CHT Expose

CHT Expose Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from CHT Expose, Media/News Company, Chittagong Hill Tracts, Chittagong.

পার্বত্য চট্টগ্রামের অদেখা বাস্তবতা, অজানা ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং অপ্রকাশিত সৌন্দর্যের আড়ালে লুকানো রাজনীতি-সংঘাত-সংকট
ও সমাধানের মুখোমুখি।

|| পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে আপনি জানতে,
পরামর্শ দিতে এবং আমাদের জানাতে
সরাসরি ইনবক্সে মেসেজ দিন || ধন্যবাদ।

উপজাতীয় সশস্ত্রগোষ্ঠী ইউপিডিএফ'র সন্ত্রা'সীরা চাঁদা না পাওয়ায় খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার হাফছড়ির পিলাক খাল খননের এক্সেভ...
22/05/2026

উপজাতীয় সশস্ত্রগোষ্ঠী ইউপিডিএফ'র সন্ত্রা'সীরা চাঁদা না পাওয়ায় খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার হাফছড়ির পিলাক খাল খননের এক্সেভেটর পুড়িয়ে দিয়েছে। Follow: CHT Expose

ছবি: স্থানীয় সাংবাদিক মো. আলী।


#ইউপিডিএফ
#খালখনন

অভিনন্দন!পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান জনাব মোহলেহ্ উদ্দিন আহমদনবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনারঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)...
17/05/2026

অভিনন্দন!
পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান
জনাব মোহলেহ্ উদ্দিন আহমদ
নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
Follow: CHT Expose


বান্দরবানে বাঘমারা বাজারে আগুনে পুড়ে ছাই ৫০টি দোকান ও বসতঘর, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিবান্দরবানের বাঘমারা বাজারে গভীর রাতে ভয়াবহ ...
17/05/2026

বান্দরবানে বাঘমারা বাজারে আগুনে পুড়ে ছাই ৫০টি দোকান ও বসতঘর, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বান্দরবানের বাঘমারা বাজারে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫০টি দোকান ও বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে অন্তত কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। শনিবার (১৭ মে)দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, গভীর রাতে হঠাৎ বাজারে আগুন দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে স্থানীয় মসজিদের মাইকের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হলে তাৎক্ষনিক লোকজন এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে৷ পরে দ্রুত আকারে আগুন ছড়িয়ে পড়লে বাজারে দোকান ও বসতঘরসহ ৫০টি পূড়ে ছাই হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, খবর পেয়ে রোয়াংছড়ি ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে ৩ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে বাজারের অর্ধশতাধিক দোকান ও বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে আগুনের সূত্রপাত এখনো জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে প্রাথমিকভাবে কয়েক কোটির টাকা ক্ষয়ক্ষতির হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঘমারা বাজারে যেসব দোকানপাট রয়েছে অধিকাংশ বাঁশ ও কাঠ দিয়ে স্থাপনা।এর ফলের আগুন ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তে মধ্যে ছড়িয়ে যাত। এতে দোকান ও বসতঘর ভিতরে থাকা জিনিসপত্র পূড়ে গেছে। সবকিছু হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ- আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগে দোকানপাট পূড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ৪টি ইউনিট প্রায় ৩ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। তবে দুর্গমতার কারনে আমাদের কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। তদন্ত মাধ্যমে বিস্তারিত পরে জানা যাবে।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রা'সী সংগঠন ইউপিডিএফ (মূল)'র ৩ সন্ত্রা'সী আটক এবং একে-২২ রাই'ফেল উদ্ধার! Fol...
16/05/2026

খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রা'সী সংগঠন ইউপিডিএফ (মূল)'র ৩ সন্ত্রা'সী আটক এবং একে-২২ রাই'ফেল উদ্ধার! Follow: CHT Expose

খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে একে-২২ রাইফেলসহ সশ'স্ত্র সন্ত্রা'সী সংগঠন ইউপিডিএফ (মূল) এর ০৩ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অথচ এই সন্ত্রা'সী ও অপরা'ধমূলক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করতে এবং সেনাবাহিনীর এই গৌরবময় অভিযানকে বিতর্কিত করতে ইউপিডিএফ (মূল) এর সশ'স্ত্র সদ'স্যরা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে।

একটু গভীরভাবে ভেবে দেখলে বিষয়টি স্পষ্ট হয়, আগ্নেয়াস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক হওয়ার পরেও এরা কিভাবে নিজেদের "সাধারণ নিরীহ মানুষ" বলে দাবি করে? এই ধরণের অপপ্রচার শুধু সত্যকে ঢাকা দেওয়ার চেষ্টাই নয়, বরং আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য এক বিরাট হুমকি।

আসুন, আমরা কোনো প্রকার মিথ্যা গুজবে কান না দিয়ে এই সকল সশ'স্ত্র সন্ত্রা'সী ও দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

খাগড়াছড়িতে উপজাতীয় সন্ত্রা'সী কর্তৃক অপ'হরণ, হ'ত্যার হুমকি ও ভূমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন! Follow: CHT Expose খাগড়াছড়ি...
15/05/2026

খাগড়াছড়িতে উপজাতীয় সন্ত্রা'সী কর্তৃক অপ'হরণ, হ'ত্যার হুমকি ও ভূমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন! Follow: CHT Expose

খাগড়াছড়িতে গামারীঢালা এলাকায় বাগানের গাছ কেটে নেয়া'সহ অপ'হরণ ও প্রাণনা'শের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ১৬টি পরিবারের খেটে খাওয়া নারী পুরুষরা। রবিবার (১০ মে) সকালে প্রেসক্লাবের সামনে এ উপলক্ষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় এতে ক্ষতিগ্রস্থ ষোল পরিবারের নেতৃবৃন্দরা অভিযোগ করে বলেন, আমারা বংশ পরমপরায় এ ভূমিতে বসবাস করে আসছি, যা ১৯৮০-৮২ সালে জিউয়ার রহমান সরকার কর্তৃক বন্দোবস্তি প্রদান করেন, এই ভূমিতে আমরা ও আমাদের পূর্ব পুরুষ যুগ যুগ ধরে বসবাস ও বাগান-বাগিচা সৃজন করে আসছি।

হঠাৎ করে সন্ত্রা'সী বাগিস চাকমা ও বিনয় কৃষ্ণ চাকমার নেতৃতে আমাদের বসবাস করা জায়গা জোরপূর্বক দখল করার উদ্দেশ্যে গাছ কেটে নিয়ে গেছে,পরে অ'স্ত্র দেখিয়ে অপহরণ ও প্রান নাশের হুমকি প্রদান করেন। আমাদের কৈবলিয়তের জায়গা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য বলেন। এমতাবস্থায়
আমরা বাঙ্গালী ১৬টি পরিবার চরম হুমকি ও উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় রয়েছি। তাই আমাদের জীবন রক্ষা, হয়রানী মূলক মিথ্যা চুরির মাম'লা প্রত্যহার ও ভূমি রক্ষায় সরকার এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।



#খাগড়াছড়ি #উপজাতি
#অপহরণ #হত্যা #হুমকি

দুদিন পর আবারো সীমান্ত হ'ত্যা!লালমনিরহাটের আমঝোল সীমান্তে বিএ'সএফের গু'লিতে নিরীহ বাংলাদেশী নি'হত। সীমান্ত হ'ত্যা বন্ধে ...
14/05/2026

দুদিন পর আবারো সীমান্ত হ'ত্যা!
লালমনিরহাটের আমঝোল সীমান্তে বিএ'সএফের গু'লিতে নিরীহ বাংলাদেশী নি'হত। সীমান্ত হ'ত্যা বন্ধে সরকারের ভূমিকা নিয়ে দিন দিন জনমনে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। সীমান্ত হ'ত্যা বন্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিতে যেতে হবে। ওপার থেকে গু'লি আসলে এপার থেকেও গু'লি যাবে। খু'নী হাসিনার মতো নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ৫ আগষ্টের পর মানুষ আর চায় না। এই নতজানু পররাষ্ট্রনীতিকে উৎখাত করার জন্যই ৩৬ জুলাই হয়েছিলো। Follow: CHT Expose


#বিএসএফ
#বিজিবি #সীমান্তহত্যা
#লালমনিরহাট

বছরখানেক আগে গাজীপুরের কাপাসিয়ার এক প্রবাসীর বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়েছিল ফোরকান মিয়া। তিনটা ছোট ছোট মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে ...
09/05/2026

বছরখানেক আগে গাজীপুরের কাপাসিয়ার এক প্রবাসীর বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়েছিল ফোরকান মিয়া। তিনটা ছোট ছোট মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে এখানেই থাকতো সে। Follow: CHT Expose

ফোরকান প্রাইভেট কার চালাতো। মাঝেমধ্যে সেটা ভাড়াও দিতো। এই টাকা দিয়েই বেশ ভালোই চলছিল সংসারটা।

কিন্তু গাজীপুরে থাকাকালীন সময়ে আশেপাশের কিছু বন্ধুবান্ধবের দেখাদেখি ফোরকান মাদক নেয়া শুরু করে।

মাদক সেবনের প্রথম দিকেও ফোরকান সংসারে টাকাপয়সা দিতো। কিন্তু দিন যতই যাচ্ছিল ফোরকানও মাদকসহ অন্যান্য নেশায় জড়িয়ে পড়তে শুরু করে।

তখন আর সংসারে তেমন একটা টাকাপয়সা দিতো না সে। প্রাইভেট কার চালিয়ে যে টাকা ইনকাম করতো সে টাকায় তার মাদকের খরচেই চলে যেতো।

সে মাদকের প্রতি এতটাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল যে মাদকের টাকার জন্যে তার বউকে নিয়মিত মারধর করতো। আত্মীয় স্বজন এবং এলাকাবাসীরা মিলে সেগুলো অনেকবার মিটমাটও করে দিয়েছিল কিন্তু ফোরকানের মাদকের নেশা যায়নি।

ফোরকান এর আগেও প্রতিবেশীদের সামনেই তার বউকে বাপের বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনতে মারধর করেছে, পিটিয়েছে। কারণ তার মাদক কেনার টাকা লাগবে।

ফোরকানের বউয়ের বাবার বাড়ির আর্থিক অবস্থা খুব বেশি একটা ভালো না। তাই সে যৌতুকের টাকা দিতে পারেনি। এজন্যে ফোরকান নিয়মিতই তার বউকে মারধর করতো, বাচ্চাদেরকে অবজ্ঞা করতো, ঠিকমতো ভরণপোষণ দিতো না।

এভাবেই দিনদিন পারিবারিক কলহ বাড়ছিল শুধু।

গতকাল রাতে ফোরকান তার শালাকে কল দিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি দেয়ার কথা বলে বাসায় নিয়ে আসে। রাতের তার শালা বাসায় চলে আসে।

এরপরই আনুমানিক মধ্য রাতের দিকে ফোরকান তার স্ত্রী, তিন সন্তান এবং শালাকে নির্মমভাবে জ*বাই করে হ*ত্যা করে।

ফোরকান তার স্ত্রীকে জ*বাই করেছে জানালার গ্রীলের পাশে বেঁধে। তবে জ*বাই করার আগে হাত দুটো দড়ি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে নিয়েছিল এবং মুখে কাপড়ের পট্টি লাগিয়ে স্কচটেপ দিয়ে শক্ত করে বেঁধেছিল যাতে কোনরকম আওয়াজ করতে না পারে।

ফোরকানের তার শালাকে জ*বাই করেছে বিছানার মধ্যেই। সম্ভবত সে ঘুমিয়ে ছিল। ঘুমের মধ্যেই গলার রগ কেটে জ*বাই করেছে।

আর ছোট ছোট ৩ টা বাচ্চাকে জ*বাই করেছে মেঝেতে ফেলে। বাচ্চা ৩ টার বয়স খুব বেশি না। একটার বয়স ১৪ বছর, একটার ১০ বছর এবং আরেকটার মাত্র ২ বছর।

বাচ্চাগুলোর গলার চারপাশে এখনো র*ক্ত জমাট বেঁধে শক্ত হয়ে আছে,নিথর দেহটা মেঝেতে এলোপাতাড়ি হয়ে পড়ে আছে। জ*বাই করার সময় নিশ্চয়ই প্রচন্ড যন্ত্রণা পাচ্ছিল ওরা।

নিজের বউ এবং বাচ্চাদেরকে জ*বাই করতে যাতে একটুও হাত না কাপে তাই ফোরকান জ*বাই করার আগে অনেকগুলো মাদক খেয়ে নিয়েছিল। সেগুলোও এখনো বিছানার পাশে পড়ে আছে।

ফোরকান এতটাই মাদক খেয়েছিল যে হিতাহিত জ্ঞান ভুলে সে উল্টাপাল্টা কাজ করেছিল। তার স্ত্রীকে জ*বাই করার সময় গয়নাও পড়িয়েছিল।

আর লা*শের পাশে প্রিন্ট করা কিছু কাগজপত্রও পাওয়া গিয়েছে যেগুলো মামলার নথিপত্র ছিল। সম্ভবত তাদের পারিবারিক কলহের মামলার নথিপত্রই।

সবাইকে নির্মমভাবে জ*বাই করার পর ভোরের দিকে ফোরকান নিজেই তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে বাবা-মাকে কল দিয়েছে। কল দিয়ে বলেছে- টাকা দিতে পারে না , তাই সব কয়টারে শেষ কইরা দিছি।

পরে তার বাবা-মা তড়িঘড়ি করে গাজীপুরে এসে দেখে সবাই জ*বাই করা অবস্থায় মরে পড়ে আছে। আর ফোরকানও ততক্ষণে গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে গেছে।

খবর পেয়ে বউয়ের বাবা-মাও এসেছে। তারা এসে এখন বিলাপ করে কান্নাকাটি করছে এবং চিৎকার করে করে বলছে- কোন জালেমের কাছে মেয়ে বিয়ে দিলাম! আমার ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি সবাইরে জ*বাই কইরা ফেলছে!

এজন্যেই মেয়ে বিয়ে দেয়ার আগে ছেলের টাকাপয়সার চেয়েও সবচেয়ে বেশি দেখতে হয় ছেলের চরিত্র, পরিবারির শিক্ষা। কেননা- আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনই হচ্ছে বিশ্বস্ত লাইফ পার্টনার।

ভালো রেজাল্ট করলে, টাকা পয়সা হলে, গাড়ি বাড়ি করতে পারলে সেটাকে আমরা জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করি, সেলিব্রেট করি। অথচ জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে ভালো একজন জীবনসঙ্গী।

ফোরকানের সংসারটাও বেশ ভালোই চলছিল কিন্তু মাদকের নেশা এবং যৌতুকের লোভ তার পুরো পরিবারটাকে ধ্বংস করে দিল।

ফোরকান নেশায় এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিল যে ধারালো ছু*রি দিয়ে বউ, বাচ্চাদেরকে নিজ হাতে জ*বাই করতে বিন্দুমাত্রও হাত কাঁপেনি তার

©️

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শুকনা ছড়া এলাকায় সন্ত্রা'সী গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এর গু'লিতে অপর সন্ত্রা'সী গোষ্ঠী ইউপিডিএ...
09/05/2026

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শুকনা ছড়া এলাকায় সন্ত্রা'সী গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এর গু'লিতে অপর সন্ত্রা'সী গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (প্রসীত গ্রুপ) এর সন্ত্রা'সী হেগারা চাকমা নিহত। আজ শনিবার ভোর ৪ টায় এ ঘটনা ঘটে। Follow: CHT Expose

পাহাড়ে এভাবে প্রতিদিন চলছে উপজাতীয় সন্ত্রা'সী গোষ্ঠীগুলোর ভ্রাতৃঘাতী সং'ঘাত ও আধিপত্যের লড়াই। র'ক্তের হোলি খেলাই যেন এই পাহাড়ী সন্ত্রা'সী গোষ্ঠীগুলোর নেশা ও আনন্দের বিষয়।



#ইউপিডিএফ #জেএসএস
#উপজাতিসন্ত্রাসী

বান্দরবানে পুলিশ সুপার পরিবর্তন। নতুন পুলিশ সুপার মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার। বান্দরবানে স্বাগতম ও অভিনন্দন। Follow: CHT E...
05/05/2026

বান্দরবানে পুলিশ সুপার পরিবর্তন। নতুন পুলিশ সুপার মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার। বান্দরবানে স্বাগতম ও অভিনন্দন। Follow: CHT Expose




উপজাতি হয়েও বিদেশী প্রভুদের শিখানো ভাষায় নিজেদের কথিত আদি'বাসী বলে উপজাতিরা। ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে অস্বীকার করে এ যেন কাকে...
02/05/2026

উপজাতি হয়েও বিদেশী প্রভুদের শিখানো ভাষায় নিজেদের কথিত আদি'বাসী বলে উপজাতিরা। ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে অস্বীকার করে এ যেন কাকের ময়ূর সাজার বৃথা চেষ্টা করার মতোই। পাগলের সুখ তো মনে মনেই! Follow: CHT Expose


#উপজাতি
#ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠী

শ্রমিক দিবস: পাহাড়ে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের উপর উপজাতি সন্ত্রা'সীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনFollow: CHT Expose পার্বত্য চট্টগ্...
02/05/2026

শ্রমিক দিবস: পাহাড়ে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের উপর উপজাতি সন্ত্রা'সীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন
Follow: CHT Expose

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়গুলো বাইরে থেকে যতটা শান্ত ও মনোরম মনে হয়, ভেতরে ততটাই অজানা আতঙ্ক লুকিয়ে থাকে। এই আতঙ্কের অন্যতম রূপ হলো শ্রমিক অপহরণ ও গুম, যা বহু বছর ধরে এখানে কর্মরত সাধারণ মানুষের জীবনে এক গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। সশস্ত্র উপজাতীয় সন্ত্রা'সীগোষ্ঠীগুলো পাহাড়ে তৈরি করেছে গুম, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের এক নির্মম ও ভয়ানক পরিবেশ। যা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এ যাবৎ উপজাতি সন্ত্রা'সীদের গুম ও অপহরণের শিকার হয়েছে পাহাড়ের অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ। এমনকি অপহরণের পর মুক্তিপণ না দিলে খুনের শিকারও হতে হয়েছে অনেক শ্রমিককে। দুর্গম পাহাড়ি পথ, ঘন জঙ্গল আর যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা — এসব কারণে কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রায়ই কঠিন হয়ে পড়ে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠী শ্রমিকদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। বিশেষ করে টেলিকম, নির্মাণ, ইটভাটা, কৃষি বা পাহাড়ি প্রকল্পে কাজ করা শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি টার্গেটে থাকে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত উপজাতি সন্ত্রা'সীগোষ্ঠীগুলোর দ্বারাই সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। অগণিত গুম, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির নজির রয়েছে সন্ত্রা'সী গোষ্ঠীগুলোর। মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী সশস্ত্র সন্ত্রা'সী সংগঠনগুলো হলো জেএসএস (শান্তিবাহিনী), ইউপিডিএফ, কেএনএফ, এমএলপি, পিসিপি ও এইচডব্লিউএফসহ আরো কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। তাদের হাতে এ যাবৎ হাজার হাজার নিরীহ শ্রমিকসহ কৃষক, নিরাপত্তা বাহিনী, ব্যবসায়ী ও পর্যটক খুন, গুম ও অপহরণের শিকার হয়েছে। তারাই আবার নিজেদের অপরাধ ঢাকতে বাঙালি ও সেনাবাহিনীর উপর মিথ্যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় চাপায়। কিন্তু বাস্তবে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন — মানবাধিকার লঙ্ঘন করে এই সন্ত্রা'সীরাই।

চলতি বছর ফেব্রুয়ারির ১৬ তারিখ চাঁদার দাবিতে বান্দরবানের লামায় ২৫ জন শ্রমিককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে সন্ত্রা'সীগোষ্ঠী জেএসএসের একদল সশস্ত্র সদস্য। অপহরণের পর শ্রমিকদের পরিবারের কাছে কড়া অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে সন্ত্রা'সীরা। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর রুদ্ধশ্বাস অভিযানে শ্রমিকরা মুক্ত হন। অন্যদিকে ২৪ এপ্রিল বান্দরবান সদরের টংকাবতীতে ৬ জন রাবার শ্রমিককে অপহরণ করে উপজাতি সন্ত্রা'সীরা। তাদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হলেও সেনাবাহিনীর অভিযানে ছয়জন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

২০২৫ সালে খাগড়াছড়িতে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে রবি মোবাইল টাওয়ার রক্ষণাবেক্ষণে নিয়োজিত চারজন শ্রমিককে অপহরণ করে সন্ত্রা'সী সংগঠন ইউপিডিএফ। তাদের মধ্যে ২ জন দীর্ঘ সময় ধরে নিখোঁজ ছিলেন, পরিবারগুলো অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটিয়েছে। অপহরণের পর পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ২ কোটি টাকা চাঁদা না দিলে তার তার কেটে দিয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয় সন্ত্রা'সীরা। তা ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে অপহৃতদের কোনো তথ্যই পাওয়া যায় না, যা গুমের আশঙ্কা তৈরি করে।

একইভাবে ২০২৬ সালে বান্দরবানের একটি ইটভাটা থেকে দুই শ্রমিক রাতের অন্ধকারে নিখোঁজ হয়ে যান। স্থানীয়রা তাদের খোঁজে নেমেও কোনো সন্ধান পাননি। ঘটনাস্থলে পায়ের ছাপ ও স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী নিশ্চিত হওয়া যায় যে, জোরপূর্বক তাদের তুলে নেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর তদন্তে বের হয়ে আসে যে, সন্ত্রা'সী সংগঠন জেএসএসই অপহরণের মূলহোতা। মোটা অঙ্কের চাঁদা না দেওয়ায় শ্রমিকদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে সন্ত্রা'সীরা। পরবর্তীতে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সন্ত্রা'সীরা শ্রমিকদের মুক্তি দেয়। তা ছাড়া ২০২৫ সাল ও এর আগে একাধিক বাঙালি ফেরিওয়ালা কাজের উদ্দেশ্যে বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। তাদের কোনো খোঁজ আজও পাওয়া যায়নি।

২০১৩ সালের ৮ জুলাই রাঙামাটির বাঘাইছড়ি থেকে অপহরণ করা হয় মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটকের পাঁচ কর্মীকে। তাঁদের কাছ থেকে মুক্তিপণও দাবি করা হয়। এ ঘটনার জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অপহরণের ১৭ দিন পর ২৬ জুলাই খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় তাঁরা জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পান। মুক্তির পর টেলিটকের কর্মী মো. আখতারুজ্জামান বলেছিলেন, অপহরণের পর তাঁদের তিন দিন একটি মাটির ঘরে রাখা হয়েছিল সশস্ত্র পাহারায়। এরপর বিভিন্ন পাহাড়ে ঘোরানো হয়।

স্থানীয় উপজাতি ও বাঙালিদের অভিযোগ, পাহাড়ি সন্ত্রা'সীরা পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে এক আতঙ্ক ও ত্রাসের নাম। তাদের এসব অপহরণের পেছনে থাকে চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের রাজনীতি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, শ্রমিক, ঠিকাদার বা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের জন্য অপহরণ একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অনেক ক্ষেত্রে মুক্তিপণ না দিলে নির্যাতন বা দীর্ঘদিন আটকে রাখা, এমনকি হত্যার ঘটনাও ঘটে। এসব ঘটনায় একমাত্র ভরসা ও আশ্রয়ের নাম সেনাবাহিনী। তাদের সক্রিয় তৎপরতায় অসংখ্য গুম, খুন ও অপহরণ থেকে রক্ষা পায় এবং অপহৃতরা জীবিত ফিরে আসে।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, সব অপহৃত ব্যক্তি ফিরে আসে না। কিছু মানুষ বছরের পর বছর নিখোঁজ থাকে, যাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা অজানাই থেকে যায়। পরিবারগুলো অপেক্ষা করতে করতে একসময় আশা হারিয়ে ফেলে। এই অনিশ্চয়তাই 'গুম'-এর ভয়কে আরও বাস্তব করে তোলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পার্বত্য অঞ্চলে অপহরণের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করে — সন্ত্রা'সীদের দলীয় দ্বন্দ্ব, চাঁদাবাজি, নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, এমনকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও। ফলে এটি শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়, বরং একটি বহুমাত্রিক সংকট।

সব মিলিয়ে, পার্বত্য চট্টগ্রামে শ্রমিক অপহরণ ও গুম একটি মানবিক সংকট, যা শুধু ভুক্তভোগী পরিবার নয়, পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন জীবিকার তাগিদে কাজ করতে যাওয়া মানুষগুলো জানে না, তারা নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবে কিনা — এই অনিশ্চয়তাই পাহাড়ের সবচেয়ে বড় ভয়। উপজাতীয় সন্ত্রা'সীদের শ্রমিক ও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের উপর এমন নৃশংসতা হানাদার বাহিনীর নির্মমতাকেও হার মানায়, যা পাহাড়ে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অন্তর্ভুক্ত।

নতুন সরকারের জন্য দেশের নিরাপত্তায় সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের বিষয় হলো এই পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সেখানে বিদ্যমান সশস্ত্র উপজাতীয় সন্ত্রা'সী গোষ্ঠীগুলো। তারা ভয়ভীতি, সন্ত্রা'স, গুম-খুন, অপহরণ ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে পাহাড়ে অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিয়েছে। তারা পাহাড়ে এখন উপজাতি ও বাঙালিসহ সব মানুষের কাছে বিষফোঁড়ার নাম। তাই নতুন সরকারকে অবশ্যই পার্বত্য চট্টগ্রামের দিকে সুদৃষ্টি দিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পাহাড়কে শান্ত ও উন্নয়নের পথে ধাবিত করতে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী সশস্ত্র সন্ত্রা'সীদের চিরতরে নির্মূল করে পাহাড়কে অবৈধ অস্ত্রমুক্ত করতে হবে এবং সেনাবাহিনীসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করতে হবে।




#অপহরণ #গুম #চাঁদাবাজি
#উপজাতিসন্ত্রাসী

Address

Chittagong Hill Tracts
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CHT Expose posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share