16/06/2023
স্মার্টফোন
যেসব মোবাইল ফোন সাধারণ ফোনের থেকে হার্ডওয়্যার ও প্রসেসিং ক্ষমতাসম্পন্ন তাকে স্মার্টফোন বলে।
১৯৯৪ সালে আইবিএম ও মিতসুবিশি ইলেক্ট্রিক কর্পোরেশন যৌথ উদ্যোগে স্মার্টফোন তৈরি করে। কম্পিউটারের মতো স্মার্টফোনেও একটি উইন্ডোজ বা ম্যাকোসের মতো অপারেটিং সিস্টেম আছে।
৪ টি প্রধান অপারেটিং সিস্টেম উল্লেখ করা
বিশ্বে প্রথম স্মার্টফোনের নাম হলো আইবিএম সাইমন যা সিমন নামেও পরিচিত।২০০০ সালে ব্ল্যাকবেরি,নোকিয়া' সিম্বিয়ান প্লার্টফর্ম, উইন্ডোজ ফোন জনপ্রিয় ছিল। এরপর ২০০৭ সালে আইফোন বাজারে আসে।এবং পরবর্তীতে ২০১২ সালে জানা যায় বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটিরও বেশি স্মার্টফোন ব্যবহারকারী রয়েছে। আস্তে আস্তে এর প্রসার আরও লাভ করতে থাকে।
যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো মানুষের সাথে যোগাযোগ করা যায়। ভিডিও এবং অডিও দুটি মাধ্যমই প্রচুর ব্যবহৃত।
স্মার্টফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে যেকোনো খবরাখবর খুব সহজেই জানা যাচ্ছে। এমনকি পত্রিকা, ম্যাগাজিন থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু স্মার্টফোনের মাধ্যমেই অনলাইনে পড়া সম্ভব হচ্ছে।
ছবি তোলা, ভিডিও করা থেকে শুরু করে সবকিছু খুব সহজেই ক্যামেরা বন্দি করে রাখা সম্ভব হয়েছে।
গেমিং থেকে শুরু করে বিনোদনের সর্বোচ্চ সুবিধা স্মার্টফোন দিয়ে থাকে।ইউটিউবে রান্না রেসিপি থেকে শুরু করে ঘরের পরিচর্যা,ব্যবসায়ের আইডিয়া পর্যন্ত কি নেই স্মার্টফোনে!
স্মার্টফোন ব্যবহার করে হাজার হাজার মানুষ টাকা ইনকাম করতে পারছে।ইউটিউব, ফেসবুক পেইজ, কন্টেন্ট থেকে শুরু করে সবকিছু করা সম্ভব হচ্ছে স্মার্টফোনের মাধ্যমেই। এতো এতো সুবিধার জন্য স্মার্টফোন আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মতোই অপরিহার্য হয়ে পড়ছে। যেটিকে ছাড়া আমরা একটি দিন কল্পনাও করতে পারি না। তবে এর যেমন সুবিধা আছে তেমনি এর অসুবিধাও রয়েছে।যেমন:
অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে বাচ্চা থেকে শুরু করে বড়দের পর্যন্ত চোখে সমস্যা বাড়ছে। বিশেষ করে তরুন সমাজের।
শুধু তাই নয় স্মার্টফোন মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে পরিবার,পরিবেশ থেকে কিছুটা সরে যাচ্ছে। সম্পর্কের মূল্যায়ন কমে গিয়ে ভার্চুয়ালের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে।
স্মার্টফোনে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে তার মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হয়রানির স্বীকারও হতে হচ্ছে।
এছাড়াও বেশি পরিমাণে স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে স্ক্রিন ক্যান্সার থেকে শুরু করে শরীরে বিভিন্ন রোগ বাসা বাধার আশংকাও আছে।
যেকোনো জিনিসেরই ভালো খারাপ দুটো দিক থাকবেই। তাই আমাদের উচিত এই বিষয়ে সর্তকতা অবলম্বন করে ভালো কাজে স্মার্টফোন ব্যবহার করা। আমরা বতমানে বেশিরভাগ মানুষ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করি, শুধুমাএ বিনোদনের জন্য ব্যবহার না করে কাজের জন্য ও মোবাইল টা ব্যবহার করি।
সব শেষে কথা হলো সব কিছুর ভালো খারাপ দিক থাকবে। অযথা মোবাইলকে ব্যবহার না করে, কাজের জন্য ব্যবহার করি।