Education Hub

Education Hub Learn today,lead tomorrow
(1)

জ্বীন তাড়ানোর কথা বলে ছাত্রীর গো'পনাঙ্গে তেল মালিশ, অতঃপর ধ'র্ষণ চেষ্টা, মা'মলা করায় ছাত্রীর বাড়ি ঘরে হাম'লা ভাংচুর। নোয়...
21/04/2026

জ্বীন তাড়ানোর কথা বলে ছাত্রীর গো'পনাঙ্গে তেল মালিশ, অতঃপর ধ'র্ষণ চেষ্টা, মা'মলা করায় ছাত্রীর বাড়ি ঘরে হাম'লা ভাংচুর। নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে জ্বীন তাড়ানোর কথা বলে দাদীকে তেল পানি আনতে পাঠিয়ে নিজের খাস কামরায় নিয়ে ঐ ছাত্রীর গোপ'নাঙ্গে তেল মালিশ করে ধর্ষ'ণ করার চেষ্টা করা হয়।
তার শৌর চিৎকারে দাদী এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়, ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে ঐ শিক্ষক ছাত্রীকে গুম খু'নের হুমকি দেন পরে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে চরজব্বর থানায় একটি শ্লী'লতাহানির মা/লা করেন। মাম'লা করার পর ঐ শিক্ষকের ইন্ধনে ম'ব সৃষ্টি করে ছাত্রীর বাড়ীতে ব্যাপক হাম/লা ভাঙচুর চালানো হয়।

★ “আব্বু দরজা খোলো, আমি একটু ভিতরে যাব”—সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবার নতুন বিয়ের নেশা, আর আমগাছের তলায় ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজছে মাসুম...
21/04/2026

★ “আব্বু দরজা খোলো, আমি একটু ভিতরে যাব”—সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবার নতুন বিয়ের নেশা, আর আমগাছের তলায় ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজছে মাসুম স'ন্তান!”—যে বয়সে বাবার হাত ধরে আইসক্রিম খাওয়ার কথা, সেই বয়সে একটি অবুঝ শিশু গত দুইদিন ধরে বন্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদছে। এক গ্লাস পানির জন্য দাদীর কাছে আকুতি জানালেও মেলেনি সাড়া। বিদেশের মাটিতে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে আমিনুল ইসলাম দেশে ফিরেই স্ত্রী-স'ন্তানকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে তালা ঝু’লিয়ে দিয়েছেন। কালবৈশাখী ঝড় আর মুষলধারে বৃষ্টিতেও আশ্রয় মেলেনি ঘরে, ঠাঁই হয়েছে খোলা আকাশের নিচে আমগাছের তলায়। নিজের র’ক্তকে রাস্তায় ফেলে প্রবাসীর এমন নি’ষ্ঠুরতা আজ মা’নবিকতাকে বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
​★ সতীত্ব রক্ষা করাই কি তবে এই গৃহবধূর অ’পরাধ?—লম্পট ভগ্নিপতির কূটচালে ধ’্বংসের মুখে একটি সংসার!—ঘটনাটি শুনে শিউরে উঠবেন; ননদ আর লম্পট ভগ্নিপতি মেহের আলীর কুপ্র’স্তাবে রাজি না হওয়ায় তাঁর সম্মান রক্ষাই আজ কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। লম্পট ভগ্নিপতির ম’ন্ত্রণা আর ননদের উস্কানিতে প্রবাসী আমিনুল আজ নিজের সতী স্ত্রীর ওপর চ’রম অবিচার করছেন। আমিনুলের বাবা মৃ’ত্যুশয্যায় এই মেয়েটিকে আগলে রাখার অসিয়ত করলেও, আজ বাবার সেই শেষ ইচ্ছাকে পদদলিত করা হয়েছে। টানা দুইদিন না খেয়ে অনশনরত এই মা স্পষ্ট জানিয়েছেন—মরলেও তিনি এই সংসার ছাড়বেন না। যারা একজন সতী নারীর সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে এবং মাসুম বাচ্চার অধিকার হরণ করছে, তাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং এই মায়ের অধিকার ফিরিয়ে দিতে ভিডিওটি শেয়ার করুন।

“শ্বশুরের মৃ’ত্যুর খবরে হাউমাউ করে কান্না, অথচ এক নি’ষ্ঠুর ম্যাডাম কাজ শেষ না করে আসতে দেয়নি!”—ট্রেনে দেখা এক অ’সহায় নার...
21/04/2026

“শ্বশুরের মৃ’ত্যুর খবরে হাউমাউ করে কান্না, অথচ এক নি’ষ্ঠুর ম্যাডাম কাজ শেষ না করে আসতে দেয়নি!”—ট্রেনে দেখা এক অ’সহায় নারীর বুকফাটা হাহাকার ও সমাজের দুই চরিত্রের গল্প!—সেদিন ট্রেনে এক নারীকে হাউমাউ করে কাঁদতে দেখে কামরার যাত্রীরা আ’তঙ্কিত হয়ে পড়েন। কাছে গিয়ে জানা গেল এক বি’ষাদময় কাহিনী। ওই নারীর স্বামী কয়েক বছর আগে ক্যা’ন্সারে মা’রা গেছেন, ছোট স’ন্তান আর শ্বশুর-শাশুড়িকে আগলে রাখতে তিনি ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজ করেন। তাঁর শ্বশুর ছিলেন তাঁর কাছে বাবার মতো। সেই বাবার মৃ’ত্যুর খবর পেয়েও এক নি’ষ্ঠুর গৃহকর্ত্রী তাঁকে কাজ শেষ না করে আসতে দেননি। সময়ের অভাবে খাবারটুকুও মুখে নিতে পারেননি তিনি। মানুষের অ’সহায়ত্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো এমন নি’ষ্ঠুরতা আজ মা’নবিকতাকে বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
​★ মা’নবিকতা বনাম নি’ষ্ঠুরতা; একই সময়ে দুই রকম চরিত্র: যেখানে একজন ম্যাডাম ছুটির জন্য ক’ষ্ট দিয়েছেন, সেখানে আরেকজন ব্যাংকার ম্যাডাম নিজ থেকে ফোন করে ছুটি ও টাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আবার ট্রেনের পাশের সিটে বসা এক ভাই নিজের এলাকার মানুষ চিনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। নিকলী থানার সেই নি’সহায় নারীর এই ক’রুণ পরিস্থিতি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়—পদ-পদবি বা টাকা বড় নয়, দিনশেষে মানুষের পরিচয় তাঁর আচরণে। স্বামী-হারা, এতিম এই নারী আজ তাঁর শেষ আশ্রয় শ্বশুরকেও হারালেন। আসুন, আমরা মানুষের বিপদে নি’ষ্ঠুর না হয়ে মা’নবিক হতে শিখি। আপনার একটি শেয়ার হয়তো অনেক গৃহকর্ত্রীকে সচেতন করবে।

★ “স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে; খবর পেয়ে ছুটে আসা প্রথম স্ত্রীর সাথে শ্বশুরবাড়ির পৈশাচিক আচরণ!”—বিশ্...
21/04/2026

★ “স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে; খবর পেয়ে ছুটে আসা প্রথম স্ত্রীর সাথে শ্বশুরবাড়ির পৈশাচিক আচরণ!”—বিশ্বাসঘাতকতার এর চেয়ে জঘন্য রূপ আর কী হতে পারে? নিজের স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে পাঠিয়ে সেই সুযোগে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করে বসলেন এক পাষণ্ড স্বামী। খবর পেয়ে যখন প্রথম স্ত্রী পাগলের মতো শ্বশুরবাড়িতে ছুটে এলেন, তখন শ্বশুরবাড়ির মানুষগুলো তাঁর সাথে এমন নি’ষ্ঠুর আচরণ করল, যেন তারা এই মেয়েটিকে কোনোদিন চিনতই না! যে স্বামীর ঘরে বছরের পর বছর কাটল, সেই ঘরেই আজ তিনি আগন্তুক। স্ক্রিনে এই বোনের বুকফাটা কান্না দেখে চোখের জল ধরে রাখা দায়। এটি কেবল বিশ্বাসঘা’তকতা নয়, এটি একটি সাজানো জীবনকে এক নিমেষে ধূলিসাৎ করে দেওয়ার চ’রম প্র’তারণা।
​★ ধোঁ’কা দিয়ে বিয়ে করা কখোনোই 'পুরুষত্ব' হতে পারে না: ইসলাম ধর্মে একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রে কঠিন শর্ত ও সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু প্রথম স্ত্রীকে মি’থ্যা বলে, অন্ধকারে রেখে এমন লুকিয়ে বিয়ে করাটা চ’রম প্র’তারণা এবং নিচু মানসিকতার পরিচয়। কতটা অ’সহায়বোধ করলে একজন নারী এভাবে কান্নায় ভেঙে পড়তে পারেন, তা আজ সমাজের বি’বেকের কাছে প্রশ্ন। বোন, তোমার জন্য রইলো অনেক অনেক শুভকামনা ও দোয়া। আল্লাহ তোমাকে এই ক’ঠিন পরিস্থিতি সহ্য করার তৌফিক দিন। এই প্র’তারণার জাল ছিঁড়ে নিজের শক্তিতে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াও এবং মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখো। প্রিয় পাঠক, নিজের স্ত্রীর সাথে এমন জ’ঘন্য প্র’তারণা করা ব্যক্তির জন্য কী শা’স্তি হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন? আপনার প্রতিবাদী মতামত কমেন্টে জানান।

★ “আমি ওর দাঁত দেখেই প্রেমে পড়েছিলাম; লোকে কী বলল তাতে আমার কিছু যায় আসে না!”—স্ত্রীর শারীরিক গঠন নিয়ে ট্র'লের জবাবে নাস...
21/04/2026

★ “আমি ওর দাঁত দেখেই প্রেমে পড়েছিলাম; লোকে কী বলল তাতে আমার কিছু যায় আসে না!”—স্ত্রীর শারীরিক গঠন নিয়ে ট্র'লের জবাবে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ভাইয়ের এক বি'স্ময়কর ভালোবাসার নজির!—সম্প্রতি এক ইন্টারভিউতে নাসির ভাই তাঁর স্ত্রীর দাঁত নিয়ে হওয়া নেতিবাচক মন্তব্যের যে উত্তর দিয়েছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক বড় শিক্ষা। তিনি সগর্বে জানিয়েছেন, যে হাসি দেখে তিনি প্রেমে পড়েছিলেন, সেটিই তাঁর কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য। যেখানে মানুষ সামান্য খুঁত পেলেই প্রিয়জনকে ছোট করতে দ্বিধা করে না, সেখানে নাসির ভাই বুঝিয়ে দিলেন—ভালোবাসা মানে খুঁত খোঁজা নয়, বরং প্রিয়জনের তথাকথিত ‘খুঁত’গুলোকেও পৃথিবীর সেরা সৌন্দর্য হিসেবে গ্রহণ করা।
​★ পবিত্র ভালোবাসার জয় ও নিচু মানসিকতার পরাজয়: কারো শারীরিক গঠন নিয়ে ট্র'ল করা কেবল নিচু মানসিকতার পরিচয়। নাসির ভাই প্রমাণ করেছেন, একজন নারীর আসল সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে তাঁর স্বামীর চোখে। শুভকামনা নাসির ভাই ও আমাদের ভাবির জন্য; তাঁদের এই পবিত্র বন্ধন অটুট থাকুক। ভাবি তাঁর স্বামীর কাছেই সেরা সুন্দরী এবং এই সুন্দর হাসিতে কখনো কারো নজর না লাগুক। এই পোস্টটি শেয়ার করে নাসির ভাইয়ের মতো ইতিবাচক মানসিকতা ছড়িয়ে দিন এবং শারীরিক গঠন নিয়ে করা অপমানের বি'রুদ্ধে সোচ্চার হোন।

★ “বাবা বুঝি রাস্তায় ফেলে আসবে—এই ভ’য়ে মসজিদে রাত কাটাতো শিশু শাহীন; অবশেষে বাবার সেই নি’ষ্ঠুর ছ’লনাই সত্যি হলো!”—পৃথিবী...
21/04/2026

★ “বাবা বুঝি রাস্তায় ফেলে আসবে—এই ভ’য়ে মসজিদে রাত কাটাতো শিশু শাহীন; অবশেষে বাবার সেই নি’ষ্ঠুর ছ’লনাই সত্যি হলো!”—পৃথিবীতে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হলো বাবা-মায়ের কোল, কিন্তু ১৯ বছরের তরুণ শাহীনের জীবনে নিয়তি ছিল অত্যন্ত নি’র্মম। রিকশাচালক বাবা নজরুল "ঘুরতে যাই" বলে বরিশাল থেকে সদরঘাটে এনে চিরতরে ফেলে রেখে যায় ছোট্ট শাহীনকে। শুধু শাহীন নয়, তার বড় ভাই ইয়াসিনকেও একইভাবে রাস্তায় ফেলে দিয়েছিলেন এই পাষণ্ড বাবা। ছোটবেলার সেই আ’তঙ্ক যে একদিন এমন রূঢ় বাস্তবতায় রূপ নেবে, তা হয়তো অবুঝ শাহীন কল্পনাও করেনি। সদরঘাটে পানি বিক্রি থেকে শুরু করে সেফ হোম—শাহীনের একাকী বেঁচে থাকার প্রতিটি বাঁক যেন এক র’ক্তাক্ত সংগ্রামের ইতিহাস।
​★ মায়ের খোঁজে এক লড়াকু স’ন্তানের হাহাকার—ব বাবাকে আর কোনোদিন দেখতে চায় না শাহীন: বিনা অ’পরাধে জেলে যাওয়ার ভ’য়ে দর্জির কাজ শেখা শাহীন আজ চমৎকার পাঞ্জাবি তৈরি করতে পারে, বর্তমানে কাজ করছে রাজমিস্ত্রি হিসেবে। লঞ্চ থেকে পড়ে গিয়ে গালে হওয়া সেই কাটা দাগটা আজও তার একাকী যুদ্ধের নীরব সাক্ষী। যে বাবা তাকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল, সেই বাবাকে শাহীন আর জীবনেও দেখতে চায় না; তার মনে এখন শুধুই মা আনোয়ারা বেগম আর বড় ভাই ইয়াসিনকে ফিরে পাওয়ার তীব্র আকুতি। বরিশালের এক শিক্ষকপুস্পিত আশ্রয়ে থেকে শাহীন আজ প্রহর গুনছে মা’কে একটিবার দেখার আশায়। আপনার একটি শেয়ার হয়তো বাঁশখালী বা বরগুনার কোনো কোণায় থাকা এক অ’সহায় মায়ের বুকে তাঁর হারিয়ে যাওয়া ধনকে ফিরিয়ে দিতে পারে। আসুন, শাহীনের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে সবাই পাশে দাঁড়াই।

“মায়ের শেষ সম্বল মোবাইল বে’চে ঘরভাড়া, নিজের স’ন্তানদের বলছে 'জা’রজ'!”—নেশাগ্রস্ত বাবার পৈশাচিকতায় দিশেহারা এক মা; ডাস্টব...
07/04/2026

“মায়ের শেষ সম্বল মোবাইল বে’চে ঘরভাড়া, নিজের স’ন্তানদের বলছে 'জা’রজ'!”—নেশাগ্রস্ত বাবার পৈশাচিকতায় দিশেহারা এক মা; ডাস্টবিনের ময়লায় ফেলে নি’র্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা!—মানুষ কতটা নিচে নামলে নিজের জন্মদাতা স’ন্তানদের অস্বীকার করতে পারে? ময়মনসিংহে নেশার ঘোরে আচ্ছন্ন এক পাষণ্ড বাবার ব’র্বরতায় আজ ধ্বংসের মুখে একটি সাজানো সংসার। নেশার টাকার জন্য শাশুড়ির শখের মোবাইল ফোনটি পানির দামে বে’চে দিয়ে ঘরভাড়া শোধ করেছেন ওই ব্যক্তি। ঘরে খাবার নেই, স’ন্তানদের মুখে অন্ন নেই—পুরো পরিবার যখন না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে, তখন ওই পাষণ্ড মত্ত থাকে নেশার দুনিয়ায়। শুধু তাই নয়, নিজের ৯ বছরের মেয়ে এবং অপর স’ন্তানকে প্রকাশ্যে 'জা’রজ' বলে গা’লি দিয়ে নিজের পিতৃপরিচয়কে কলঙ্কিত করছে এই অ’মানুষ।
​★ ডাস্টবিনের ময়লায় ফেলে নি’র্যাতন ও মুক্তি চায় পাষণ্ড স্বামী: ভুক্তভোগী ওই নারী অশ্রুসিক্ত চোখে জানান, স’ন্তানদের সামনেই তাঁকে ডাস্টবিনের ময়লার ভেতরে ফেলে নি’র্যাতন করা হয়েছে। অভাবের তাড়নায় স্ত্রী অন্যের বাসাবাড়িতে কাজ করতে চাইলেও বাধা দিচ্ছে সেই নেশাখোর স্বামী, কারণ তাঁর প্রয়োজন প্রতিদিনের নেশার টাকা। এখন নি’র্যাতনের মাত্রা ছাড়িয়ে সেই ব্যক্তি স্ত্রীর কাছে ডিভোর্স আর মুক্তি চাচ্ছে, স’ন্তানদের দায়িত্ব নিতে সে পুরোপুরি অস্বীকার করছে। যে বাবা স’ন্তানদের পরিচয় দিতে অস্বীকার করে এবং নেশার জন্য সব বিক্রি করে দেয়, সেই অ’পরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখন সময়ের দাবি। নেশা কীভাবে একটি মানুষের বি’বেককে ধ্বংস করে দেয়, এই ঘটনা কি তার প্রমাণ নয়? এই অ’সহায় মায়ের আ’র্তনাদ সবার কাছে পৌঁছে দিতে ভিডিওটি শেয়ার করুন।

সহযোগিতা বা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
মোবাইল নাম্বার: 0134-7201-818

Note: News collected from online news source
​ #ময়মনসিংহ #নেশাগ্রস্ত_বাবা #নি’র্যাতন #স’ন্তানদের_অস্বীকার #মানবিকতা #সচেতনতা #বিচারের_দাবি ForHer

★ “হাতে হাত ধরে চকলেট কিনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না; ফরিদপুরে ট্রেনের ধা'ক্কায় নিভে গেল দুই যমজ ভাইয়ের জীবনপ্রদীপ!”—ফরিদপুরে...
06/04/2026

★ “হাতে হাত ধরে চকলেট কিনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না; ফরিদপুরে ট্রেনের ধা'ক্কায় নিভে গেল দুই যমজ ভাইয়ের জীবনপ্রদীপ!”—ফরিদপুরের মধুখালীর ভূষণা লক্ষ্মীদিয়া গ্রামে এখন কেবলই মা রিমার বুকফাটা আ'র্তনাদ। ৪ বছর আগে যমজ স'ন্তান তাহমিদ ও তায়েবকে নিয়ে যে মা রঙিন স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজ তাঁর সেই কোল চিরতরে শূন্য। বুধবার দুপুরে শিশুসুলভ চপলতায় দুই ভাই চকলেটের দোকানে যাওয়ার পথে অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হতে গিয়ে দ্রুতগামী ট্রেনের ধা'ক্কায় ছিটকে পড়ে। একসাথেই জন্ম আর একসাথেই মৃ'ত্যু—নিয়তির এমন নির্মম পরিহাসে স্তব্ধ হয়ে গেছে পুরো এলাকা। মা রিমা যখন স'ন্তানদের নিথর দেহের সামনে এসে দাঁড়ান, তখন তাঁর আহাজারিতে পাথরের বুকেও যেন র'ক্তক্ষরণ হচ্ছিল।
​★ অরক্ষিত রেলক্রসিং ও প্রশাসনের কাছে আকুতি: এই ম'র্মান্তিক দু'র্ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রেললাইনের একদম গা ঘেঁষে অবৈধভাবে গড়ে তোলা দোকানপাটের কারণেই ট্রেনের উপস্থিতি টের পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ উঠেছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, রেলের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনার কারণেই আজ এই দুই নি'ষ্পাপ স'ন্তানকে প্রাণ দিতে হলো। অবিলম্বে এই মরণফাঁদ উচ্ছেদ এবং একটি স্থায়ী রেলগেট ও গেটম্যান নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আর কত মায়ের বুক খালি হলে আমাদের টনক নড়বে? আপনার একটি শেয়ার হয়তো রেল কর্তৃপক্ষের নজরে এই ম'র্মান্তিক বাস্তবতাটি তুলে ধরবে।

​Note: News collected from online news source &
​ #ফরিদপুর #ট্রেন_দুর্ঘটনা াই #ম'র্মান্তিক_মৃ'ত্যু #শো'ক #রেলক্রসিং #নি'রাপদ_রেলপথ

“৫০০ টাকার কুপ্রস্তাব আর একটি থাপ্পড়ই কাল হলো মেধাবী জামিলার; আপন চাচার প্রতিহিংসার ব’লি হলো নাতনি ও বৃদ্ধা দাদি!”—নিজের...
06/04/2026

“৫০০ টাকার কুপ্রস্তাব আর একটি থাপ্পড়ই কাল হলো মেধাবী জামিলার; আপন চাচার প্রতিহিংসার ব’লি হলো নাতনি ও বৃদ্ধা দাদি!”—নিজের আপন চাচার লালসার প্রতিবাদ করায় প্রাণ দিতে হলো নবম শ্রেণীর ছাত্রী জামিলাকে। ঘাতক চাচা শরিফুদ্দিন জামিলাকে ৫০০ টাকা দিয়ে কুপ্রস্তাব দিলে সাহসী এই কিশোরী তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবে চাচার গালে থাপ্পড় মেরেছিল। কিন্তু সেই অপমানের প্রতিশোধ নিতে পাষণ্ড চাচা এক ভ’য়ংকর খুনের নীল নকশা আঁকে। মাঝরাতে ঘুমন্ত অবস্থায় জামিলার ওপর আ’ক্রমণ করে এবং নাতনিকে বাঁচাতে গিয়ে ঘাতকের নির্মম আ’ঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃ’ত্যু বরণ করেন তাঁর বৃদ্ধা দাদিও। পৈশাচিক এই হ’ত্যাকাণ্ডের বর্ণনা শুনে আজ শিউরে উঠছে পুরো এলাকা।
​★ সরষে ক্ষেতে শেষ নৃশংসতা ও বিচারের দাবি: মুমূর্ষু জামিলাকে ঘর থেকে টেনে-হিঁচড়ে নির্জন সরষে ক্ষেতে নিয়ে যায় ঘাতক শরিফুদ্দিন। সেখানে আবারও লাঠি দিয়ে মাথায় আ’ঘাত করে এবং অ’মানবিক নি’র্যাতন চালিয়ে জামিলার জীবনপ্রদীপ চিরতরে নিভিয়ে দেওয়া হয়। একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আর ফুটফুটে এক কিশোরীর স্বপ্ন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেল। এই জোড়া খুনের ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষের একটাই দাবি—দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ঘাতকের সর্বোচ্চ শা’স্তি নিশ্চিত করা। আপনার মতে, ঘরের ভেতরের এমন ছদ্মবেশী পিশাচের জন্য কী শা’স্তি হওয়া উচিত? প্রতিবাদী জামিলার এই আত্মত্যাগ কি অরণ্যে রোদন হয়েই থাকবে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

​Note: News collected from online news source
​ #জামিলা_হ’ত্যাকাণ্ড #নৃশংস_খুন #প্রতিবাদ #কুপ্রস্তাব #চাচা_ঘাতক #বিচারের_দাবি #সচেতনতা

★ “ঋণের বোঝা ও হতাশায় খুনি হলেন প্রবাস ফেরত ভাগিনা; আপন খালাকে শ্বাসরোধ করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলার লোমহর্ষক বর্ণনা!”—টাকার...
06/04/2026

★ “ঋণের বোঝা ও হতাশায় খুনি হলেন প্রবাস ফেরত ভাগিনা; আপন খালাকে শ্বাসরোধ করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলার লোমহর্ষক বর্ণনা!”—টাকার নেশা আর জীবনের হতাশা মানুষকে কতটা অন্ধ ও হিংস্র করে তুলতে পারে, ফরিদপুরের নগরকান্দার এই ঘটনা তার এক ভ’য়াবহ প্রমাণ। প্রবাস থেকে ফিরে ঋণের জালে বন্দি আলমগীর পাওনাদারদের চাপে দিশেহারা হয়ে খালার জমানো টাকার ওপর নজর দেন। গত ২৭শে মার্চ রাতে টাকা নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ঘরের গামছা দিয়ে আপন খালা জামেলা বেগমকে শ্বাসরোধ করে হ’ত্যা করে এই পাষণ্ড। শুধু হ’ত্যাই নয়, লা’শ গুম করার উদ্দেশ্যে গভীর রাতে টেনে-হিঁচড়ে বাড়ির পাশের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় এই ঘাতক ভাগিনা।
​★ রক্তের সম্পর্ক যখন টাকার কাছে পরাজিত: ষাটোর্ধ্ব জামেলা বেগমের কোনো পুত্রস’ন্তান ছিল না, দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়ে তিনি একাই ওই বাড়িতে থাকতেন। পরম মমতায় আগলে রাখা ভাগিনাই যে তাঁর মৃ’ত্যুর কারণ হবে, তা হয়তো তিনি স্বপ্নেও ভাবেননি। পুলিশের জালে আটকা পড়ার পর বেরিয়ে এসেছে এই বীভৎস হ’ত্যাকাণ্ডের সব তথ্য। রক্তের সম্পর্ক যখন তুচ্ছ হয়ে যায় সামান্য অর্থের কাছে, তখন সমাজ এভাবেই কলঙ্কিত হয়। আলমগীরের এই নৃশংসতা আমাদের যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের এক চ’রম প্রতিচ্ছবি। প্রিয় পাঠক, টাকার জন্য আপন খালাকে এভাবে হ’ত্যার ঘটনাকে আপনি কীভাবে দেখছেন? এই জঘন্য অ’পরাধীর কী শাস্তি হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান।

​Note: News collected from online news source
​ #ফরিদপুর #নগরকান্দা #হ’ত্যাকাণ্ড #পাষণ্ড_ভাগিনা #ঋণের_বোঝা #সেপটিক_ট্যাংক #নি’ষ্ঠুরতা #সচেতনতা

“শরীরে আগুনের লেলিহান শিখা, তবুও অ্যাম্বুলেন্সে শুয়ে বাবার কাছে শেষ আকুতি—'বাবা, আমি মরে গেলেও শিফাতের বিচার করবা'!”—এক ...
06/04/2026

“শরীরে আগুনের লেলিহান শিখা, তবুও অ্যাম্বুলেন্সে শুয়ে বাবার কাছে শেষ আকুতি—'বাবা, আমি মরে গেলেও শিফাতের বিচার করবা'!”—এক লম্পট ও পাষণ্ডের দেওয়া আগুনে ঝলসে গেল একটি তরতাজা স্বপ্ন। আলমডাঙ্গায় ঘটে যাওয়া এই পৈশাচিক ঘটনায় মৃ'ত্যুর কোলে ঢলে পড়ার আগে দগ্ধ সেই তরুণী তাঁর বাবার কাছে বিচার চেয়ে গেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় যখন তিনি বেরিয়ে আসেন, তখন তাঁর চুলে ও শরীরে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছিল। অভিযুক্ত শিফাত পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেও কারেন্টের আগুন মনে করে পানি ঢালেনি, যা তাঁর নিষ্ঠুরতারই বহিঃপ্রকাশ। শেষ পর্যন্ত স্বজনরা এসে পানি ঢেলে আগুন নেভালেও বাঁচানো যায়নি সেই স্বপ্নবাজ প্রাণটিকে।
​★ মৃ'ত্যুর আগে অভিযুক্তের নাম প্রকাশ ও বিচারের দাবি: হাসপাতালের পথে যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে ওই তরুণী বারবার শিফাতের নাম উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর এই অবস্থার জন্য তাকেই দায়ী করে গেছেন। আজ সেই কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেলেও তাঁর সেই শেষ আকুতি এখন পুরো এলাকার মানুষের মুখে মুখে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে এবং অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ক'ঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। একটি মেয়েকে এভাবে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার এই জঘন্য অ'পরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আজ পুরো এলাকা উত্তাল। আপনার মতে, এমন পাষণ্ডের জন্য কী ধরনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

​Note: News collected from online news
​ #নৃশংস_হ’ত্যা #শিফাতের_বিচার_চাই #আলমডাঙ্গা #আগুন #স্বপ্নভঙ্গ #বিচারের_দাবি #সচেতনতা

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Education Hub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share