Anisur Rahaman Mohen

Anisur Rahaman Mohen আসসালামুআলাইকুম, আমার পেইজে আপনাদের স্বাগতম, ভালো কিছু দেখাতে চাই! নতুন নতুন নিউজ পেতে পেজটি ফলো করুন।
(1)

30/05/2026

সীমান্ত দিয়ে ভারতীয়দের পুশইনের চেষ্টা প্রতিরোধ বিএসএফের!

🇲🇾 মালয়েশিয়ায় কি সত্যিই ২০ লাখের বেশি অবৈধ অভিবাসী রয়েছে?ইমিগ্রেশন মহাপরিচালকের বক্তব্য ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে...
29/05/2026

🇲🇾 মালয়েশিয়ায় কি সত্যিই ২০ লাখের বেশি অবৈধ অভিবাসী রয়েছে?
ইমিগ্রেশন মহাপরিচালকের বক্তব্য ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে দেশজুড়ে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জানান, দেশে এখনো বিপুল সংখ্যক অবৈধ অভিবাসী অবস্থান করছে। বিভিন্ন সূত্র ও অভিযানের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ২০ লাখেরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বক্তব্য সামনে আসার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—
“এত মানুষ কীভাবে বছরের পর বছর সিস্টেমের বাইরে থেকে যায়?”

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে:

▪️ কিছু কোম্পানি শ্রমিক এনে কাজ না দিয়ে ফেলে রাখে
▪️ ভিসা নবায়ন না করায় অনেকেই অবৈধ হয়ে যায়
▪️ দালাল ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধ প্রবেশ
▪️ পাসপোর্ট জব্দ ও শ্রমিক নির্যাতনের ঘটনা
▪️ চাকরি হারিয়ে পালিয়ে যাওয়া শ্রমিক
▪️ দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণহীন শ্রমিক ব্যবস্থাপনা

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক আরও বলেন, সব বিদেশি অপরাধী নয়। অনেকেই প্রথমে বৈধভাবেই এসেছিল, কিন্তু পরে বিভিন্ন সমস্যার কারণে অবৈধ অবস্থায় চলে গেছে। তাই সরকার শুধু ধরপাকড় নয়, পুরো সিস্টেমকে নতুনভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বর্তমানে সরকার কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে:

✅ অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তে বড় আকারের অভিযান
✅ নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
✅ বায়োমেট্রিক ও ডিজিটাল নজরদারি বৃদ্ধি
✅ শ্রমিক নিবন্ধন ও বৈধকরণ প্রক্রিয়া পর্যালোচনা
✅ সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা

তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকে বলছেন, রাজধানী কুয়ালালামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদেশির সংখ্যা এত বেড়ে গেছে যে আগের মালয়েশিয়ার পরিবেশ আর অনুভব হয় না।

আবার মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, শুধু অভিযান চালিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। শ্রমিকদের বাস্তব সমস্যাও দেখতে হবে। কারণ অনেকেই কাজের প্রতিশ্রুতি নিয়ে এসে প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

এখন সবার নজর সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।
নতুন কোনো বৈধকরণ প্রোগ্রাম আসবে কি না, নাকি আরও কঠোর অভিযান হবে—তা সময়ই বলে দেবে।

আমাদের সমাজে পারিবারিক বন্ধন এবং পারস্পরিক বিশ্বাসই একটি সুস্থ দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি। তবে কখনো কখনো সঠিক বোঝাপড়ার অ...
29/05/2026

আমাদের সমাজে পারিবারিক বন্ধন এবং পারস্পরিক বিশ্বাসই একটি সুস্থ দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি। তবে কখনো কখনো সঠিক বোঝাপড়ার অভাব এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু সিদ্ধান্তের কারণে পারিবারিক কলহ প্রকাশ্য রূপ নেয়, যা সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করে। সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের ব্যস্ত রাজপথে তেমনই একটি পারিবারিক বিরোধের অপ্রীতিকর চিত্র সামনে এসেছে।
ঘটনার বিবরণ:
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম স্ত্রীর সম্মতি বা অবগতি ছাড়া গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করার জেরে এক ব্যক্তি মাঝরাস্তায় আকস্মিকভাবে প্রথম স্ত্রীর মুখোমুখি হন। নিজের স্বামীকে অন্য এক নারীর সাথে দেখার পর এবং পারিবারিক গোপনীয়তার বিষয়টি উন্মোচিত হওয়ার সাথে সাথেই দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা শুরু হয়।
ব্যস্ত সড়কের ওপরেই পারিবারিক এই বিরোধ এক পর্যায়ে প্রকাশ্য বাদানুবাদ এবং হট্টগোলে রূপ নেয়। আকস্মিক এই পারিবারিক কলহ দেখতে রাস্তার মাঝে বিপুল সংখ্যক উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়, যার ফলে ওই এলাকায় সাময়িকভাবে তীব্র যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনতা ও উপস্থিত সচেতন নাগরিকেরা এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। খবর পেয়ে উভয় পক্ষের পরিবারের অভিভাবক ও মুরব্বিরা এসে বিষয়টি পারিবারিকভাবে বসে মীমাংসা করার আশ্বাসে তাঁদের নিয়ে যান।
🧠 আমাদের সামাজিক শিক্ষা ও নাগরিক সচেতনতা:
১. আইন ও পারিবারিক নিয়ম মেনে চলা: বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম স্ত্রীর অধিকার এবং অনুমতি ছাড়া পুনর্বিবাহের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যেকোনো লুকোচুরি বা নিয়মবহির্ভূত সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে পুরো পরিবারের জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনে।
২. পাবলিক প্লেসে শৃঙ্খলা বজায় রাখা: পারিবারিক সমস্যা বা ক্ষোভ যতই থাকুক না কেন, তা ঘরের ভেতরে বা আইনি উপায়ে সমাধান করাই শ্রেয়। রাজপথে বা জনসম্মুখে এমন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা নাগরিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী এবং এটি সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি তৈরি করে।
৩. অভিভাবকদের ভূমিকা: যেকোনো পারিবারিক সংকটে পরিবারের জ্যেষ্ঠ বা মুরব্বিদের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত, যেন তা সামাজিক স্তরে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির দিকে মোড় না নেয়।
একটি সুশৃঙ্খল সমাজ এবং সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ বজায় রাখতে আমাদের সবাইকে ব্যক্তি জীবনে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। এই ধরণের সামাজিক ও পারি

29/05/2026

রাশিয়া আবারো বিধ্বস্তীয় ও ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনে!

আমাদের দেশের তরুণরা যখন একটু উন্নত জীবনের আশায় এবং পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য প্রবাসে যাওয়ার স্বপ্ন বোনে, তখন কিছু ...
28/05/2026

আমাদের দেশের তরুণরা যখন একটু উন্নত জীবনের আশায় এবং পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য প্রবাসে যাওয়ার স্বপ্ন বোনে, তখন কিছু অসাধু চক্র সেই স্বপ্নকে পুঁজি করে তাদের চরম বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। সম্প্রতি মাদারীপুরের মোহাম্মদ সোহেল নামের এক তরুণের অলৌকিকভাবে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের এক ভয়াবহ ও নিষ্ঠুর বাস্তবতাকে আবারও আমাদের সামনে এনেছে।
স্বপ্নের ইতালি যাত্রা যেভাবে হলো জিম্মি দশা:
গত ২৫ ডিসেম্বর ঢাকা বিমানবন্দর থেকে ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা হন সোহেল। এক স্থানীয় দালালের সাথে ২৪ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু তিনি জানতেন না যে তিনি এক আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়েছেন। ঢাকা থেকে প্রথমে ভারতের চেন্নাই, এরপর শ্রীলঙ্কার কলম্বো, দুবাই এবং মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া হয়ে তাকে নেওয়া হয় লিবিয়ার বেনগাজিতে। পরে সেখান থেকে ত্রিপলির এক চরম ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাম্পে তাকে জিম্মি করে রাখা হয়।
অর্থ হাতিয়েও অমানবিক নির্যাতন:
চুক্তি অনুযায়ী সোহেলের অসহায় পরিবারের কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা উসুল করে নেওয়ার পরও আরও বড় অংকের টাকার লোভে সোহেলকে লিবিয়ার স্থানীয় চক্রের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI) জানায়, ক্যাম্পে সোহেলসহ আরও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি তরুণকে আটকে রেখে অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো এবং সেই ভিডিও দেশে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হতো। সোহেলের পরিবার তাকে বাঁচাতে পরবর্তীতে আরও ১৯ লাখ টাকা (সর্বমোট ৩৯ লাখ টাকা) দেওয়ার পর অবশেষে আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় পিবিআই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়।
পিবিআই-এর প্রশংসনীয় অভিযান: ৩ জন গ্রেপ্তার, ৪৯ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ!
সোহেল দেশে ফেরার পর পিবিআই এই আন্তর্জাতিক চক্রের শিকড় উপড়ে ফেলতে দেশজুড়ে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। মূল হোতার নিকটাত্মীয় এবং স্থানীয় ম্যানেজারসহ চক্রের ৩ সদস্যকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, এই চক্রটি এ পর্যন্ত বহু তরুণের জীবন ধ্বংস করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পিবিআই ইতিমধ্যেই তাদের ব্যবহৃত ৪৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করে ফ্রিজ করেছে।
আমাদের সমাজ ও অভিভাবকদের প্রতি জরুরি বার্তা:
অবৈধ রুটকে 'না' বলুন: জমি-জমা বেচে বা চড়া সুদে ঋণ নিয়ে ২০ থেকে ৪০ লাখ টাকা অবৈধ পথে ইউরোপ যাওয়ার জন্য দালালের হাতে তুলে দেওয়া মানেই জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলা। এই বিপুল অর্থ দিয়ে দেশে বৈধ ব্যবসা করা বা সরকারি নিয়মে বিদেশে যাওয়া অনেক বেশি নিরাপদ।
এজেন্সির বৈধতা যাচাই: পাসপোর্ট-ভিসা এবং এজেন্সির বৈধতা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বা জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) থেকে যাচাই না করে শুধু "গেম কন্ট্রাক্ট" বা "অবৈধ পথের" কথায় বিশ্বাস করে সন্তানকে প্রবাসে পাঠাবেন না।
আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ: কোনো পরিবার এমন চক্রের খপ্পরে পড়লে টাকা লুকানোর চেষ্টা না করে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা পিবিআই-এর শরণাপন্ন হোন।
আমরা এই জঘন্য মানব পাচারকারী চক্রের তীব্র ধিক্কার জানাই এবং পিবিআই-এর এই দুর্দান্ত তৎপরতাকে সাধুবাদ জানাই। ধৃত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক কঠিন শাস্তি হোক, যেন আর কোনো তরুণের জীবন এভাবে বিপন্ন না হয়।
মানবপাচারের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে এবং তরুণদের চোখ খুলে দিতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

নিজস্ব প্রতিবেদন, গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর | Islamic Bangladesh  ঢাকা  #গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিলপাড় বাজারে সম্প্রত...
28/05/2026

নিজস্ব প্রতিবেদন, গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর | Islamic Bangladesh ঢাকা

#গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিলপাড় বাজারে সম্প্রতি গরু জবাই এবং মাংস বিক্রির ওপর এলাকার এমপি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠীর এই জনপদে ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে জড়িত এমন একটি মৌলিক বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আসায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

#স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জলিলপাড় বাজার ও এর আশেপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক মুসলিম পরিবারের বসবাস। তা সত্ত্বেও রহস্যজনক কারণে সেখানে গরু জবাই ও মাংস বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট মহলের আধিপত্য ও চাপের মুখে প্রশাসন এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাধারণ মানুষের দাবি, ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীকেন্দ্রিক স্বার্থ রক্ষায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের খাদ্যাভ্যাস ও ধর্মীয় রীতিতে বাধা দেওয়া অত্যন্ত নিকৃষ্ট এবং নিন্দনীয় একটি কাজ।

#ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি:
নিষেধাজ্ঞার ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ আমিষের চাহিদা মেটাতে বিপাকে পড়েছেন। অনেককে কয়েক মাইল দূরে গিয়ে মাংস সংগ্রহ করতে হচ্ছে। মাংস ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, বংশপরম্পরায় তারা এই বাজারে ব্যবসা করে আসলেও এখন তাদের রুটি-রুজির পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপরও বড় আঘাত। শুধু এতটুকুতেই ক্ষান্ত নয় বরং গরুর গোস্ত নিষিদ্ধ করে শূকরের গোশত বিক্রি হবে বলেও জানিয়েছেন। নেপথ্যে পুলিশ ইনচার্জ আওরঙ্গজেব ও গোপালগঞ্জ এক আসনের এমপি সেলিম রয়েছে বলে জানা গেছে।

27/05/2026

আলোচিত ফ্যামিলি কার্ডে কি কি সুবিধা থাকছে প্রবাসীদের জন্য !

27/05/2026

আবারো মধ্যপাচ্ছে যুদ্ধের উত্তেজনা কঠোর হুঁশিয়ারি করলো ইরান।

26/05/2026

সকালের আন্তর্জাতিক সংবাদ

একবার ভাবুন অসভ্যতা ও বর্বরতার কোন পর্যায়ে আছি আমরা। এটা কোন সমাজ? এটা কিভাবে সম্ভব বাবা-ছেলে মিলে... ? এই মেয়েটির এখন ক...
26/05/2026

একবার ভাবুন অসভ্যতা ও বর্বরতার কোন পর্যায়ে আছি আমরা। এটা কোন সমাজ? এটা কিভাবে সম্ভব বাবা-ছেলে মিলে... ? এই মেয়েটির এখন কি হবে? এই সমাজ কি আদৌ কোনদিন পরিবর্তন সম্ভব? উফ... আমি এই নিউজ লিখতেও পারছি না।
ছবি : ঝিনেদা টিভি।

26/05/2026

Top news

Address

Dadia Para, Sharasti, Chandpur
Chittagong
3620

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anisur Rahaman Mohen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share