Adv.Tipu Chowdhury02

Adv.Tipu Chowdhury02 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Adv.Tipu Chowdhury02, Digital creator, Chittagong.

          সমস্যামূলক৷  🎯🎯🎯🎯🔥🔥🔥🔥ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা করে এক খন্ড জমিতে খাস দখলের ডিক্রি পায় এবং ডিক্রি জারির মামলা কর...
13/08/2026



সমস্যামূলক৷ 🎯🎯🎯🎯

🔥🔥🔥🔥ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা করে এক খন্ড জমিতে খাস দখলের ডিক্রি পায় এবং ডিক্রি জারির মামলা করে ডিক্রি প্রাপ্ত জমিতে দখলে পায়। 'খ' ঐ ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করলে আপীলটি মঞ্জুর হয় এবং নিম্ন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি রদ ও রহিত হয়। এখন 'খ' কিভাবে ঐ জমির দখল ফেরত পাবে? সংশ্লিষ্ট আইন উল্লেখ করে উত্তর দিন।

এখানে ‘খ’-এর প্রতিকার হলো Restitution

(পুনঃস্থাপন)। অর্থাৎ আপিল আদালত যখন ‘ক’-এর

পক্ষে দেওয়া ডিক্রি রদ/বাতিল করেছে, তখন সেই

ডিক্রির ভিত্তিতে ‘ক’ যে জমির দখল পেয়েছিল, ‘খ’ তা

ফেরত পাওয়ার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর

১৪৪ ধারায় Restitution-এর আবেদন করবে।

প্রযোজ্য আইন — CPC, 1908-এর ধারা ১৪৪
ধারা ১৪৪(১) অনুযায়ী,

কোনো ডিক্রি varied বা reversed হলে, যে পক্ষ পুনঃস্থাপনের সুবিধা পাওয়ার অধিকারী সে আবেদন করলে প্রথম আদালত এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে যাতে পক্ষগুলোকে যথাসম্ভব সেই অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া যায়, যে অবস্থায় তারা ওই ডিক্রি না হলে থাকত। এর মধ্যে সম্পত্তির দখল ফিরিয়ে দেওয়াও অন্তর্ভুক্ত।

আর ধারা ১৪৪(২)-এ বলা হয়েছে, ধারা ১৪৪(১)-এর মাধ্যমে যে restitution পাওয়া যায়, তার জন্য পৃথক মামলা দায়ের করা যাবে না।

উদাহরণে প্রয়োগ

১. ‘ক’ → ‘খ’-এর বিরুদ্ধে জমির খাস দখলের ডিক্রি পেল।

২. ডিক্রি জারি মামলার মাধ্যমে ‘ক’ জমির দখল বুঝে পেল।

৩. ‘খ’ আপিল করল।

৪. আপিল আদালত নিম্ন আদালতের ডিক্রি রদ ও রহিত করল।

৫. ফলে ‘ক’ যে দখল পেয়েছিল তা এমন একটি ডিক্রির ভিত্তিতে পাওয়া, যা পরবর্তীতে বাতিল হয়েছে।

৬. তাই ‘খ’ মূল আদালতে ধারা ১৪৪-এর অধীনে Restitution-এর আবেদন করবে এবং জমির দখল পুনরায় তার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রার্থনা করবে।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টও Restitution-এর মূলনীতি হিসেবে বলেছেন—ভুল/পরবর্তীতে বাতিল হওয়া বিচারিক সিদ্ধান্তের কারণে কোনো ব্যক্তি তার অধিকার বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হলে, সিদ্ধান্তটি reversed হলে তাকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা আদালতের দায়িত্ব।

পরীক্ষার ভাষায় উত্তর:❤️❤️❤️

‘খ’ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ১৪৪ ধারার অধীনে মূল আদালতে Restitution-এর আবেদন করে জমির দখল ফেরত পাবে। কারণ আপিল আদালত কর্তৃক মূল ডিক্রি রদ ও রহিত হওয়ায় ‘ক’ উক্ত ডিক্রির ভিত্তিতে যে দখল লাভ করেছিল, তা পুনঃস্থাপনযোগ্য। ধারা ১৪৪(২) অনুসারে এর জন্য পৃথক মামলা দায়ের করা যাবে না।

মনে রাখবেন:
Decree reversed → Restitution → Section 144 CPC → Court of first instance.

          দেওয়ানী কার্যবিধি,১৯০৮❤️❤️❤️দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৮ বিধির (Order IX, Rule 8 of the Code of Civil Procedu...
12/08/2026



দেওয়ানী কার্যবিধি,১৯০৮❤️❤️❤️

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৮ বিধির (Order IX, Rule 8 of the Code of Civil Procedure, 1908) অধীনে বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে মামলা খারিজ হয়ে গেলে বাদী সাধারণত দুটি আইনি প্রতিকার পেতে পারেন।

নিচে সংশ্লিষ্ট আইনসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

​১. মামলা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন (Application for Restoration)🔥🔥🔥🔥

​সংশ্লিষ্ট আইন: দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৯ বিধি (Order IX, Rule 9)

​বিধান: ৯ আদেশের ৮ বিধিমতে মামলা খারিজ হয়ে গেলে, বাদী আদেশের বিরুদ্ধে ৯ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী খারিজাদেশ রদ (Set aside) করে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারেন।

​শর্ত: বাদীকে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে, মামলা শুনানির দিন আদালতে উপস্থিত না হওয়ার পেছনে তাঁর যথেষ্ট ও সন্তোষজনক কারণ (Sufficient Cause) ছিল (যেমন: হঠাৎ গুরুতর অসুস্থতা, আদালতের তারিখ ভুল বোঝা ইত্যাদি)।

​সময়সীমা: তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৬৩ (Article 163) অনুযায়ী, খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে এই আবেদন করতে হবে।

​২. আপিল দায়ের (Appeal)💓💓💓

​সংশ্লিষ্ট আইন: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ আদেশের

১(গ) বিধি (Order XLIII, Rule 1(c)) এবং ধারা ১০৪
​বিধান: বাদী যদি ৯ আদেশের ৯ বিধির অধীনে দেওয়া খারিজাদেশ রদের আবেদন করেন এবং আদালত যদি সেই আবেদন নামঞ্জুর (Reject) করেন, তবে ওই নামঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা যায়।

​আপিলের ফোরাম: 💜💜💜

সাধারণত সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে এবং যুগ্ম জেলা জজের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হয়।

​সময়সীমা: তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫২ বা ১৫৬ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে হয়।

​৩. নতুন মামলা দায়ের (Fresh Suit)
​সংশ্লিষ্ট আইন: দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৯ বিধির ২য় অংশ

​বিধান: ৯ আদেশের ৮ বিধিমতে মামলা খারিজ হলে, বাদী ইচ্ছা করলে একই Cause of Action (বাদী কারণ) নিয়ে নতুন করে আরেকটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করতে পারেন।

​সীমাবদ্ধতা: নতুন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইন (Limitation Act) প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, মূল দাবির তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়ে থাকলে নতুন মামলা করা যাবে না। তাছাড়া, পূর্বের মামলার খরচের টাকা পরিশোধ না করে থাকলে আদালত নতুন মামলা গ্রহণে বাধা দিতে পারেন।

💥💥💥💥

          দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮🌷🌷💥💥💥১৯০৮ সনের দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করুন।১৯০৮ সনের দেওয়ানি কার্...
09/08/2026



দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮🌷🌷

💥💥💥১৯০৮ সনের দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করুন।

১৯০৮ সনের দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অত্যন্ত

গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান। এর মূল বিষয়বস্তু হলো—"প্রত্যাবর্তনের বা ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়ার

আদালতের ক্ষমতা" (Power to make restitution)।
সহজ কথায়, কোনো আদালতের প্রাথমিক আদেশের বা ডিক্রির ভিত্তিতে যদি কোনো পক্ষ সুবিধা বা সম্পত্তি লাভ করে এবং পরবর্তীতে আপিল বা রিভিউ আদালতে সেই প্রাথমিক ডিক্রিটি পরিবর্তিত বা বাতিল হয়ে যায়, তবে যে পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া বা তার হারানো অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা হলো ১৪৪ ধারা।

১৪৪ ধারার মূল বিধানসমূহ💗💗💗

১. আদি আদালতের ডিক্রি বা আদেশ অনুযায়ী যদি কোনো সুবিধা, সম্পত্তি বা অর্থ কোনো পক্ষ পেয়ে থাকে।

২. পরবর্তীতে উচ্চ আদালত বা আপিল আদালত কর্তৃক সেই ডিক্রি বা আদেশ যদি বাতিল বা সংশোধিত হয়।

৩. ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ডিক্রি বাস্তবায়নকারী (আদি) আদালতের নিকট আবেদন করলে, আদালত ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে সেই সুবিধা বা সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেবে—যা সে ভুল ডিক্রির কারণে হারিয়েছিল।

উদাহরণসহ ব্যাখ্যা🌹🌹🌹

উদাহরণ ১ (সম্পত্তি দখল সংক্রান্ত):
ক ও খ-এর মধ্যে একটি জমির দখল নিয়ে মামলা হলো। নিম্ন আদালত রায় দিল যে, জমিটির প্রকৃত মালিক ক এবং খ বেআইনিভাবে দখল করে আছে। আদালতের এই ডিক্রির বলে ক বলপূর্বক বা ডিক্রি জারি করে খ-কে উচ্ছেদ করে জমির দখল বুঝে নিল।
পরবর্তীতে খ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করল। উচ্চ আদালত নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে দিল এবং রায় দিল যে জমিটির মালিক আসলে খ।

এখন খ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী আদি আদালতে আবেদন করতে পারে। আদালত তখন ক-কে নির্দেশ দেবে যে সে যেন জমিটি থেকে সরে যায় এবং তার দখল খ-কে বুঝিয়ে দেয়। একেই বলে সম্পত্তির প্রত্যাবর্তন বা Restitution।

উদাহরণ ২ (অর্থ আদায় সংক্রান্ত):🌺🌺🌺
একটি অর্থ আদায়ে নিম্ন আদালত ক-এর পক্ষে রায় দিল যে, খ-কে ক-কে ১ লক্ষ টাকা পরিশোধ করতে হবে। আদালতের ডিক্রি অনুযায়ী খ বাধ্য হয়ে ক-কে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে দিল।

পরবর্তীতে আপিল আদালত নিম্ন আদালতের সেই ডিক্রি বাতিল করে দিল এবং প্রমাণ হলো যে খ ওই টাকা দিতে বাধ্য নয়। এক্ষেত্রে খ ১৪৪ ধারার অধীনে আবেদন করে ক-এর কাছ থেকে সুসহ সুদসহ সেই ১ লক্ষ টাকা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।

১৪৪ ধারার মূল উদ্দেশ্য❤️❤️❤️

* বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে কোনো পক্ষ যেন অবিচারের শিকার না হয় তা নিশ্চিত করা।

* ভুল বা বেঠিক ডিক্রির কারণে কোনো পক্ষের যাতে স্থায়ী ক্ষতি না হয়, তা রোধ করা এবং পক্ষগণকে ডিক্রি জারির পূর্বের অবস্থানে (Status quo) ফিরিয়ে নেওয়া।

          দেওয়ানী কার্যবিধি,১৯০৮🌷🌷🌷🌷অনুসারেপ্রশ্ন: নাবালকের পক্ষে আসন্ন বন্ধু (Next Friend) ব্যতীত মোকদ্দমা দায়েরের ফলাফ...
06/08/2026



দেওয়ানী কার্যবিধি,১৯০৮🌷🌷🌷🌷অনুসারে

প্রশ্ন: নাবালকের পক্ষে আসন্ন বন্ধু (Next Friend)

ব্যতীত মোকদ্দমা দায়েরের ফলাফল কী? এবং

মোকদ্দমায় নাবালক বিবাদীর পক্ষে অভিভাবক

নিযুক্তিতে আদালতের The Code of Civil

Procedure, 1908-এর অধীনে করণীয় কী?

(ক) আসন্ন বন্ধু (Next Friend) ব্যতীত নাবালকের পক্ষে মোকদ্দমা দায়েরের ফলাফল❤️

The Code of Civil Procedure, 1908-এর Order ###II, Rule 1 অনুযায়ী, প্রত্যেক নাবালককে অবশ্যই একজন আসন্ন বন্ধু (Next Friend)-এর মাধ্যমে মামলা করতে হবে।🔥🔥

যদি কোনো নাবালক আসন্ন বন্ধু ছাড়া মামলা দায়ের করে, তাহলে—🌷

মামলাটি আইনসম্মতভাবে গৃহীত হয় না।
আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসন্ন বন্ধু নিয়োগের নির্দেশ দিতে পারেন।

ত্রুটি সংশোধন না হলে আদালত মামলাটি খারিজ (Reject/Dismiss) করতে পারেন।

তবে এটি মামলার মূল অধিকারের চূড়ান্ত অবসান ঘটায় না; যথাযথ আসন্ন বন্ধুর মাধ্যমে পুনরায় মামলা দায়ের করা যেতে পারে (যদি তামাদি আইনে বাধা না থাকে)।

(খ) নাবালক বিবাদীর পক্ষে অভিভাবক (Guardian for the Suit) নিয়োগে আদালতের করণীয়💗💗💗

Order ###II, Rules 3 ও 4, CPC, 1908 অনুযায়ী আদালতের করণীয় হলো—

আদালত নিশ্চিত করবেন যে বিবাদী নাবালক।
নাবালকের জন্য একজন Guardian for the Suit নিয়োগ করবেন।

সাধারণত পিতা, মাতা বা আইনগত অভিভাবককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, যদি তাদের স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী না হয়।

অভিভাবক নিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নোটিশ প্রদান করা হয় এবং প্রয়োজন হলে তার সম্মতি নেওয়া হয়।

স্বার্থের সংঘাত থাকলে আদালত অন্য উপযুক্ত ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে অভিভাবক হিসেবে নিয়োগ করবেন।

অভিভাবক নিয়োগ ছাড়া নাবালক বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা বা ডিক্রি প্রদান করা উচিত নয়।

পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ🌺🌺🌺

Order ###II, Rule 1 — নাবালকের পক্ষে Next Friend-এর মাধ্যমে মামলা।

Order ###II, Rule 3 — নাবালক বিবাদীর জন্য Guardian for the Suit নিয়োগ।

Order ###II, Rule 4 — কে অভিভাবক হিসেবে নিয়োগযোগ্য।

উপসংহার:
CPC-এর উদ্দেশ্য হলো নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা। তাই নাবালক বাদী হলে Next Friend এবং নাবালক বিবাদী হলে Guardian for the Suit ছাড়া মামলা পরিচালনা করা আইনসম্মত নয়। আদালত এসব বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করে নাবালকের অধিকার নিশ্চিত করেন।

🌹🌹🌹🌹

          দেওয়ানী কার্যবিধি,১৯০৮❤️❤️❤️কোনো দেওয়ানি আদালত দৈনিক কার্যতালিকা এবং সামগ্রিকভাবে কয়টি মোকদ্দমা চূড়ান্ত শুনানি...
05/08/2026



দেওয়ানী কার্যবিধি,১৯০৮❤️❤️❤️

কোনো দেওয়ানি আদালত দৈনিক কার্যতালিকা এবং

সামগ্রিকভাবে কয়টি মোকদ্দমা চূড়ান্ত শুনানি পর্যায়ে

দার্য করতে পারেন? নিষ্পত্তি অন্তে কিরুপে তা সময়ে

সময়ে হাল নাগাত করা যায়?

[১৫শ বিজেএস পরীক্ষা, ২০২২]

আলোচনা❤️❤️❤️

দৈনিক কার্যতালিকা, ইত্যাদিতে মোকদ্দমা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান ১৮ আদেশের ২০ বিধিতে বর্ণনা করা হয়েছে।

🌺দৈনিক কার্যতালিকা, ইত্যাদিতে মোকদ্দমা নির্ধারণ:

কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনিক কার্যতালিকায় আংশিক শ্রুত মোকদ্দমাসহ পাঁচটির বেশি মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশটির বেশি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না।

💥নিষ্পত্তি অন্তে হালনাগাদকরণ:

নিষ্পত্তি অন্তে বা নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিচে নেমে আসলে সাধারণত দাখিলী তারিখের ভিত্তিতে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবে। তবে, কোন আদালতে শুনানির জন্য প্রস্তুত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য পর্যাপ্ত না হলে যুক্তিযুক্ত পন্থায় নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকে।

💖💖💖

Address

Chittagong
4211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv.Tipu Chowdhury02 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share