস? আপনি কি জানেন, এই অভ্যাসের ফলে কী হয়?

উপুড় হয়ে বই পড়তে পড়তে বা গান শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়েন অনেকে। এভাবে ঘুমোনোর ফলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই কিন্তু এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরের ওপর। সেটি কি আসলে ভালো নাকি ক্ষতিকর? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিত যদি আপনি উপুড় হয়ে ঘুমান তাহলে আপনার মেরুদণ্ড, ফুসফুসের উপর চাপ পড়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে শরীরের বিশ্রাম ও ঘুমের ওপরও বেশ প্রভাব পড়ে। বিশেষজ্ঞরা তাই উপুড় হয়ে ঘুমানোর বদলে চিৎ হয়ে বা পাশ ফিরে ঘুমানোর পরামর্শ দেন। এটাই বরং বেশি উপকারী।

উপুড় হয়ে ঘুমানোর ফলে আমাদের মেরুদণ্ড বা অন্ত্রে চাপ পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে উপুড় হয়ে ঘুমানোর অভ্যাসের ফলে আমাদের ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হতে পারে। যে কারণে বেশিরভাগ সময়েই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। আর পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শারীরিক নানা জটিলতাও দেখা দিতে পারে।

উপুড় হয়ে ঘুমানোর কারণে দেখা দিতে পারে কোমরে সমস্যাও। আপনার যদি এভাবে ঘুমের অভ্যাস থাকে তবে খেয়াল করে দেখুন, মাঝেমাঝেই আপনি কোমার ব্যথায় ভুগছেন কি না। সেইসঙ্গে হতে পারে আরেকটি অদ্ভুত সমস্যা, সেটি হলো ত্বকের। উপুড় হয়ে ঘুমানোর ফলে মুখের ত্বক রুক্ষ এবং শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এদিকেও নজর দিন।

stu.2024

09/10/2024

সাহাবিদের যুগে বিয়ে🤵‍♂️👰

সাহাবিদের যুগে বিয়ে ছিল বেশ বৈচিত্র্যময়। বিয়ের আয়োজন ছিল সাদামাটা, প্রস্তুতি ছিল মাত্র কয়েক ঘণ্টার। সকালবেলা একজন সাহাবি ছিলেন অবিবাহিত। কবে বিয়ে করবেন, কাকে বিয়ে করবেন, সেটা সকালেও জানা ছিল না। সন্ধ্যায় তিনি সংসার শুরু করতেন! বিয়ের কারণে পাড়াপড়শির নির্ঘুম বিরক্তি সাহাবিদের যুগে ছিল না।

বিয়ের প্রথম ধাপ হচ্ছে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া। পুরুষ সাহাবিরা নিজেদের বিয়ের প্রস্তাব সরাসরি পাত্রীপক্ষের কাছে নিয়ে যেতেন। আলী ইবনে আবি তালিব (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে নিজের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যান। তিনি প্রথমে সংকোচ বোধ করলে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে অভয় দেন। এরপর নবী–কন্যা ফাতেমাকে (রা.) বিয়ে করেন আলী (রা.)।

সম্ভ্রান্ত নারীরাও কারও মাধ্যমে নিজেদের বিয়ের প্রস্তাব পাঠাতে পারতেন। খাদিজা (রা.) তাঁর বান্ধবী নাফিসা (রা.)-র মাধ্যমে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। এমনকি কয়েকজন নারী সাহাবিও সরাসরি এসে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এমন একজন প্রস্তাবকারী ছিলেন খাওলা বিনতে হাকিম (রা.)। তাঁর স্বামী উসমান ইবনে মাজউন (রা.) ইন্তেকালের পর তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে বিয়ে করেননি।

একজন নারীর রাসুল (সা.)–কে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনা চৌদ্দ শ বছর পর বিস্ময়কর মনে হতে পারে, কিন্তু সাহাবিদের সময় এটা ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। তবে সাহাবিরা যখন তাঁদের সন্তানদের কাছে ঘটনাটি বলেন, তাঁরা অবাক বিস্ময়ে জিজ্ঞাসা করেন, সেই নারী কীভাবে রাসুল (সা.)–কে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন!

নারীরা নিজেদের বিয়ে নিয়ে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারতেন। কোনো কারণে পাত্র পছন্দ না হলে ‘না’ করে দিতে পারতেন। পাত্র ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক মর্যাদার অধিকারী হলেও নারীদের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হতো।

ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবি, খলিফাতুল মুসলিমিন। তিনি আবু বকর (রা.)-র মেয়ে উম্মে কুলসুম (রাহি.)-কে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু ওমরের (রা.) মেজাজের কারণে সে নারী বিয়েতে রাজি না হয়ে সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। ওমর ইবনুল খাত্তাব পরে অন্য এক উম্মে কুলসুমকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন আলীর (রা.) মেয়ে উম্মে কুলসুম বিনতে আলী (রাহি.)।

সাহাবিদের বিয়েতে প্রথমদিকে মোহরানা অনেক কম ছিল। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) খলিফা হওয়ার পর মুসলমানদের অর্থনৈতিক জীবনে আমূল পরিবর্তন আসে। তখন বিয়েতে মোহরানার পরিমাণ বেড়ে যায়। খলিফা মোহরানা কমানোর জন্য রাষ্ট্রীয় ফরমান জারি করতে চেয়েছিলেন। তাতে এক নারী আপত্তি জানান। তিনি কোরআনের একটি আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, এটা তিনি করতে পারেন না। খলিফা সেই নারীর আপত্তি আমলে নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ মোহরানা নির্ধারণ করা থেকে বিরত থাকেন।

তিনি উম্মে কুলসুম বিনতে আলীকে বিয়ে করার সময় মোহরানা হিসেবে ৪০ হাজার দিরহাম দেন। সাহাবিদের যুগে ১২ দিরহাম দিয়ে একটি ভেড়া কেনা যেত।

সাহাবিদের মধ্যে অন্যতম ধনী সাহাবি আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) স্ত্রীকে মোহরানা বাবদ ৩০ হাজার দিরহাম দিয়েছিলেন।

সাবিত ইবনে কায়স (রা.) তাঁর স্ত্রীকে মোহরানা হিসেবে একটি বাগান দেন, যা সেই যুগ হিসেবে মোটা অঙ্কের মোহরানা।

সাহাবিদের যুগে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছিল সীমিত। এ কারণে বিয়ে ছিল সহজ। বিয়েতে সবাইকে দাওয়াত দিতে হবে, না দিলে কে কী মনে করবেন—এমন মনোভাব তখন ছিল না। রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সাহাবিদের কাছে সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তি। তাই বলে রাসুলুল্লাহকে (সা.) প্রত্যেক সাহাবিই বাধ্যতামূলকভাবে বিয়েতে দাওয়াত দিতেন না। কখনো কখনো এমনও হতো, কোনো সাহাবির বিয়ের কয়েক দিন পর রাসুলুল্লাহ (সা.) সে খবর পেতেন। এমনটা হয়েছিল আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) এবং জাবির ইবনে আব্দিল্লাহ (রা.)-র সঙ্গে।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-ও মোটেই এ প্রত্যাশা করতেন না যে প্রত্যেক সাহাবিই তাঁকে বিয়ের দাওয়াত দেবেন বা তাঁকে জানিয়ে বিয়ে করবেন। এ যুগে যেসব সামাজিক বাধ্যবাধকতার মধ্য দিয়ে আমরা বিয়ের আয়োজন করি, সে সময় মোটেও সেসব ছিল না।
Collected


29/09/2024

DON Escape Clip

05/08/2024

official Trailer

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Movie Stu.2024 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share