TSS News

TSS News HEALTH+CARRIER+FAMILY (HCF)

02/01/2026

# তারিখঃ ০২/০১/২০২৬ ইং,

TSS TECH Footwear Com. এর নিজস্ব কারখানায় তৈরি অত্যান্ত উন্নতমানের সোল, ফাইবার, আপার/ফিতা, আঠা ও দক্ষ কারিগর দ্বারা তৈরি, দীর্ঘ দিন টেকসই ও আরামদায়ক টিএসএস টেক এবং সিমতি সুজ দুটি ব্র্যান্ডের স্যান্ডেল বাজারজাত করার জন্য পাইকারি ক্রেতা ও পরিবেশক অনুসন্ধান করা হচ্ছে। আগ্রহী সম্মানীত ব্যাক্তিগণকে নিম্নোক্ত Mobile+What'sApp নং এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
01735203224
01799398735
01721848860
#

26/12/2025

তারিখঃ ২৬/১২/২০২৫ ইং,

# TSS TECH Footwear Com. এর নিজস্ব কারখানায় তৈরি অত্যান্ত উন্নতমানের সোল, ফাইবার, আপার/ফিতা, আঠা ও দক্ষ কারিগর দ্বারা তৈরি, দীর্ঘ দিন টেকসই ও আরামদায়ক টিএসএস টেক এবং সিমতি সুজ দুটি ব্র্যান্ডের স্যান্ডেল বাজারজাত করার জন্য পাইকারি ক্রেতা ও পরিবেশক অনুসন্ধান করা হচ্ছে। আগ্রহী সম্মানীত ব্যাক্তিগণকে নিম্নোক্ত Mobile+What'sApp নং এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
01735203224
01799398735
01721848860
#

18/12/2025

TSS TECH Footwear Com. এর নিজস্ব কারখানায় তৈরি অত্যান্ত উন্নতমানের, দীর্ঘ দিন টেকসই ও আরামদায়ক টিএসএস টেক এবং সিমতি সুজ দুটি ব্র্যান্ডের স্যান্ডেল বাজারজাত করার জন্য পাইকারি ক্রেতা ও পরিবেশক অনুসন্ধান করা হচ্ছে। আগ্রহী সম্মানীত ব্যাক্তিগণকে নিম্নোক্ত Mobile+What'sApp নং এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
01735203224
01799398735
01721848860 #

05/12/2025

TSS TECH (টিএসএস টেক) Footwear এর TSS TECH এবং সিমতি সুজ, এই দুটি ব্র্যান্ডের উন্নত মানের সোল, ফাইবার, আপার, আঠা ও দক্ষ কারিগর দ্বারা নিজস্ব কারখানায় তৈরি ভিন্ন ভিন্ন কালার ও মডেলের গ্যারান্টি সহকারে ক্যাঙ্গারু, চামড়া ও পঞ্জ স্যান্ডেল বাজারজাত করার জন্য পাইকারি ক্রেতা ও ডিলার অনুসন্ধান করা হচ্ছে। আগ্রহী সম্মানীত ব্যাক্তিগণ কে নিম্নোক্ত মোবাইল ও What'sApp নং এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
01735203224
01721848860
01799398735
#

07/11/2025

তারিখঃ ০৭/১১/২০২৫ ইং,

"নির্দিষ্ট মতবাদি রাজনীতি বনাম বিজ্ঞান ভিত্তিক রাজনীতি"

যদি কোনো দেশে দূরদর্শিহীন (Visionless) রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে — অর্থাৎ এমন দল যারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বাস্তবভিত্তিক নীতি ও উন্নয়ন চিন্তা ছাড়া শুধুমাত্র অন্ধ বিশ্বাস, ক্ষমতা, জনপ্রিয়তা বা ব্যক্তিস্বার্থে রাজনীতি করে — তাহলে দেশটি নানা দিক থেকে পিছিয়ে যায়। নিচে কারণগুলো ব্যাখ্যা করা হলোঃ

১/ নীতিহীন সিদ্ধান্ত ও দুর্বল পরিকল্পনাঃ দূরদর্শিতা না থাকলে সরকার তাৎক্ষণিক লাভ বা জনপ্রিয়তার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়, এতে দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২/ দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্ব বৃদ্ধিঃ দূরদর্শিহীন দলগুলো প্রায়ই নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে প্রশাসনে দুর্নীতি, দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতি বাড়ায়। এতে যোগ্য মানুষ উপেক্ষিত হয়, এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে।

৩/ শিক্ষা ও গবেষণায় অবহেলাঃ যে দল ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে না, তারা শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ কমায়। ফলে দেশ মানবসম্পদ উন্নয়ন-এ পিছিয়ে পড়ে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে পারে না।

৪/ অর্থনীতি স্থবির হয়ে যায়ঃ দূরদর্শী নেতৃত্ব না থাকলে অর্থনীতি পরিকল্পনাহীন হয়, বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারায়, শিল্প বিকাশ পায় না, এবং বেকারত্ব বাড়ে

৫/ সামাজিক বিভাজন বৃদ্ধিঃ
দূরদর্শিহীন রাজনীতি সাধারণত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ না করে বিভক্ত করে — ধর্ম, ভাষা, অঞ্চল বা দলের নামে। এতে সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়।

★বিজ্ঞান বনাম অন্ধ বিশ্বাস রাজনীতিঃ

১/ বিজ্ঞান নির্ভর করে প্রমাণ, পরীক্ষা ও যুক্তির ওপর।
যখন একটি দল সীমাবদ্ধ জ্ঞানের বিশ্বাসকে রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি করে, তখন সিদ্ধান্তগুলো যুক্তি বা প্রমাণের বদলে বিশ্বাসের আলোকে নেওয়া হয়। এতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, স্বাধীন চিন্তা ও সমালোচনার পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হয়।

২/ সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন অন্ধ নীতিতে বিশ্বাসী সরকার সাধারণত শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে কুসংস্কারের ছোঁয়া রাখে, এর ফলে বিজ্ঞানশিক্ষা ও গবেষণা সীমিত হয়, এবং সমালোচনামূলক চিন্তা নিরুৎসাহিত হয়, ফলে সমাজ ধীরে ধীরে আবেগ-নির্ভর ও অতীতমুখী হয়ে পড়ে। যে সব দেশ যেমন জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, বা ইউরোপীয় দেশগুলো বিজ্ঞানভিত্তিক নীতি অনুসরণ করেছে, তারা দ্রুত উন্নত উন্নত ও শান্তি প্রিয় রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

★ একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শের রাজনীতির প্রভাব এবং বিজ্ঞানভিত্তিক উন্নয়নমূলক রাজনীতির প্রভাবঃ

১/ রাষ্ট্রনীতি ও আইন যদি একটা নির্দিষ্ট মতাদর্শের ভিত্তিতে প্রণয়ন করা হয়, তাহলে এতে নারী, সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতাবলম্বীরা বঞ্চিত হতে পারে।
কিন্তু বিজ্ঞান ভিত্তিক মতাদর্শে সংবিধান ও মানবাধিকারের ওপর ভিত্তি করে আইন তৈরি হয়, এতে সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করে।

২/ শিক্ষাব্যবস্থায় মতাদর্শগত শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, এবং বিজ্ঞান, দর্শন, যৌনশিক্ষা বা ইতিহাসকে সীমিত করা হয়। কিন্তু
বিজ্ঞান ভিত্তিক নীতিতে গবেষণা, সমালোচনামূলক চিন্তা, ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়।

৩/ অর্থনীতি ও শিল্পনীতি সুদ, ব্যাংকিং, নারীর কর্মসংস্থান ইত্যাদিতে নির্দিষ্ট মতাদর্শগত বিধিনিষেধ থাকায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হয়। কিন্তু বিজ্ঞান ভিত্তিক নীতিতে প্রযুক্তি, রপ্তানি, নারী অংশগ্রহণ ও উদ্ভাবনমুখী অর্থনীতি গড়ে ওঠে।

৪/ গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মতাদর্শের বাইরে প্রশ্ন তোলাকে অপমান মনে করা হয়, ফলে মুক্ত চিন্তা বাধাগ্রস্ত হয়। কিন্তু বিজ্ঞান ভিত্তিক নীতিতে নতুন ধারণা, প্রশ্ন ও গবেষণায় উৎসাহিত করা হয়, ফলে নতুন প্রযুক্তি তৈরি হয়।

৫/ বিদেশনীতিতে ও আধুনিকতা য় নির্দিষ্ট মতাদর্শের কারণে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সীমিত হতে পারে। কিন্তু বিজ্ঞান ভিত্তিক নীতিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়, ফলে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা সম্ভব হয়।

৬/ নির্দিষ্ট মতাদর্শের কারণে সামাজিক সংস্কৃতিতে এবং সমাজে কুসংস্কার, বিভাজন ও নারী-পুরুষ বৈষম্য বাড়ে।
কিন্তু বিজ্ঞান ভিত্তিক মতাদর্শে যুক্তিবাদী ও সমতাভিত্তিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।

★বাংলাদেশের বাস্তব অবস্থাঃ

বাংলাদেশের সংবিধান আংশিক অসাম্প্রদায়ীক, কিন্তু রাজনীতিতে নির্দিষ্ট মতবাদের প্রভাব এখনও রয়েছে। দেশে বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, তরুণ উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু নীতিনির্ধারণ ও শিক্ষা ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি বিজ্ঞানমুখী নয়। নির্দিষ্ট মতবাদের প্রভাব ও রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে বিজ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত অনেক সময় দুর্বল হয়ে পড়ে। যত বেশি রাষ্ট্রনীতি ও শিক্ষা বিজ্ঞান ভিত্তিক হবে, তত দ্রুত বাংলাদেশ “উন্নয়নশীল” থেকে “উন্নত” রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হতে পারবে।
কিন্তু নির্দিষ্ট মতবাদি রাজনীতি যত প্রভাব বিস্তার করবে, ততই উন্নয়ন হবে ধীর, এবং সমাজ হবে বিভাজিত ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন।
বাংলাদেশ একটি মুসলিমপ্রধান দেশ হলেও এর সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা অন্যতম মূলনীতি। কিন্তু বাস্তবে রাজনীতির মাঠে নির্দিষ্ট মতাদর্শ ভিত্তিক দলের প্রভাব এখনো শক্তিশালী। এই দলগুলো রাষ্ট্র পরিচালনায় নিজ মতাদর্শের নীতি ও আদর্শকে অগ্রাধিকার দেয়। ফলস্বরূপ শিক্ষা, নারী অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গবেষণামূলক চিন্তার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়। মতাদর্শগত রাজনীতি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করে—কে “আমাদের মতাদর্শে বিশ্বাসী” আর কে "আমাদের মতাদর্শে বিশ্বাসী না” এই বিতর্ক সমাজকে ঐক্যের বদলে দ্বন্দ্বে ঠেলে দেয়। অন্যদিকে, বিজ্ঞানভিত্তিক উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র যুক্তি, প্রমাণ ও মানবকল্যাণকে সর্বাগ্রে রাখে। এ ধরনের রাষ্ট্রে শিক্ষা হয় মুক্ত, গবেষণা হয় বাধাহীন, এবং নতুন চিন্তা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেওয়া হয়। প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি, নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে এমন রাষ্ট্র দ্রুত উন্নতির শিখরে পৌঁছায়। উদাহরণ হিসেবে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া বা ইউরোপীয় দেশগুলোকে উল্লেখ করা যায়, যারা, যার যার মতাদর্শ ও অনুভূতির প্রতি সম্মান রেখেও রাষ্ট্র পরিচালনায় বিজ্ঞানের নীতি অনুসরণ করে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই ভারসাম্যের ওপর—রাষ্ট্র কি আবেগ ও নির্দিষ্ট মতাদর্শের নীতিতে পরিচালিত হবে, না কি বাস্তববাদী ও বিজ্ঞাননির্ভর চিন্তায় এগোবে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাত, যদি যথাযথ বিনিয়োগ ও স্বাধীন চিন্তার সুযোগ পায়, তবে বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে। কিন্তু মতাদর্শগত রাজনীতি যদি রাষ্ট্রনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে, তবে সমাজে কুসংস্কার ও বিভাজন বাড়বে, যা উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করবে।

সর্বোপরি বলা যায়, বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন ও আধুনিক সমাজ গড়তে হলে রাষ্ট্র পরিচালনায় নির্দিষ্ট মতাদর্শ নয়, বিজ্ঞান ও মানবকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। মতাদর্শ ব্যক্তিগত বিশ্বাসের জায়গায় থাকুক, আর রাষ্ট্রচিন্তা হোক যুক্তি, জ্ঞান ও গবেষণাভিত্তিক—তবেই সম্ভব একটি সত্যিকারের উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

★দেশের যুব সম্প্রদায়কে দেশের উন্নয়নের জন্য কোন ধরণের শাসন ক্ষমতাকে সমর্থন করা উচিতঃ

একটি দেশের প্রকৃত শক্তি তার যুব সমাজ। তরুণ প্রজন্ম যদি সঠিক দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্ব পায়, তবে সে দেশ দ্রুত উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে। কিন্তু ভুল নেতৃত্ব বা দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনব্যবস্থা তরুণদের শক্তিকে বিপথে নিতে পারে। তাই যুব সমাজের উচিত এমন নেতৃত্ব ও শাসনকে সমর্থন করা, যা সত্যিকার অর্থে দেশের উন্নয়নের পক্ষে কাজ করে। দেশের উন্নয়নের জন্য যুব সমাজকে গণতান্ত্রিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও দুর্নীতিমুক্ত শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করতে হবে। যে শাসনব্যবস্থা জনগণের মতামতকে মূল্য দেয়, প্রশাসনে স্বচ্ছতা বজায় রাখে, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও গবেষণায় বিনিয়োগ করে, এবং ধর্ম, বর্ণ বা দলীয় বিভাজন নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেয়। একটি বিজ্ঞানভিত্তিক সরকার তরুণদের চিন্তাশক্তিকে মুক্ত করে, গবেষণা ও উদ্ভাবনে উৎসাহিত করে। দূরদর্শী নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে পরিকল্পনা নেয়, যেমন— টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষা, এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি। তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ স্থপতি। তাই তাদের উচিত অন্ধ দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে সেই নেতৃত্বকে সমর্থন করা, যে নেতৃত্ব জনগণের কল্যাণে, যুক্তি ও বিজ্ঞানের আলোকে কাজ করে। শুধু এমন শাসনই বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাবান রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে পারে।

গোলাম এহিয়া,
সাবেক সভাপতি,
এশিয়ান হিউম্যান রাইটস এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন,
জীবননগর উপজেলা শাখা,
চুয়াডাঙ্গা।

31/10/2025

তারিখঃ ৩১/১০/২০২৫ ইং,

"জ্ঞান বিজ্ঞানের উৎকর্ষতায় উন্নত বিশ্ব বনাম বাংলাদেশের Pollicy Maker ও তরুণ যুবসম্প্রদায়"

আজকের বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনশীল। জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এখন প্রতিটি দেশের অগ্রগতির প্রধান হাতিয়ার। মহাকাশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, বায়োটেকনোলজি—এসব ক্ষেত্রে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো একের পর এক সাফল্যের গল্প লিখছে। বর্তমানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জোয়ারে ভাসছে পৃথিবী।

আমেরিকা ও ইউরোপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিক্স শিল্পে বিপ্লব ঘটাচ্ছে। চীন প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্থনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করছে, ভারত সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করে প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট যে, জ্ঞান ও গবেষণাই উন্নয়নের একমাত্র চাবিকাঠি।

★উন্নত দেশের প্রেক্ষাপট

উন্নত দেশগুলোতে যুব সমাজকে উপলব্ধি করানো হয় যে, বিজ্ঞান শুধু একটি বিষয় নয়, এটি চিন্তার একটি পদ্ধতি, জীবনদর্শনের একটি অংশ। ওদের শিক্ষা শেখায় কীভাবে প্রশ্ন করতে হয়, যুক্তি দিতে হয়, এবং নতুন কিছু তৈরি করতে হয়। ফলে, কেউ যখন বিজ্ঞান পড়ে, সে শেখে তথ্য যাচাই, যুক্তি বিশ্লেষণ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি।

কিন্তু প্রশ্ন জাগে, আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি? বাংলাদেশের শিক্ষিত যুবসমাজ আজ কোন পথে হাঁটছে?

আজকের বাংলাদেশে শিক্ষিত যুবসমাজ জাতির সবচেয়ে বড় শক্তি।
তারা পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখে, তারা দেশ গড়তে চায়।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সমাজের কিছু চতুর কিন্তু মূর্খপ্রবণ ক্ষমতালোভী ব্যক্তি যাদের আমরা সমাজপতি, নেতা বা প্রভাবশালী হিসাবে জানি এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তিগণও তাদের অন্তর্ভুক্ত। তারা এই তরুণ শক্তিকেই বিজ্ঞানের উৎকর্ষতায় উজ্জিবিত না করে, নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। ফলে শিক্ষিত তরুণ সমাজ অনেক সময় চিন্তার স্বাধীনতা হারিয়ে বিভ্রান্তির পথে হাঁটছে।

★কীভাবে এই স্বার্থ পরায়ন চতুর শ্রেণী যুবসমাজকে ব্যবহার করছে?

১/ আবেগ দিয়ে নিয়ন্ত্রণঃ
তরুণদের মন সবসময় উচ্ছ্বসিত ও উদ্যমে ভরা,
এই আবেগকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতারা তাদের রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত স্বার্থে এই যুবসমাজকে মাঠে নামায়।
ফলে যুবসমাজ যুক্তিনির্ভর কর্মকাণ্ড ও অর্থহীন কর্মকান্ডের পার্থক্য ভুলে ঐ সমস্ত চতুর ব্যাক্তিদের অন্ধ অনুসারি হয়ে পড়ে।

২️/ ভুল তথ্য ও প্রচারণা ছড়ানোঃ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে বিভ্রান্তি ছড়ানো সহজ। তারা ভুয়া খবর, উসকানিমূলক পোস্ট ও ধর্মীয় বা দেশপ্রেমিকের মুখোশ পরে তরুণদের মানসিকভাবে প্রভাবিত করে।

৩️/ বেকারত্বকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারঃ
যখন শিক্ষিত যুবসমাজ বা তরুণরা নিজেদের যোগ্য কর্মসংস্থানে ব্যার্থ হয়ে হতাশ হয়, তখন সে সহজেই আশা বা প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পড়ে।
এই ফাঁদ তৈরি করে সমাজের বা রাষ্ট্রের কিছু সুযোগ সন্ধানী চতুর ব্যাক্তি যারা “তুমি আমাদের সঙ্গে থাকো, তোমার ভবিষ্যৎ বদলে দেব” বলে তরুণদের ব্যবহার করে।

৪️/ ধর্ম ও সংস্কৃতির ভুল ব্যাখ্যা দেওয়াঃ
ঐ সমস্থ চতুর ব্যাক্তিরা ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে বিকৃত করে এমনভাবে উপস্থাপন করে, যাতে তরুণ সমাজ মনে করে এটাই সত্য,
এইভাবে তরুণদের ব্যবহার করে তারা নিজেদের ক্ষমতা ও জনপ্রিয়তা বাড়ায়।

৫️/ বুদ্ধিবৃত্তিক বিভাজন সৃষ্টি করাঃ এই সমস্থ চতুর ব্যাক্তিরা সমাজে "এই দল বনাম ওই দল” “এই মত বনাম ওই মত” এমন বিরোধ তৈরি করে তরুণদের মধ্যে ঐক্যের বদলে বিভক্তি তৈরি করে। ফলে তরুণরা একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে পড়ে, আর ঐ সমস্ত চতুর ব্যাক্তিরা সুযোগ পেয়ে যায় শিক্ষিত সহ সকল তরুণ সমাজকে নিয়ন্ত্রণের।

★কেন এই প্রবণতা বাড়ছে?

১/ শিক্ষায় নৈতিকতা ও সমালোচনামূলক চিন্তা, বিজ্ঞান পড়ে তা গবেষণা করে বাস্তব প্রয়োগ না ঘটিয়ে, বিভিন্ন অন্ধ বিশ্বাস, গোড়ামী ও কুসংস্কার কে অন্তরে লালন-পালন করা।

২/তরুণদের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও হতাশা।

৩/ রাজনৈতিক ও সামাজিক নৈতিকতার পতন।

৪/ বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতা সাধনের মাধ্যমে সিমাবদ্ধতা অতিক্রম করে ব্যাতিক্রমি আবিষ্কারের চিন্তা-ধারার অভাব।

৫/ দুর্নীতিকে সহ্য করার সংস্কৃতি।

★সমাধানের পথঃ

১/ তরুণদের মধ্যে সচেতনতা ও যুক্তিবোধ গড়ে তোলা।
তারা যেন “কে বলছে” নয়, “কেন বলছে” " কোন ধান্দায় বলছে" — সেটি বুঝতে শেখে।

২/ শিক্ষায় নৈতিকতা ও নাগরিক চেতনার পুনর্জাগরণ।
তরুণদের শুধু পেশাগত নয়, সামাজিক দায়িত্ববোধে শিক্ষিত করতে হবে।

৩/ স্বচ্ছ গণমাধ্যম ও তথ্য যাচাই সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
ভুয়া তথ্য ও প্ররোচনার বিরুদ্ধে সচেতন প্রতিরোধ গঠন জরুরি।

৪/ তরুণদের সৃজনশীল ও বিজ্ঞান ভিত্তিক জ্ঞানে বিকশিত করে কর্মমুখী কাজে যুক্ত করা। কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সুযোগ বাড়লে তারা অন্যের হাতিয়ার হবে না।

৫/ সমস্ত প্রাচীন ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধ বিশ্বাস, বাস্তবতাহীন গল্প ও বিনোদন পরিহার করে, পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্বের উন্নত দেশের গতি বিধি, উৎকর্ষতা ও আবিষ্কারকে পর্যবেক্ষণ মাধ্যমে নিজেদেরকে সেই পথে পরিচালিত করার মানুষিকতা তৈরি করতে হবে।

শিক্ষিত যুবসমাজ একটি দেশের মেরুদণ্ড।
যদি তারা নিজেদের চিন্তা, মূল্যবোধ ও সিদ্ধান্তে স্বাধীন থাকে, তাহলে কোনো চতুর স্বার্থান্ধ গোষ্ঠী তাদের ব্যবহার করতে পারবে না।
আজকের তরুণ প্রজন্মকে বুঝতে হবে যে, আমি কোনো চতুর সম্প্রদায়ের হাতিয়ার নই, আমি আমার পরিবার, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎ।
এই উপলব্ধিই পারে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে মূর্খ সমাজপতিদের প্রভাব থেকে।

গোলাম এহিয়া সবুজ
সাবেক সভাপতি,
এশিয়ান হিউম্যান রাইটস এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন,
জীবননগর উপজেলা শাখা,
চুয়াডাঙ্গা।

24/10/2025

তারিখঃ ২৪/১০/২০২৫ ইং,

"বর্তমান ব্যাংকিং ব্যাবস্থার ভবিষ্যৎ"

মানুষ দিন দিন ব্যাংকে টাকা জমা রাখা কম করে বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছে। এর কারণ হলো ব্যাংকে টাকা রাখলে দিন দিন টাকার ভ্যালু কমে যাচ্ছে, মূল্যস্ফীতি (Inflation) টাকার আসল ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সেটা কি ভাবে তা দেখেন, মনে করেন ২০২৫ সালে আপনি ব্যাংকে ৫০ লক্ষ টাকা রাখলেন, ব্যাংকের সঞ্চয় বা মেয়াদি আমানতে সুদের হার সাধারণত মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম থাকে।বছরে ৮% মূল্যস্ফিতি (Inflation), কিন্তু ব্যাংক সুদ দেয় ৫% হারে — মানে প্রকৃত ভ্যালু প্রতি বছর ৩% কমে গেল। অর্থাৎ ৮% হারে মূল্যস্ফিতির কারণে আপনার ব্যাংকে রাখা ৫০ লক্ষ টাকার মান কমলো ৪ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ আপনার ৫০ লক্ষ টাকার মান এখন (২০২৬ সালে) ৪৬ লক্ষ টাকার সমান, এখানে ব্যাংক আপনাকে ৫% হারে সুদ প্রদান করলে ৫০ লক্ষ টাকায় আপনি সুদ (লাভ)পাবেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। তাহলে ৫০ লক্ষ টাকায় আপনি ১ বছরে সুদ (লাভ) পেলেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, কিন্তু মূল্যস্ফিতির কারণে আপনার টাকার মান ১ বছরে কমলো ৪ লক্ষ টাকা। এখন ৪ লক্ষ থেকে (ব্যাংক প্রদেয় সুদ বা লাভ) ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বাদ দিলে ১ বছরে আপনার ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেই হয়ে যাচ্ছে! এই ভাবে আপনি যদি ব্যাংকে ৫০ লক্ষ টাকা ৫ বছর রাখেন, তাহলে ৫ বছর পর আপনার ৫০ লক্ষ টাকার মান কমে (৫×১,৫০,০০০=৭,৫০,০০০) অতএব ৫০,০০,০০০-৭,৫০,০০০= ৪২,৫০,০০০ হাজার টাকার সমান হয়ে গেলো। আর এই কারণে মানুষ যদি ব্যাংকে টাকা না রেখে বিনিয়োগ খাতে ঝুঁকে পড়ে (শেয়ার, রিয়েল এস্টেট, বিভিন্ন ধরণের ব্যবসা, ইত্যাদি) এতে ব্যাংকে আমানত কমে যাবে, ফলে ব্যাংকের হাতে ঋণ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ঘাটতি দেখা দিবে অচিরেই! আর এই পরিস্থিতি তৈরি হলে ব্যাংকগুলো অত্যান্ত ঝুঁকির মুখে পড়বে! তাই ব্যাংকগুলোকে টিকে থাকতে হলে আগে ভাগে গ্রাহকদের সাথে শুধুমাত্র ডিপোজিট ও লোন ভিত্তিক ব্যবসা না করে যুগোপযোগী পদক্ষেপের মাধ্যমে নির্দিষ্ট হারে সুদ ভিত্তিক ব্যাবসা বন্ধ করে গ্রাহক বান্ধব অল্টারনেটিভ ইনকাম সোর্স খুঁজতে হবে। (যেমন বিনিয়োগ ফান্ড, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, গ্রাহকদের সাথে লাভ ভিত্তিক পার্টনারশিপ ব্যাবসা, ফিনটেক পার্টনারশিপ, ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজরি, সম্পদ ব্যবস্থাপনা (wealth management), ব্লকচেইন সল্যুশন) ইত্যাদি চালু করতে হবে। ফলে ব্যাংক হয়ে উঠবে একটি Financial Service Platform যেখানে গ্রাহকরা শুধু টাকা রাখবেন না, বরং বিনিয়োগ, বিমা, পেনশন, ট্রেডিং — সবকিছুই করার সুযোগ পাবে। মানে ব্যাংককে প্রচলিত Safe Locker থেকে Financial Marketplace-এ রূপ নিতে হবে। তা না হলে
অর্থনীতিতে ঝুঁকি বাড়বে এবং গ্রাহক বিনিয়োগ খাতে যাওয়ার কারণে বাজারে volatility বাড়বে। ব্যাংকের স্থিতিশীলতা কমলে অর্থনীতি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে, তাই সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার সামঞ্জস্য করতে হবে, গ্রাহকদের ব্যাংকের সাথে ব্যাবসা ভিত্তিক বিনিয়োগে উৎসাহীত করতে হবে, এবং ডিপোজিট সিকিউরিটি বাড়াতে হবে। আর তা না হলে Digital Technology এর চাপকলে পড়ে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মত অচল একটি ডিপার্টমেন্ট পরিণত হবে।

গোলাম এহিয়া,
সাবেক সভাপতি,
এশিয়ান হিউম্যান রাইটস এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন,
জীবননগর উপজেলা শাখা,
চুয়াডাঙ্গা।

17/10/2025

তারিখঃ ১৭/১০/২০২৫ ইং,

"উন্নত জাতীতে পরিণত হওয়ার জন্য প্রয়োজন কর্যকরি শিক্ষা ব্যবস্থা"

একটা রাষ্ট্রের সভ্যতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা, নিয়ম-কানুন, নাগরিকদের জীবণ যাত্রার মান, ব্যাক্তির ব্যাক্তিগত জীবণমান, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় টেকসই উন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন সব কিছু নির্ভর করে ঐ রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থার উপর। শিক্ষা ব্যবস্থা রাষ্ট্রের উত্তরোত্তর উন্নয়নের জন্য ব্যাক্তিদ্বয়কে প্রয়োজনের ভিন্নতানুসারে একেকটা ডিজাইনে দক্ষ করে গড়ে তোলে। ফলে উক্ত মানুষিকতা সম্পন্ন ও Policy Makeing ক্ষমতা সম্পন্ন সৎ রাষ্ট্র পরিচালকগণকে নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে যে রাষ্ট্রের জনগণ, সেই রাষ্ট্রগুলোই আজ পৃথিবীতে অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধশালী, বিজ্ঞান ভিত্তিক ক্ষমতাশালী, সভ্য, সুশৃঙ্খলা, পারষ্পরিক সহযোগীতা, সহমর্মিতা, শান্তিপ্রিয় জাতীতে পরিণত হতে পেরেছে। এখন উক্ত স্বপ্ন বাস্তবায়ন থেকে আমরা বাঙ্গালীজাতি কত দুরে অবস্থান করছি সেটাই আলোচনার মুল লক্ষ! আমি প্রথমেই শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বলেছি, আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা টা আসলে কতটুকু কার্যকরি? প্রথমে দেখে আসা যাক আমাদের দেশের শিক্ষা অধীদপ্তরের প্রকৃত রুপ, আমি যখন নব্বই দশকে প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম, তখন আমাদের গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক ছিলেন ০৪ জন। এবং তাদের মাসিক বেতন ছিলো প্রতি মাসে ৫০০/- টাকা। ফলে ঐ সময় কোন কোন শিক্ষক স্কুলে আসতেন ঠিকই কিন্তু তাদের সংসার চালানোর তাগিদে কৃষি বা অন্যান্ন পেশার সন্ধানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে পুর্ণ মনোনিবেশ স্থাপন করে শিক্ষারমান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয় নি। ফলে ঐ সময়কার শিক্ষার্থীদের মুল ভিত/বেইজ দুর্বল হয়ে কিছু সংক্ষক মানুষ পুঁথিগত শিক্ষায় হয়তো শিক্ষিত হতে পেরেছে, কিন্তু চিন্তা-চেতনায় তারা সুশিক্ষিত বা বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে উঠতে পারেনি! কিন্তু ঐ সময়কার ঐ দুর্বল জেনারেশনের নেতৃত্বেই পরিচালিত হচ্ছে বর্তমান রাষ্ট্রীয় আইন, শাষণ, বিচার ও শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলো! আর বর্তমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর দশা আরও করুণ! বর্তমানে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোতে পিএসসি-র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দিলেও হয়তো কিছু ভালো শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর ভিতরকার অবস্থা খুবই ক্রিটিক্যাল! শিক্ষকদের ভিতরে প্রাইভেট বাণিজ্যের একটা ব্যাপক প্রতিযোগীতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আর এই প্রতিযোগিতার কুফলের শিকার হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা! শিক্ষার্থীরা কনফিউজড হয়ে যাচ্ছে, এই ভাবে যে, একজন শিক্ষকের নিকট প্রাইভেট পড়ি, কিন্তু ওনার পড়ানো কেয়ালিটিফুল না, এখন যদি অন্য শিক্ষকের নিকট প্রাইভেট পড়ি তাহলে আগের ঐ শিক্ষক পরিক্ষায় নং কম দিয়ে দিবে! এই চর্চাটা এখন প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মে পরিণত হয়েছে। আরও একটি মারাত্বক সমস্যা তৈরি হয়েছে, আর সেটা হলো গাইড বাণিজ্য, বিভিন্ন গাইড কোম্পানী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের উৎসাহীত করে অর্থনৈতিক কমিশনের বিনিময়ে তাদের কোম্পানীর গাইড পড়ানোর জন্য। এই গাইড কেনার ক্ষেত্রে আবার একটা সমস্যা আছে! সেটা হলো বই ব্যাবসায়ীদের সাথেও ঐ সকল গাইড কোম্পানির চুক্তি করা থাকে। ফলে দেখা যাচ্ছে যে, একজন শিক্ষার্থীর এক বা দুই বিষয়ের গাইড কেনা প্রয়োজন, কিন্তু বই ব্যাবসায়ীরা গাইড কোম্পানির চুক্তি মোতাবেক ঐ শিক্ষার্থীর কাছে অপ্রয়োজনীয় সকল বিষয়ের এক সেট গাইড উচ্চ মুল্য ছাড়া বিক্রয় করে না! ফলে ঐ শিক্ষার্থী যেখানে হয়তো ৬০০ টাকায় তাঁর প্রয়োজনীয় গাইড কিনতে পারতো, সেখানে সে ২ থেকে ৩ হাজার টাকায় পুরো সেট গাইড কিনতে বাধ্য হচ্ছে! যা নিয়ন্ত্রণে নেই কোন পর্যবেক্ষণ কমিশন, নেই কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা! এমনি ভাবেই বিভিন্ন ধরণের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, তাই অতি দ্রুত রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের স্বার্থে শিক্ষা ব্যবস্থার সকল অনিয়ম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রতিরোধ করে একটি Productivity কার্যকরি শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই ধরণের ভঙ্গুর অকার্যকরি শিক্ষা ব্যবস্থার দ্বারা অর্থহীন ও উদ্দেশ্যবিহীন শিক্ষা অর্জনের করে দায়ীত্বশীল পদে অযোগ্য মানুষ আসিন হওয়ার ফলে দুরদর্শী চিন্তাশীল, গবেষণালব্ধ, বিজ্ঞান ভিত্তিক মনোভাবের দ্বারা রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে নতুন নতুন ব্যাতিক্রমধর্মী সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে কোয়ালিটি ফুল Productivity না এসে প্রচলিল ধারায় অব্যহত থাকছে। ফলে আমাদের দেশে মানুষ উদ্যাক্তা না হয়ে ঝুঁকি মুক্ত পেশা শুধু মাত্র চাকুরী করাকেই বেশি নিরাপদ ও সম্মানের মনে করছে! ফলে Extra কোনও Productivity না আসায় ব্যাক্তি, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্র যুগ যুগ ধরে একই অবস্থানে রয়ে যাচ্ছে!

গোলাম এহিয়া সবুজ
সাবেক সভাপতি,
এশিয়ান হিউম্যান রাইটস এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন,
জীবননগর উপজেলা শাখা,
চুয়াডাঙ্গা।

10/10/2025

তারিখঃ ১০/১০/২০২৫ ইং,

"পিছিয়ে থাকা ব্যার্থ সমাজ"

১. যে সমাজের মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞানে জেগে না উঠে, বিজ্ঞানমনস্ক না হয়ে অন্ধ বিশ্বাস আর কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয়। এবং যেখানে বই পড়া, মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞানচর্চার অভ্যাস কম থাকে।

২. যে সমাজের মানুষ অর্থহীন, অপ্রমানিত, বাস্তবতাহীন গল্প সমৃদ্ধ সস্তা বিনোদনের পিছনে ছোটে। আর এই সস্তা বিনোদন প্রদর্শন করে এক শ্রেণীর মুখোশধারী চতুর মানুষ রাতারাতি প্রচুর জনপ্রিয়তা পায়, এবং মুর্খরা তাদেরকে ব্যপক সম্মান প্রদর্শন করে।

৩. যে সমাজে শিক্ষাহীন মানুষ যেনো-তেনো পন্থায় দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থশালী হয়ে ওঠে এবং তাদেরকেই সবচেয়ে সফল মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সমাজের মানুষ তাদেরকে উদাহরণ হিসাবে অনুকরণের চেষ্টা করে।

৪. যে সমাজে অশিক্ষিতরা সমাজের অন্য মানুষদের ভাগ্য নির্ধারণ ও সমাজ পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। এবং সমাজের মানুষও সুশিক্ষিত মানুষকে কম মুল্যায়ন করে, আর দুর্ণীতিপরায়ন অর্থশালী ব্যাক্তিদের বেশি মূল্যায়ন করে।

৫. যে সমাজে প্রতিটি সুশিক্ষিত, বিজ্ঞানমনস্ক, উৎভাবনি শক্তিসম্পন্ন, মুক্তচিন্তাশীল মানুষের বিপরীতে হাজার হাজার অশিক্ষিত ধান্দাবাজ ও বোকা মানুষ থাকে, এবং প্রতিটি সচেতন শব্দের বিপরীতে থাকে দুর্ণীতিগ্রস্থ চতুর ব্যাক্তিদের শত শত আশার বানি আর যুক্তিহীন পচনশীল শব্দ।

৬. যে সমাজে উদ্যোক্তার চেয়ে চাকরিজীবীর দাম বেশি হয়। এবং উদ্যোক্তাদের কেউ সম্মান করে না, ফলে গোটা সমাজ যুগ যুগ ধরে একই অর্থনৈতিক অবস্থানে রয়ে যায়।

৭. যে সমাজে যুগ যুগ ধরে চলমান কুসংস্কার বিরোধী বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তাশীল ব্যক্তির মূল্য কেউ বোঝে না। যে কঠিন সত্য বলে বাস্তবতাকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধে হাজার হাজার মুর্খ কুসংস্কারপন্থী সহ সাধারণ বোকা মানুষদের আবেগ ব্যবহারকারী ব্যাক্তিগণ অবস্থান গ্রহণ করে!

৮. যে সমাজে তরুণ প্রজন্মের সামনে পরিবর্তনের মহৎ কোনো লক্ষ্য থাকে না এবং ব্যার্থ সমাজের সামান্য সামাজিক মর্যাদা লাভের আশায় নিজেদের অর্জিত যোগ্যতা, শিক্ষা, সম্ভবনা ও চিন্তা-চেতনাকে চাপা রেখে কুসংস্কারাচ্ছন্ন প্রাচীন চিন্তা ধারায় চলমান ব্যাক্তিদের মন যুগিয়ে একটা ভৌল ধরা জীবণ অতিবাহিত করে।

৯. যে সমাজে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ হয় নির্বোধ। সমাজের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষ আলোচনায় মেতে থাকে, অতি উৎসাহী হয়ে নিজেদের সময় নষ্ট করে এবং অতি প্রয়োজনীয় অর্থবহ আলোচনা গুলো হারিয়ে যায়।

১০. যে সমাজে অর্থহীন তত্ত্ব দিয়ে ও গুজব ছড়িয়ে মানুষকে দিনের পর দিন নেশাগ্রস্ত করে রাখা হয় এবং সমাজের লোকজন এই নেশা কাটিয়ে উঠে সৃষ্টিশীল কাজে মনোনিবেশ করতে পারে না।

১১. যে সমাজে অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, অজ্ঞ-জ্ঞানহীন মানুষদের সমাজ এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রকাশ করার অধিকার থাকে, কারণ এরা সব বিষয়েই নিজেদেরকে সবজান্তা ভাবে!

১২. যে সমাজের মানুষ নানান সমস্যার উপর দিয়ে ভেসে বেড়ায়, কিন্তু সমস্যার গভীরে প্রবেশ করার জ্ঞান ও যোগ্যতা নেই এবং সমস্যা সমাধানের চেয়ে ব্যাক্তিদ্বয়ের মধ্যে, পরিবারের মধ্যে, সমাজের মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো জনপ্রিয় নেতৃত্বের উপস্থিতি আছে।

১৩. যে সমাজের মুর্খ ও ধান্দাবাজ ব্যর্থ সমাজপতিরা অন্যের আয়ের উৎস নিয়ে অতি আগ্রহী হয়। কিন্তু
তাঁরা নিজেরা ফকিরকে ঠকাতেও দ্বিধাবোধ করে না।

১৪. যে সমাজের অন্ধ ও বক ধার্মিকরা ধর্মীয় নিয়মের ধারপাশ দিয়ে চলে না(সুদ, ঘুষ, নামাজ না পড়া, রোজা না রাখা, নেশা করা, চুরি করা, অন্যের ক্ষতি করা) অথচ সঠিক ব্যাখ্যা না বুঝে, গুজবে মেতে উঠে ধর্ম অবমাননাকারী বিচারের জন্য উন্মাদ হয়ে ওঠে।

১৫. যে সমাজে সাংস্কৃতিক চর্চার এবং বিনোদনের ব্যাবস্থা না রেখে শুধু কুসংস্কারকে জাগিয়ে রাখা হয়েছে!

গোলাম এহিয়া,
সাবেক সভাপতি,
এশিয়ান হিউম্যান রাইটস এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন
জীবননগর উপজেলা শাখা,
চুয়াডাঙ্গা।

ভায়েরা আমার আসসালামু আলাইকুম,  যারা মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে চাকুরী করেন, তাদের  সাধারণত ফরমাল ড্রেস পরিধান করা বাধ্যতামু...
22/09/2025

ভায়েরা আমার আসসালামু আলাইকুম, যারা মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে চাকুরী করেন, তাদের সাধারণত ফরমাল ড্রেস পরিধান করা বাধ্যতামুলক। কিন্তু ফরমাল প্যান্ট তৈরি এখন অনেক ব্যায়বহুল, আর গ্যাবাডিন প্যান্ট অল্প কয় দিন ব্যবহার করলেই সামনে রং উঠে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়। তাই আপনাদের কথা চিন্তা করে TSS TECH বাজারে এবং অনলাইনে নিয়ে এসেছে নিজস্ব কারখানায় তৈরি ভিন্ন ভিন্ন কালারের (কোমর ২৮, ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮, ৪০ সাইজ ন্যরো এবং সেমি ন্যরো ফিটিং) টেকসই, আরামদায়ক স্ট্রিজ কাপড়ের ক্রস পকেটের জিন্স প্যান্ট! যা হতে পারে আপনার সমস্যার একটা সুন্দর সমাধান।
ডেলিভারি চার্জ সহ ১ পিচ দাম মাত্র ৬৫০/- (ছয়শত পঞ্চাশ) টাকা।

ক্রয় করতে আগ্রহী ভায়েরা যোগাযোগ করুনঃ
Mobile+WhatApp:01735203224

19/09/2025

তারিখঃ ১৯/০৯/২০২৫ ইং,

"একটা দেশ ও জাতী কেন যুগ যুগ গরীব রয়ে যায?"

একটা সভ্য দেশ ও সভ্য জাতীর মুল বৈশিষ্ট হলো অর্থনৈতিক ভাবে রাষ্ট্রের সয়ংসম্পন্নতা, সভ্যতা, উচ্চ মানুষিকতা, দুর্ণীতিহীনতা, উদার চিন্তা-চেতনা, বাস্তব সম্মত চিন্তা ভাবনা ও বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতা সাধন। আর এসব কিছুই নির্ভর করে ঐ রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থা বা পদ্ধতির উপর। শিক্ষা পদ্ধতির দ্বারা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে মানুষ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সেক্টরে সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন উৎভাবনির সফল প্রয়োগ দ্বারা নিজের ব্যাক্তি ও পারিবারিক জীবনকে উন্নত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রর উন্নয়নে ভুমিকা রাখে। এই সুযোগগুলো যেসকল রাষ্ট্রে আছে, সে সকল রাষ্ট্র গুলোই বর্তমানে অর্থনৈতিক ভাবে সয়ংসম্পন্ন, সভ্য ও প্রভাবশালী রাষ্ট্র! যাদের আবিষ্কৃত পন্য সামগ্রির উপর নির্ভরশীল হয়ে টিকে আছে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলো। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোর বিভিন্ন ধরণের রোগ প্রতিরোধক ভ্যাকসিনও বিনা মুল্যে সরবরাহ করে ঐ সকল উন্নত ও সভ্য মানবিক রাষ্টগুলো। কিন্তু আমাদের দেশের মত অনুন্নত দেশ গুলো শত শত বছর ধরে তাঁর একই অবস্থানের পরিবর্তন ঘটাতে পারছে না? এর মুল কারণ হলো শিক্ষা ব্যবস্থা, এসকল দেশে যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে গরিবী চিন্তা-চেতনার মহা সমারোহ। অনুন্নত রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালিত হয় মুলত গরীব শিক্ষকদের দ্বারা, এসব রাষ্ট্রের অধিকাংশ শিক্ষকই অর্থনৈতিক ভাবে ভঙ্গুর, ফলে তারা স্বল্প বেতনের একটা নির্দিষ্ট গোন্ডির মধ্যে অত্যান্ত হিসাবি নিরাপদ বেতন নির্ভরশীল জীবণ অতিবাহিত করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। যার ফলে তাঁরা চিন্তা চেতনায় সংকীর্ণ হয়ে যায। আর এই কারণেই তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ পেশাকে ভয় পেয়ে তাঁদের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শেখায়, শিক্ষার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো নিরাপদ ঝুঁকি মুক্ত পেশা অর্থাৎ চাকুরীকে বেঁছে নিতে! তাঁরা কখনই ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ঝুঁকি নিয়ে উৎদ্যাক্তা হওয়ার পরামর্শ দিতে সাহস পান না। আর আমাদের দেশের মত অনুন্নত দেশে অভিভাবকরাও তাদের সন্তানরা কোন ঝুঁকি না নিয়ে নিরাপদ পেশা হিসাবে অন্যের অধিনস্থ চাকুরীকে বেঁছে নেওয়াই বেশি সম্মানের মনে করে। আর এই কারণেই এসকল অনুন্নত রাষ্ট্রে উৎদ্যাক্তা তৈরি হয় না! আর নতুন নতুন উৎদ্যাক্তা তৈরি না হওয়ার কারণে এসকল রাষ্ট্রে নতুন নতুন বিপ্লবের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটে না। যার ফলে এসকল অনুন্নত রাষ্ট্রগুলো অর্থনৈতিক ভাবে সয়ংসম্পন্ন ও সভ্য জাতীতে পরিণত হওয়ার পরিবর্তে যুগ যুগ ধরে একই অবস্থানে থাকে বা তার চেযে নিম্ন স্তরে নেমে আসে।

গোলাম এহিয়া সবুজ
সাবেক সভাপতি,
এশিয়ান হিউম্যান রাইটস এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন,
জীবননগর উপজেলা শাখা, চুয়াডাঙ্গা।

29/08/2025

তারিখঃ ২৯/০৮/২০২৫ ইং,

*"শিকারির শিকার আর কত কাল?"*

সভ্য, উন্নত ও সুশৃঙ্খল জাতীতে পরিণত হতে হলে প্রয়োজন আইন, শাষণ, বিচার, পরিবহন, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপদ বাসস্থান, জন-নিরাপত্তা, আত্মসম্মান, কর্মসংস্থান, কর্মপরিবেশ, মানবিক আচারণ, আত্ম-সততা, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য, ভালো-মন্দের পার্থক্য, ন্যায়-অন্যায় বোঝা, অন্যের সুযোগ-সুবিধা ও অসুবিধা অনুভব করা, সহযোগিতামুলক মনোভাব, বাকস্বাধীনতা ও উন্নত মননশীলতা! যা রাষ্ট্র গঠন ও জাতী গঠনের মুল সহায়ক, কিন্তু বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্মের এতো বছরেও কোন শাসকগোষ্ঠী, আমলা, বুদ্ধিজীবী, বিজ্ঞানমনস্ক গবেষক অর্থাৎ যারা রাষ্ট্র গঠন ও জাতী গঠনের সুযোগ পেয়েছে, তারা কেউই উপরোক্ত বিষয়গুলোর উপর নজর দেয় নি! যার কারণে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পদস্থ ব্যাক্তিদ্বয়ের মধ্যে সভ্যতার লেস ও লজ্জাবোধ বিন্দুমাত্র পরিলক্ষিত হয় না! দেশের সাধারণ সুশিক্ষিত ও সুশীল মানুষরা হয়তো স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ একটি সভ্য ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত হোক। সেই আশায় তারা আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহণ ও মৌন সমর্থন দিয়ে শাষক দলের পরিবর্তন ঘটিয়ে বার বার প্রতারিত হচ্ছে! আর একটা চতুর মহল সাধারণ মানুষের এই অনুভুতিকে পুঁজি করে নিজেদেরকে অর্থনৈতিক দিক থেকে লাগামহীন উন্নয়নের চুড়ায় অধিষ্ঠিত করছে। এখন আমার আশংকা! আদৌওতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষদের এই আকাংঙ্খা কখনও কি বাস্তবে রুপ নিবে? নাকি তাঁরা বার বার মব সম্প্রদায়ের চতুর শিকারির শিকারে পরিণত হবে?

গোলাম এহিয়া সবুজ,
সাবেক সভাপতি,
এশিয়ান হিউম্যান রাইটস এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন
জীবননগর উপজেলা শাখা,
চুয়াডাঙ্গা।

Address

SHENERHUDA, JIBANNAGAR
Chuadanga

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TSS News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share