18/10/2025
“Almasil MS” ট্যাবলেট বা সাসপেনশন একটি কম্বিনেশন অ্যান্টাসিড ও অ্যান্টিফ্ল্যাটুলেন্ট ওষুধ।
নিচে বিস্তারিত:👇👇
😷 এলমাসিল এমএস কেন খেয়ে থাকে — কাজ ও ব্যবহার
এই মেডিসিনের প্রধান কাজ হলো:👇
✅গ্যাস, পেট ফাঁপা (flatulence) ও গ্যাসজনিত অস্বস্তি কমানো
✅অতিরিক্ত তীব্র অম্ল (হাইপারাসিডিটি) ও বদহজম (acid indigestion) উপসর্গ উপশম
✅গ্যাস ও ফেনা (foam) বাসানো এবং গ্যাস বের হওয়া সহজ করা (simethicone উপাদানের মাধ্যমে)
✅পাকস্থলী (gastric) ও 12‑আংড়া অন্ত্র (duodenal) আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিড রিফ্লাক্স ইত্যাদির কারণে অনুভূত অম্লতা ও জ্বালা কমাতে সহায়তা করা
এই ওষুধটিতে তিনটি সক্রিয় উপাদান থাকে:👇
উপাদান কাজ👇
Aluminium Hydroxide পাকস্থলীর অ্যাসিডকে নিরপেক্ষ করে (acid neutralizer)
Magnesium Hydroxide অতিরিক্ত অ্যাসিড কমাতে ও কোন ক্ষেত্রে মুক্তি প্রদান করতে কাজ করে
Simethicone গ্যাসের বুদবুদ ভেঙে গ্যাস বের হতে সহায়তা করে (antifoaming agent)
এইভাবে, Almasil MS একাধিক ধরনের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা যেমন অ্যাসিডিটি, গ্যাস, বদহজম ইত্যাদির উপসর্গগুলোর উপশমে সহায়তা করে।
💊 খাওয়ার নিয়ম ও নির্দেশনা (দূরসচেতনতা)
সাধারণত খাবারের ১–৩ ঘণ্টা পর এবং রাত ঘুমানোর আগে ১–২ টি ট্যাবলেট দেওয়া হয় (বা as directed by physician)
সাসপেনশন (liquid) ফর্ম থাকলে ১‑২ চা চামচ দেওয়া হতে পারে একই সময়ে
ট্যাবলেট যদি “chewable” হয়, সেগুলো ভালোভাবে চেড়ে নিন; পুরো গ্লাস পানি দিয়ে পান করলে ওষুধ গলতে সুবিধা হয়
দীর্ঘকাল বা অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহার করা উচিত নয় — যদি উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি
⚠️ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা
🚫যেমন যেকোন ওষুধ, Almasil MS এরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং সতর্কতা আছে:
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
🚫কোষ্ঠকাঠিন্য (constipation) — আলুমিনিয়াম ভিত্তিক অ্যান্টাসিডের কারণে
🚫ডায়রিয়া — ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইডের কারণ হতে পারে
🚫পেট ব্যথা, বমিভাব, অস্বস্তি ইত্যাদি
বিশেষ সতর্কতা:
🚫কিডনি রোগীদের (renal impairment) ক্ষেত্রে Aluminium / Magnesium সঞ্চয় হওয়ার সম্ভাবনা কারণে এই ওষুধ ব্যবহার সতর্কতার সাথে করতে হবে
🚫হাইপোফসফেটেমিয়া (ফসফরাসের অভাব) থাকলে এর ব্যবহার থেকে বেঁচে থাকা উচিত
🚫অন্যান্য ওষুধের শোষণ কমাতে পারে — বিশেষত টেট্রাসাইক্লিন, ডিগক্সিন, আয়রন, ওষুধের ধরণের কিছু (drug interactions)
🚫গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে এ ধরনের অ্যান্টাসিড ওষুধ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিৎ; স্তন্যদানকালে প্রয়োজনে মাত্র সীমিতভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে
🚫দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করলে ইলেকট্রোলাইট (electrolyte) এবং কিডনি ফাংশন মনিটর করা জরুরি