22/02/2026
নতুন এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলাম।
আল্লাহ তাআলা কোন ককোন পরীক্ষা নিচ্ছেন জানিনা।
রান্না-বান্না শেষ করে বিকেল ৫টার দিকে আছরের নামাজ পড়তেছি,হঠাৎ ইমু,এবং নাম্বারে একসাথে কল বাজতেছে।ইমুতে কল দিচ্ছে আমার বোন,আর নাম্বারেরে কল দিচ্ছে আমার মা।আমার ছেলে মোবাইল এনে আমার নামাজের সামনে ফালাই রাখছে,তাই তড়িঘড়ি করে সালাম ফিরায়ে মায়ের কল আগে রিসিব করলাম।কল রিসিব করেই শুনলাম যে শাবনুর মায়ের একাউন্টে ১০,০০০ টাকা পাঠা,আমি বোকার মত কোনো প্রশ্ন না করেই সাথ সাথে ৮,৭০০ টাকা পাঠাই দিয়ে বোনের কল রিসিব করলাম।আমার বোন সাথে সাথে বলতেছে আপু মাকে মলম পাটি ধরছে আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা চাইছে, কল দিয়ে দেখ মা কল রিসিব করে কিনা।।
আমাকে কল দেওয়ার আগে আমার সেজো বোনকে কল দিয়ে বলতেছে শ্রাবনী মায়ের জন্য ৫০,০০০ টাকা পাঠা ইমারজেন্সি।তখন ও প্রশ্ন করতেছে এই মুহুর্তে ৫০ হাজার টাকা কি প্রয়োজন।ও যখন বুঝে গেছে তখন ওর কল কেটে দিয়ে আর রিসিব করেনা।উনার একাউন্টে ৫০০০ ছিলো,হ্যান্ড ব্যাগে ২০০০ ছিলো।
এগুলা সব নিয়ে নিছে মলম পার্টি। এবার আমাকে কল দিয়ে ১০ হাজার চাইছে,আমি আর কোনো বিছু জিঙ্গেস না করেই পাঠাই দিছি কারণ কাল সেই টাকা লাগবে তাই।
বোনের কাছ থেকে শুনে আমি বার বার মাকে কল দিচ্ছি কল আর রিসিব করেনা।এর মধ্যে নাম্বার ট্র্যাকিং করে মায়ের লোকেশান জানলাম।ততক্ষণে আমার বোন ও ওর শশুড় বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছে মায়ের জন্য।মায়ের সাথে ছোটো ভাতিজি ছিলো।টাকা নিয় গেছে সেটা বড় কথা না,আমার মাকে বা আমার ভাতিজিকে যদি কোনো আঘাত করে ফেলতো। উনি কবিরহাটের বসুরহাট রোড় থেকে সোনাপুরের সিএনজিতে উঠেছে।সিএনজিওয়ালার হাত না থাকলে কিভাবে সম্ভব।আবার টাকা পয়সা নিয়ে অশ্বদিয়া ওয়াবদা ব্রীজের পাশে নামাই দিয়ে সিনজিওয়ালা ভাড়া না নিয়ে চলে গেছে।
আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে আমার মা আর ভাতিজির কিচ্ছু হয়নি।১০ মিনিটের বিতর যেনো পায়ের নিচের মাটি সরে গেছে।পুরো শরীরটা থরথর করে কাঁপছে।গেলো মাসে ভাইকে হত্যা করছে, তার কোনো বিচার এখনো পাইনি কাল সেই মামলার ডেট,না জানি এটাও ইচ্ছাকৃতভাবেই ঘটানো হয়েছে যাতে আর আগানোর সাহস না পাই।।এর কিছু মাস আগে বাবাকে হারাইছি।😢😢আবার যদি কিছু হয়ে যায় হয়তো নিজেকে সামলাতে পারবোনা।জানিনা আল্লাহ এ কোন পরীক্ষা নিচ্ছেন।
আল্লাহর কাছে বিচার দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার নাই🤲🤲🤲