09/01/2026
Assalamu walaikum Rahmatullah 🥰
বোন তোমরা সাবধান হও।⚠️
মহানবী (ﷺ) মিরাজ থেকে আসার পর দরজা বন্ধ করে কান্না করছিলেন। কিন্তু তখন তার মেয়ে ফাতেমা (রাঃ) এসে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা আপনার কি হয়ছে?
মহানবী (ﷺ) দরজা খুলে কেঁদে-কেঁদে বললেন, মা আমাকে যখন জান্নাত দেখানো হল, তখন খুব ভালো লাগলো। কিন্তুু যখন জাহান্নাম দেখানো হল, মা আমি সহ্য করতে পারলাম না! যেখানে শাস্তি এত বেশি যা সহ্য করা যায় না। আর সেই জাহান্নামে নারীদের সংখ্যা বেশি ছিলো। আমি দেখলাম কিছু নারীদের চুল উপরে রাখছে আর নিচে আগুন জ্বলছে। তাদের চিৎকারে মনে হচ্ছে জাহান্নামে ফেটে যাচ্ছে। কিন্তুু কোন ফেরেশতা এক মিনিটের জন্য আগুন বন্ধ করেনি। তখন জিবরাইল (আঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এদের এভাবে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে কেন? তখন জিবরাইল (আঃ) বললেন, এরা হলো সেই নারী– যারা (পর্দা) করে চলে না, যেসব নারীরা রাস্তা-ঘাটে পরপুরুষের সামনে চুল বের করে হাঁটতো এবং যে নারী বেহায়াপনা করেছে। এসব শুনে ফাতেমা (রাঃ) বললেন, আমি নিজে পর্দা করি, তবে আজ থেকে এমন পর্দা করবো যে সকল মুসলিম মা-বোন আমার মতোই পর্দাশীল নারী হয়ে উঠে।
আল্লাহ কি এমনি-এমনি বলেছেন নাকি যে “নারী তোমরা পর্দা কর”। এটা তিনি অনেক গভীর ভাবে বলেছেন। কিন্তুু যে তার উল্টো নিয়মে চলবে, ঠিক তেমনি তার শাস্তি হবে অনেক ভয়ানক। দুনিয়ায়তে আমরা মজা-মাসতি করার জন্য আসি নাই। আনন্দ করার জন্য আসি নাই। কত শত পাপ করে বেড়াচ্ছো। তোমরা মনে কর একটাই তো জীবন, আনন্দ আর চিল করবো না! তা কখনো হয়!
কিন্তু তারা ভুলে যাই আমাদের দুই কাঁধের ফেরেশতা সব লিখছে। আল্লাহ কি আমাদের এত সহজে ছেড়ে দিবে? এতটা সহজ সবকিছু?
এগুলোর সব একদিন হিসাব নিবে। তখন হাজারবার চাইলেও এই ভয়নক কষ্ট, শাস্তি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না।
আল্লাহ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুক, আমিন 🤲