Ruma’s Daily Vlog

Ruma’s Daily Vlog Ruma Daily Vlog 💖
✨ Daily life moments & lifestyle
✨ Short videos
🛍️ Sometimes online selling
📩 Inbox for order & info

14/05/2026

গল্পঃ হারিয়ে যাওয়া মানুষটা – পর্ব ৬

দরজার ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দুই মানুষ—
একদিকে দিয়া, যার জীবনের অর্ধেকটাই অপেক্ষায় কেটে গেছে…
আরেকদিকে সেই মানুষটা, যে হারিয়ে যাওয়া দিনের ভার নিয়ে ফিরে এসেছে।
দু’জনের মাঝের বাতাস যেন ভারী হয়ে আছে।
লোকটা এগিয়ে এসে খুব আস্তে বলল—
“দিয়া… আমাকে ভরসা করতে পারবে?
আমি জানি, আমার ফেরা তোমাকে আবার সন্দেহে ফেলতে পারে।
কিন্তু আমি এবার শুধু নিজের জন্য না… তোমার জন্যও বাঁচতে চাই।”
দিয়া চোখ নামিয়ে ফেলে বলল—
“ভরসা করতে চাই…
কিন্তু ভয় হয়।
ভয় হয় আবার তুমি হঠাৎ হারিয়ে যাবে…
আর আমি সবকিছু নিয়ে একা পড়ে থাকব।”
লোকটা নরম স্বরে বলল—
“এইবার যদি হারাই… তুমি আমাকে খুঁজতে যেও না।
কারণ এইবার আমি কোথাও যাব না।
তোমার কাছেই থাকব… যতটা তুমি আমাকে থাকতে দেবে।”
এবার দিয়া তাকাল।
দেখল লোকটার চোখে কোনো নাটক নেই, কোনো ভুলে যাওয়া অজুহাত নেই।
শুধু অপরাধবোধ আর ফিরে পাওয়ার আকুতি।
সে ধীরে ধীরে বলল—
“ঠিক আছে…
একটা সুযোগ দিচ্ছি।
শুধু একটা।
আমার বিশ্বাসকে আর একবার আঘাত দিও না।”
লোকটার মুখে হালকা হাসি ফুটে উঠল—
ক্লান্ত, তবুও শান্ত।
“ধন্যবাদ… দিয়া।
তুমিই জানো না, আজকের এই দরজাটা খুলে তুমি আমাকে শুধু ফেরাওনি…
আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছ।”
দিয়া একটু থমকে গেল।
“এতদিন তুমি কোথায় ছিলে?
কি এমন হয়েছিল যে ফিরতে পারোনি?”
লোকটা নিঃশ্বাস নিল।
তার চোখে যেন বহু বছরের অন্ধকার ঘনিয়ে উঠল।
“তুমি যদি সত্যিই শুনতে চাও…
তাহলে সব বলব।
কিন্তু কথা দাও—
শুনে ভয় পাবে না।”
দিয়া ধীরে মাথা নাড়ল—
“বল… শুনব।”
লোকটা দরজার পাশে বসে পড়ল।
তার কণ্ঠ ভারি হয়ে এল—
“দিয়া… যেদিন হারিয়ে গিয়েছিলাম, সেদিন শুধু খারাপ সময়ই ছিল না…
সেদিন আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সত্যটা সামনে এসেছিল—
যা আমি কাউকে বলতে পারিনি…”
দিয়া বিস্মিত।
“কি সত্য?”
লোকটা তার দিকে তাকালো—
চোখের গভীরে জমে থাকা সব অন্ধকার নিয়ে—
“সেদিন… আমাকে কেউ নিয়ে গিয়েছিল, দিয়া।
আমি নিজের ইচ্ছায় হারিয়ে যাইনি।
আমি… আটকানো ছিলাম।”
(চলবে…)

লেখক: সানজিদা রুমা

14/05/2026

গল্পঃ হারিয়ে যাওয়া মানুষটা – পর্ব ৫
দিয়া স্থবির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। লোকটার হাতের পুরোনো ভাঁজ ধরা কাগজটা যেন পুরো ঘরটার নিস্তব্ধতা ভেঙে দিল।
সে কাগজটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে তার বুক ধকধক করতে লাগল।
লোকটা ধীরে ধীরে বলল—
“এই কাগজটা তুমি আমাকে দিয়েছিলে… মনে আছে, দিয়া?
যেদিন বলেছিলে— ‘একদিন যদি হারিয়ে যাও, ফিরে আসতে ভুলে যেয়ো না।’
আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম… কিন্তু ভুলিনি।”
দিয়ার ঠোঁট কাঁপছিল।
“তুমি… তুমি কোথায় ছিলে এতদিন? কেন কোনো খোঁজ দাওনি?”— তার প্রশ্নগুলো গলায় আটকে যাচ্ছিল।
লোকটা নিঃশ্বাস ফেলল—
“খোঁজ দিতে চেয়েছিলাম… পারিনি।
যেখানে ছিলাম, সেখান থেকে বের হওয়াই অসম্ভব ছিল।
জীবনের সব দরজা যেন একে একে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
কিন্তু তোমার দেওয়া এই কাগজটা…
প্রতিদিন মনে করিয়ে দিত—
আমার ফেরা এখনো বাকি… কেউ আমাকে এখনো ভুলে যায়নি…”
দিয়া বিস্ময়ে তাকিয়ে রইল।
এত পরিচিত, আবার এত অপরিচিত লাগছে তাকে।
চোখে ক্লান্তি, কিন্তু গভীরে এক অদ্ভুত কোমলতা।
“আজ এসেছি একটাই কথা বলতে,”— লোকটা আবার বলল,
“তুমি কি… এখনো আগের মতোই আছো?
নাকি আমার সবকিছুই সময়ের সাথে হারিয়ে গেছে?”
দিয়ার চোখ ভিজে উঠল।
সে ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়ে লোকটার হাত থেকে পুরোনো কাগজটা নিল।
মুঠো করে ধরে বলল—
“সবকিছু হারায়নি… অন্তত এই বিশ্বাসটা নয় যে তুমি একদিন ফিরে আসবে।”
লোকটা গভীরভাবে তার দিকে তাকাল।
“তাহলে… আমি কি ফিরে আসতে পারি?
এইবার আর হারিয়ে যাব না… প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।”
দিয়ার গলা বুজে এলো—
“ফিরে আসো… তবে আগের মতো নয়।
এইবার তোমাকে আর হারাতে চাই না।”
লোকটার চোখে প্রথমবার আলো ফুটল।
মনে হলো— দীর্ঘ অন্ধকারের পর একফোঁটা সকাল এসে দাঁড়িয়েছে দরজায়।
(চলবে…)

With সু-অলিনী – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
10/05/2026

With সু-অলিনী – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

10/05/2026

গল্প: হারিয়ে যাওয়া মানুষটা – পর্ব ৪

দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটাকে দেখে দিয়া বুঝতে পারছিল না—
এটা কি সত্যি ঘটছে, নাকি কোন দুঃস্বপ্ন?
লোকটার চোখ দু’টো যেন বহু বছরের ক্লান্তিতে ভরা,
তবুও সেই পরিচিত উষ্ণতা আছে…
যে উষ্ণতায় একসময় দিয়া নিজেকে নিরাপদ মনে করত।
দিয়ার ঠোঁট কাঁপছিল, কিন্তু শব্দ বের হচ্ছিল না।
সে শুধু তাকিয়ে ছিল…
আর লোকটা নিঃশব্দে তাকিয়ে ছিল দিয়ার চোখের গভীরে।
হঠাৎ লোকটা অত্যন্ত আস্তে বলল—
“দিয়া… একটা কথা বলার সুযোগ দিও?
আমি জানি… আমার ফেরার কোনো মানে নেই।
তবুও… আজ এসেছি শুধু একটা জিনিস ফিরিয়ে দিতে।”
দিয়া ভ্রু কুঁচকে তাকাল।
“কি জিনিস?”—তার গলা শুকিয়ে যাচ্ছিল।
লোকটা তাঁর শার্টের ভিতর থেকে একটা ছোট্ট পুরনো কাগজ বের করল।
ধুলো জমে আছে, ভাঁজগুলো মুছতে মুছতে সে বলল—
“এটা তুমি আমাকে একদিন দিয়েছিলে…
যেদিন বলেছিলে, ‘একদিন যদি হারিয়ে যাও, ফিরে এসো, অন্তত খবরটা দিও।’”
দিয়া নিঃশ্বাস বন্ধ করে কাগজটা নিল।
তার হাত কাঁপছিল।
“তুমি… এতদিন কোথায় ছিলে?” —দিয়ার গলা ভেঙে এল।
লোকটা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল—
“সব বলব দিয়া… কিন্তু দরজাটা কি একটু খুলবে?
বাইরে দাঁড়িয়ে কথা বলা… তোমার প্রতি ঠিক হচ্ছে না।”
দিয়া থমকে গেল।
এক পা সামনে, এক পা পিছনে—
মন বলছে: “দরজা বন্ধ করো।”
কিন্তু ভেতরটা বলছে:
“যে মানুষটা একদিন সব ছিল,
তার কাছে কি সত্যিই কোনো প্রশ্ন না করেই ফিরে যাবে?”
হঠাৎ আকাশে ঝড়ের শব্দ গর্জে উঠল।
দরজার সামনে দাঁড়ানো মানুষটা মাথা নিচু করল।
দিয়ার মনে হলো তার চোখে অপরাধবোধের ছায়া।
দিয়া ধীরে ধীরে দরজার হাতলে হাত রাখল…
এরপর?

দরজা খুলবে?
নাকি জীবনের সব উত্তর সেখানেই বন্ধ হয়ে যাবে?

—চলবে
লেখক :সানজিদা রুমা

09/05/2026

গল্প :হারিয়ে যাওয়া মানুষটা – পর্ব ৩

দিয়া কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল দরজার সামনে।
মনের ভেতর ঢেউয়ের মতো শব্দ—
“সে… সত্যিই ফিরে এসেছে?”
ভিতরে আম্মা দাঁড়িয়ে সব দেখছিলেন।
খেয়াল করলেন, দিয়ার চোখে এক অদ্ভুত ভয় আর প্রশ্ন জমে আছে।
মেয়ে তো শক্ত, কিন্তু যাকে একদিন নিজের সবকিছু ভেবে ছিল…
সে হঠাৎ এমন ভোরবেলায় দরজায় দাঁড়ালে
মাথা ঘুরে যাওয়ার মতোই অবস্থা হবেই!
দিয়া ভিতরে এসে ধীরে দরজা বন্ধ করল।
মনে হলো, দরজার ওপাশে দাঁড়ানো মানুষটা যেন
হাওয়ায় ভেসে আসা কোনো অস্পষ্ট স্মৃতি—
যে স্মৃতিকে ভুলে থাকতে থাকতে
হঠাৎ আজ আবার খুলে গেছে পুরনো ক্ষতের দরজা।
সে রাতে দিয়া ঠিকমতো ঘুমোতে পারল না।
বারবার মনে পড়ছিল—
ওই মানুষটা কেন এসেছিল?
হাসি মুখে নয়, চোখ ভরা ক্লান্তি নিয়ে কেন দাঁড়িয়েছিল?
তাকে কি কিছু বলতে ছিল?
পরদিন সকালেই ফোন এলো।
অপরিচিত নম্বর—
তবু দিয়া জানত, ফোনটা তারই।
ধীরে রিসিভ করতেই ওপাশের নরম কণ্ঠ—
“দিয়া… একবার দেখা করবে?
শুধু পাঁচ মিনিট…
কিছু কথা আছে।”
কথা থামিয়ে দিল দিয়া।
হাত কাঁপছিল।
শব্দ আটকে যাচ্ছিল গলায়।
সে কি সত্যিই আবার দিয়ার জীবনের দরজায় ফিরে এসেছে?
নাকি আরও একবার দিয়াকে ভাঙার জন্য?
দিয়া গভীর শ্বাস নিল।
মুহূর্তটা যেন পুরো পৃথিবী থমকে আছে।
“ঠিক আছে…
কোথায়?”
দিয়া বলল অবশেষে।
ওপাশ থেকে চুপচাপ একটুখানি নিঃশ্বাসের শব্দ—
তারপর…
“পুরনো সেই বাসস্ট্যান্ডে…
যেখানে প্রথম তোমাকে দেখেছিলাম।”
দিয়ার বুকের ভেতর ঝাঁকুনি খেল।
পুরনো জায়গা, পুরনো মানুষ,
কিন্তু গল্পটা কি আবারও নতুন করে শুরু হবে—
নাকি এটা শেষ অধ্যায়ের প্রথম পাতা?

চলবে,,

লেখক: সানজিদা রুমা

08/05/2026

🌸 হারিয়ে যাওয়া মানুষটা – পর্ব ২

লেখক: সানজিদা রুমা

বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সেই পরিচিত কণ্ঠটা শুনেই দিয়া থমকে গেল।
হৃদপিণ্ডটা যেন হঠাৎ করে ধাক্কা খেল—
যে মানুষটা একদিন তাকে হাসিয়ে রাখত, সেই মানুষটা কি সত্যিই আজ আবার তার দরজার সামনে?
দরজা খুলতেই ঠাণ্ডা বাতাসের সঙ্গে মিশে গেল একটা স্মৃতি।
দিয়ার চোখে প্রথমে পড়ল সেই চেনা ভঙ্গি—
কাঁধে ব্যাগ, মুখে ক্লান্তির ছাপ, কিন্তু চোখে যেন পুরোনো দিনের মতোই গভীর কিছু।
— “দিয়া… কেমন আছো?”
শব্দগুলো খুবই সাধারণ, কিন্তু দিয়ার কাছে যেন অসহ্য ভারী।
দিয়া কোনো উত্তর দিল না।
অনেক কথা আছে, অনেক অভিমান আছে—
কিন্তু তার গলা যেন কাজই করছিল না।
ছেলেটা একটু এগিয়ে এলো।
— “জানি, আমার আসার অধিকার নেই।
কিন্তু কিছু কথা না বললে আমি শান্তি পাচ্ছিলাম না…”
দিয়া তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।
একসময় যে মানুষটাকে দেখে তার দিন ভালো হয়ে যেত, আজ তাকে দেখলে বুকের ভিতর শুধু একটা প্রশ্নই উঠে—
“কেন তুমি চলে গেলে…?”
ছেলেটা ধীরে ধীরে বলল—
— “দিয়া, তোমার থেকে দূরে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল।”
হঠাৎ একটা ঢেউয়ের মতো কষ্ট এসে দিয়াকে ছুঁয়ে গেল।
কিন্তু সে চাইলেও কাঁদতে পারল না।
শুধু বলল—
— “এতদিন পরে ফিরে এসে কী চাই তুমি?”
ছেলেটা গভীর শ্বাস নিল।
— “একটা সুযোগ…
শুধু একটা।
আমার কথা অন্তত একবার তোমাকে বলতে দাও।”
দিয়া দ্বিধায় পড়ে গেল।
বুকের ভিতর পুরোনো স্মৃতি আর বর্তমান কষ্ট যেন যুদ্ধ শুরু করেছে।
কিন্তু সে চাইলেও না বলতে পারল না।
— “ভিতরে আসো…”
ছেলেটা থমকে দাঁড়িয়েই হাসল।
দিয়ার মনে পড়ে গেল—
এক সময়ে এই হাসিটাই ছিল তার পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় জিনিস।
আজ সেই হাসি আবার তার জীবনের দরজায় ফিরে এসেছে…
কিন্তু সে জানে না—
এবার এটি সুখ আনবে, নাকি আরেকটা ঝড়।

— চলবে… ❤️পর্ব ৩ আসবে খুব শীঘ্রই

08/05/2026

গল্প :হারিয়ে যাওয়া মানুষটা, পর্ব ২ আপনাদের জন্য রেডি

07/05/2026

আয়শা সিদ্দীকা মুসকান #সুবাহানআল্লাহআলহামদুলিল্লাহআস্তাগফিরুল্লাহmoment

07/05/2026

পর্ব – ১ : অচেনা সেই অনুভুতি

দিয়ার দিনটা অন্য দিনের মতোই ছিল—
অফিস, ব্যস্ততা, ট্রাফিক, আর ক্লান্ত একটা নিঃশ্বাস।
শুক্রবার হওয়ায় রাস্তায় ভিড় কম, কিন্তু তার মাথার ভিড় যেন কমছিল না।
বাড়ি ফিরতে ফিরতে সে ভাবছিল—
জীবন কি আসলেই এতটাই নিরাময়হীন?
এক সময় ছিল সে অনেক হাসত… এখন হাসি তার কাছে খুব দামি।
বাড়ির সামনে পৌঁছে দরজা খুলতেই একটা পরিচিত কণ্ঠ শুনল—
“দিয়া?”
কণ্ঠটা থমকে দিল তাকে।
এটা কি সত্যি? নাকি স্বপ্ন?
দিয়া ধীরে ধীরে ঘুরল।
তার সামনে দাঁড়িয়ে—
আরিফ।
যে মানুষটাকে সে নিজের ভবিষ্যৎ ভেবেছিল।
যে মানুষটা হঠাৎ কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই হারিয়ে গিয়েছিল চার বছর আগে।
যে তাকে কাঁদিয়ে, ভেঙে, নিঃশেষ করে ফেলেছিল।
আরিফ ধীরে বলল—
“অনেকদিন পর… কেমন আছ?”
দিয়া কিছু বলতে পারল না।
তার বুকের ভেতর জমে থাকা রাগ, কষ্ট, অভিমান একসাথে গরম হয়ে উঠল।
সে ভাবছিল—এটা কি সত্যিই সেই মানুষ?
যে তার সবকিছু ভেঙে চলে গিয়েছিল?
আরিফ তার চোখে চোখ রেখে বলল—
“তোমার সাথে কথা আছে, দিয়া।
একটু সময় দেবে?”
দিয়া চোখ নামিয়ে বলল—
“এখন না। আজ না… আমি প্রস্তুত নই।”
তার গলা কেঁপে উঠল।
সে বাড়ির দরজা বন্ধ করে দিল।
আরিফ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে ধীরে ধীরে চলে গেল।
কিন্তু দরজার পেছনে দাঁড়িয়ে দিয়া নিজের মুখ চেপে কাঁদছিল।
এত বছর পরেও…
কেন যেন হৃদয়টা কাঁপছে।
এটা কি অভিমান? নাকি ভালোবাসার পুরোনো ছায়া?
দিয়া নিজেকে শক্ত করে বলল—
“না, আবার সেই পথে যাব না… আর কখনো না।”
কিন্তু তার মনের ভেতর একটা নরম কণ্ঠ বলল—
“যা হারিয়ে যায়… সবসময় কি ফেরা উচিত নয়?”

পর্ব–১ শেষ।
লেখক :সানজিদা রুমা

07/05/2026

গল্প :হারিয়ে যাওয়া মানুষটা

Address

Coxsbazar
Cox's Bazar
4700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruma’s Daily Vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share