Rekha News Hub

Rekha News Hub Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rekha News Hub, Digital creator, Chittagong.
(2)

বেশ কয়েকবছর ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা করার পর, চার বছর আগে ভারতের বিজেপি-শাসিত রাজ্য উত্তর প্রদেশের সামলিতে হিন্দু যুবক আয়ুষ মা...
17/09/2026

বেশ কয়েকবছর ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা করার পর, চার বছর আগে ভারতের বিজেপি-শাসিত রাজ্য উত্তর প্রদেশের সামলিতে হিন্দু যুবক আয়ুষ মালিক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে এবং তার নাম হয় মোহাম্মদ আলী। কয়েকমাস আগে সে চাঁদনী কুরেশি নামের এক মুসলিম যুবতীকে বিয়ে করে। আয়ুষের বাবা তখন আয়ুষকে বাড়ী থেকে বের করে দেয়।

তারপর কিছু হিন্দুত্ব সংগঠনের সাহায্যে আয়ুষের বাবা পুলিশের কাছে অভিযোগ করে যে চাঁদনী তার ছেলেকে বলপূর্বক ধর্মান্তরণ করিয়েছে। পুলিশ চাঁদনীর পরিবার ও অন্যান্য কয়েকজনের বিরুদ্ধে বলপূর্বক ধর্মান্তরণের মামলা করে ও আয়ুষকে ধরে এনে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়। ভারতের মিডিয়া তখন জানায় যে আয়ুষ স্বেচ্ছায় হিন্দু ধর্মে ফিরে এসেছে ইসলাম ও চাঁদনীকে ছেড়ে।

কয়েক সপ্তাহ আগে আয়ুষের এক বন্ধু এলাহাবাদ হাই কোর্টে পিটিশন দিয়ে জানায় যে আয়ুষকে জবরদস্তি তার বাবা আটকে রেখেছে এবং সে তার বাবার পরিবার থেকে মুক্ত হতে চায়। গতকাল (বুধবার) আয়ুষকে হাই কোর্টে হাজির করার পর সে কোর্টকে জানায় যে সে স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলো এবং সে ইসলাম ধর্মে ও চাঁদনীর কাছে ফিরতে চায়। কাল হাই কোর্ট রায় দিয়েছে যে ৩১ বছর বয়সের একজনের অধিকার বা স্বাধীনতা আছে নিজের ইচ্ছায় যে কোনো ধর্ম পালন করার এবং তার পৈতৃক পরিবার তার এই অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

আয়ুষ কাল জানিয়েছে সে এখন থেকে মোহাম্মদ আলী পরিচয়ে একজন মুসলিম হয়েই বাকি জীবন কাটাতে চায়।

জুন মাসে যখন পুলিশ চাঁদনীর পরিবার ও অন্যান্য কয়েকজনের বিরুদ্ধে বলপূর্বক ধর্মান্তরণের মামলা দিয়ে আয়ুষকে তার বাবার পরিবারে ফিরিয়ে দেয় ভারতের গোদি মিডিয়া জানায় যে তাকে বাধ্য করা হয়েছিলো ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য এবং ওই ধর্মগ্রহণের জন্য সে "ভুল স্বীকার" করে হিন্দু ধর্মে ফিরে এসেছে। ভারতের বড় বড় সব কাগজে আয়ুষকে জোর করে ইসলামে ধর্মান্তরণ করানোর খবর তার ভুল স্বীকার করার খবর ফলাও করে প্রকাশিত হয়। কাল আয়ুষ জানিয়েছে যে তাকে তার বাবার পরিবারে ফেরার পর চাপ দিয়ে ভুল স্বীকার করানো হয়েছিলো মিডিয়ার সামনে।

আয়ুষ ছোটবেলা থেকে ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা করে ইসলামের প্রতি অনুরক্ত হয়ে সে চার বছর আগে ইসলাম গ্রহণ করেছিলো স্বেচ্ছায়। কয়েকমাস আগে সে চাঁদনীকে বিয়ে করেছিলো। ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, আয়ুষকে জোরপূর্বক বা প্রলোভন দেখিয়ে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার বিষয়ে চাঁদনীর পরিবারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

আয়ুষ কাল কোর্টের রায়ের পর জানিয়েছে যে সে জুন মাসে বার বার পুলিশকে জানিয়েছিল যে সে স্বেছ্বায় চার বছর আগে ইসলাম কবুল করেছিলো এবং চাঁদনীকে বিয়ে করেছে। তবুও পুলিশ চাঁদনীর পরিবার ও অন্য কয়েকজনের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্মান্তরণের মামলা দেয় ও তাকে চাঁদনীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে। কাল কোর্ট তার রায়ে সামলির পুলিশকে ভর্ৎসনা করে।

মূলতঃ হিন্দুত্ববাদীদের চাপ বা হুমকির ফলেই আয়ুষকে চাঁদনীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিলো ও তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক তার বাবার পরিবারে ফেরানো হয়েছিলো। মুসলমানদের উপর পুলিশ ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠন সব কীভাবে জুলুম করে ও তাদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসায় তার এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ এই ঘটনা।

কোর্টের রায়ে হিন্দুত্ববাদীরা একপ্রকার হার স্বীকার করেছে। এই রায়ের পর এখন আয়ুষ ওরফে মোহাম্মদ চাঁদনীর কাছে ফিরে যেতে ও স্বাধীনভাবে ইসলাম ধর্ম পালন করতে পারবে। কিন্তু হিন্দুত্ববাদীরা বিভিন্নভাবে মোহাম্মদ ও চাঁদনীকে হয়রান করা বা তাদের উপর জুলুম করার চেষ্টা করতে পারে, ভারতের সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকে এমন আশংকা প্রকাশ করেছে।

লেখা - পিনাকী ভট্টাচার্য

স্টোরিতে এখনো তার হাসি, বাস্তবে সে আর নেই, জীবন এতটাই অনিশ্চিত!আগামীকাল যাওয়ার কথা ছিল কক্সবাজারে। হয়তো ব্যাগটাও গোছানো ...
17/09/2026

স্টোরিতে এখনো তার হাসি, বাস্তবে সে আর নেই, জীবন এতটাই অনিশ্চিত!

আগামীকাল যাওয়ার কথা ছিল কক্সবাজারে। হয়তো ব্যাগটাও গোছানো হয়ে গিয়েছিল, বন্ধুদের সাথে কত প্ল্যান।

অথচ আজ সন্ধ্যায় সব শেষ।

ঢাকার বনশ্রীতে দুই বাসের মাঝখানে পড়ে চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেলেন আফতাবনগর মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষিকা তাসপিয়া আহমেদ তৃষা।

তার ফেসবুক স্টোরিতে এখনো কক্সবাজার যাওয়ার আনন্দের ছবি ভাসছে, অথচ মানুষটাই আর এই দুনিয়াতে নেই, ভাবা যায়?

যে মানুষটা গতকালও ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াচ্ছিল, আজ সে শুধুই একটা স্মৃতি। তার পরিবার, তার ছাত্র-ছাত্রী, তার বন্ধু-বান্ধব কেউ মানতে পারছে না।

এই ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, জীবন কতটা ঠুনকো। আমরা কালকের জন্য স্বপ্ন দেখি, আর আজকেই সব শেষ হয়ে যায়।

আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুক।

৫ মাস আগে গিয়েছিল সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে, আজ সেই সন্তানকে এতিম করে নিজেই কবরে!ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।এটা ...
16/09/2026

৫ মাস আগে গিয়েছিল সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে, আজ সেই সন্তানকে এতিম করে নিজেই কবরে!

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

এটা কোন সিনেমার গল্প না, এটা সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের এক প্রবাসী ভাইয়ের বুক ফাটা বাস্তবতা।

নাম মতিউর রহমান। বাড়ি কোম্পানীগঞ্জের বাগারপাড় গ্রামে। মাত্র ৫ মাস আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। একটাই স্বপ্ন ছিল, পরিবারটাকে ভালো রাখবেন, ছোট্ট বাচ্চাটার জন্য সুন্দর একটা জীবন বানাবেন।

কিন্তু আজ সকালে সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।

সৌদি আরবে নিজের থাকার রুমের ভেতরেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সবচেয়ে কষ্টের কথা হলো, এই হত্যার সাথে নাকি তার সাথে থাকা বাংলাদেশি রুমমেটরাই জড়িত।

প্রবাসের মাটিতে একজন বাংলাদেশি হয়ে আরেকজন বাংলাদেশির বুকে কিভাবে ছুরি চালায়? মানুষ কতটা নিচে নামলে এই কাজ করতে পারে?

মতিউর ভাইয়ের ঘরে ৫ মাসের একটা ফুটফুটে বাচ্চা আছে। যে বাচ্চাটার মুখের দিকে তাকিয়ে সে বিদেশ গিয়েছিল, আজ সেই বাচ্চাটা চিরদিনের জন্য বাবা হারা হয়ে গেল। সে আর কোনদিন বাবার কোলে উঠতে পারবে না, বাবা বলে ডাকতে পারবে না।

একটা পরিবারের সব স্বপ্ন, সব আশা এক মুহূর্তে কান্নায় পরিণত হলো।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই। সৌদি আরবের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, দয়া করে এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করুন। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করুন।

আল্লাহ ভাই মতিউরকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং তার পরিবারকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দিন। আমিন।

মেলায় হারিয়ে যাওয়া দুই বোন 👍
16/09/2026

মেলায় হারিয়ে যাওয়া দুই বোন 👍

মির্জা আব্বাসের বিষয়টা নিয়ে পাটোয়ারী আবার কখন বোমা মা‘রে বলা যায়না।  ওরে একটুও বিশ্বাস নাই। 🤭যাইহোক,মির্জা আব্বাস সাহেব ...
16/09/2026

মির্জা আব্বাসের বিষয়টা নিয়ে পাটোয়ারী আবার কখন বোমা মা‘রে বলা যায়না। ওরে একটুও বিশ্বাস নাই। 🤭

যাইহোক,মির্জা আব্বাস সাহেব আবারও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাচ্ছেন।

এর আগে চিকিৎসা নিয়েছেন সিঙ্গাপুরে।

যেতেই পারেন। চিকিৎসা যার যেখানে ভালো লাগে, করবে। এইটা নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নাই।

সমস্যা হইলো অন্য জায়গায়।:-

যে মানুষ নিজের চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যান, তাকেই বানানো হইছে ঢাকা মেডিকেলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি!

মানে নিজের চিকিৎসা সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়ায়, আর জনগণের চিকিৎসা হবে ঢাকা মেডিকেলে।

বাহ কি চমৎকার!

বুঝলাম বিএনপি সরকারে আছে, নিজেদের লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসাবে।

কিন্তু বিএনপির মধ্যে কি আর একজন মানুষও ছিল না?

ঢাকা মেডিকেলের দায়িত্ব দেওয়ার মতো অভিজ্ঞ, দক্ষ কাউকে কি পাওয়া গেল না?

নাকি নতুন নিয়ম হইছে দলের লোক হলেই সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ।

আর আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা কেন উন্নত হয় না, সেই প্রশ্নের উত্তরও এখানেই আছে।

এদেশের এমপি-মন্ত্রী, আমলা আর ক্ষ‘মতাবানরা নিজেরা দেশের হাসপাতালে চিকিৎসা নেন না।

সর্দি-কাশি হইলেও বিদেশ, চেকআপ হইলেও বিদেশ! তারপর আবার দেশের হাসপাতাল নিয়ে বড়বড় বক্তব্য দিবে।

শিক্ষাব্যবস্থার অবস্থাও একই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বমানের করতে হবে বইলা বক্তব্য দিবে।

কিন্তু নিজের সন্তান বিদেশে পড়াবে!

যেই স্কুলে নিজের সন্তান পড়ে না, সেই স্কুলের ভাঙা ফ্যান আপনার চোখে পড়বে কীভাবে?

যে হাসপাতালে নিজের পরিবারের মানুষ চিকিৎসা নেয় না,সেই হাসপাতালের নার্স-ডাক্তারের সেবার মান নিয়ে আপনার মাথাব্যথা হবে কেন?

দেশের সিস্টেম ঠিক করতে হলে আগে ক্ষ‘মতাবানদের এই এই দুই নাম্বারি বন্ধ করতে হবে।

এমন হাসপাতাল বানান, যেখানে মন্ত্রী-এমপি নিজেরাও চিকিৎসা নিতে বাধ্য হবে।

এমন শিক্ষা ব্যবস্থা বানান, যেখানে ক্ষ‘মতাবানরাও নিজের সন্তানকে বিদেশে পাঠানোর আগে দশবার চিন্তা করবে।

নইলে চেয়ার বদলাবে, সভাপতি বদলাবে, সরকার বদলাবে, কিন্তু জনগণের কোন উপকার হবেনা। আর নিজেরা দেশের বাহিরে চিকিৎসা, শিক্ষার ব্যবস্থা নিয়ে দেশে এসে বলবেন -

দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে!

আর উন্নয়ন দেখতে দেখতে জনগণ বলবে, আমার বালের উন্নয়ন হচ্ছে।
কথাটা মাথায় রাইখেন।
লেখায় - Md Rubel Hasan

ভাইরে ভাই,পুরা দুনিয়া অবাক! যে দেশে মানুষ কমে যাচ্ছে, সে দেশেই নাকি ১ লাখ মানুষের বয়স ১০০ বছরের বেশি! 😳কি বিশ্বাস হচ্ছে ...
16/09/2026

ভাইরে ভাই,পুরা দুনিয়া অবাক! যে দেশে মানুষ কমে যাচ্ছে, সে দেশেই নাকি ১ লাখ মানুষের বয়স ১০০ বছরের বেশি! 😳

কি বিশ্বাস হচ্ছে না?

এটাই সত্যি, আর এটা করেছে জাপান।

আমরা যখন আয়ু বাড়ানোর জন্য কত কিছু করি, তখন জাপানে ১ লাখ ৭ হাজার মানুষ ১০০ বছর পার করে ফেলেছে। টানা ৫৬ বছর ধরে প্রতি বছরই এই সংখ্যা বাড়ছে। গত এক বছরেই বেড়েছে ৮ হাজার!

আর ভাই, এই ১ লাখের মধ্যে ৯৪ হাজারই নারী। মানে বুড়িদের কাছে বুড়ারা পাত্তাই পাচ্ছে না। 😅

তাহলে রহস্যটা কি? তারা কি খায়?

রহস্য দুইটা।
১. তারা মাপা খাবার খায়, গোগ্রাসে খায় না।
২. তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা দুনিয়ার সেরা।

কিন্তু আসল রহস্য হলো একটা জাপানি শব্দ - "ইকিগাই"। মানে হলো, সকালে ঘুম থেকে উঠার একটা কারণ থাকা। জীবনের একটা মানে খুঁজে পাওয়া। যে মানুষটার বাঁচার কারণ আছে, সে এমনিতেই বেশি দিন বাঁচে।

আমরা টাকা, বাড়ি, গাড়ির পিছনে দৌড়াই, আর ওরা বাঁচার আনন্দের পিছনে দৌড়ায়। পার্থক্যটা এখানেই।

একদিকে দেশে বাচ্চা কমছে, অন্যদিকে ১ লাখ মানুষ ১০০ বছর বাঁচছে। জাপান আসলেই এক আজব দেশ!


এই বেডারে রাজনীতি করতে কইছিল কেডা? 🤣 বেডার জায়গা রাজনীতিতে না, স্টুডিওতে!*সালাহউদ্দিন আম্মার, রাজনীতিতে ফেল হইলেও গানে ক...
16/09/2026

এই বেডারে রাজনীতি করতে কইছিল কেডা? 🤣 বেডার জায়গা রাজনীতিতে না, স্টুডিওতে!*

সালাহউদ্দিন আম্মার, রাজনীতিতে ফেল হইলেও গানে কিন্তু A+!

গতকাল আওয়ামী লীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় হইলো। সারা দেশ টেনশনে, আর এই বেডা ওই রায় নিয়াই গান বানাইয়া ফেলছে! মানে আদালতে হাতুড়ি পড়ে, আর বেডার মাথায় তবলা বাজে! 😂

আর গানের লাইন শুনলে আপনি পাগল হইয়া যাবেন -

"আমার জেল হবে, না ফাঁসি হবে গো,
আমার উকিল তো কইলো না,
ম্যাজিস্ট্রেট তারেক ভাই,
জামিন দিলো না!" 🤣

ভাই তুই আদালতে আছোস নাকি কনসার্টে আছোস?

এখানেই শেষ না, এক গানের ভিতরেই নেত্রী, বিদেশ, দেশের রাজনীতি, ডিসেম্বরের ভবিষ্যৎবাণী সব ঢুকাইয়া দিছে। মানে এক গানেই পুরা টকশো শেষ!

আর বিশ্বাস করেন, বেডার গলাটা কিন্তু জোস! ফালাইয়া দেওয়ার মত না।

আমার মনে হয় রাজনীতি না কইরা গান করলে এতদিনে আম্মার ভাই না, রকস্টার আম্মার হইয়া যাইতো!

জাতির একটাই দাবি, বেডারে রাজনীতি থেকে অবসর দিয়া একটা মাইক আর একটা স্টেজ দেন।
দেশের রাজনীতি না হোক, অন্তত বিনোদনটা তো বাঁচবে!



#সালাহউদ্দিনআম্মার

ভাই, এরা ক্যাটরিনাকেও বড়িশেমিং করতে  ছাড়লো না!৪০ বছর বয়সে মা হওয়াটাই কি অপরাধ? যাকে আমরা পর্দায় বার্বি ডল হিসেবে দেখি,সে...
16/09/2026

ভাই, এরা ক্যাটরিনাকেও বড়িশেমিং করতে ছাড়লো না!৪০ বছর বয়সে মা হওয়াটাই কি অপরাধ?

যাকে আমরা পর্দায় বার্বি ডল হিসেবে দেখি,সেই ক্যাটরিনা কাইফ এখন ট্রলের শিকার। কারণ কি জানেন? কারণ সে মা হয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট স্বামী ভিকি কৌশলের সাথে পরিচালক কুকু কোহলির শেষকৃত্যে গিয়েছিলেন। মা হওয়ার পর এটাই ছিল তার প্রথম বাইরে আসা। কোনো মেকআপ নাই, সিম্পল একটা ড্রেস, একটু ওজন বেড়েছে।

এই ছবি ভাইরাল হতেই কমেন্ট বক্সে শুরু হলো নোংরামি। কেউ লিখছে "মোটা হয়ে গেছে", কেউ লিখছে "বুড়ি লাগছে", কেউ লিখছে "অসুস্থ নাকি?"

এর কয়েকদিন পরেই মুকেশ আম্বানির বাড়ির গণেশ উৎসবে গেলেন পুদিনা-সবুজ রঙের একটা সুন্দর আনারকলি পরে। এটা ছিল মা হওয়ার পর তার প্রথম কোনো বড় উৎসব। আর সেই ছবি দেখেও একই ট্রল।

মানুষ বলছে "ক্যাটরিনার গ্ল্যামার শেষ", "ওজন বাড়িয়ে নায়িকা থেকে শেষ হয়ে গেছে"। এমনকি মা হওয়ার পর যে স্বাভাবিক ফোলা ভাব থাকে সেটাকে অনেকে প্লাস্টিক সার্জারির ব্যর্থতা বলে চালিয়ে দিচ্ছে।

ভাই একবার ভাবেন, ক্যাটরিনার বয়স ৪৩ বছর। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সে ছেলে ভিহানের জন্ম দিয়েছে। ৪৩ বছর বয়সে একজন নতুন মায়ের শরীরে পরিবর্তন আসবে না তো কার আসবে?

আপনারা তার কাছে এখনো ২০ বছরের তরুণীর মতো জিরো ফিগার আশা করছেন, এটা কি কোনো সুস্থ চিন্তা?

একটা নতুন প্রাণকে পৃথিবীতে আনতে একটা মেয়ের শরীরে কতটা ধকল যায় আপনারা জানেন? হরমোন চেঞ্জ হয়, রাতের পর রাত ঘুম হয় না, শরীর ফোলে, ক্লান্তি থাকে।

এটাই তো মা হওয়ার আসল রূপ। এটা বিজ্ঞান। যারা সার্জারির জ্ঞান দিচ্ছেন তারা মাতৃত্বের এই বায়োলজিটাই বোঝেন না। তারা এখনো পর্দার ফ্যান্টাসিতে বাস করেন।

এই ট্রল দেখে অভিনেত্রী শিবালিকা ওবেরয় পর্যন্ত প্রতিবাদ করেছেন। তিনি লিখেছেন "এটা কি শুরু হলো? This is motherhood! এটাই নরমাল পোস্টপার্টাম রিকভারি, ভালো খারাপ, ফোলা, ক্লান্তি সবকিছু নিয়েই।"

সত্যি বলতে ক্যাটরিনা তার বাড়তি ওজন লুকায়নি। সে যেমন আছে তেমন ভাবেই সাহস নিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছে। এটা দুর্বলতা না, এটা গর্ব।

আজ যদি ক্যাটরিনাকেও বডি শেমিং সইতে হয়, তাহলে আমাদের ঘরের সাধারণ নতুন মায়েরা কতটা মানসিক যন্ত্রণায় থাকে একবার ভাবুন তো?

এই নোংরা মানসিকতা বন্ধ হওয়া দরকার।



ভাইরে ভাই!! আসিফ মাহমুদের হ্যাডম আছে বলতে হবে। তিনি দুদককে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন,১ টাকার দুর্নীতি প্রমাণ করুন, না হয় ...
15/09/2026

ভাইরে ভাই!! আসিফ মাহমুদের হ্যাডম আছে বলতে হবে। তিনি দুদককে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন,১ টাকার দুর্নীতি প্রমাণ করুন, না হয় রাজনীতি ছেড়ে দেবো।

এত বড় চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের ইতিহাসে কেউ দিয়েছে বলে মনে হয় না।

দুদক বলছে এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া নাকি ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। দুইদিন পরপর নতুন নতুন অভিযোগ আনছে, কিন্তু আজ পর্যন্ত একটা কাগজ, একটা প্রমাণও জনগণের সামনে আনতে পারে নাই।

আর এইবার আসিফ মাহমুদ নিজেই দুদককে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।

সে সোজা বলে দিয়েছে, যদি ১ টাকা দুর্নীতিরও প্রমাণ দিতে পারেন, আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনারা যে শাস্তি দেবেন, আমি মাথা পেতে নেবো।

এর চেয়ে বড় কথা আর কি হতে পারে বলেন? একজন মানুষ যখন নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বাজি রেখে এমন চ্যালেঞ্জ দেয়, তখন তো দুদকের উচিত সাথে সাথে প্রমাণ নিয়ে হাজির হওয়া।

কিন্তু না, প্রমাণ দেখানোর বেলায় দুদক চুপ। যখনই মানহানির মামলার কথা বলা হয়, তখনই তারা পিছিয়ে যায়। তাহলে কি পুরো বিষয়টা শুধু একজনকে হেনস্তা করার জন্য?

আমার দাবি একটাই, যদি ১১ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে সেই টাকা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনেন। সেই টাকা দিয়ে দেশের গ্যাস, বিদ্যুতের সংকট সমাধান করেন। দেশের মানুষ উপকৃত হবে।

আর যদি প্রমাণ দিতে না পারেন, তাহলে এই নাটক বন্ধ করেন। যারা সত্যি সত্যি ২-৪ লাখ কোটি টাকা পাচার করে বিদেশে বসে আরামে দিন কাটাচ্ছে আর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের ধরেন।

দেশের মানুষ এখন আর মুখের গল্প শুনতে চায় না, চোখে প্রমাণ দেখতে চায়।


শুধুমাত্র ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলার জন্য বদলি করে দেওয়া হলো একজন IPS অফিসারকে!শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনাটা ঘটেছে আমাদের পাশের ...
15/09/2026

শুধুমাত্র ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলার জন্য বদলি করে দেওয়া হলো একজন IPS অফিসারকে!

শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনাটা ঘটেছে আমাদের পাশের দেশ ভারতে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একজন IPS কর্মকর্তা, নাম বুশরা বানু। পুলিশের ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় একটা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন তিনি। বক্তব্যের শুরুতে তিনি সবাইকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে সালাম দেন। আর কথার মাঝে বলেন ‘ইনশাআল্লাহ’ এবং শেষ করেন ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে।

ব্যাস, এতটুকুই ছিল তার অপরাধ!

এই ভিডিওটা ছড়িয়ে পড়ার পর ‘হিন্দু লিগ্যাল ফান্ড’ নামের একটা সংগঠন এটা নিয়ে আপত্তি তোলে। তাদের দাবি, সরকারি পোশাকে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তা এভাবে ধর্মীয় শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না। তাদের মতে তার বলা উচিত ছিল ‘জয় হিন্দ’ বা ‘বন্দে মাতরম’।

আর এই আপত্তির পরপরই যা হলো সেটা আরও অবাক করার মতো। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ASP) এর পদ থেকে সরিয়ে বুশরা বানুকে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের চতুর্থ ব্যাটালিয়নে ডেপুটি কমান্ডান্ট হিসেবে বদলি করে দেওয়া হয়।

এখন এই ঘটনা নিয়ে দুই বাংলায় তুমুল আলোচনা সমালোচনা চলছে।

একদল বলছে, একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন ইউনিফর্মে থাকেন তখন তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি। তখন নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ধর্মীয় শব্দ এড়িয়ে চলাই ভালো।

আবার আরেকদল বলছে, ‘আসসালামু আলাইকুম’ মানে তো ‘আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক’। ‘ইনশাআল্লাহ’ মানে ‘আল্লাহ চাইলে’। এগুলো তো কোনো খারাপ শব্দ না।

এগুলো একজন মুসলিমের সংস্কৃতি, তার বিশ্বাসের অংশ। একজন মুসলিম অফিসার যদি ‘জয় হিন্দ’ বলতে পারেন, তাহলে ‘আসসালামু আলাইকুম’ কেন বলতে পারবেন না?

প্রশ্নটা এখন সবার মনে।

সরকারি দায়িত্বে থাকলে কি নিজের ধর্মীয় পরিচয় লুকিয়ে রাখতে হবে? নাকি সব ধর্মের মানুষেরই তার বিশ্বাস প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত?

আপনার কাছে কোন যুক্তিটা বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হয়? কমেন্টে জানান।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rekha News Hub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rekha News Hub:

Shortcuts

Share