19/06/2026
আহ, মুসলিম জাতি 🥹
এই ছবিটা ভোর ৪টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে। এদের অধিকাংশই নিজেদের মুসলিম দাবি করে, এবং এদের অধিকাংশই ফজর পড়েনি। এই চিত্র শুধু ঢাবিতে নয়, বরং সারা দেশে, সারাবিশ্বে।
জানি যতই নসীহা (সতর্ক) করা হোক না– একটা অংশ কখনোই হেদায়েতের দিকে আসবে না; তারা মনে করে এই দুনিয়া খেল-তামাশা আর বিনোদনের জন্য। আমাদের এই মুসলিম ভাই-বোনদের এমন অবস্থা দেখে মাঝে মাঝে খুব দুঃখ লাগে, আফসোস হয়– এবং মনে পড়ে সূরা আয-যুখরুফ এর ৮৩নং আয়াত।
“অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা মগ্ন থাকুক বেহুদা কথায় আর খেল-তামাশায় মত্ত থাকুক যতক্ষণ না সেদিনের (কেয়ামত) সাথে তারা সাক্ষাৎ করে যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।”
যে ছেলেটি ঘুমের জন্য ফজরে উঠতে পারে না, ফজর কাজা করে– সে ছেলেটি ফুটবল ম্যাচ দেখার জন্য ভোরে উঠে যায়। ঘুম বাদ দিয়ে, নামাজ না পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে বসে বেহুদা খেলা দেখে।
তুমি নিজেকে মুসলিম পরিচয় দাও, লজ্জা হওয়া উচিৎ!
আহ, মুসলিম জাতি 🥹
যে জাতি ফজরের ফরজ নামাজ আদায় করার জন্য উঠতে পারে না, সে জাতি খেলা দেখার জন্য ঠিকই উঠতে পেরেছে।
ছবিতে সময় সকাল ছয়টা, মাঠ ভর্তি মানুষ
প্রতিযোগিতা করার দরকার ছিল জান্নাতের দিকে যাওয়ার, আর আমরা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত আছি জাহান্নামের পথে।
অনেকে বলে হুজুর! খেলার মধ্যে ধর্মকে আইনেন না। আনতাম না, যদি খেলা আমাদেরকে ধর্ম থেকে দূরে সরিয়ে না দিত।
যে যুবকদের হাজারবার মোয়াজ্জিমের সুমধুর আহ্বান "হাইয়া আলাস সালাহ" কানে পৌঁছানোর পরও ফজরের সময় ঘুম ভাঙে না,
তারাই আজ রাত জেগে খ্রীষ্টানদের খেলা দেখার জন্য মোবাইলে একের পর এক অ্যালার্ম সেট করে!
আফসোস! 😢
যে ঘুম আল্লাহর ডাকে ভাঙে না, সে ঘুম মানুষের খেলায় ঠিকই ভেঙে যায়।
যে হৃদয় মসজিদের পথে চলতে অলসতা অনুভব করে, সেই হৃদয় স্টেডিয়ামের উল্লাসে জেগে ওঠে।
খেলোয়াড়ের ডাকে মাঠ পূর্ণ, মোয়াজ্জিমের ডাকে মসজিদ শূন্য।
হে যুবক, একদিন এই খেলা শেষ হবে, তালি থেমে যাবে, উল্লাস নিভে যাবে, কিন্তু আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর দিন কখনো বাতিল হবে না।
আজই ফিরে আসি রবের দিকে, কারণ মৃত্যু অ্যালার্ম দিয়ে আসে না।
আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন