A M JAMIR 75

A M JAMIR 75 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from A M JAMIR 75, Chittagong.
(3)

পরিচিতি
আমার নাম মোহাম্মদ জমির উদদীন। আমার জন্ম ১৯৭৫ সালের ২ মে, চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের কুরাংগিরী গ্রামের জন্ম ছোট্ট বেলায় বাবাকে হারিয়ে অবহেলা মধ্যে বেড়ে উঠেছি। জীবনের সেই অভিজ্ঞতাই আমার কলমকে দিয়েছে সত্য প্রকাশের শক্তি?

08/06/2026

অসাধারণ একটা ভিডিও না দেখলে মিস করবেন

08/06/2026

শিরোনাম: জোনাকির রাজ্যে

অনেক অনেক দূরে, পাহাড় আর অরণ্যে ঘেরা এক রহস্যময় রাজ্য ছিল। সেই রাজ্যের নাম ছিল জোনাকির রাজ্য। দিনের বেলা সেখানে সবকিছু সাধারণ মনে হলেও রাত নামলেই পুরো রাজ্য হাজার হাজার জোনাকির আলোয় ঝলমল করে উঠত।

সেই রাজ্যের সবচেয়ে কৌতূহলী শিশু ছিল ছোট্ট মেয়ে তিথি। তার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা ছিল জোনাকিদের রানীর সঙ্গে দেখা করা।

এক পূর্ণিমা রাতে তিথি চুপিচুপি বাড়ি থেকে বের হলো। হাতে ছোট্ট একটি বাঁশের বাঁশি। দাদুর কাছ থেকে সে শুনেছিল, জোনাকিদের রানী নাকি বাঁশির সুর খুব পছন্দ করেন।

জঙ্গলের গভীরে গিয়ে তিথি বাঁশি বাজাতে শুরু করল।

হঠাৎ চারপাশে অসংখ্য জোনাকি জ্বলে উঠল। অন্ধকার বন মুহূর্তেই সোনালি আলোয় ভরে গেল।

জোনাকিরা একসাথে উড়তে উড়তে আকাশে একটি আলোর পথ তৈরি করল।

তিথি সাহস করে সেই পথ ধরে এগিয়ে গেল।

কিছুদূর যেতেই সে দেখল, এক বিশাল ফুলের প্রাসাদ। প্রাসাদের দেয়ালগুলো যেন আলো দিয়ে গড়া। সেখানে বসে আছেন জোনাকিদের রানী।

রানী মুচকি হেসে বললেন,

— "তিথি, তুমি কি জানো কেন আমরা রাতেই জ্বলি?"

তিথি মাথা নেড়ে বলল,

— "না রানীমা।"

রানী বললেন,

— "কারণ অন্ধকারকে ভয় পাওয়ার জন্য নয়, আলো দেখানোর জন্য পৃথিবীতে আসা হয়েছে। ছোট্ট একটি আলোও হাজার অন্ধকারকে হার মানাতে পারে।"

তিথি মুগ্ধ হয়ে শুনতে লাগল।

রানী তাকে একটি ছোট্ট জোনাকি উপহার দিলেন।

— "যখনই মন খারাপ হবে, এটাকে দেখবে। মনে রাখবে, আশা কখনো নিভে যায় না।"

ভোর হওয়ার আগে তিথি বাড়ি ফিরে এল।

পরদিন সকালে সে দেখল, তার হাতের মুঠোয় সত্যিই একটি ছোট্ট জোনাকি বসে আছে।

সেদিন থেকে তিথি আর কখনো অন্ধকারকে ভয় পায়নি।

কারণ সে জানত—

যে হৃদয়ে স্বপ্নের আলো জ্বলে, তার জন্য পৃথিবীর কোনো অন্ধকারই চিরস্থায়ী নয়।

নৈতিক শিক্ষা:

নিজে আলো হও, অন্যের পথও আলোকিত হবে।

লেখক: মোঃ জমির উদ্দীন, চট্টগ্রাম
তারিখ ০৮/০৬/২০২৬

07/06/2026

Everything good

07/06/2026

ভাঙা ছাতার মহাকাব্য
এ এম জমির চট্টগ্রাম
তারিখ ০৭/০৬/২০২৬

বর্ষাকাল। আকাশে কালো মেঘ। অফিস শেষে তাড়াহুড়ো করে বাসায় ফিরছে রফিক।

হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি শুরু।

রফিক ব্যাগ থেকে তার বহু পুরোনো ছাতাটা বের করল। ছাতাটার বয়স প্রায় দশ বছর। দেখতে এমন, যেন স্বাধীনতা যুদ্ধের সাক্ষী!

ছাতা খুলতেই "খ্যাঁচ" করে একটা শব্দ হলো। একপাশের তিনটা কাঁটা ভেঙে নিচে ঝুলে গেল।

রফিক বলল,

— "আহা! এখনো বেঁচে আছিস বন্ধু?"

পাশে দাঁড়ানো এক লোক হেসে বলল,

— "ভাই, এটা ছাতা নাকি জাদুঘরের নিদর্শন?"

রফিক পাত্তা দিল না।

কিছুদূর যেতেই হঠাৎ বাতাস এল।

ছাতাটা উল্টে গিয়ে ফুলের মতো ফুটে গেল!

রাস্তার মানুষ হাসতে লাগল।

এক শিশু মাকে জিজ্ঞেস করল,

— "মা, এই আংকেল কি নতুন কোনো প্যারাসুট পরীক্ষা করছে?"

রফিক লজ্জা পেয়ে আবার ছাতা সোজা করল।

কিন্তু দুর্ভাগ্য তখনও শেষ হয়নি।

একটা রিকশা পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ছাতার ঝুলে থাকা কাঁটায় আটকে গেল।

রিকশাওয়ালা চিৎকার করে বলল,

— "ভাই, ছাতা নিয়ে চলছেন নাকি মাছ ধরার জাল?"

চারপাশে আবার হাসির রোল।

শেষ পর্যন্ত রফিক সিদ্ধান্ত নিল, ছাতা বন্ধ করে দৌড় দেবে।

কিন্তু ছাতাটা বন্ধও হলো না!

বৃষ্টিতে ভিজে, হাতে উল্টানো ছাতা নিয়ে সে যখন বাসায় পৌঁছাল, তখন স্ত্রী দরজা খুলে বলল,

— "ছাতা নিয়ে গিয়েছিলে, না ছাতাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলে?"

রফিক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,

— "আমি তো বৃষ্টি থেকে বাঁচতে বের হয়েছিলাম, কিন্তু আজ মনে হচ্ছে বৃষ্টিই আমার সম্মান বাঁচিয়েছে।"

সেদিনের পর থেকে রফিকের শিক্ষা—

"ভাঙা ছাতা আর ভাঙা অজুহাত— দুটোই জনসমক্ষে ব্যবহার করা বিপজ্জনক!" 😄☔

— সমাপ্ত —

06/06/2026

অসম্ভব সুন্দর রোমাঞ্চকর

06/06/2026

নীরবতা খুব ভয়ংকর
এ এম জমির চট্টগ্রাম
তারিখ ০৬/০৬/২০২৬

রাত তখন প্রায় বারোটা। শহরের কোলাহল থেমে গেছে অনেক আগেই। চারদিকে এক অদ্ভুত নীরবতা। এমন নীরবতা, যেন পৃথিবীটা হঠাৎ নিঃশ্বাস নিতে ভুলে গেছে।

সোহেল নতুন চাকরির সুবাদে শহরের এক পুরোনো বাসা ভাড়া নিয়েছে। বাসাটা বেশ বড়, তবে আশেপাশে তেমন কোনো মানুষজন নেই। প্রথম কয়েকদিন ভালোই কেটেছিল। কিন্তু এক সপ্তাহ পর থেকে সে লক্ষ্য করল, প্রতি রাতে ঠিক বারোটার পর পুরো বাসাটা অস্বাভাবিক চুপচাপ হয়ে যায়।

একদিন সাহস করে সে পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধ দারোয়ানকে জিজ্ঞেস করল,

— "চাচা, রাত বারোটার পর এখানে এত নীরব কেন?"

বৃদ্ধ একটু হেসে বললেন,

— "বাবা, কিছু প্রশ্নের উত্তর না জানাই ভালো।"

কথাটা শুনে সোহেলের বুকের ভেতর কেমন যেন কেঁপে উঠল।

সেদিন রাতেও বারোটার পর হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল। পুরো ঘর অন্ধকার। মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে সে বিছানায় বসে রইল। কিন্তু আজকের নীরবতা যেন অন্যরকম। এতটাই গভীর যে নিজের হৃদস্পন্দনের শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল।

হঠাৎ সে খেয়াল করল, দেয়ালে ঝোলানো ঘড়িটা থেমে গেছে।

সময়— ঠিক ১২টা ০১ মিনিট।

ঠিক তখনই দরজায় "টক... টক... টক..."

তিনবার শব্দ হলো।

সোহেল ভয় পেলেও দরজা খুলল না।

কয়েক সেকেন্ড পর আবার—

"টক... টক... টক..."

এবারও সে চুপ করে রইল।

কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর ঘটনা ঘটল এরপর।

দরজার ওপাশ থেকে কোনো শব্দ এলো না।

কেউ ডাকল না।

কেউ হাঁটল না।

কেউ চলে গেল না।

শুধু ভয়ংকর নীরবতা।

মনে হলো, দরজার ওপাশে কেউ দাঁড়িয়ে আছে— অপেক্ষা করছে।

সারা রাত সোহেল দরজা খুলতে পারেনি।

ভোরে সাহস করে দরজা খুলতেই দেখল, বাইরে কেউ নেই। তবে মেঝেতে একটা পুরোনো কাগজ পড়ে আছে।

তাতে লেখা—

"ধন্যবাদ... দরজা খোলোনি।"

নিচে আরও একটি লাইন—

"গত পাঁচ বছরে যারা দরজা খুলেছিল, তারা আর কখনো ফিরে আসেনি।"

সোহেলের হাত কাঁপতে লাগল।

সে দ্রুত দারোয়ানের কাছে দৌড়ে গেল।

সব কথা শুনে বৃদ্ধ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন,

— "আমি তো বলেছিলাম বাবা, কিছু প্রশ্নের উত্তর না জানাই ভালো।"

এরপর সোহেল আর এক মুহূর্তও ওই বাসায় থাকেনি।

আজও মাঝরাতে কোনো অস্বাভাবিক নীরবতা নেমে এলে তার বুক কেঁপে ওঠে।

কারণ সে জানে—

চিৎকার যতটা ভয়ংকর নয়, তার চেয়েও ভয়ংকর হলো এমন নীরবতা, যেখানে কেউ কথা বলে না... অথচ কেউ একজন ঠিকই উপস্থিত থাকে।

— সমাপ্ত —
#গল্প #কবিতা

Hi everybody friend
05/06/2026

Hi everybody friend

Assalamu alikum
05/06/2026

Assalamu alikum

❤️😂 লাভ ম্যারাজের লাভ-ক্ষতিগল্প: বউ আগে, বুদ্ধি পরেরায়হান আর মিথিলার প্রেমের বয়স পাঁচ বছর।প্রেম করার সময় রায়হান প্রতিদিন...
05/06/2026

❤️😂 লাভ ম্যারাজের লাভ-ক্ষতি

গল্প: বউ আগে, বুদ্ধি পরে

রায়হান আর মিথিলার প্রেমের বয়স পাঁচ বছর।

প্রেম করার সময় রায়হান প্রতিদিন বলত,

— তুমি আমার জান, তুমি আমার প্রাণ, তুমি আমার পৃথিবী!

মিথিলা লজ্জা পেয়ে বলত,

— সত্যি?

— একশো ভাগ সত্যি!

অবশেষে অনেক যুদ্ধ করে দুজনের লাভ ম্যারাজ হয়ে গেল।

বিয়ের পর প্রথম মাসে সবকিছু স্বপ্নের মতো চলছিল।

একদিন রাতে মিথিলা বলল,

— শোনো, আমি মোটা হয়ে গেলে ভালোবাসবে?

রায়হান বলল,

— অবশ্যই!

— আর বুড়ি হয়ে গেলে?

— তখনও।

— আর রাগী হয়ে গেলে?

— তখনও।

মিথিলা খুশি।

কিন্তু তিন মাস পরে...

একদিন বাজার থেকে ফিরে রায়হান দেখল তিন হাজার টাকার কসমেটিকস।

সে অবাক হয়ে বলল,

— এত টাকা!

মিথিলা বলল,

— আমি তো তোমার জান!

রায়হান মাথা নেড়ে বলল,

— আগে জান ছিলে, এখন তো বাজেট মন্ত্রণালয়!

আরেকদিন সকালে—

মিথিলা বলল,

— মনে আছে প্রেমের সময় বলেছিলে আমার জন্য আকাশের চাঁদ এনে দেবে?

রায়হান দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,

— তখন অবিবাহিত ছিলাম, মাথা ঠিক ছিল না!

কিছুদিন পর তাদের মধ্যে ঝগড়া হলো।

রাগ করে মিথিলা বাবার বাড়ি চলে গেল।

রায়হান মনে মনে ভাবল,

"এবার একটু শান্তি পাবো।"

কিন্তু দুই ঘণ্টা না যেতেই ফোন।

— কী করছো?

— কিছু না।

— খেয়েছো?

— না।

— কেন?

— তোমাকে ছাড়া খেতে ইচ্ছে করছে না।

মিথিলা চুপ।

রায়হানও চুপ।

আসলে দুজনেই বুঝল—

ঝগড়া করতে ভালো লাগে, কিন্তু দূরে থাকতে নয়।

সেদিন রাতে মিথিলা ফিরে এলো।

দরজা খুলে রায়হান বলল,

— এসেছো?

— হ্যাঁ।

— আবার ঝগড়া করবে?

— অবশ্যই!

— তাহলে ঠিক আছে, সংসার চলছে।

দুজনেই হেসে উঠল।

গল্পের শিক্ষা

লাভ ম্যারাজ মানে শুধু প্রেম নয়।

এটা এমন এক সম্পর্ক, যেখানে ঝগড়া থাকে, অভিমান থাকে, বাজেটের যুদ্ধ থাকে, কিন্তু দিনের শেষে দুজনই একে অপরের কাছেই ফিরে আসে।

কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা হলো—

"রাগ করে দূরে যাওয়া নয়, বারবার ফিরে আসার নাম।" ❤️

মোঃ জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম
তারিখ ০৫/০৬/২০২৬

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A M JAMIR 75 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share