09/07/2025
#আমার_নিষ্ঠুর_ভালবাসা
#পর্ব_6
#লেখিকা_সালমা_খাতুন
🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ🚫
মায়া আর কিছু ভাবতে পারছে না। কি হবে এখন? এই বাড়ির লোকেরা ওকে দেখলে কেমন রিয়্যাকশন দেবে? ও তো আরমানের সাথে রাত কাটানোর জন্য এসেছিল। ভেবেছিল সকালে চলে যাবে। কিন্তু আরমান যে ওকে এখন এই একমাস পার্মানেন্ট কাজের লোক বানিয়ে নিলো। যদিও ওই কাজের থেকে এই কাজটা যথেষ্ট ভালো তবুও এই বাড়ির সাথে যে ওর সম্পর্ক অন্য রকম। কিভাবে কাজ করবে ও এই বাড়িতে??
আবির:- “আচ্ছা রুবি বাড়িতে কি আজ কোনো স্পেশাল রান্না হয়েছে?? খুব সুন্দর গন্ধ আসছে।”
রুবি:- “হ্যাঁ মানে উনি রান্না করেছিলেন স্যারের জন্য। কিন্তু স্যার খাইনি।”
আবির:- “ওর কথা বাদ দাও। চলো তো আমাকে খেতে দাও আর মায়া তুমিও এসো খেয়ে নাও।”
রুবি:- “কিন্তু স্যার, আপনি এই মাত্র বাইরে থেকে ফিরলেন। ফ্রেশ হবেন না??
আবির বোকা বোকা হেসে বলল, “ হ্যাঁ হবো তো। খাওয়ার পর। ভীষণ খিদে পেয়েছে, আগে খেতে দাও প্লিজ।
এটা শুনে রুবি চলে গেলো আবিরের জন্য খাবার বাড়তে। আর মায়া অসহায় চোখে তাকালো আবিরের দিকে। আবির ওর হাতটা মায়ার মাথায় রেখে বলো, “চিন্তা করো না। সব ঠিক হয়ে যাবে। আর আমি তোমার কাজের ব্যাবস্থা করবো কম্পানিতে। এখানে এই মেডের কাজ করতে হবে না তোমায়।”
মায়া:- “না ভাইয়া এখন কম্পানিতে কাজ করতে পারবো না। আমি আপনার স্যারের থেকে একমাসের মাইনে অ্যাডভান্স নিয়ে নিয়েছি। তাই আমাকে এই এক মাস এখানেই কাজ করতে হবে।”
এদিকে রুবি ডাইনিং থেকে বলল খাবার বাড়া হয়ে গেছে। আবির মায়ার হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে যেতে বলল, “ঠিক আছে চলো, বেশি চিন্তা করো না যা হবে দেখা যাবে। খাবে চলো।”
এই বলে আবির মায়ার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো। আর এই দৃশ্য উপরের বারান্দা থেকে একজন জলন্ত চোখে দেখছিল। তারপর ওদেরকে চলে যেতে দেখে রাগে হাতের মুঠো শক্ত করে বারান্দার গ্রিলে বারি দিয়ে নিজের রুমে চলে গেলো।
এদিকে আবির বেসিনে হাত মুখ ধুয়ে এসে চেয়ারে বসে বলে, “ওয়াও খিচুড়ি!! অনেক দিন খাইনি। গন্ধ শুকেই মনে হচ্ছে দারুন টেস্টি হয়েছে।”
তারপর রুবি ও মায়ার দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমরা দাঁড়িয়ে আছো কেনো?? বসো খেয়ে নাও।”
রুবি:- “আমি অনেক আগেই ডিনার করে নিয়েছি স্যার। আপনি খেয়ে নিন।”
আবির বিরবির করে বলল, “হ্যাঁ তা তো খাবেই। আমার জন্য ওয়েট করলে কি মহা ভারত অশুদ্ধ হয়ে যেতো??”
রুবি:- “কিছু বললেন স্যার??
আব