Imran Hossain Ontor

Imran Hossain Ontor দেশ আজ নতুন স্বপ্ন দেখছে, নতুন প্রত্যাশায় এগিয়ে যাচ্ছে।
“রাষ্ট্র হবে জনগণের, ক্ষমতা হবে মানুষের কল্যাণে”

13/07/2026

মাশা-আল্লাহ জনগণের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান

মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী (২০৪৩০) প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ পদে কর্মরত। তিনি ২৪তম বিসিএসের একজন কর্মকর্তা। ফরিদী...
16/05/2026

মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী (২০৪৩০) প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ পদে কর্মরত। তিনি ২৪তম বিসিএসের একজন কর্মকর্তা। ফরিদী মূলত ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন। পরবর্তীতে প্রশাসন ক্যাডারে মার্জ হন।

১) পরিচয় দিলেও ছাত্রদল নন:
ফরিদী নিজেকে বুয়েটের সাবেক ছাত্রদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও বুয়েটের সাবেক ছাত্রদল নেতারা তাকে কখনো ছাত্রদলের নেতা হিসেবে দেখেননি। সাবেক শিবির সভাপতি, বর্তমান এ বি পার্টির আহবায়ক মুজিবুর রহমান মঞ্জু প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে আলাপচারিতা বলেছেন,"তিনি যখন শিবিরের সভাপতি ছিলেন, তখন বর্তমান ফরিদী বুয়েটে শিবিরের গুপ্ত নেতা ছিলেন।"

ডিজিএফআই তাদের মূল্যায়ন রিপোর্টে লিখেছে, “মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী ছাত্রজীবন ও বিগত কর্মজীবনে কখনো বিএনপির রাজনীতির সাথে তার প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল না বলে জানা যায়।”
----------
২) আওয়ামী আমলে গুপ্ত:
ডিজিএফআই রিপোর্টে আরও লেখা হয়, “বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি উপসচিব হিসেবে স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়িত ছিলেন বলে জানা যায়।” অথচ সে সময়ে ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো কর্মকর্তা সচিবালয়ে পদায়ন পাওয়া তো দূরের কথা, ঢাকা শহরের কোনো অধিদপ্তরেও চাকরি করার সুযোগ পাননি। এ অবস্থায় ফরিদী গুপ্ত না হলে কি আওয়ামী আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়ন লাভ করতে পারে?

----------
৩) তদবীর ও দুর্নীতি:
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে (৭/৮/২০২৪ তারিখে) ফরিদী গুপ্ত অবস্থায় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি উইংয়ে উপসচিব হিসাবে যোগ দেন মূলত ’৮৫ ব্যাচের কামরুজ্জামানের (বর্তমান চুক্তিভিত্তিক স্বাস্থ্য সচিব) চেষ্টায়। ৫ আগস্টের পরে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর সাহেবের পিএস কামরুজ্জামান গুলশান অফিসে বেশ দৌড়ঝাপ করতেন, চেয়ারপারসনের পিএস সাত্তারের বাধ্যগত হয়ে চলতেন। সেই সুবাদে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে তয়তদবীর করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছেন। মূলত এই ফরিদীর কাছে লিস্ট দিয়ে আসলে অর্ডার করে দিতো, এবং দু’জনেই আর্থিকভাবে লাভবান হতো। এক পর্যায়ে দুর্নাম ছড়িয়ে পড়ে, ফরিদীকে জনপ্রশাসন থেকে বের করে দেয়া হয়। কিন্তু সাত্তার এবং কামরুজ্জামান এসে আবার একই দিনে অর্ডার বাতিল করে ফরিদীকে জনপ্রশাসনে পোক্ত করে যায়। এখানে থেকে ফরিদী যুগ্মসচিব পদোন্নতি নেন।

এ নিয়ে ডিজিএফআই রিপোর্টে লেখা হয়, “যুগ্মসচিব মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী ০৫ আগষ্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সাবেক সচিব ও বিএনপি চেয়ারম্যান এর একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এর জোর সুপারিশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি উইংয়ে উপসচিব হিসেবে পদায়ন লাভ করেন। উক্ত সময় থেকে তিনি জনপ্রশাসনে এবিএম আব্দুস সাত্তার-এর সকল প্রকার সুপারিশ/তদবির পরোক্ষভাবে বাস্তবায়ন করতেন। এবিএম আব্দুস সাত্তার এর সাথে তৎকালীন জনপ্রশাসন সচিব মোখলেসুর রহমান ও এপিডি উইং এর অতিরিক্ত সচিব এরফানুল হকের মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব ছিল বিধায় মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী এবিএম আব্দুস সাত্তারকে সকল বিষয়ে সহযোগিতা করতেন বলে জানা যায়। “
----------

৪) জামায়াতের হয়ে কাজ করা:
যুগ্মসচিব হিসেবে জনপ্রশাসনের এপিডি উইংয়ে থেকে ফরিদী জামায়াত-এনসিপির হয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে (জামায়াতের রোকন) কেবিনেট সচিব শেখ আবদুর রশিদের খুব প্রিয়পাত্র ছিল এই ফরিদী। কেবিনেট সচিব যেমন ফরিদীকে ডেকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর চাহিদাপত্র ফরিদীর হাতে দিয়ে অর্ডার করিয়ে নিতো, পাশাপাশি ফরিদীকে দিয়ে গুপ্ত অফিসার বাছাই করে মাঠপ্রশাসনে বসায় কয়েক’শ অফিসার। এদের ওপর ভর করেই জামায়াত ক্ষমতায় যাওয়ার নীল নকশা প্রনয়ণ করেছিল। ফরিদীর হাত দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রায় ৮৫ শতাংশ ডিসি-ইউএনও পদে গুপ্ত-জামাতি অফিসারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমান এনএসআইয়ের রিপোর্টেও উঠে এসেছে। ওই সময়ে ফরিদী ছাত্রদল ব্যাকগ্রাউন্ডের অফিসারদের কোনঠাসা করে রেখেছিলেন।

ডিজিএফআই রিপোর্টে বলা হয়েছে, “এপিডি উইংয়ে কর্মরত থাকাকালে তার স্বেচ্ছাচারিতা ও একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রদর্শনের কারণে বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ এর মতো অতীব গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার/নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার যথেষ্ট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান। তার বিরুদ্ধে নির্বাচনের পূর্বে জেলা প্রশাসক ও সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদায়নের ক্ষেত্রে লটারির নামে নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে পদায়ন করার অভিযোগ রয়েছে। যা নিয়ে তৎসময়ে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। “
----------
৫) গুলশান অফিসে অঘোষিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:
মজার কান্ড করে ২০২৪এর ৫ আগস্টের আগে। তখন শীষ হায়দার নামে এক জামাতি অতিরিক্ত সচিবের সাথে মিলে দীর্ঘদিন জামায়াতের পারপাস সার্ভ করেছে ফরিদী। কিন্তু যেই না হাসিনা সরকার পতন ঘটেছে, সাথে সাথেই সে গুলশান বিএনপি অফিসে চেয়ারপারসনের পিএস এবিএম আবদুস সাত্তারের সাথে ভিড়ে যায়। সেখানে এক ভয়াবহ কান্ড করে বসে ফরিদী। ঐ অফিসের কম্পিউটারে বসে সচিবালয়ের (সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে সচিব পর্যন্ত) ২০০ অফিসারের ট্রান্স/ পোস্টিংয়ের জিও তৈরি করে ফেলে সরকাররে বা কতৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিরেকে। মানে এখন থেকে অর্ডার নিয়ে সচিবালয়ে বসে যাবে। কিন্তু বিএনপির হাইকমান্ড এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে দেয়নি।

ডিজিএফআই রিপোর্ট বলছে, “এপিডি উইং এ কর্মরত থাকাকালীন মাঠ প্রশাসনসহ সকল পদোন্নতি/পদায়নে দলীয় ও ইকোনমিক ক্যাডার প্রীতি এবং এক্ষেত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রদর্শন/স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়টি বেশ সমালোচনা সৃষ্টি করে।”
----------

৬) ডুয়াল গেম:
তবে এর আগে অন্তর্বর্তী আমলে ডুয়াল খেলতে থাকেন ফরিদী। কথিত আছে, তিনি লন্ডনে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে আসেন সাত্তারের আয়োজনে, এবং পিএসগিরি নিশ্চিত করে আসেন। অন্যদিকে জামায়াতকে চাহিদামত পোস্টিং দিয়ে খুশি রাখতো, যদি তারা ক্ষমতায় চলে আসে তখন সুবিধা নেয়া যাবে গুপ্ত হিসাবে। তবে ২৬এর নির্বাচনের মাসখানেক আগে ফরিদী তার নিজের লোকদের কাছে ঘোষণা দেয়, বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

16/05/2026

এক ক্লিকে, অফুরন্ত স্মৃতি❤️
এম অন্তর

পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় জাল দলিলে ১৫০ একর ভূমি নামজারি করে নিলেন কারাগারারে থাকা সালমান এফ রহমান। বিশাল এ জালিয়াতিতে তাদের...
16/05/2026

পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় জাল দলিলে ১৫০ একর ভূমি নামজারি করে নিলেন কারাগারারে থাকা সালমান এফ রহমান। বিশাল এ জালিয়াতিতে তাদের সহযোগিতা করেন পঞ্চগড়ের সাবেক ডিসি মো: সাবেত আলী, বর্তমান ডিসি শুকরিয়া পারভীন, এডিসি জেনারেল ইমাম রাজী টুটুল, ইউএনও ফজলে রাব্বী ও সদরের এসিল্যান্ড মোহন মিনজি সহ স্থানীয় প্রশাসন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, শেখ হাসিনার লুটেরা দরবেশ সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপের সহযোগি প্রতিষ্ঠান করতোয়া সোলার ও পদ্মা সোলার নামে তেতুলিয়ায় দুইটি প্রতিষ্ঠান রেজিস্টার্ড হয়েছে হাসিনার আমলে। দুইটি সোলার স্টেশন স্থাপনের জন্য ২০২১ সাল থেকে কৃষি জমি অকৃষি দেখিয়ে কিছু জমি ক্রয় করে বেক্সিমকো গ্রুপ। পরবর্তীতে জাল ৬৯ টি জাল দলিল করে আশপাশের জমি নিজেদের নামে রেজিস্টার করে নেন দুরন্ধর সালমান এফ রহমান।

শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর দরবেশ মহারাজ তার সঙ্গী সাথী আনিসুল হকসহ কট খেয়ে এখন হাজতে। সেখানে বসেই তিনি পরিচালনা করছেন বৈধ অবৈধ সব বাণিজ্য।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৩ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর স্থানীয় এক এমপির সহযোগিতায় ৬৯ টি ভুয়া দলিলের ১৫০ একর জমি তেতুলিয়া এসিল্যান্ডের মাধ্যমে নামজারি করা হয়। অনুসন্ধানে দেখা যায় বেক্সিমকো গ্রুপের আরো ৩১১টি দলিলের রেকর্ড সাব রেজিস্টার অফিসে থাকলেও উল্লেখিত ৬৯ টি দলিলের কোনো রেকর্ড নেই। কিসের ভিত্তিতে ওই দলিলে ১৫০ একর জমি নামজারি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কেউ কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেন নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৩১১ টি রেকর্ড দলিলে প্রায় ২০০ একর ভূমি রয়েছে। ওই দলিলের মধ্যেও কয়েকটি ভুয়া দলিল রয়েছে। ভুয়া মালিক সাজিয়ে জাল ডকুমেন্টে জমি কেনা বেচা হয়েছে বলে প্রকৃত ভূমি মালিকদের দাবি। তাদের ভাষ্যমতে ওই সময় সালমান এফ রহমানের ক্ষমতার দাপটে তারা অসহায় ছিলেন। এখন নির্বাচিত সরকার তাই মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন। তবে স্থানীয় এমপি যেহেতু বেক্সিমকোর পক্ষে তাই ভেতরে ভেতরে ভয় পাচ্ছেন।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না, তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবো। " অন্যদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

চলবে,,,

04/05/2026

হুট করে স্লোগান ধরা,
ইমরান-ফয়সাল পরিষদ সবার সেরা পরিষদ!

শেখ রেহানার ছেলে ববির গার্লফ্রেন্ড সাদিয়া রোশনি  সুচনার সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপির জুলাই অনুষ্ঠান। আর ওই অনুষ্ঠা...
03/05/2026

শেখ রেহানার ছেলে ববির গার্লফ্রেন্ড সাদিয়া রোশনি সুচনার সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপির জুলাই অনুষ্ঠান। আর ওই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা অতিথিদের তালিকা ও অনুষ্ঠান পরিচালনার ব্যক্তি নির্ধারণ ও সার্বিক দায়িত্ব যারা পালন করেন তাদের হয়তো অদক্ষতা অথবা অন্য কোনো কারণে এমন ঘটনা ঘটছে। এসব কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত।

সূচনাকে জুলাইর প্রোগ্রামের উপস্থাপনায় কারা মনোনীত করেছে সেটা তদন্ত করা উচিত।

03/05/2026

দুর্নীতির সঙ্গে আপোস নয়: ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

01/05/2026

ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে,
বিএনপির পুরো প্যানেল জয়ী। আলহামদুলিল্লাহ

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সেই বিতর্কিত পরিচালক হাসিনার দোসর নাসির উদ্দিন সারোয়ারকে আজ প্রত্যাহার করা হয়েছে।https://www...
01/05/2026

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সেই বিতর্কিত পরিচালক হাসিনার দোসর নাসির উদ্দিন সারোয়ারকে আজ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

https://www.facebook.com/share/p/19ALd56Bov/

Address

Bangladesh
Comilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Imran Hossain Ontor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share