Desh Amar-দেশ আমার

Desh Amar-দেশ আমার 🇧🇩 দেশ আমার — মানুষের কণ্ঠ, ইতিহাসের প্রতিধ্বনি।
বাংলাদেশের ঐতিহ্য, জীবনের গল্প, অনুভব ও মতামতের প্ল্যাটফর্ম।
এই দেশ আমাদের সবার; আসুন, জানি ও জানাই।

প্রধান উপদেষ্টা সকলের জন্য নিশ্চিত করেছেন যে, নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক রদবদল তাঁর সরাসরি তত্ত্বাবধানে হবে।  #বাংলাদেশ_নি...
25/10/2025

প্রধান উপদেষ্টা সকলের জন্য নিশ্চিত করেছেন যে, নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক রদবদল তাঁর সরাসরি তত্ত্বাবধানে হবে।

#বাংলাদেশ_নির্বাচন #নিরপেক্ষ_নির্বাচন #শান্তিপূর্ণ_নির্বাচন #প্রধান_উপদেষ্টা

বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াত এবং এনসিপিসহ সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চেয়েছেন। বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এনসিপি ও জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজনের জন্য সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "আমরা একটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমাদের লক্ষ্য নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর করা, এজন্য সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রয়োজন।"

এ সময় তিনি জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করে বলেন, নির্বাচনকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে এবং আরও অনেক উদ্যোগ সামনে আসবে। প্রধান উপদেষ্টা এনসিপি ও জামায়াতকে জুলাই সনদে স্বাক্ষরের আহ্বান জানান এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে এই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে কাজ করার জন্য আশ্বস্ত করেন।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ তাহের নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের দাবি জানান এবং সরকারের পক্ষ থেকে জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান করেন। প্রধান উপদেষ্টা সকলের জন্য নিশ্চিত করেছেন যে, নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক রদবদল তাঁর সরাসরি তত্ত্বাবধানে হবে।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যেখানে সকল রাজনৈতিক দল মিলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য একত্রিত হবে। #বাংলাদেশ_নির্বাচন #নিরপেক্ষ_নির্বাচন #শান্তিপূর্ণ_নির্বাচন #প্রধান_উপদেষ্টা

🟢জুলাই অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনী দেখিয়েছে সংযম, মানবিকতা ও দায়িত্বের এক অসাধারণ উদাহরণ।          #সেনাবাহিনী
23/10/2025

🟢জুলাই অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনী দেখিয়েছে সংযম, মানবিকতা ও দায়িত্বের এক অসাধারণ উদাহরণ।
#সেনাবাহিনী

🟢জুলাই অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনী দেখিয়েছে সংযম, মানবিকতা ও দায়িত্বের এক অসাধারণ উদাহরণ।
আর সেই মানবিক নেতৃত্বের পেছনে ছিলেন জেনারেল ওয়াকার।✅

#সেনাবাহিনী

তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের লাখো মানুষ ভারতের পানি আগ্রাসনের বি...
18/10/2025

তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের লাখো মানুষ ভারতের পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। তিস্তা নদী অববাহিকার মানুষ তাদের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাতে সম্মিলিতভাবে মশাল প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করেছে।

#তিস্তা #উত্তরাঞ্চল

🟢 ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে উত্তরাঞ্চলে লাখো জনতার মশাল প্রজ্জ্বলন।

তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের লাখো মানুষ ভারতের পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। তিস্তা নদী অববাহিকার মানুষ তাদের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাতে সম্মিলিতভাবে মশাল প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করেছে।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় 'জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই' কর্মসূচির দ্বিতীয় দফায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও রংপুরের মোট ১১টি স্থানে এই বিশাল মশাল প্রজ্বলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষুব্ধ জনতা একতরফাভাবে তিস্তার পানি প্রত্যাহার করে নদীকে শুকিয়ে মারার জন্য প্রতিবেশী দেশটিকে 'পানি আগ্রাসী' আখ্যা দিয়েছে। প্রতিবাদকারীরা স্লোগান দিয়েছেন—‘পানি আগ্রাসন মানি না মানব না’, ‘পানির ন্যায্য হিস্যা চাই—দিতে হবে দিতে হবে’, এবং ‘তিস্তা আমার মা, ভারতের হতে দিব না’।

এই প্রতিবাদ কর্মসূচিটি প্রমাণ করে, তিস্তার পানি ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তরাঞ্চলের মানুষ ঐক্যবদ্ধ এবং তারা তাদের অধিকার আদায়ে কঠোর অবস্থানে যেতে প্রস্তুত। এর আগেও তারা ৪৮ ঘণ্টার কর্মসূচি পালন করে তাদের দৃঢ় সংকল্পের বার্তা দিয়েছে।

#তিস্তা #উত্তরাঞ্চল

তিনি আরও বলেন—“অতীতের মতো এবারও যারা অবৈধভাবে এমন স্থাপনা স্থাপন করেছে, তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে...
16/10/2025

তিনি আরও বলেন—
“অতীতের মতো এবারও যারা অবৈধভাবে এমন স্থাপনা স্থাপন করেছে, তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

🟢রাজধানীর মিরপুরের গার্মেন্টস কারখানা ও কেমিক্যাল গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। রোমে অবস্থানরত অবস্থায় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ড. ইউনূস বলেন—
এই দুর্ঘটনায় নিরীহ মানুষের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও হৃদয়বিদারক। আমরা এই শোকের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আছি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর লাইসেন্স, ফায়ার সার্ভিস ছাড়পত্র ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন—

“অতীতের মতো এবারও যারা অবৈধভাবে এমন স্থাপনা স্থাপন করেছে, তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে আহতদের জন্য, এবং সরকার জানিয়েছে—এই মর্মান্তিক ঘটনায় কোনোভাবেই দায়ীদের ছাড় দেওয়া হবে না।

15/10/2025

✅Bangladesh Army, Our pride

   #সেনাবাহিনী
13/10/2025

#সেনাবাহিনী

আজ যখন আমরা নির্ভয়ে হাঁটতে পারি, শান্তিতে ঘুমাতে পারি,সেই শান্তির পেছনে তাদের অবিচল পাহারার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও কৃতজ...
13/10/2025

আজ যখন আমরা নির্ভয়ে হাঁটতে পারি, শান্তিতে ঘুমাতে পারি,
সেই শান্তির পেছনে তাদের অবিচল পাহারার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা অপরিসীম।
#সেনাবাহিনী

🟢 সেনাবাহিনী আমাদের শান্তির নীরব রক্ষক

আমাদের প্রতিদিনের জীবন—অফিস, স্কুল, বাজার, ঘুম—সবই যেন স্বাভাবিক।
কিন্তু এই স্বাভাবিকতার পেছনে রয়েছে এক অদৃশ্য শক্তি।

যখন সবকিছু ভেঙে পড়ার মুখে দাঁড়ায়,
যখন বিশৃঙ্খলা শান্তির পথে বাঁধা দেয়,
সেই সময়ে সাহস, একাগ্রতা আর কঠোরতা নিয়ে
যারা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে—বাংলাদেশ সেনাবাহিনী—তারা আমাদের স্বাভাবিকতাকে রক্ষা করে।

স্বাভাবিকতা কখনোই স্বয়ংক্রিয় নয়।
এটা রক্ষার জন্য কেউ ছিল, আছেও, থাকবে—
তাদের নাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ যখন আমরা নির্ভয়ে হাঁটতে পারি, শান্তিতে ঘুমাতে পারি,
সেই শান্তির পেছনে তাদের অবিচল পাহারার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা অপরিসীম।

#সেনাবাহিনী

ভারতের স্বার্থে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে!পাহাড় থেকে শুরু করে সারাদেশে সেনা ক্যাম্প সরানোর দাবি আসলে ভার...
12/10/2025

ভারতের স্বার্থে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে!
পাহাড় থেকে শুরু করে সারাদেশে সেনা ক্যাম্প সরানোর দাবি আসলে ভারতকে দখলের সুযোগ করে দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র। দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে এমন বিতর্ক সৃষ্টি মেনে নেওয়া যায় না। কিছু নেতার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দেশের স্বার্থের পরিপন্থী।
#দেশের_নিরাপত্তা #সেনাবাহিনী_নিয়ে_ষড়যন্ত্র #সার্বভৌমত্ব #দেশপ্রেম #বাংলাদেশী_সেনাবাহিনী

এটা স্পষ্ট — এই প্রচারণা সেনাবাহিনী নয়, রাষ্ট্রকে দুর্বল করার জন্য। যারা গুমের স্থপতি ছিল, তারা এখন নিজেদের আড়াল করতে চা...
10/10/2025

এটা স্পষ্ট — এই প্রচারণা সেনাবাহিনী নয়, রাষ্ট্রকে দুর্বল করার জন্য। যারা গুমের স্থপতি ছিল, তারা এখন নিজেদের আড়াল করতে চায় “ব্লেম গেম”-এর আড়ালে।

#জঙ্গি #আয়নাঘর

🔴গুমের নাট্যকারেরা ডিবি-সিটিটিসি, দায় চাপানো হচ্ছে সেনাবাহিনীর ঘাড়ে❗

বাংলাদেশে গুম, খুন আর ভুয়া জঙ্গি নাটকের মূল কারিগররা কারা — এটা এখন আর গোপন নয়। বছরের পর বছর ধরে সিটিটিসি, র‍্যাব, ডিবি, এমনকি পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের হাতে অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ নিখোঁজ হয়েছে, কেউ আর ফিরে আসেনি। কিন্তু আজ দেখা যাচ্ছে, সেই সব অপরাধের দায় একচেটিয়াভাবে চাপানো হচ্ছে সেনাবাহিনীর ঘাড়ে! কেন?

সিটিটিসি গত ৯ বছরে ৫৩টিরও বেশি তথাকথিত “জঙ্গি অভিযান” চালিয়েছে — যেগুলোর একটির পর একটি এখন প্রশ্নবিদ্ধ হিসেবে উঠে আসছে। ২০১৬ সালের আশকোনা অভিযান, কল্যাণপুরের জাহাজ বাড়ির হত্যাযজ্ঞ — এগুলোর প্রতিটিই ছিল সাজানো নাটক। আশকোনায় এক নারী ও শিশুকে আত্মঘাতী বানিয়ে হত্যা করা হয়, আর কল্যাণপুরে ৯ তরুণকে “জঙ্গি” তকমা দিয়ে হত্যা করা হয়। অথচ তখন এ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারত না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ লিখলেই তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হতো।

এমনকি সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক নিজেই তাঁর বই ‘পুলিশ জীবনের স্মৃতি’-তে স্বীকার করেছেন, পান্থপথের জঙ্গি অভিযানের পর শেখ হাসিনা তাঁকে বলেছিলেন — “এত কাছাকাছি এনে অপারেশনের নাটক না করলেই পারতে।” অর্থাৎ, “জঙ্গি নাটক” সরকারের জ্ঞাতসারে চলেছে, আর তার নির্দেশনাতেই মানুষ খুন হয়েছে।

র‍্যাব নাখালপাড়ায়, সিটিটিসি আশকোনায়, ডিবি কল্যাণপুরে — এসব অভিযানে প্রাণ গেছে তরুণদের, যাদের অনেকেই ছিল নিরপরাধ। অথচ আজ যারা এসব পরিকল্পনা, অপারেশন আর গুমের ‘আয়নাঘর’ চালাত, তারা সবাই নিরাপদে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের কেউ গ্রেফতার হয়নি, কারও নামে মামলা নেই।
কিন্তু কিছু মিডিয়া ও কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আজ সেনাবাহিনীকে টার্গেট বানিয়ে প্রচার চালাচ্ছে — যেন গুমের দায় শুধু সেনাবাহিনীর। অথচ সেনারা এসব ইউনিটের অংশই নয়; তারা তো ডিবি বা সিটিটিসির সদস্য ছিল না!

প্রশ্ন একটাই —
আয়নাঘরের আসল কারিগররা এখন কোথায়?
কেন ডিবি-সিটিটিসির হর্তাকর্তাদের নামে কোনো পরোয়ানা নেই?
আর কেন সেনাবাহিনীকে দায়ী করে রাষ্ট্রের মূল প্রতিরক্ষা কাঠামোকেই দুর্বল করার খেলা চলছে?

এটা স্পষ্ট — এই প্রচারণা সেনাবাহিনী নয়, রাষ্ট্রকে দুর্বল করার জন্য। যারা গুমের স্থপতি ছিল, তারা এখন নিজেদের আড়াল করতে চায় “ব্লেম গেম”-এর আড়ালে।

#জঙ্গি #আয়নাঘর

09/10/2025

মাইকেল চাকমা পাহাড়ে অস্থিরতার মূল কারিগর❓
#মাইকেলচাকমা

প্রশ্ন থেকে যায়—ভারত কি সত্যিই একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, নাকি সেটা শুধুই একটি মুখোশ?
07/10/2025

প্রশ্ন থেকে যায়—ভারত কি সত্যিই একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, নাকি সেটা শুধুই একটি মুখোশ?

🔴ভারতের সংখ্যালঘুদের কণ্ঠরোধের নয়া নজির

সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের মাওয়ানায় "আই লাভ মুহাম্মদ (সা.)" লেখা একটি ব্যানার টাঙানোর কারণে পাঁচজন মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ব্যানারটি শহরের একটি প্রধান চৌরাস্তায় টাঙানো হয়েছিল, যা পরে কিছু উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর ক্ষোভের কারণ হয়। ফলস্বরূপ, পুলিশ 'উত্তেজনা সৃষ্টির অভিযোগে' মামলা করে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনা শুধু একটি আলাদা ঘটনা নয়—বরং বর্তমান ভারতের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার একটি প্রতিচ্ছবি। সংখ্যালঘুদের নিজেদের ধর্মীয় অনুভূতি প্রকাশ করাও যেন 'অপরাধ' হয়ে দাঁড়িয়েছে এদেশে।

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, ভারতের নেতৃত্ব এবং গণমাধ্যম অভ্যন্তরীণ এই বৈষম্য ও বিদ্বেষ নিয়ে মুখ না খুলে বরং প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে আঙুল তোলে, ভুল তথ্য প্রচার করে। পাকিস্তান বা বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ব্যস্ত তারা, অথচ নিজের দেশের মুসলিম, খ্রিস্টান বা শিখদের অধিকার কোথায় গিয়ে ঠেকেছে, তা তারা দেখেও না দেখার ভান করে।

ধর্মীয় সহাবস্থান শুধু স্লোগানে নয়—প্রয়োগে প্রমাণিত হওয়া উচিত। কিন্তু যতদিন না প্রত্যেক ধর্মের মানুষকে সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তা দেওয়া হবে, ততদিন ভারতের ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ কেবল কাগজে কলমেই থেকে যাবে।

প্রশ্ন থেকে যায়—ভারত কি সত্যিই একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, নাকি সেটা শুধুই একটি মুখোশ?

এরা কেউই থেমে নেই। ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার—সব জায়গায় সক্রিয় এই প্রোপাগান্ডা নেটওয়ার্ক এখনো দেশের ভাবমূর্ত...
06/10/2025

এরা কেউই থেমে নেই। ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার—সব জায়গায় সক্রিয় এই প্রোপাগান্ডা নেটওয়ার্ক এখনো দেশের ভাবমূর্তি নষ্টে ব্যস্ত।
#জুলাইবিপ্লব #দেশবিরোধীঅপপ্রচার

🟢জুলাই বিপ্লব শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়—এটি ছিল ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি, এবং ব্যক্তিপূজার দীর্ঘ দুঃশাসনের অবসান।

১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে জনগণের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণে পরিণত হয়েছিল, আর সত্য বলাই ছিল অপরাধ।
কিন্তু জনগণের ঐক্য ও প্রতিবাদের জোয়ারে সেই দুঃসময়ের অবসান ঘটে। পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রী-এমপিরা। কেউ আশ্রয় নেয় ভারতে, কেউ আবার পশ্চিমা দেশগুলোতে।

তবে আশ্চর্যের বিষয়—পুরনো সেই ফ্যাসিবাদের নারী দোসররা এখনো সক্রিয়!
দেশে এবং বিদেশে অবস্থানরত এসব নারী আওয়ামী ঘনিষ্ঠরা ছদ্মনামে বা ভুয়া পরিচয়ে সামাজিকমাধ্যমে চালিয়ে যাচ্ছে ভয়ঙ্কর অপপ্রচার। কেউ নিজের নাম বদলে ‘নিরপেক্ষ’ সাজছে, কেউ বা আসল নামেই দেশবিরোধী মন্তব্য ছড়াচ্ছে।
তাদের একাধিক আইডি, গোপন গ্রুপ, টেলিগ্রাম চ্যানেল—সবকিছু এখনো চালু।
তাদের উদ্দেশ্য একটাই—বাংলাদেশে বিভ্রান্তি, সন্দেহ, আর অস্থিরতা ছড়ানো।

🔹 শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল — ভুয়া যোগ্যতা, প্রতারণা ও দুর্নীতির মামলার পর এখন সামাজিকমাধ্যমে “সহানুভূতির প্রচারণা” চালাচ্ছেন।
🔹 কুমিল্লার বাহারকন্যা তাহসিন বাহার সূচনা — কলকাতা থেকে প্রতিদিন শেখ হাসিনার বন্দনা ও ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছেন।
🔹 চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহিলা লীগের হালিমা বেগম — ছদ্মধর্মীয় ভাষায় ফ্যাসিবাদের পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা করছেন।
🔹 প্রবাসী সাংবাদিক সুলতানা রহমান — বিদেশে বসে বাংলাদেশের নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়াচ্ছেন।
🔹 আর সংস্কৃতি অঙ্গনের দুই পরিচিত মুখ জ্যোতিকা জ্যোতি ও অপু বিশ্বাস — রাজনীতি ও বিনোদনের আড়ালে এখনো চালিয়ে যাচ্ছেন ফ্যাসিবাদী প্রচারণা।
এরা কেউই থেমে নেই। ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার—সব জায়গায় সক্রিয় এই প্রোপাগান্ডা নেটওয়ার্ক এখনো দেশের ভাবমূর্তি নষ্টে ব্যস্ত।

#জুলাইবিপ্লব #দেশবিরোধীঅপপ্রচার

Address

South Nalapara , Sadarghat Road
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Desh Amar-দেশ আমার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share