25/04/2026
রাত কাটে অন্ধকারে, দিন কাটে ক্লান্তিতে: আমরা বাঁচবো কী করে? 🕯️🏭
সারাদিন মেশিনের ঘড়ঘড় শব্দ আর অসহ্য গরমে হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে যখন ঘরে ফিরি, মনে হয় একটু শান্তিতে ঘুমাবো। কিন্তু কপালে সেই শান্তিটুকুও নেই। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে দম বন্ধ হয়ে আসে ছোট্ট ঘরটায়। গরমে ঠিকমতো রান্না করা যায় না, ঠিকমতো খাওয়া হয় না।
সবচেয়ে কষ্টের সময়টা শুরু হয় মাঝরাতে। যখন শরীরটা একটু ঘুমের খোঁজ করে, ঠিক তখনই বিদ্যুৎ চলে যায়। সারা রাত হাতপাখা ঘুরিয়ে আর মশার কামড় খেয়ে চোখ দুটো যখন ঘুমে বুজে আসে, তখনই বেজে ওঠে ভোরের অ্যালার্ম। ⏰
চোখে ঘুম আর শরীরে রাজ্যের ক্লান্তি নিয়ে আবার ছুটতে হয় কারখানার দিকে। সেই ঘুমন্ত চোখে যখন মেশিনের কাজ করতে হয়, হাত কাঁপে, শরীর অবসন্ন হয়ে আসে। যে কোনো সময় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আমরা তো শুধু একটু কাজ করে দুবেলা ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে চাই। কিন্তু ঘুমের অভাবে আর এই অসহ্য যন্ত্রণায় শরীরটা আর চলছে না।
কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ— আমাদের মতো শ্রমিকদের কথা একটু ভাবুন। শিল্পাঞ্চলগুলোতে অন্তত রাতের বেলা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করুন। আমরা যদি শান্তিতে দুঘণ্টা ঘুমাতে না পারি, তবে কারখানার চাকা সচল রাখবো কীভাবে?
আমাদের ঘাম ঝরানো শ্রমে দেশ চলে, কিন্তু আমরা একটু শান্তিতে ঘুমানোর অধিকার পাবো না? 💔💔😔😔