Masud Rana

Masud Rana Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Masud Rana, Digital creator, Chittagong.

যার কিছু নেই,তার হাতে সময় আছে।
শ্রেষ্ঠ হওয়ার জন্য হাতে থাকা সময় যথেষ্ট!
যাদের টাকা নেই,সুযোগ নেই_তাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ "সময়"
বড় কিছু করতে অনেক সম্পদ দরকার হয় না,দরকার সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করা।
সফল হতে ইনবক্স করুন
https://www.facebook.com/mdmasudrana.emon.98

28/06/2025
যুক্তরাজ্য প্রবাসী আহমেদাবাদের নাগরিক ভূমি চৌহান যানজটের কবলে পড়ে নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট পরে বিমানবন্দরে আসেন। যে কারন...
13/06/2025

যুক্তরাজ্য প্রবাসী আহমেদাবাদের নাগরিক ভূমি চৌহান যানজটের কবলে পড়ে নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট পরে বিমানবন্দরে আসেন। যে কারনে আর লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটটি ধরতে পারেননি। নিজের দুর্ভাগ্য ভেবে মন খারাপ করে দুপুর দেড়টা নাগাদ ফিরে যান বাড়িতে! আর দুষতে থাকেন যানজটকে! খানিক বাদেই আসে বিমানের দুর্ঘটনার খবর, যেখানে থাকার কথা ছিল তার!

প্রিয় বন্ধু, আপনি প্রতিনিয়ত ভাগ্যকে দোষারোপ করছেন, কিংবা আশেপাশের অনেক কিছুকে দোষারোপ করছেন। নিজের অবস্থান নিয়ে আপনি সন্তুষ্ট না। আপনি কি জানেন আপনার এই অপ্রাপ্তি হয়তো আপনার জন্য ভালো কিছু নিয়ে আসবে!
আল্লাহর পরিকল্পনা সবচেয়ে উত্তম, যা বোঝার মতো জ্ঞান মানুষের ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে নাই।

আপনি কি করছেন?কেন করছেন?কিভাবে করছেন?সেটা জানা জরুরি।☞ Shopnil Academy  স্বপ্নিলের একজন মেম্বার হিসেবে কাজ করছি।➤স্বপ্নি...
26/05/2025

আপনি কি করছেন?কেন করছেন?কিভাবে করছেন?সেটা জানা জরুরি।

☞ Shopnil Academy স্বপ্নিলের একজন মেম্বার হিসেবে কাজ করছি।

➤স্বপ্নিল কমিউনিটি তার্গেট ১০ লক্ষ পরিবার।
✔কমিউনিটি ফ্যাসিলিটি রয়েছে ১০ টি:
(১)স্পেশাল কার্ড:
স্বপ্নিলের স্পেশাল কার্ড থাকবে।
(২)নেটওয়ার্কিং:
কমিউনিটি তে যে কোন বিজনেস করতে পারবেন।
(৩)প্রয়োজন:
আপনার যে কোন প্রয়োজনে বিভিন্ন সেক্টরের মানুষ পাবেন।
(৪)মানবিকতা:
বিভিন্ন মানবিক কাজে সহযোগিতা পাবেন।
যেমন রক্ত।
(৫)বিপদের বন্ধু:
যে কোন জায়গায় আপনি বিপদে পড়লে কমিউনিটি থেকে হেল্প পাবেন।
(৬)সহযোগিতা:
ধরুন কোন কারণে আপনি অসুস্থ হলেন,অনেক টাকার প্রয়োজন,এত টাকা কোথায় পাবেন??
আমরা কমিউনিটি থেকে ১০ লক্ষ লোক ১টাকা করে দিলেও ১০ লক্ষ টাকা হবে।
(৭)গ্রোথ লার্নিক:
কমিউনিটির মানুষের লসের মাধ্যমে আপনি শিখতে পারবেন।
(৮)আর্থিক সমৃদ্ধি:
বিনা পুজিতে বিজনেস করতে পারবেন।
(৯)স্বপ্ন পুরন:
স্বপ্নিল স্বপ্নবাজদের স্বপ্ন পুরন করে।
(১০)জীবনের গল্প:
স্বপ্নিল স্টুডিওতে ১০ হাজার লোক তাদের জীবনের গল্প বলবে।

হরিণ এক লাফে যায় তেইশ হাত, আর বাঘ যায় বাইশ হাত।তাহলে অংকের হিসাবে বাঘের কখনো হরিণকে ধরতে পারার কথা না। কিন্তু বাস্তবে ঘ...
13/05/2025

হরিণ এক লাফে যায় তেইশ হাত, আর বাঘ যায় বাইশ হাত।

তাহলে অংকের হিসাবে বাঘের কখনো হরিণকে ধরতে পারার কথা না। কিন্তু বাস্তবে ঘটে উল্টোটা — বাঘের হাতে হরিণ হয় ধরাশায়ী।

এর কারণ কি?

কারণ আর কিছুই না, হরিণ দৌড়াতে দৌড়াতে মাঝে মাঝে পিছন ফিরে তাকায় — বাঘের চেয়ে সে কতটা এগিয়ে আছে বোঝার জন্য। আর এটাই হরিণের জন্য কাল হয়! পিছন ফিরতে গিয়ে এক লাফ কমলেই হরিণ একবারে তেইশ হাত পিছিয়ে পড়ে। ফলে হরিণ একসময় ধরা পড়ে যায় বাঘের হাতে।

এজন্য চলার পথে কখনো পিছনে তাকাতে নেই। ভুল-ভ্রান্তি যাই থাকুক দৃঢ় পদক্ষেপে সামনে এগিয়ে যাবার নামই স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছানো।

আপনার মস্তিষ্কের মালিকানা কার হাতে, নিজের হাতে নাকি অন্যকারো হাতে❓আমার কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লেন তাই না? ভাবছেন এইটা আবার...
03/05/2025

আপনার মস্তিষ্কের মালিকানা কার হাতে, নিজের হাতে নাকি অন্যকারো হাতে❓
আমার কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লেন তাই না? ভাবছেন এইটা আবার কেমন কথা! আমার জীবনের নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে কেন থাকবে? সেটি তো আমার হাতেই থাকার কথা।

আপনি ঠিকই বলেছেন, আপনার জীবনের নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই থাকার কথা, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আপনার জীবনের নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে নেই। তাহলে কার হাতে? বলছি শুনুন…

➤ কেউ যখন আপনার সমালোচনা করে বা আপনাকে নিয়ে কটু কথা বলে তখন আপনার কেমন ফিল হয়? তখন কি আপনি কষ্ট পান, মন খারাপ লাগে?
➤ কেউ যদি আপনাকে কোনো ব্যাপারে রিকোয়েস্ট করে, কোনো কাজ করে দিতে বলে কিংবা টাকা ধার চায় তখন কি আপনি অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও না বলতে পারেন না?
➤ আপনার সামনে একজন মানুষ দিনের পর দিন অন্যায় অবিচার করছে আর আপনি তা মুখ বুজে সহ্য করে যাচ্ছেন, কিন্তু প্রতিবাদ করতে পারছেন না?
➤ আপনি কি চোখভরা স্বপ্ন বুকভরা আশা নিয়েও অন্যের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন? কিংবা চাকরি খুঁজে নিজের সময় নষ্ট করছেন?
➤ অনেক চেষ্টা করেও নিজের স্বাস্থ্য, সুখ এবং সম্পর্ক নিয়ে হতাশায় ভুগছেন?

এতক্ষণ যে বিষয় গুলো উল্লেখ করেছি সেগুলো যদি আপনার মধ্যে থাকে তাহলে বুঝবেন আপনি অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
এখানে অন্যকেউ বলতে শুধু মানুষ নয়, এই সমাজের নিয়ম, পলিটিক্স, পড়াশোনা, সিস্টেম সবকিছুকেই মিন করেছি।
এখন প্রশ্ন হলো নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিবেন কি করে?
এর জন্য সুন্দর সমাধান হলো লাইফ কোচিং প্রোগ্রাম। আমাদের এই লাইফ কোচিং মাস্টার ক্লাস আপনার জীবনকে করবে সহজ, সমৃদ্ধ এবং গতিশীল। এখানে আপনি শিখবেন-

✔ লাইফ ফিলোসোফি
✔ এটেনশন প্রায়োরিটি
✔ ডিস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট
✔ ইয়েস নো ফর্মুলা
✔ পাওয়ারফুল ফোকাস
✔ কোয়েশ্চেন অ্যাবিলিটি
✔ কন্টেন্ট এন্ড কমিউনিকেশন
✔ চ্যালেঞ্জ অভারকামিং
✔ আনলিমিটেড মার্কেটিং
✔ ব্রান্ডিং গাইডলাইন

এ ছাড়াও প্রয়োজনীয় অনেক বিষয়ে আলোচনা করা হবে লাইফ কোচিং মাস্টার ক্লাসে।

৬০০০ (হাজার) টাকা মূল্যের ৩ দিন ব্যাপী লাইফ কোচিং মাস্টার ক্লাস প্রোগ্রামটি আপনার জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি।

তাই দেরি না করে এক্ষুনি জয়েন করুন নিচে দেয়া লিংক থেকে। আসন সংখ্যা সীমিত। দেখা হবে, কথা হবে ক্লাসে। লাইফ কোচিং, আপনিই হবেন আপনার কোচ। অনেক ধন্যবাদ।

হোয়াটসঅ্যাপ লিংক 👇
https://chat.whatsapp.com/K9FMLJ9VQpqLv3CqtwOu80

ফোন করে বলবেন না- আপনি কে বলছেন?তার পরিবর্তে বলুন- জানতে পারি, কার সাথে কথা বলছি?•বলবেন না- অমুককে ডাইকা দেন। বরং বলুন- ...
01/05/2025

ফোন করে বলবেন না- আপনি কে বলছেন?
তার পরিবর্তে বলুন- জানতে পারি, কার সাথে কথা বলছি?

বলবেন না- অমুককে ডাইকা দেন। বরং বলুন- আমি কি অমুকের সাথে কথা বলতে পারি?

অপরিচিত কেউ ফোন করলে বলি- আপনাকে চিনি না। তার পরিবর্তে এটা বলা যেতে পারে- আপনাকে ঠিক চিনতে পারলাম না।

অপর পাশের ব্যক্তি চেঁচামেচি করে কথা বললে বলি- এত জোরে কথা বলছ কেন?
তারচেয়ে বরং এটা বলা যেতে পারে- আমরা একটু আস্তে কথা বলতে পারি।

অভিমান ভেঙে একবার না বারবার ফেরা যায়,যদি আপনার অনুপস্থিতি তাকেও ততোটাই পোঁড়ায় যতোটা তার অভাবে আপনি পুড়ছেন!যদি আপনার অনুপ...
26/04/2025

অভিমান ভেঙে একবার না বারবার ফেরা যায়,যদি আপনার অনুপস্থিতি তাকেও ততোটাই পোঁড়ায় যতোটা তার অভাবে আপনি পুড়ছেন!

যদি আপনার অনুপস্থিতি তাকে অস্থির না করে তবে সেখানে বার বার সেচ্ছায় ফেরাটা আত্ম-সম্মানহীনতার পরিচয়।

আপনার অনুপস্থিতি যদি তাকে স্বস্তি দেয় - ভালো রাখে! মুক্ত স্বাধীন অনুভূতি দেয়!
তবে সেখানে ফেরার থেকে নিজেকে পোড়ানো উত্তম, পচনটা কলিজায় ধরুক, তবুও আমার উপস্থিতি কাউকে বিব্রত না করুক!🖤😊

ঘটনাটা কুমিল্লার-শখ করে পুঁটিমাছ কিনে এনেছেন স্বামী ।হয়তো ইচ্ছে ছিল গরম গরম ভাজি করে গরম ভাতের সাথে খাবেন । বৌও খুব যত্ন...
20/04/2025

ঘটনাটা কুমিল্লার-

শখ করে পুঁটিমাছ কিনে এনেছেন স্বামী ।হয়তো ইচ্ছে ছিল গরম গরম ভাজি করে গরম ভাতের সাথে খাবেন । বৌও খুব যত্ন করে মাছ কেটে ধুয়ে ভেজে স্বামীর পাতে দিবেন বলেই বটি নিয়ে বসে গেছিলেন কাটতে ।

হয়তো পুঁটি মাছ কাটার সময় স্বামী বসেছিলো পাশেই ।

মাছ কাটার সময় স্বামী হয়তো এমনিই বলেছিল- মাছের ভুড়ি ঠিকমতো পরিষ্কার কর .. নাহলে তিতা লাগবে ।

বৌও হয়তো এমনিই বলেছিল - তুমি আমাকে মাছ কাটা শিখাও ? মাছ কাটতে কাটতে এক জীবন পার করে দিলাম …।

স্বামী হয়তো এই কথার উত্তরে বলেছিলো- তবুও যা বলছি সেইমতো কর ।

বৌ হয়তো এই কথার প্রেক্ষিতে বলেছিলো - করতেছিই তো .. এত কথা না বলে চুপ করে দেখ ।

স্বামী চুপ না থেকে হয়তো আরেকটা কথা বলেছে … সেটার প্রেক্ষিতে বৌ আরেকটা । এভাবেই হয়তো ঝগড়ার শুরু ।

এবং শেষ পর্যন্ত স্বামীর হাতে বৌ নৃশংস ভাবে খুন!
রাগের মাথায় স্বামীও হয়তো বুঝেনি সে কি করছে !

এজন‍্য প্রতিটি সম্পর্কে বোঝাপড়া থাকাটা জরুরী । আমাদের বুঝতে হবে কোথায় আমাদের থামতে হবে । পারস্পরিক বোঝাপড়া, শ্রদ্ধাবোধ এবং ভালোবাসা একটা সম্পর্কের অক্সিজেন ।

এটা ছাড়া সম্পর্কের মৃত্যু হয় !

ছাড় দেয়া শিখতে হয় । শুধু ভালোবাসলেই ধরে রাখা যায় না । জানতে হয় কোথায় বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে , কোথায় ফুলস্টপ দিতে হবে ।

আহা জীবন … আহারে জীবন ….

বছরে বিছানায় ২৬ গ্যালন ঘাম! আর আপনার বালিশে ১৬ রকমের ছত্রাক! নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মাইক্রোবায়োলজিস্ট ফিলিপ টিয়েরনো ...
18/04/2025

বছরে বিছানায় ২৬ গ্যালন ঘাম! আর আপনার বালিশে ১৬ রকমের ছত্রাক!

নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মাইক্রোবায়োলজিস্ট ফিলিপ টিয়েরনো সতর্ক করেছেন! টিয়েরনো একটি ভয়ানক তুলনা টেনে এনেছেন! অপরিষ্কার চাদরে ঘুমানো নাকি কুকুরের বিষ্ঠা স্পর্শ করে হাত না ধোয়ার সমান!

মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনার বিছানার চাদরে জমে যেতে পারে ঘাম , পরাগ , ধুলো মাইটের বর্জ্য এবং এমনকি ছত্রাকের স্পোর ! এগুলো অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া বা অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে, এমনকি যাদের সংবেদনশীলতা নেই তাদেরও!

তার স্পষ্ট পরামর্শ:

আপনার বিছানার চাদর প্রতি সপ্তাহে ধুয়ে ফেলুন! গরম জল এবং উচ্চ তাপে শুকানো ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক মারার জন্য জরুরি! আর হ্যাঁ, তোষকের কভার এবং বালিশের কথাও ভুলবেন না! 🛌 সামান্য চেষ্টাতেই আপনার বিছানা হতে পারে একটি পরিষ্কার, স্বাস্থ্যকর আশ্রয় , কোনো জীবাণুর ক্ষেত্র নয়! 🦠❌

১. জীবনে সফল হতে চাইলে দুটি জিনিস প্রয়োজন: জেদ আর আত্মবিশ্বাস।২. সাফল্য মাপার মানদন্ড আপনি কি অর্জন করেছেন সেটা নয়, বরং...
11/04/2025

১. জীবনে সফল হতে চাইলে দুটি জিনিস প্রয়োজন: জেদ আর আত্মবিশ্বাস।

২. সাফল্য মাপার মানদন্ড আপনি কি অর্জন করেছেন সেটা নয়, বরং আপনি পড়ে যাবার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।

৩. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও মারাত্মক।

৪. সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম, ৪% অনুপ্রেরণা আর ১% ভাগ্যের যোগফল।

৫. পরাজিতরা যা যা পারে তার উপর গুরুত্ব দেয়। অন্যদিকে, বিজয়ীরা জয়ী হতে গেলে কি কি করতে হবে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।

৬. "End" মানে সবকিছু শেষ নয়, "End" শব্দের অর্থ হচ্ছে "Efforts never die" অর্থাৎ প্রচেষ্টার মৃত্যু নেই।

৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয়। প্রত্যেকটি পরাজয়ের পর মানুষ তার আত্মমূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা তার পরবর্তী হারের কারণ।

৮. পরাজিতরা কোনো কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে, তারা কখনই কোনো কিছু ঘটাতে পারে না।

৯. যে সবকিছু তৈরি অবস্থায় পেতে চায়, সে জীবনে কিছু করতে পারে না।

১০. "NO" শব্দের অর্থ "না" নয়। "NO" মানে হলো "Next Opportunity" বা পরবর্তী সুযোগ।

১১. আজ থেকে ৫ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কতটুকু পরিশ্রম করছেন এবং কোন ধরনের মানুষের সাথে মিশছেন তার উপর।

১২. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজনের সাথে সাক্ষাৎ হওয়ার ৩ থেকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয়ে যায়।

১৩. সম্পর্ক তৈরি করা একটি প্রক্রিয়া বা প্রচেষ্টার ফলাফল, কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।

১৪. মানুষের ইচ্ছাশক্তি তার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে।

১৫. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবার সময় যে আবেগকে কম মস্তিষ্ককে বেশি প্রাধান্য দেয় সে জীবনে সফল হয়।

গরীবেরা হাগতে যায়, মধ্যবিত্তরা টয়লেটে যায় আর বড়লোকেরা ওয়াশরুমে যায়। ইদানিং একটু শিক্ষিত মধ্যবিত্তরা জাতে উঠার জন্য ওয়াশর...
11/04/2025

গরীবেরা হাগতে যায়, মধ্যবিত্তরা টয়লেটে যায় আর বড়লোকেরা ওয়াশরুমে যায়। ইদানিং একটু শিক্ষিত মধ্যবিত্তরা জাতে উঠার জন্য ওয়াশরুমে যায়। আর বড়লোকেরা এটা সহ্য করতে না পেরে এখন রেস্ট রুমে যায়। এই পায়খানা/টয়লেট/ওয়াশরুম/রেস্ট রুম নিয়ে আমার বিস্তর অভিজ্ঞতা আছে।

আমার লাইফের টাইমলাইন যদি তিনটা ভাগ করি তবে প্রথমভাগ কেটেছে গ্রামে, দ্বিতীয় ভাগ ঢাকায়, তৃতীয় ভাগ দেশের বাইরে। এই তিনভাগে বিভক্ত জীবনে অনেক কিছু দেখার বুঝার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই আলোকে আজ আমি লিখব প্রবন্ধ,
টয়লেট- এক প্রেম কথা।

একদম শুরুতে গেলে আমি দেখি গ্রামে আমাদের বাড়ির পশ্চিমদিকে বাঁশঝাড়ের পাশে টিনের বেড়া দেয়া ঢালুর উপরে মাচার মতন করা একটা দুর্বল টয়লেট। যার সামনে চটের বস্তার পর্দা দেয়া। ঢালুতে মাচার উপরে বলতে মাটি থেকে একটা বাঁশের সাঁকো গেছে সেই মাচা পর্যন্ত। মাচাটা আপাত শূন্যে ঝুলে আছে মনে হলেও এটি চারটি বাঁশের খুঁটিতে ভর দিয়ে থাকে। যেটাকে বলে ঝুলন্ত টয়লেট।

যেহেতু টয়লেটে কোন দরজা নেই, সেহেতু কেউ আশেপাশে আসলে বা আসছে মনে হলে টিনের বেড়ায় একটু শব্দ করতে হয় নইলে খুক খুক করে একটু কাশতে হয়।

মাচার দুই কাঠের মাঝে একটা বড় ফাঁকা। সেখান দিয়েই মূলত প্রাকৃতিক কর্ম সাঁই করে নেমে যেয়ে নিচে পড়ত। আপনি টাইম কাউন্ট করলে দেখা যাবে নির্গত হওয়া এবং নিচ থেকে শব্দ রিটার্ন আসার মধ্যে পাঁচ সেকেন্ডের ব্যবধান আছে। এই পদ্ধতিতে সাধারণত শব্দ তরঙ্গ দিয়ে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। আমি টয়লেটের গভীরতা মাপছি।

আচ্ছা এই পাঁচ সেকেন্ডের ব্যবধান থেকে আপনারা কি অনুমান করতে পারছেন টয়লেটটির গভীরতা কত ছিল? আচ্ছা সহজ করে দিচ্ছি, নিচে মাটি থেকে প্রায় বিশ ত্রিশ ফুট উঁচুতে ছিল টয়লেট। আসলে নিচে মাটি ছিল না, ছিল হাজার বছরের এক হলদেটে সমুদ্র।

ভুল বললাম, হাজার বছর না। প্রতিবছর বন্যায় হলদেটে সমুদ্রটা ধুয়ে মুছে যায়। বন্যার সময়টা সুন্দর। দুই কাঠের ঐ ফাঁকটা দিয়ে নিচে তাকালে দেখা যায় পানির স্রোত। আগে কর্মটি নিচে পড়লে যে শব্দ হতো, তেমন শব্দ হয় না। পানিতে টুপ করে একটা শব্দ হয়, তারপর স্রোতে ভেসে যায়। নিচে মাছেরা অপেক্ষা করে কখন আসবে দ্বিতীয় লট। লট আসা মাত্রই মাছেদের কাড়াকাড়ি শুরু হয়ে যায়। আপনি উপরে বসে দিব্যি এই খেলাটি অবলোকন করতে পারবেন।

বন্যার সিজনে প্রতিদিন পানি বাড়ে। পানি কাছাকাছি উঠে আসলে স্রোত বাড়ে। লট পড়া মাত্রই স্রোতে ভেসে যায়, মাছেদের খেলা দেখা যায় না। পানি কাছে থাকায় উলটা ভয় লাগে মাছেরা কখন আবার লট আসতে দেরী হলে ফ্যাক্টরিতে হামলা করে বসে।

পরদিন সকাল বেলায় দেখা যায় টয়লেট ডুবে গেছে পানিতে। সেটা এক দুঃসময়। বাড়ির উঠোনের আশেপাশে অস্থায়ী টয়লেট করা হয়। সেটাও ডুবে গেলে ঘরের পেছনদিকে যেয়ে নীরবে কর্ম সারতে হয়। কেউ কেউ গলা পানিতে নেমেও সেরে ফেলে। তখন কর্মটি নিচে যায় না, টুপ করে ভেসে উঠে।

আমি তখন ছোট। ঐটা ছিল বড়দের টয়লেট। আমার সেখানে যাবার অনুমতি ছিল না। দুই কাঠের ফাঁক দিয়ে পড়ে হলদেটে সমুদ্রে ডুবে যাবার সমূহ সম্ভাবনা ছিল। আমাকে বাড়ির আশেপাশে কোথাও বসিয়ে দেয়া হতো খোলা আকাশের নীচে। কর্ম শেষ হলে দাদা কোদাল দিয়ে চেঁছে কর্মটুক নিয়ে বাড়ির পাশে ঝোপে ফেলে দিতেন।

ঝুলন্ত টয়লেটের আমার তেমন অভিজ্ঞতা নাই। যেটুক অভিজ্ঞতা গ্রামের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে যেয়ে। আমাদের বাড়িতে আমি ছোট থাকতেই পাকা টয়লেট তৈরী করা হলো। আমাকে খোলা দুনিয়া থেকে জোর করে বদ্ধ ঘরে পাঠানো শুরু হলো।

গ্রামের মানুষের একটু শুচিবাই ছিল। এরা ঘরের আশেপাশে টয়লেট রাখত না। শহরে যে ঘরের ভিতরে টয়লেট এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিস্তর হাসাহাসি চলত। টয়লেট থাকত বাড়ির শেষ মাথায় ঝোপঝাড়ের দিকে, যেদিকটায় মানুষের আনাগোনা কম। আমাদের পাকা টয়লেটটিও তেমনি বাড়ির পেছনদিকে করা হয়েছিল।

আমরা রাত হবার আগেই চেষ্টা করতাম কর্ম সাধন করিয়া ফেলিতে। গ্রামে বিদ্যুৎ ছিল না। যেদিন রাত্রে দুদ্ধজাত খাবার পেটে পড়ত আর অমানুষিক চাপ অনুভব হইত সেদিন যেন মনে হইত আর রক্ষে নেই। হ্যারিকেন বা কুপি নিয়ে টয়লেটে যাওয়া ছিল ভয়ানক এক ব্যাপার।

টয়লেটে সাদা চুনকাম করা। দেয়ালে মাকড়সার বাসা করা। তার উপরে থাকত টিকটিকির উপদ্রব। কর্ম সাধন করিবার মাঝপথে শুনিতাম ঠিকঠিকঠিক। বদমায়েশ এর মধ্যে ঠিক বেঠিক পাইল কোথায়। তারউপরে ছিল সাপের ভয়। মনে হইত এই বুঝি কমোডের পাইপের ভেতর থেকে একটা সাপ এসে ছোবল মেরে দিবে আমার বংশের প্রদীপে।

টয়লেটে যাবার আগেই পড়ত একটা গাবগাছ। গ্রামে কথিত ছিল গাবগাছে ভূত থাকে। শুনশান নীরব সেই গাব গাছ পার হবার সময় তওবা পড়তে পড়তে যাইতাম। একটা পাতা ঝড়ার আওয়াজ শুনে কলিজা কেঁপে উঠত। ভয়ে অমানুষিক চাপ উধাও হয়ে যেত। দেখা গেলো আধাঘন্টা বসে আছি, চাপ আর আসেনা। পরে একপেট কষ্ট নিয়ে উঠে চলে আসলাম। আধাঘন্টা সেই গায়েবী চাপ এসে ঠিকি হাজির।

শহরে আসার পরে ভূতের ভয় ছিল না। তবে তখনো সাপের ভয় ছিল মনে। বংশ প্রদীপটি আগলে রাখতাম। পরে বুঝতে পারলাম সাপের ভয় নেই আর। তবে বিপত্তি ঘটত রাত্রে। টয়লেটের পেছনদিকে ভেন্টিলেশনের জানালা ছিল। মনে হতো কোন একটা কালো পশমী হাত এসে এক্ষুণি ঘাড়ে সুড়সুড়ি দিবে। কর্ম শেষে দৌড়ে বের হলে মনে হইত যেন বহু বছর নির্বাসনে থাকিবার পরে আমি সভ্যতায় এসে পৌঁছেছি।

বড় লোকের এক আজিব টয়লেট ছিল। যেটাকে হাই কমোড বলে। বিশ্বাস করবেন না প্রথমবার হাইকমোড ওয়ালা টয়লেটে যে আমার কি এক অবস্থা হয়েছিল। ঢাকার অভিজাত এলাকায় এক বড়লোক আত্মীয়র বাড়ি বেড়াতে গেছি। বয়স তখন নয় কি দশ। সেখানে যেয়ে টয়লেটে ঢুকে আমি তো অবাক। টয়লেট এত সুন্দর হয় আমার ধারণা ছিল না এর আগে।

আমাদের ঢাকা শহরে মধ্যবিত্তের ঘরে গোসলখানা আর টয়লেট একসাথে। গোসলখানার শেষ মাথায় একটু উঁচুতে কমোড। পাশে একটা কল। নতুন বাড়িতে স্টিলের কল, একটু বয়স্ক বাড়িতে স্টিলেরটা নষ্ট হলে প্লাস্টিকেরটা লাগায়। সেটা বছরের পর বছর বদল হয়ে প্লাস্টিকই লাগানো হয়। তার নিচে থাকে সরু নল ওয়ালা বদনা। আর একদম পেছনের দেয়ালে আরামে হেলান দিয়ে থাকে টয়লেট পরিষ্কার করার একটা ব্রাশ।

বড়লোকের টয়লেটে প্রথমবার যেয়ে দেখি মিষ্টি মিষ্টি ঘ্রাণ। পানি নিতে যেয়ে দেখি কোন বদনা নাই। বড়লোকেরা কি তবে শুটকি ধোয় না? পড়লাম মহাচিন্তায়। টিস্যু আছে যদিও। কি এক মেহেরবানি ঠিক এমনি সময়ে আমার চোখে পড়ল একটা সরু নলের মত পাইপ। তার মাথায় একটা কলের মত বসানো। চাপ দিতেই দেখি পানি বের হয়। খুশিতে আমি গদগদ হয়ে গেলাম।

এবার পড়লাম আরেক মহা মুশকিলে। এই হাই কমোডে আসলে কেমনে কি করে? তার উপরে আবার দুইটা ঢাকনা। একটা উঠাইলে আরেকটা ফ্রেমের মত। আমি চিন্তায় পড়ে গেলান এই ফ্রেমের উপরে বসে? নাকি ফ্রেম উঠায় বসে। নাকি এখানে বসে না? কূল কিনারা না পেয়ে আমি উঠে দেশী স্টাইলে উঠে গেলাম কমোডের উপরে। ভেবে দেখুন তো, একটা লোক হাই কমোডে দেশী স্টাইলে উঠে বসে আছে।

কোন এক পন্ডিত লিখিয়াছিলেন, “ওহে মহাজ্ঞানী, কর্ম করিয়া ঢালিও পানি।” কর্ম শেষে আমি পানি ঢালিবার উপায় পাই না। এইযে হলদেটে আহাম্মকটি ভাসিতেছে, কেহ যদি আসিয়া তাহাকে দেখিয়া ফেলে এবং হাসিতে হাসিতে সবাইকে বলিয়া দেয় আমার ইজ্জত বলিতে কি কিছু রহিবে?

মাথায় আসল নিশ্চই কোন ব্যবস্থা আছে। ফ্ল্যাশের বাটন দেখি, কিন্তু চাপতে ভয় লাগে। কিছু একটা হইয়া যায় যদি! বড়লোক আত্মীয় কি আমার ক্ষমা করিবে? আমি ভয়ে ভয়ে ফ্ল্যাশের হ্যান্ডের চাপি। আস্তে চাপ দেয়ায় ফোঁসফোঁস করে হাওয়া বের হয়। আমি ভয় পাইয়া যাই। পানির কানেকশনের লাইনটা ঘুরাই, কাজ হয় না। এরপরে চোখ বন্ধ করে ফ্ল্যাশে একটু জোড়ে চাপ দিতেই ভুরভুর করে পানি এসে সব নিয়ে গেল। আমার মুখে সে কী অমলিন হাসি!

এরপরে কত প্রযুক্তির টয়লেট দেখা হলো জীবনে। প্লেনের টয়লেটগুলা যেমন একটা আজব জিনিস। কাজ শেষে সুইচ চাপলে কয়েকসেকেন্ড পরে ভুস করে বাতাস এসে সব নিয়ে যায়। কোন পানির কারবার নাই। এখন আবার নতুন ফ্ল্যাশ আসছে উন্নত দেশগুলায়। সুইচ চাপতে হয় না। সেন্সর করা, কর্ম শেষে সেন্সরে টাচ করলে অটোমেটিক ফ্ল্যাশ হয়ে যায়।

আবার এদেশে (ফ্রান্সে) রাস্থায় বুথের মত পাললিক টয়লেটগুলায় সুইচ চাপলে দরজা খুলে। অটোমেটিক আটকায়। কাজ করবেন। সুচ চেপে দরজা খুলে বেড়িয়ে যাবেন। এরপরে দরজা লাগবে। সমস্ত টয়লেটটা পানি ছেড়ে পরিষ্কার হবে অটোমেটিক। কত মানুষ দেখলাম অপেক্ষা না করে একজন বের হবার সাথে সাথেই ঢুকে যায়। টয়লেট পরিষ্কার হবার টাইম দেয় না। বেকুবেরা গোসল করে বের হয়।

প্রযুক্তি এখন আরো এক কাঠি সরেস। গুগলে Toilet near me লিখে সার্চ করলে আশেপাশের লোকেশনে পাবলিক টয়লেট শো করে। আমার শো করে টয়লেটে যেতে কতটুক পথ, কত মিনিট সময় লাগবে। যুগে যুগে পালটে যাচ্ছে মানুষের ধ্যান ধারণা। উন্নতির ছোঁয়া লাগছে শহর বন্দর গ্রাম সবখানে।

অথচ এখনো আমার একটা শখ আছে। বর্ষাকালে ঝুলন্ত টয়লেটে যাবার শখ। মাছেদের সাথে খেলার শখ। দুর্ভাগ্য আমাদের গ্রামে এখন আর কোন ঝুলন্ত টয়লেট নাই। আশা করি কোন এক বর্ষায় এমন একটা সুযোগ আসবে, স্বপ্ন পূরণ হবে। নইলে আমি হেলানো কোন গাছের ডালে উঠে যাব। তারপর আমি মাছেদের সাথে খেলব।

আশিক চৌধুরী তার গোটা ক্যারিয়ারে যতগুলো অপর্চুনিটিকে ব্রেক আউট করে এই ভেঙে পরা দেশের জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে স্পিচ দিচ্ছে, ত...
10/04/2025

আশিক চৌধুরী তার গোটা ক্যারিয়ারে যতগুলো অপর্চুনিটিকে ব্রেক আউট করে এই ভেঙে পরা দেশের জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে স্পিচ দিচ্ছে, ততগুলো অপুর্চিনিটি আপনি আর আমি পেলে হয়তো দেশের মা-বোনকে গালি দিয়ে 'বিদেশে' আয়েশের জীবন পালন করতাম।

নিচে তার কিছু প্রতিফলন দিলাম।

1. ২০০৭ সালে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর টেরিটরি অফিসার

2. ২০০৭ এর শেষের দিকে 'স্টান্ডার্ড চ্যাটার্ড ব্যাংকের ফিনানশিয়াল প্ল্যানিং ডিভিশন' ম্যানেজার

3. ২০১২ সালে 'আমেরিকান এয়ারলাইন্সের' ফিনানশিয়াল এনালিস্ট

4. ২০১৯ এ একই প্রতিষ্ঠানের ইউরোপ এন্ড এশিয়ার 'হ্যাড অফ ফিন্যান্স'

5. গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের এডভাইজার

6. ২০২৪ সালে 'হংকং ব্যাংকের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টের' অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর

মজার ব্যাপার হচ্ছে এই লোকের আবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডও আছে। ২০২৪ এ এসে United state এর মেমপিস শহরের প্রায় ৪২,০০০ ফিট উপর থেকে বাংলাদেশের পতাকা 🇧🇩 হাতে নিয়ে ফ্রি-ফল করে গিনেসে নাম লিখেছেন এই আশিক চৌধুরী।

অথচ এত কিছুর পরেও গর্দভের মত মুখ উঠিয়ে একটা ভঙ্গুর দেশের হাল ধরতে চলে এসেছেন। মাথায় দেশপ্রেম নামক গোবর ঠাসা আশিকের মত এই লোকগুলোর না জানি কবে খানিক চুরি-বাটপারির শিক্ষা ধিক্কা হবে কে জানে।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Masud Rana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share