Dakhina

Dakhina দক্ষিন হতে দেশের ডাক; সৃজনশীল বাংলা প্

08/09/2026

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১ তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন ড. খলিলুর রহমান

রোহিঙ্গা গণহত্যার আট বছর: আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা ও উত্তরণের পথ
26/08/2026

রোহিঙ্গা গণহত্যার আট বছর: আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা ও উত্তরণের পথ

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর ভয়াবহ নির্যাতন ও গণহত্যার পর প্রায় সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংল....

18/08/2026

বৃষ্টি ভেজা গণঅভ্যুত্থান…: পূর্বদেশ, ১৮.০৮.২০২৬

বৃষ্টি ভেজা গণঅভ্যুত্থান: এ এক নতুন বাংলাদেশ
18/08/2026

বৃষ্টি ভেজা গণঅভ্যুত্থান: এ এক নতুন বাংলাদেশ

বাংলাদেশি ভাবনা ও একটা সত্য ঘটনা ।আরিফুল হক ।আমার জীবনের একাংশ জুড়ে আছে ; আমি চলচ্চিত্রাভিনেতা । বাংলাদেশেই প্রায় ৩০০ শ...
15/07/2026

বাংলাদেশি ভাবনা ও একটা সত্য ঘটনা ।
আরিফুল হক ।

আমার জীবনের একাংশ জুড়ে আছে ; আমি চলচ্চিত্রাভিনেতা । বাংলাদেশেই প্রায় ৩০০ শতের মত ছবিতে অভিনয় করেছি । আমি খুব বেছে বেছে ভাল গল্পের ভাল ছবিতে কাজ করার চেষ্টা করতাম । বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেকটি গুনীনির্মাতা,পরিচালকের সংগে কাজ করার এবং সম্মানজনক সখ্যতা আমার আছে । আজকের ঘটনাটি একটি ছবিকে কেন্দ্র করেই । যারা আমার অভিনেতা পরিচয় জানেননা বা ভুলে গেছেন তাদের জন্য ছোট্ট পরিচিতিটুকু দিয়ে মূল ঘটনায় যাই !

বাংলাদেশের একজন নামকরা পরিচালকের আউটডোর সুটিং এর কাজে আমাকে একবার নদী নালায় ঘেরা অপূর্ব একটি গ্রামে গিয়ে কয়েকদিন থাকতে হয়েছিল ! গ্রামটি ছিল ভারতীয় সীমান্তবর্তী এবং নিম্নবর্ণের তফসিলী হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চল । এখানে নিম্নবর্ণের হিন্দুরা বাস করলেও সকলেই ছিলেন উচ্চশিক্ষিত । ওরা রসিকতা করে বলতেন ‘এ গ্রামের ভিখারিও এম এ পাশ’ ! সত্যিই তাই !

গ্রামটির শিক্ষার ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের । ঐ গ্রামে একটি কলেজ আছে যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সে যুগের কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সালার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ।

আমাদের আউটডোর সুটিং টিমে নায়ক নায়িকা (বিশেষ কারনে নাম উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকছি) সকলেই ছিল । এবং সকলের থাকার মত সুব্যবস্থাও করা হয়েছিল ।

ওখানে গিয়ে লক্ষ্য করলাম নামকরা চলচ্চিত্রাভিনেতাদের চাইতে টিভি অভিনেতা হিসেবে আমার পরিচিতি যেন বেশি ! ঐ গ্রামে সিনেমা হল ছিল কিনা জানিনা , তবে প্রায় প্রত্যেক বাড়ীতে যে টিভি ছিল, সেটা পরে টের পেয়েছিলাম । হয়ত সেই কারনেই গ্রামবাসী আমাকে দেখার জন্য ভিড় জমাতে লাগলো ।

কিছুক্ষন পরই ডাইরেক্টর সাহেব অল্প বয়সী এক তরুনকে সাথে নিয়ে এসে বললেন ‘আরিফ ভাই ! এখানে আমাদের সাথে আপনার থাকা হবেনা । জিজ্ঞেস করলাম কেন ? উনি হেসে বললেন আপনিতো এখানকার হিরো ,দেখছেননা ভক্তদের ভীড় ! এই কুঁড়ে ঘরে কি আপনার ভক্তরা থাকতে দেবে আপনাকে ! এই ছেলেটি এসেছে তাদের বাড়ীতে আপনাকে রাখার বায়না নিয়ে । আমি যেতে চাইলাম না ! ডাইরেক্টর সাহেব বললেন ছেলেটির পিতা এখানকার স্কুলের হেডমাস্টার, খুবই সম্ভ্রান্ত এবং সকলের শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি। আপনি তাঁর খুব পছন্দের মানুষ, এই দেখুন চিঠি লিখে ছেলেকে পাঠিয়েছে । যান ! ওখানে ভাল লাগবে আপনার ।

ছেলেটির অনুরোধ এবং ডাইরেক্টর সাহেবের নির্দেশে গিয়ে উঠলাম হেডমাষ্টার সাহেবের বাড়ীতে ।

হেডমাস্টার সাহেব ছিলেন হিন্দু সিডিউল কাস্ট ভূক্ত। এবং বাংলাদেশ সিডিউল কাষ্ট হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি । অনেকখানি জায়গা নিয়ে মাটির প্লিন্থের উপর বেশ বড় চার কামরার টিনের বাড়ী । সামনে, আম, কাঁঠাল,আতা, বেল জাম গাছের ছায়া ঘেরা এক খন্ড প্রশস্ত উঠান । পরিস্কার লেপা মোছা ছবিরমত বাড়ীটা । হেডমাষ্টার সাহেব, তার স্ত্রী আর দুই ছেলে ! এক ছেলে বিদেশে পড়ছে, সাথে এক কলেজ পড়ুয়া ছেলে নিয়ে তিনি এই বাড়িতে বাস করেন । এরা সকলেই অমায়িক, মিশুক, এবং দিলখোলা মানুষ ! বাড়ীতে আসার সাথে সাথে সকলে যেন আপন মানুষ হয়ে গেলেন। সুটিং এর অবসরকালীন সময়টা ওনাদের সংঙ্গে, এবং গ্রামের অন্যান্য মানুষের সাথে আলাপচারীতা, গানে গল্পে বেশ আনন্দেই সময় কাটতে লাগলো ।

একদিন সন্ধ্যায় সুটিং থেকে ফিরে দেখি হেডমাস্টার সাহেবের উঠানে বেশ কিছু মানুষ জড় হয়েছে । তাদের মধ্যে কিছু আগন্তুক যাঁদের হাতে ছিল পোস্টার আর লিফলেট । আমাকে দেখে হেডমাস্টার সাহেব বললেন আপনিও আসুন !

এখানে বলে রাখি , গ্রামটি ভারতীয় সীমান্তবর্তী হওয়ায় এখানের মানুষ পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই এপার ওপার যাওয়া আসা করতে পারতো । যে কারনে এই গ্রামে স্বাধীন বঙ্গভূমি নামক বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বেশ তত্পরতা ছিল ।

আমি দেখলাম,বাইরে থেকে আসা আগন্তুকরা তাদের লিফলেট এবংপ্রচার পুস্তিকা বিতরন করার পর বোঝাতে লাগলেন কেন তারা বাংলাদেশের দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চল জুড়ে অর্থাৎ বরিশাল, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া ফরিদপুর , পাবনা , দিনাজপুর নিয়ে স্বাধীন বঙ্গভূমি নামক হিন্দুরাজ্য গড়ে তুলতে চায় । আমি ওখানে গিয়ে একটু ঘাবড়ে গিয়েছিলাম ! যাইহোক !
আগন্তুকদের দীর্ঘ বর্ত্তৃতা শেষ হবার পর তারা হেডমাষ্টার সাহেবের মতামত জাানতে চাইলেন।

হেড মাস্টার সাহেব বললেন, আমার মতামত নয়। কিছু প্রশ্ন আছে আপনাদের কাছে । করতে পারি ? তারা বললো অবশ্যই , করুন !

হেডমাষ্টার সাহেব বললেন, আমার প্রথম প্রশ্ন হল, আপনাদের কথিত বঙ্গভূমির সাথে কি পশ্চিমবঙ্গের স্বাধীনতাও যুক্ত আছে ? নাকি , বাংলাদেশের কিছু অঞ্চল বিচ্ছিন্ন করে ভারত ভুক্তির কথা ভাবছেন ?

বঙ্গভূমির বক্তারা একটু হতচকিত হয়ে গেলেন ! বললেন পূর্ববাংলা থেকে বাড়ীঘর ফেলে যারা পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে তাদের বসবাসের জন্য বাংলাদেশ থেকে কিছু অঞ্চল কেটে নিয়ে আমরা স্বাধীন বঙ্গ ভুমি রাজ্য গঠন করতে চাই ।

হেডমাষ্টার সাহেব বললেন , আমি দেখতে পাচ্ছি , ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হিন্দুবঙ্গ চাওয়ার কারনে, বিশাল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য আজ আর্য-ভারতের হাতে বন্দী হয়ে আছে । আপনারা কি মনে করেন আপনাদের ক্ষুদ্র দূর্বল স্বাধীন বঙ্গভূমি রাজ্য স্বাধীন অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকতে পারবে ?

ভারতের থাবা থেকে বর্তমান বাংলাদেশ রাজ্যটিই যখন স্বাধীনতা রক্ষা করতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন আপনাদের ক্ষুদ্র রাজ্য স্বাধীন বঙ্গভূমি ,স্থাধীন থাকতে পারবে কি করে ?

আমার পরের প্রশ্ন -
জন্মলগ্ন থেকেই ভারতবর্ষের জণস্ংখ্যার মাত্র তিনভাগ ব্রাহ্মণ। সেই ব্রাহ্মণদের হাতে ভারত শাসিত হয়ে আসছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে তাকে ব্রাহ্মণ হতেই হবে এ যেন এক অলিখিত বিধান ! ভারতে নিম্নবর্ণের হিন্দুদের কোন মর্যাদাই নেই ।

বর্তমান বাংলাদেশের আমরা অধিকাংশ হিন্দু নিম্নবর্ণ তফসীলি সম্প্রদায়ভুক্ত হিন্দু বাস করি, তাদের টেনে নিয়ে ভারতের সাথে জুড়ে দিলে পুনরায় তারা ভারতীয় ব্রাহ্মণদের দাস হয়ে পড়বেনা কি?

যতদূর জানি আপনারাও তো দাস এবং মালাকার শ্রেনীভূক্ত নিম্নবর্ণের হিন্দু । ভারতীয় আইনে আপনাদের জন্য কি সুযোগ সুবিধা রাখা হয়েছে আমাদের একটু বলতে পারবেন কি ?

দেখুন আমারও বয়স হয়েছে । আমার অভিজ্ঞতা থেকে এখানে উপস্থিত সকলের জন্য কয়েকটা কথা বলি ।
বাংলাদেশের এই গাঙ্গেয় বদ্বীপ অঞ্চলে আদিকাল থেকেই নিম্নবর্নের হিন্দু অর্থাৎ জেলে, মাঝি কামার কুমার, ছুতার ,লোহার, চামার, ধোপা, রজক, প্রমানিক, রাজবংশী, কেয়ট, মালাকার , দাস প্রভৃতি নমঃশূদ্র শ্রেনীর অধিবাস । ভারত যাঁদের তফসিলি আখ্যা দিয়েছে , সেই নিম্ন শ্রেনীর তফসিলি সম্প্রদায়ের হিন্দুরাই এখানে শতকরা ৯৫ জন । বাংলাদেশে জাতপাতের বিভেদ না থাকায়, এই নিম্নবর্ণের হিন্দুরা এখানকার সংখ্যাগুরু মুসলমানদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে সমমর্যাদা নিয়ে বাস করে আসছে ।

যেমন ধরুন, আমি নিজে একজন তফসিলি সম্প্রদায়ের হিন্দু হয়েও এখানে স্কুলের হেডমাষ্টার । আমার কাছে উচ্চবর্ণের হিন্দু-মুসলমান উভয় ছাত্রই পাঠ নিচ্ছে , কেউ অসম্মানের দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে না । তাছাড়া আমার এক ছেলে স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়তে গেছে । সে ক্ষেত্রেও জাত-বর্নের প্রশ্ন ওঠেনি । আপনারাই বলুন নিম্নবর্ণের হিন্দুদের জন্য বিশাল ভারতে এই সুযোগ কি আছে ?

আমাকে ১মিনট সময় দেন, বলে তিনি রুমে গিয়ে কয়েকটা পুরানো খবরের কাগজ নিয়ে এসে দেখিয়ে বললেন আপনাদের সবার অবগতির জন্য এই ভারতীয় প্রত্রিকা থেকেই কয়েকটি স্ট্যাটিসটিকস তুলে ধরতে চাই। নয়াদিল্লী থেকে এ এফ পি পরিবেশিত এক খবরের উদ্ধৃতি তুলে তিনি বললেন গত ২৩-৮-৯৭ তারিখে এএফপি জানাচ্ছে যে, ( যেখানে নিম্নবর্নের হিন্দু সরকার গঠিত হয়েছে) উচ্চবর্ণের হিন্দুরা নিম্নবর্ণের হিন্দুদের মন্দিরে প্রবেশ করতে দেয়নি । সুবর্ন জয়ন্তী পালনের মূহুর্তে এই ঘটনা ঘটে !

হেডমাস্টার সাহেব বলেলেন , সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী ভারতে ব্রাহ্মণদের সংখ্যা ৩% মাত্র । অথচ ভারতের রাজনীতি , আমলাতন্ত্র , শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা ব্যনিজ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে ব্রাহ্মণদের সংখ্যা ৮৫% পারসেন্ট । ব্রাহ্মণ ছাড়া হিন্দু জাতের আর কয়েকটা উঁচু বর্ণের মানুষ একত্রিত করলেও তাদের সংখ্যা ১৫% হবে না । এই ১৫ ভাগ মানুষই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভারতের ৮৫% নিম্নবর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর শোষন শাসন অত্যাচার চালিয় আসছে ।

ভারতের নিম্নবর্ণের হিন্দুরা সেথায় পশুর থেকেও অধম জীবন যাপন করে। তাদের শিক্ষা নেই, চাকরি নেই, কোন ব্যবসা নেই । তারা কূয়ায় জল আনতে পারেনা , দোকানে বসে চা পান করতে পারেনা , এমনকি কোথাও কোথাও নারিকেলের মালা বুকে ঝুলিয়ে পথ হাঁটতে হয় যাতে তাদের থুতু পড়ে পথ অপবিত্র না হয়ে যায় । ভারতের নিম্নবর্ণের হিন্দুরা, হিন্দু ব্রাহ্মণ এবং উচ্চবর্ণের হিন্দুদের হাতে, ‘ অস্পৃশ্য’ নামে যে অমানবিক সামাজিক বৈষম্য ,অসম্মান, এবং পীড়নের শিকার হন, পৃথিবীর কোন দেশ, সমাজ, এমনকি ইউরোপে ক্রীতদাস প্রথা আমলেও তেমন অমানবিক নির্যাতনের নজীর পাওয়া যাবেনা !

এই কিছুদিন আগে পুনার গোখলে ইনিস্টিটিউট মহারাষ্ট্রের ৮টি জেলার উপর এক সমীক্ষা চালিয়ে জানতে পেরেছিল যে, সেখানে ৯০% অস্পৃশ্য পরিবারকে গ্রামের সীমানার বাইরে নারকীয় পরিবেশে থাকতে বাধ্য করা হয় । সেই অস্পৃশ্যদের জন্য মাত্র ৫০% মানুষের টিউবওয়েল কলের জলের ব্যবস্থা আছে। বাকিরা অন্যদের টিউবওয়েলোর কাছে পর্যন্ত যেতে পারেনা । বলুন এটা কি একবিংশ শতাব্দীর সভ্যতা ?

আপনারা অনেকেই হয়ত ভারতের মন্ডল কমিশনের কথা জানেন । ভারতের তপসিলি শ্রেনী ভুক্ত নিম্নবর্ন হিন্দুদের সামান্য কিছু সুযোগ-সুবিধা দানের সুপারিশ করে এই মন্ডল কমিশন, ১৯৮০ সালে এক রিপোর্ট ভারত সরকারের কাছে পাঠিয়েছিলেন । বাম্ভনরা সেই সামান্য সুযোগ-সুবিধাগুলোও কার্যকর করতে দেয়নি । ১৯৯০ সালে ভি পি সিং সরকার মন্ডল কমিশন রিপোর্ট মেনে নেয়ার ফলে ব্রাহ্মণ‍্যবাদীরা ভিপি সিং সরকারের পতন ঘটিয়ে ছাড়ে । মন্ডল কমিশন রিপোর্টের বিরূদ্ধে ব্রাহ্মণরা আদালতে মামলা পর্যন্ত করেছিল ।

সুপ্রীমকোর্ট মন্ডল কমিশনের পক্ষে রায় দেয়ার ফলে ব্রাহ্মণরা বেকায়দায় পড়ে যায় এবং বাবরী মসজিদ ভাঙার মত ঘৃন্য উত্তেজনা সৃষ্টি করে মন্ডল কমিশনের রায় চাপা দিতে সক্ষম হয় ।

ভারতের সামাজিক বিভাজন যেখানে এত অমানবিক সেখানে বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারতভুক্ত করে ব্রাহ্মণদের সেবাদাস বৃদ্ধি করা ছাড়া আর কি লাভ করবেন আমাদের বলতে পারেন ?

ভারত তার দেশের নিম্ন বর্ণ হিন্দুদের দারিদ্র, নিরক্ষরতা, অস্পৃশ্যতা,এবং বস্তি জীবনের অভিশাপ ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনি ।

ভারতের দলিত নেতা পেরিয়ার ইভি রামস্বামী বলেছিলেন “ব্রাহ্মণরা শূদ্র দের ঘৃণা করে ! কিন্তু রাজ্য দখলের ক্ষেত্রে বা সখ্যালঘু দমনের ক্ষেত্রে তাদের কাজে লাগায়” একথা অতীতেও যেমন সত্য ছিল আজও তেমনি সত্যি , যেমন আপনাদের তারা কাজে লাগাচ্ছে । পেরিয়ার রামস্বামী ব্রাহ্মণদের কার্যকলাপে এতই মর্মাহত হয়েছিলেন যে তিনি ভারতীয় নিম্নবর্ণের হিন্দুদের হিন্দুধর্ম ত্যাগ করার উপদেশ দিয়েছিলেন !

ভারতের খসড়া সংবিধান রচনাকারী বাবা সাহেব ডঃ আম্বেদকরের কথাতো আপনারা জানেন । এই গুনি ব্যক্তিটি জাতিতে নিম্নবর্ণের ‘মাহার’ শ্রেনীভুক্ত হওয়ায় বর্ণ হিন্দুদের দ্বারা কি ভাবে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন ! ঐসব লাঞ্ছনা থেকে বাঁচার জন্য তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে চেয়েছিলেন । পরে গান্ধীজীর অনুরোধে তাঁর তিন লাখ অনুসারী সহ তিনি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহন করেন ।

মাস্টার সাহেব কিছুটা আবেগ তাড়িত হয়ে বলতে লাগলেন ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পূর্ব বাংলাকে অচল করে দেয়ার জন্য আপনাদের এই ব্রাহ্মণ‍্য নেতারা সোনার হরিন দেখিয়ে এদের মাটির মানুষদের ওপারে টেনে নিয়ে গিয়েছিল। তাদের মধ্যে ব্রাহ্মণ কায়স্থরা ঠিকই বাড়ী পেয়েছে , প্লট পেয়েছে , ব্যবসা পেয়েছে , রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । কিন্তু কয়জন নিম্নবর্ণের হিন্দু সেখানে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছে । এই পঞ্চাশ বছর পর আজও তাদের অনেকে শিয়ালদহ স্টেশনে, কলকাতার ফুটপাতে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

বন্ধুরা আমরা এখানে ভাল আছি । এখানে রহিম হাজী আর রমেশ তেলি একই পাড়ায় ঘর বেঁধে বাস করি। একে অপরের দুঃখে দুঃখী, সুখে সুখী হই , হাতে হাত, বুকে বুক মিলিয়ে দিন যাপন করি । কেউ প্রশ্ন করেনা কার জাত কি ? একই টিউবওয়েলের জল খাই, ছোঁয়া লাগলে কেউ কলস ফেলে দেয়না । এখানে যোগ্যতা থাকলে ক্যায়টের ছেলেও সিএসপি অফিসার হতে পারে, কেউ তাকে বাধা দিতে আসেনা । একটা কথা মনে রাখবেন ভারতের রাজনীতিতে ব্রাহ্মণ‍্যবাদের একত্ববাদ যতদিন থাকবে ততদিন তাদের বর্ণ বৈষম্য আর সাম্প্রদায়িকতাকে জিইয়ে রাখতেই হবে । সেই জন্যই তো ডঃ আম্বেদকর ক্ষুব্ধ চিত্তে তাঁর বহু আলোচিত এবং বহু পঠিত , “এ্যানিহিলেশন অফ কাস্ট” বইতে লিখেছেন, ‘তুমি যদি জাত ব্যবস্থাকে ভাঙতে চাও তবে বেদ এবং শাস্ত্রগুলোকে, যা কোন যুক্তিকে স্বীকার করেনা , যা নৈতিকতাকে অস্বীকার করে, ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দিতে হবে । তোমাকে অবশ্যই ধংস করতে হবে স্মৃতি অনুসারী ধর্ম কে ।”

11/07/2026
কেন এমন মানসিক গোলাম হয়ে গেলাম !আরিফুল হক ।একটা স্বাধীন দেশ অপর দেশের ডিকটেশনে চলছে । যা চাইছে তাই দিতে হচ্ছ ! নিজেদের ...
11/07/2026

কেন এমন মানসিক গোলাম হয়ে গেলাম !
আরিফুল হক ।

একটা স্বাধীন দেশ অপর দেশের ডিকটেশনে চলছে । যা চাইছে তাই দিতে হচ্ছ ! নিজেদের ন্যায্য পাওনা মিঁউমিঁউ শব্দে চাওয়ার সাহস পর্যন্ত নেই । কেন এমন হল ? এ কেমন স্বাধীনতা ? যার মাথার উপর ছাদ নেই , পায়ের নিচে মাটি নেই, বর্তমান অন্ধকার , অতীত কুয়াশাচ্ছন্ন , ভবিষ্যত বলে কিছু নেই । এ কেমন নির্জীব-নির্লিপ্তি, এ কেমন অস্তিত্বহীনতা , যা দেশের দেশের সকল মানুষকে নিষ্প্রান ,হীনবীর্য করে ফেলেছে।

দেশটাতো এমন ছিল না । আমাদের পূর্বপুরুষরাইতো , আমাদের স্বাতন্ত্র , আমাদের অস্মিতা, আমাদের অহংবোধ , আমাদের আত্মগৌরব, আমাদের স্বতন্ত্র জাতিসত্তাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য , আগ্রাসী বৃটিশ , শোষক জমিদার মহাজন, ও কুচক্রী সাম্প্রদায়িক হিন্দু রাজনীতিবিদদের বিরূদ্ধে , সমরে, সংগ্রামে, আন্দোলনে আত্মোৎসর্গ করতে কার্পণ্য করেনি। কখনও নিসার আলি হয়ে , হাজী শরীয়তুল্লাহ হয়ে , মাসুম শাহ , দুদু মিয়া, সৈয়দ আহমদ বেরেলভী হয়ে , কাজী মিয়া জান, হাবিলদার রজব আলি , মুন্সী মেহের উল্লা হয়ে, জেল জুলুম, ফাঁসী-গুলীতে বুক পেতে দিতে পিছপা হয়নি । আজ কেন তাঁদের ত্যাগ, তিতিক্ষা ,আত্মোৎসর্গ রক্তদান ,অকিঞ্চিৎকর , অপ্রোয়জনীয় , মূল্যহীন হয়ে পড়েছে । কেন মনে হচ্ছে আমরা মুসলমানরা তো মাত্র সেদিন জীবন শুরু করেছি । কে এদের শেখাল যে ,ওরা একাত্তরের প্রজন্ম ?

গোটা জাতি যেন আবেগমন্ডিত হয়ে, নেশাগ্রস্তের মত পথ হাঁটছে । সে পথের নিশানা নেই , ইতিহাস নেই , যুক্তির আলো পর্যন্ত যেপথে ঢুকতে পারছেনা। সিজোফ্রেনিয়া রোগীর মত জাতি সেই পথে হাঁটছে ।

নিকট কে জানতে হলে, দূরে দৃষ্টি নিক্ষেপ করতে হয় । জাতি হিসাবে পরিচয় দিতে হলে, ঐতিহ্যের আয়নায় নিজের মুখ দেখতে হয় । সে আয়না আজ ধুলিমলিন , যার ফলে দূরের অতীত তমসাবৃত , চক্ষু জ্যোতিহীন , আত্মদর্শন সম্ভব হচ্ছেনা ।

ভাবতে অবাক লাগে যে, এ জাতি কেমন করে ভুলে গেল মাত্রকিছুদিন আগের বেদনাময় অতীত । গতশতাব্দীর প্রথম দিকেও তো পূর্ববঙ্গের সংখ্যাগুরু মুসলমানদের মেষ, ছাগল , হালের বলদের মত উৎপাদক শ্রেনীর জীব বলে গন্য করা হত । তাদের দানাপানির দরকার আছে , শিক্ষাদীক্ষার দরকার আছে , মানুষ হিসাবে বাঁচার অধিকার আছে—সেটুকুও স্বীকার করা হতনা । কলকাতায় বসবাসকারী জমিদার বাবুদের বল্গাহীন শোষনে এদেশের চাষাভূষা, ক্ষেতমজুর , মুসলানদের জীবন অতীষ্ঠ ছিল ।
কলকাতায় আরামে বসবাসকারি ময়মনসিংহের জমিদার সূর্যকান্ত আচার্য্য, গৌরীপুরের জমিদার ব্রজেন্দ্র কিশোর রায়চৌধুরী , কাশিম বাজারের মহারাজ মনীন্দ্র নন্দী , জোড়াসাঁকোর জমিদার মহর্ষী দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, দীঘাপাতিয়ার রাজা , নাটোরের রাজা , ফরিদপুরের সিকদার ও ঘোষ পরিবারের মত আরও অনেক বাবু জমিদারদের নিষ্ঠুর অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য এদেশের পদদলিত পাঁচু শেক , গেঁদু মুনশী, কালু মোড়ল , হাবু প্রমানিক প্রমূখ মুসলিম সন্তানরা মানুষ হিসাবে বাঁচার মত একটা জমিন সৃস্টির আশা নিয়েই, মুজাহিদ হয়ে জেহাদ মনে করেই আত্মোৎসর্গ করেছে ।

মুসলমানদের গরু কোরবানী করলে এদেশের মুসলমানদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হত, দাঁড়ি রাখলে খাজনা দিতে হত, আরবী ফারসী নাম রাখা নিষিদ্ধ ছিল , দূর্গাপূজা , কালীপূজায় কর দেয়া মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল ।এদেশের মুসলমানদের অস্তিত্বই স্বীকার করা হতনা ।

১৯০৫ সালের ঘটনাই ধরা যাক । বৃটিশ আমলে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য ,২লাখ ৪৬ হাজার ৭৮৬ বর্গমাইল বেষ্টিত বিশাল বেঙ্গল প্রেসিডেন্সীকে ভাইসরয় লর্ড কার্জন দুই প্রদেশে ভাগ করতে চাইলেন । এই বিভাজনের ফলে পূর্ব বাংলার অবহেলিত মুসলমানরা উপকৃত হবে শুধুমাত্র এই আশঙ্কায় তেলেসমাতি কাণ্ড শুরু করে দেয়া হল । মুসলমানরা শিক্ষিত হবে , চাকরি-বাকরি পাবে, উকিল-মোক্তার হবে, সংসদ সদস্য হয়ে, বাবু জমিদারদের সাথে এক আসনে বসবে এটাকি মেনে নেয়া যায় ! শুধু মাত্র পূর্ববাংলার মুসলমানদের উন্নতি ব্যাহত করার জন্য বঙ্ভঙ্গ রোহিত আন্দোলন শুরু হয়ে গেল । কেবল হিন্দু বাবু রাই নয় , সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালী নামে পরিচিতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মিছিল নিয়ে পথে নামলেন , যা আগে কোনদিন দেখা যায়নি ।

শুধু কি অহিংস আন্দোলন ? বিপিন পাল , অশ্বিনী দত্ত , অরবিন্দ ঘোষ, সূর্যসেন, বাঘা যতিন, প্রীতিলতা প্রমূখের সন্ত্রাসবাদী তৎপরতা,এবং তিলক, বঙ্কিমচন্দ্রের সাম্প্রদায়িক প্ররোচনায় দেশজুড়ে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু করে দেয়া হল ।যার ফলে বৃটিশ রাজশক্তি মুসলমানদের আশাভঙ্গ করে ,বঙ্গ- ভঙ্গ রোধ করতে বাধ্য হল ।আজ বাংলাদেশে সেই সূর্য সেন , প্রীতিলতাদের আরাধনাই চলছে । নিসার আলি শরীয়তুল্লাহরা অপাক্তেয় হয়ে গেছে।

এ দেশে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না ।১৯১২ সালে ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আসার পর, নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ পূর্ববাংলার মানুষের শিক্ষার জন্য একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবী জানালেন । সংগেসংগে বাঙালী এলিট বাবুরা প্রতিবাদ জানালেন ।শ্রীশচন্দ্র ব্যানার্জি , রাসবিহারী ঘোষ , কলকাতা ইউভার্সিটির ভিসি স্যার আশুতোষ মুখার্জির মত বিদ্দজনেরা , ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরূদ্ধে ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ এর কাছে ১৮বার স্মারকলিপি দিয়ে চাপ সৃষ্টি করলেন ।১৯১২ সালের ১৮মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে যে জনসভা হয়েছিল তাতে সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছিল স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । সেই রবীন্দ্রনাথ আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথার মুকুটে ।আর যে নওয়াব সলিমুল্লাহ নিজে নিস্ব হয়ে জমিদারির বিরাট অংশ বিশ্ববিদ্যালয় কে দান করলেন , যে সৈয়দ নবাব আলি চৌধুরি নিজের জমিদারি বন্ধক রেখে সে যুগে (১৯২১) ৩৫ হাজার টাকা বিশ্ববিদ্যালয় তহবিলে দান করলেন, তাদের কথা হয়ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র - শিক্ষকদেরও জানা নেই।

এদেশের মানুষ এটাও ভুলে গেছে যে, ১৯৪৭ সালের আগে ,হাড়জিরজিরে মুসলমান অধ্যুষিত এই পূর্ব বাংলায় দেশরক্ষার জন্য সেনাবাহিনী গঠন করার মত লোক ছিলনা ।’৪৭ সালে বৃটিশ আর্মিতে ৪/৫ জন কিংস কমিশন প্রাপ্ত বাঙালী অফিসার , ৫০/৬০ জন জেওসি, শ’দুয়েক বাঙালী সিপাহী নিয়ে ১৯৪৭ সালে দেশটা স্বাধীন হয়েছিল । সেখান থেকে আজ পৃথিবীর মর্যাদাসম্পন্ন আর্টলারি, চৌকস বিমানবাহিনী, নৌ বাহিনী বিদ্যমান।এ কোন তন্ত্রমন্ত্রে বা ‘বন্ধুর’ হাত-পা ধরে গড়ে ওঠেনি!

‘৪৭ এর স্বাধীনতার সময় এদের প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোমার মত , প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাশ করা কোন বাঙালী আইসিএস অফিসার ছিলনা। মাত্র দু’জন নমিনেটেড আইসিএস ছিলেন যাদের একজন পূর্ববঙ্গের ছিলেন, অপরজন পশ্চিমবঙ্গে থেকে যান । আজ যে বাঙালী মুসলমান ছেলেরা উপজেলা, জেলা থেকে শুরু করে দেশের প্রশাসন চালাচ্ছেন তারা কোন বন্ধুদেশের সাহায্যে গড়ে ওঠেনি ।

দেশে ৮টি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল, একটি বিশ্ববিদ্যালয় সহ ৩টি ইন্জিনিয়ারিং কলেজ, ৮টি মেডিক্যাল কলেজ, ১টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ ২টি কৃষি কলেজ, নৌবন্দর , ৭৮টি পাটকল, ৬৩ টি কাপড়ের কল, এছাড়াও অল্প সময়ে স্বতন্ত্র দেশের উপযোগী নানান প্রতিষ্ঠান গড়া সম্ভব হয়েছিল । এ সব কিছুই ছিল ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার অবদান ,আমাদের পূর্বপুরুষদের ১৯০ বছরের নিরলস সংগ্রামের ফসল । স্বাধীন মুসলিম জাতিসত্তা আর নিখাদ দেশপ্রেমের ফসল । আজ সংগ্রামও নেই, জাতিসত্তা ও নেই, দেশপ্রেম ও নেই ।

মড়ক লাগলে যেমন গ্রাম বিরান হয়ে যায় , ভূমিকম্পে যেমন দেশ শ্মশান হয়ে যায়, তেমনি এক বৈরী হাওয়া এসে আমাদের সাজানো দেশটাকে তছনছ করে দিয়েছে। মিলখারখানা উজাড় , কলেজ ইউনিভার্সিটি গুলোতে শিক্ষার পরিবেশ নেই , কৃষি উৎপাদন বিপন্ন , চাষীরা উৎপন্ন ফসলের দাম পায়না বলে রাস্তায় উৎপন্ন ফসল ফেলেদিয়ে প্রতিবাদ জানায় । সকল ভোগ্যপন্যের জন্য সিন্ডিকেট করে পরনির্ভরশীলতা বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে । দেশময় চলছে লুটপাট, ডাকাতি আর অর্থ পাচার । দেশনিয়ে কেউ ভাবছেনা , যার যার আখের গোছাতে ব্যস্ত! দেশে অঘোষিত রাজতন্ত্র চলছে। রাজা ধরাছোয়ার বাইরে , প্রজাসাধারণ দাসের মত পদসেবায় রত ।পুরানো শত্রু বন্ধুর বেশে মাথায় বসেছ।
উদার দৃষ্টি দিয়ে যদি বিবেচনা করা যায় তাহলে স্পষ্ট দেখা যাবে যে ১৯ শতকের প্রথম দশকে দাসের মত জীবনযাপন করা একটি জাতি , শত্রু চিনে , লড়াই করে স্বাধীন দেশের মালিক হয়েছিল। এবং অতি দ্রুত অর্থ বিত্তে ,শক্তি সামর্থে, মানসম্মানে পৃথিবীর সকল দেশের কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে ছিল ।আজ কার ইশারায় তারা আবার সেই পুরানো প্রভুর গোলামীর জিঞ্জির গলায় পরে দাস জীবনে ফিরে গেছে । একি আত্মভ্রম নাকি আত্মহনন, কে বলে দেবে ?

Address

754-827 Mehdibag Road
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dakhina posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dakhina:

Shortcuts

Share