Rekha

Rekha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rekha, Digital creator, Chittagong.
(2)

আজ একটি অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে উপস্থিত থাকার সময় হঠাৎ করেই একজন সাংবাদিক অপু বিশ্বাসকে প্রশ্ন করেন—‘বুবলী মা হয়েছেন, আপনি...
13/06/2026

আজ একটি অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে উপস্থিত থাকার সময় হঠাৎ করেই একজন সাংবাদিক অপু বিশ্বাসকে প্রশ্ন করেন—‘বুবলী মা হয়েছেন, আপনি তাকে শুভেচ্ছা জানাতে চান কি না?’ প্রশ্নটি শেষ হওয়ার আগেই তার মুখের অভিব্যক্তি বদলে যায়। এক মুহূর্তে পুরো পরিবেশটা যেন একটু থমকে যায়—অপ্রস্তুত এক নীরবতা নেমে আসে তার ভেতরে।
এই ছোট্ট মুহূর্তটা দেখে অনেকেই হয়তো শুধু একটি “রিঅ্যাকশন” দেখেছেন, কিন্তু আমার মনে হয়েছে এর ভেতরে লুকিয়ে ছিল অনেক অদৃশ্য অনুভূতি—অস্বস্তি, নীরবতা, আর কিছুটা দ্বিধা।
অপু বিশ্বাস একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, তবে তার পরিচয়ের বাইরে তিনি একজন মানুষ। তারও আছে ব্যক্তিগত জীবন, অতীত সম্পর্ক, ভাঙা-গড়া আবেগের গল্প। যে অধ্যায় একসময় তার জীবনের গভীর অংশ ছিল, সেই অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িত কোনো প্রসঙ্গ হঠাৎ করে সামনে এলে তা যে কারও জন্যই সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষ করে যখন বিষয়টি তার প্রাক্তন স্বামী ও সন্তানের বাবাকে ঘিরে, এবং সেই সম্পর্কের পরবর্তী জটিল বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত—তখন সেখানে হঠাৎ করে মন্তব্য চাওয়া শুধু একটি প্রশ্ন থাকে না, সেটা হয়ে ওঠে এক ধরনের মানসিক চাপের মুহূর্ত।
আমরা অনেক সময় কৌতূহল থেকে প্রশ্ন করি, কিন্তু ভুলে যাই—প্রতিটি প্রশ্নের পেছনে একজন মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, যার আছে নিজের আবেগ, সীমারেখা এবং প্রস্তুতির সময়।
সব সত্যি সবসময় তাৎক্ষণিকভাবে বলা যায় না, আর সব অনুভূতি ক্যামেরার সামনে প্রকাশ করাও সহজ নয়। কিছু মুহূর্ত থাকে যেগুলোকে সম্মান জানানোই সবচেয়ে বড় মানবিকতা।
তাই হয়তো এই ছোট্ট ঘটনাটা আমাদের আবার মনে করিয়ে দেয়—সংবাদ যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, মানুষের অনুভূতি তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এতে আমার আহামরি ক্ষতি কিংবা লাভ এখন কোনটাই হয়নি। তবে একজন সমাজকর্মী হিসেবে বেশ ...
13/06/2026

আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এতে আমার আহামরি ক্ষতি কিংবা লাভ এখন কোনটাই হয়নি। তবে একজন সমাজকর্মী হিসেবে বেশ কিছু জায়গায় আমার ক্ষত তৈরী হচ্ছে।

৬ জন শিশুর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর দায় আদ-দ্বীন হাসপাতাল এড়াতে পারেনা। এক্ষেত্রে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার, নার্স কিংবা অন্যরা সহ সেই বিভাগের কর্মীরা অবশ্যই দায়ী। সেই বিষয় নিয়ে আপনি আলোচনা ও এলার্ট আপনি (সরকার) দিতেই পারেন। সেটা মীমাংসাও হবে সেইসব অভিভাবকদের সাথে আলাপ আলোচনায়। কিন্তু রহস্যটা অন্যখানে।

সামাজিক কাজ করি বলে আদ-দ্বীন হাসপাতালে অনেকবার যাওয়া হয়েছে। রক্ত সংগ্রহ থেকে শুরু করে NICU সেবা। ডাক্তার দেখানো থেকে হাসপাতালের বেড সেবা। সবকিছুর জন্যই যেতে হয়েছে সেখানে। এম্বুলেন্স সেবার কথা বাদই দিলাম।

পুরো ঢাকায় এখনোও একমাত্র আদ-দ্বীন হাসপাতালই সম্ভবত ৩৮০ টাকায় এম্বুলেন্স সেবা দেয়। এটা গরীব মানুষের জন্য আর্শীবাদ স্বরুপ। যারা বিপদে পড়ে তারাই জানে এই সেবাটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই দামে এই সেবা এই বঙ্গের সরকারি হাসপাতালেও পাওয়া যায়না। যায়না মানে যায়না। ফুলস্টপ।

আদ-দ্বীন হাসপাতাল একটা প্যাকেজ। আমি লম্বা সময় থেকেছি বন্ধু Mak Mak এর রাজপুত্রের জন্মের সময়। আমরা সেখানে বসে বসে চা খেতে খেতে শুয়ে শুয়ে আড্ডাবাজি ও হাসপাতালের সেবা উপভোগ করতাম। একটা চমৎকার কেন্টিন সেখানে রয়েছে। ইসলাম ধর্মের মানুষের জন্য চমৎকার মসজিদের ব্যবস্থা। সব মিলিয়ে একটা প্যাকেজ। যা কমদামে সেরা একটা উপহার। আমি তখন প্রশ্ন করতাম এই আকিজ আসলে কি জন্য এই সেবাটা এভাবে দেয়? এত পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল এত কম টাকায় ঢাকায় বিরল।

আমি জানি আকিজ ফাউন্ডেশন এটা মানবের কল্যানেই করে যেতো। আজকে বন্ধ করে ফেললে আকিজের কিছুই হবেনা। যা হবে সব মধ্যবিত্তদের আর গরীবের। কর্মরত ডাক্তারেরাও অন্য কোথাও যুক্ত হয়ে যাবে ১ সপ্তাহের মধ্যেই। তবে রোগীদের এই মানের সেবা নিতে ৩ গুণ টাকা গুণতে হবে অন্য কোন হাসপাতালে। সেটা নিয়ে যদিও কোন সরকারের মাথাব্যথা নেই। কেননা এদেশের এই খাত হলো অন্যতম সেরা ব্যবসায়ের খাত।

মজার একটা গল্প মনে পড়লে আজকের সরকারি অবস্থা দেখে। পায়ে ব্যথা নিয়ে এক লোক এসেছিলো ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার সেই পায়ের সেবা করলো। সুস্থ হবার চিকিৎসা দিলো। লম্বা সময় এই পা অকার্যকর থাকবে বলল। ডাক্তারকে রোগী রেগে মেগে বলল "এই ডান পা কি আর পরিপূর্ণ সুস্থ হবেনা ডাক্তার?" ডাক্তার বলল "পরিপূর্ণ আগের মতন হওয়া অসম্ভব" রোগী এবার বলেই ফেললো "যে কোন উপায়ে আমাকে আগের মতন করে দিতে হবে পা।
ডাক্তার বললেন— একটা উপায় আছে। আমি চাইলে আপনার একটা উপকার করতে পারি।
রোগী কৌতূহল নিয়ে বললেন 'তাই করেন ডাক্তার। আমার ডান পা-টা খুব দরকার'
ডাক্তার এবার বললেন —" আপনি চাইলে আপনার বা পা কেটে ডান পায়ে লাগিয়ে নিতে পারেন"
রোগি খুশীতে গদগদ হয়ে পা ঠিক হয়ে যাবে বলে বাড়িতে চলে গেলেন।

আমাদের অবস্থা যদি সেই রোগীর মতন হয় তবে মাথা ব্যথায় মাথাগুলো সব কেটে ফেলুন সরকার। দেখি আপনার জন্য কোন মাথাগুলো আবার দাঁড়ায়। মাথা এভাবে কাটতে শুরু করলে মাথা কাটার এই নেশা নিজের ঘরে গিয়েও পৌছাবে একদিন। সেদিন বুঝবেন গরীবের এই বিশ্বাসের অঙ্গহানি কতটা ভয়ংকর হয়।

বিশ্বাসের অঙ্গহানি।

লেখা-সংগৃহীত

২০১০ সাল। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের উন্মাদনা তখন পুরো পৃথিবী জুড়ে। সেই সময়ই Shakira-এর “Waka Waka” গানটা যেন শুধু একটি গ...
13/06/2026

২০১০ সাল। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের উন্মাদনা তখন পুরো পৃথিবী জুড়ে। সেই সময়ই Shakira-এর “Waka Waka” গানটা যেন শুধু একটি গান ছিল না—এটা হয়ে উঠেছিল এক বিশ্বজনীন অনুভূতি। সেই গান আর শুটিংয়ের সূত্র ধরেই তার জীবনে আসে এক নতুন পরিচয়—স্পেনের ফুটবল তারকা Gerard Piqué।
প্রথম দেখাতেই তাদের মধ্যে একটা অদ্ভুত টান তৈরি হয়। বয়সের ব্যবধান ছিল, জীবনও ছিল আলাদা পথে—তবুও সম্পর্কটা ধীরে ধীরে গভীর হয়। সময়ের সাথে তারা হয়ে ওঠে বিশ্ব মিডিয়ার সবচেয়ে আলোচিত জুটিগুলোর একটি। ভালোবাসা, সংসার আর দুই সন্তান—মিলান আর সাশা—সব মিলিয়ে বাইরে থেকে তাদের জীবন ছিল একেবারে নিখুঁত।
কিন্তু নিখুঁত গল্পগুলোই সবচেয়ে নিঃশব্দে ভাঙে।
সময়ের সঙ্গে শাকিরার জীবনে ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন চোখে পড়তে শুরু করে। খুব সাধারণ কিছু জিনিস, কিন্তু অদ্ভুতভাবে অস্বস্তি তৈরি করে। একদিন দীর্ঘ সফর শেষে বাড়ি ফিরে তিনি ফ্রিজ খুলে দেখেন—স্ট্রবেরি জ্যামের বয়ামটা অর্ধেক খালি। ব্যাপারটা সাধারণ মনে হলেও তার মনে প্রশ্ন জাগে, কারণ তিনি জানতেন এই জ্যাম কেউই খায় না।
এই ছোট্ট ঘটনাটাই যেন একটা ইঙ্গিত হয়ে দাঁড়ায়—যা ধীরে ধীরে তাকে নিয়ে যায় এক বড় সত্যের দিকে। সম্পর্কের ভেতরে জমে থাকা দূরত্ব, লুকানো বাস্তবতা—সবকিছু একসময় পরিষ্কার হতে শুরু করে।
শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে দীর্ঘ ১২ বছরের সম্পর্কের ইতি ঘটে তাদের। বাইরে থেকে এটা ছিল আলোচিত এক বিচ্ছেদ, কিন্তু ভেতরে ছিল বহু বছরের জমে থাকা অনুভূতির ভাঙন।
তবে এখানেই গল্প শেষ হয়নি—বরং শুরু হয় নতুন এক অধ্যায়।
ভাঙনের পর শাকিরা নিজেকে হারিয়ে ফেলেননি। তিনি নিজের কষ্ট, অভিমান আর বাস্তবতাকে রূপ দেন সংগীতে। বিশেষ করে BZRP Music Sessions, Vol. 53-এ তিনি যেন নিজের গল্পকে খুব সরাসরি, খুব তীক্ষ্ণভাবে প্রকাশ করেন। গানটি প্রকাশের পরই বিশ্বজুড়ে তৈরি হয় ব্যাপক আলোচনার ঝড়।
শেষ পর্যন্ত এই গল্পটা শুধু প্রেম বা বিচ্ছেদের নয়—এটা একজন নারীর নিজের ভেঙে যাওয়া বিশ্বাসকে শক্তিতে রূপান্তর করার গল্প। আর সেই শক্তির কেন্দ্রে ছিল তার দুই সন্তান—যারা তাকে আবার দাঁড়াতে শিখিয়েছে, নতুন করে এগিয়ে যেতে শিখিয়েছে।

বাহ! সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা...
12/06/2026

বাহ! সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। এটি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের একটি অংশ।
এতে বলা হয়েছে, যারা আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন, তাদের পরিবার মাসে ২০,০০০ টাকা করে পাবেন। সবচেয়ে গুরুতর আহত যোদ্ধাদের জন্যও (‘এ’ ক্যাটাগরি) একই পরিমাণ ভাতা—২০,০০০ টাকা—নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি আহতদের জন্য ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে—১৫,০০০ টাকা এবং ১০,০০০ টাকা।
আরেকটা ভালো খবর হচ্ছে, যারা গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা, তাদের জন্য ট্যাক্স দেওয়ার নিয়মও সহজ করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের তুলনায় তাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বেড়ে ৫,০০০,২৫০ টাকা করা হয়েছে।
অর্থ দিয়ে হয়তো কখনও তাদের ত্যাগের মূল্য ঠিকমতো দেওয়া সম্ভব নয়। তবুও, রাষ্ট্র যে তাদের সাহস, ত্যাগ এবং আন্দোলনের অবদানকে সম্মান জানাচ্ছে, তা সত্যিই প্রয়োজনীয় এবং প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

আমার কোন দোষ নেই, সব পলক ভাইয়ের দোষ 😜
12/06/2026

আমার কোন দোষ নেই, সব পলক ভাইয়ের দোষ 😜

বিশ্বাস করুন, এমন ভালোবাসা সবাই পায় না। এমন মানুষের কাছে আসা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। অনেক সময় আমরা দেখি, নেতা বা জনপ্র...
12/06/2026

বিশ্বাস করুন, এমন ভালোবাসা সবাই পায় না। এমন মানুষের কাছে আসা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। অনেক সময় আমরা দেখি, নেতা বা জনপ্রিয় কোনো ব্যক্তি মানুষের ভিড় জমাতে কোক, বিরিয়ানি, খিচুড়ি বা অন্যান্য খাবারের লোভ দেখায়। মানুষ আসে খাবারের জন্য, আসলে ভালোবাসা বা আগ্রহের জন্য নয়।
কিন্তু এই ছেলে দুজন—নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী এবং নাহিদ ইসলাম—যেখানেই যান না কেনো, মানুষের ভিড় এমন হয় যে যেন রাস্তায় পিঁপড়ের জন্যও জায়গা থাকে না। পুরো রাস্তায় জ্যাম লাগে, যান চলাচল থমকে যায়। হিরো-হিরোইন দেখার জন্যও এমন ভিড় হয় না। কিন্তু এরা আসে শুধু তাদের ভালোবাসার জন্য, তাদের এক নজর দেখার জন্য।
আজকের বৃষ্টি যতটা প্রবল হোক, ঝড় যতটা শক্ত হোক, সাধারণ মানুষের ভালোবাসা এগুলোকে হার মানিয়ে দেয়। মানুষ বাইরে এসেছে—বৃষ্টি ভেজা শরীর নিয়ে হলেও—কারণ ভালোবাসা বাধা মেনে না। আজকে জুমার নামাজ আদায় করেছেন পাটোয়ারীরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন দায়েম নাজির জামে মসজিদে।
হিংসুকেরা যতই ডিম ছুড়ুক, আঘাত করতে চাইলেও এই ছেলে দুজনের প্রতি মানুষের ভালোবাসা কমানো সম্ভব নয়। এই ভালোবাসা হলো তাদের শক্তি, তাদের প্রেরণা। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে চলবেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী এবং নাহিদ ইসলাম, এবং তাদের প্রতি এই গভীর ভালোবাসা চিরকাল অটুট থাকবে। ❤️❤️
#চট্টগ্রাম #জামেয়ামাদ্রাসা

বিশ্বকাপের আমেজের চেয়ে বাঙালির এই আমেজ আরও বেশি ভাইরাল! 😅 বাঙালি পাগলামি দেখার জন্য ৪ বছর ধরে অপেক্ষা করতে হয়, আর চাচা...
12/06/2026

বিশ্বকাপের আমেজের চেয়ে বাঙালির এই আমেজ আরও বেশি ভাইরাল! 😅

বাঙালি পাগলামি দেখার জন্য ৪ বছর ধরে অপেক্ষা করতে হয়, আর চাচা মিয়ার তো আলাদা লেভেলই!
চাচা মিয়া নিজের ৭ শতাংশ জমি বিক্রি করে ১০ লাখ টাকা খরচ করে বানালেন সবচেয়ে বড় পতাকা জার্মানির জন্য। এখন হেরোইন স্টাইলের প্রশ্ন—জার্মানি কি চাচা মিয়ার জন্য এক কাপ চা আর একটা বিস্কুটও পাঠিয়েছে নাকি?
পতাকার কাপড় একটু কমদামী হয়েছিল, বাকি জমি বিক্রি করে একটু দামি কাপড় দিয়ে বানান পতাকা চাচা!
😅 নাকি সরাসরি ভিসা পাঠালো—তা হলে তো চাচা মিয়ার নাম ইতিহাসে লেখা থাকবে!
তবে এত কঠিন ভক্তি—জার্মানির দুই-একজন খেলোয়াড়ের নাম বলতে পারবে কি চাচা? টেনশন নেই, পতাকা অবশ্যই একদিন আপনাকে ভাত দিবে।
এই ধরণের চাচাদের ফ্যান জাদুঘরে রাখা উচিত, দেখার জন্য শুধু!

আজকে খবরটা পড়লাম—বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা! তারেক রহমানের নেতৃত্বে ন...
12/06/2026

আজকে খবরটা পড়লাম—বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা!
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের প্রথম বাজেট, আর এটাই দেশের ইতিহাসে ৫৫তম বাজেট।
বাজেটের কিছু দারুণ ব্যাপার:
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেলের আংশিক ঘোষণা আসতে পারে।
প্রায় ২৫ লাখ মানুষের জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’, সাথে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড।
বিদেশে প্রায় ১ কোটি মানুষের জন্য চাকরি দেওয়া হবে।
সরকার বলছে, মূল্যস্ফীতি নামবে ৭.৫%-এ।
সব শুনে মনে হচ্ছে—দারুণ! পরিকল্পনা বড়, লক্ষ্য বড়।
কিন্তু দিনশেষে বাজারে গিয়ে কি সত্যিই কাঁচামরিচ আর ডিমের দাম কমবে?
না হলে আবার বাজেট বড়, কিন্তু পকেটের টান আরও বেড়ে যাবে!

এমন বাজেটের খবর পড়ার সময় সবসময় মিশ্র অনুভূতি হয়—আশা আছে, কিন্তু একটু সন্দেহও থাকে।
তবুও মনটা বলে, হয়তো এবার কিছু সুবিধা সত্যিই আমাদের দরজায় আসবে।
চলো দেখি, বাস্তবতা কতটা বাজেটের কথা মেনে চলে…

সরকার নাকি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যয় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। অথচ এই পরিমাণ অর্থ দি...
12/06/2026

সরকার নাকি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যয় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। অথচ এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে ফুল প্যাকেজ প্রায় ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনা সম্ভব। মানে সরকার ৩০ টি যুদ্ধ বিমান কেনার টাকা দিয়ে শিশুদের পাছা দোলানো শেখাবে আর বাইজি-নর্তকী তৈরি করবে।
এই পরিমাণ টাকা দিয়ে ২০০ মেইন ব্যাটল ট্যাঙ্ক কেনা ও সম্ভব অথবা প্রায় ২৫ টা J-10C ও কেনা যাবে।

ভারত এখন ই যা শুরু করেছে সীমান্তে বিজিবির সাথে আনসার মোতায়েন করা লাগছে, আর জনগণ তো আছেই। এদিকে সরকারের উপদেষ্টা, মন্ত্রীরা বলে পুশ ইন নাকি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তারা মেয়াদ উত্তীর্ণ সবজি খেয়ে বর্ডার কিলিং এর সংগা দেয়।
অখণ্ড ভারত স্বপ্ন দেখে ইন্ডিয়া নিশ্চিত একদিন বাংলাদেশ আক্রমণ করবে। তখন সীমান্তে এই নর্তকী আর বাইজিদের ডেপ্লয় কইরেন। পাছা দুলিয়ে ইন্ডিয়ান মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করবেন।



লেখা - সংগৃহীত

মাথার ঘাম, পায়ের ধুলো মাখিয়ে, জীবনের সমস্ত স্বপ্ন ও সুখ বিসর্জন দিয়ে যে বাবা তার মেয়েকে মানুষ করেছেন—আজ সেই অসুস্থ ব...
12/06/2026

মাথার ঘাম, পায়ের ধুলো মাখিয়ে, জীবনের সমস্ত স্বপ্ন ও সুখ বিসর্জন দিয়ে যে বাবা তার মেয়েকে মানুষ করেছেন—আজ সেই অসুস্থ বাবার ওপর হাত তুলছে সেই মেয়েটি।
এমন সন্তান থাকলেই কি ভালো? আমার মনে হয়, এমন সন্তান থাকায় বরং নিসন্তান থাকা অনেক বড় আশীর্বাদ।
আমরা বাবা-মায়েরা কত কষ্ট করি, রাতদিন পরিশ্রম করি সন্তানকে মানুষ করতে। হয়তো এই বাবাও দিনরাত পরিশ্রম করেছেন তার মেয়েকে কলেজের শিক্ষিকা বানাতে। স্বপ্ন দেখেছেন, মেয়েটি সমাজে ভালো মানুষ হবে, সন্মান করবে বাবা-মাকে। কিন্তু আজ, স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সেই বাবাকে তারই মেয়ে এবং স্ত্রী প্রতিদিন মারছে।
শিক্ষিত হওয়া মানেই কি এমন করে নিজের বাবা-মার প্রতি নিষ্ঠুর হওয়া? এই প্রশ্নটা মনে ধরে না না—এটা কেবল হৃদয়কে ছেঁড়ে ফেলে।
ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার দেবিদ্বার সরকারি কলেজের উত্তর গেইটে। এমন কুলাঙ্গার শিক্ষিকা এবং তার মায়ের বিরুদ্ধে আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা না হলে, সমাজের শিক্ষা আর মূল্যবোধের প্রতি মানুষের আস্থা কেমন থাকবে? আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি হলো—তাদের কঠোরতম আইনি শাস্তি।
সবচেয়ে বড় কথা, এটি এর এলাকার ঘটনা। আশা করি উনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন, এবং তাদেরকে শাস্তি দিয়ে সমাজকে একটি স্পষ্ট বার্তা দেবেন।
আমাদের জন্য কষ্ট করা বাবা-মায়ের প্রতি এমন নিষ্ঠুর আচরণকে কেউ সহ্য করতে না পারে। 🙏
#দেবিদ্বার

Address

Chittagong
4212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rekha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rekha:

Share