16/02/2026
করতে থাকেন উন্নাসিক উন্মাদনা!
বিডি মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক আমীরে জামায়াতের পর সঙ্গত কারণেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা ১১ দলীয় জোটের। ভোটের আগে আল্লামা মামুনুল হক কে হেলিকপ্টারে হলেও সমাবেশে নিতে আন্তরিক ভাব ছিলো। মামুনুল হক কে সাইনবোর্ড শো করে কওমির বিপুল ভোট টানতে সক্ষম হয় জামায়াত। তবে এটাকে আমি জামায়াতের কৌশলী জয় ধরে নিবো। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী নিজের আসনের জন্য ইসিতে লড়তে হচ্ছে একা আল্লামা মামুনুল হক কে। জামায়াত জোটের কাউকে পাশে দেখা যাচ্ছে না। যদি কারচুপি করেই হারানো হয়, তাহলে জামায়াত তখন ফাইট দিয়ে হলেও আল্লামা মামুনুল হক কে জিতিয়ে আনতে পারতো। জয় নিশ্চিত হওয়ার আগেই জামায়াত মাঠ ছাড়া রহস্যময়।
আসলে আমীরে জামায়াত হেরে যাচ্ছে সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই জামায়াতের ক্যাডাররা মিরপুর মুখী হয়। পরে আল্লামা মামুনুল হক কে বলির পাঠা বানিয়ে আমীরে জামায়াতের জয় নিশ্চিত করা হয়। আর জামায়াত কোনো কালেই চাইবে না আল্লামা মামুনুল হক সংসদে যাক। কারণ: এক আল্লামা মামুনুল হক সংসদে গেলে জামায়াতের কোনো সাংসদ তেমন আলোচনায় আসতে পারবে না। এটা জামায়াত বুঝলেও আল্লামা মামুনুল হকের দলের নেতারা বুঝে না। বুঝলে তো আর জোটের সম্মিলিত ভোট কে নিজেদের ভোট হিসেবে প্রচার করে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতো না। আল্লামা মামুনুল হক নিজেই বললেন, এই ১৩ আসনে ৫০০ এর অধিক দাড়িপাল্লায় ভোট পড়েছে। সম্ভবত আসমানের ফেরেশতারা দিয়েছ।
জামায়াত তখন ফুরফুরে মেজাজে। কারণ: ভোটের পর সরকার গঠন করতেছে ১১ দলীয় জোট। শফিক ভাই তো মন্ত্রী পরিষদের ঘোষণা আরো আগেই দিয়ে দিছেন। জামায়াত সত্যি আন্তরিক হলে ফাইট দিয়ে জয় ছিনিয়ে আনতো, যদি সত্যিই কারচুপি হয়ে থাকে। হুম, কারচুপি হোক বা না হোক জামায়াত তো সময়ের আগেই কেন্দ্র ছেড়ে মিরপুরে চলে গেছে তাদের আমীরে জামায়াত কে টিকাইতে। বিডি মজলিসের ভাইরা, আরো কিছুদিন থাকো ১১ দলীয় জোটে। বিডি মজলিস কে নেজামে ইসলাম বানিয়ে ছাড়বে জামায়াত। তবে সম্মিলিত ভোট নিয়ে গর্ব করতে পারো, এই অধিকার আছে তোমাদের। সময়, রাজনীতি ও নির্বাচনী সমীকরণ এবারই শেষ না। পরে আফসোস যেন না করতে হয় সতর্ক থাইকেন!