AB NorrriiiN

AB NorrriiiN Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from AB NorrriiiN, Digital creator, Chakaria, Cox's Bazar.

09/07/2025

#আমার_নিষ্ঠুর_ভালবাসা
#পর্ব_6
#লেখিকা_সালমা_খাতুন

🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ🚫

মায়া আর কিছু ভাবতে পারছে না। কি হবে এখন? এই বাড়ির লোকেরা ওকে দেখলে কেমন রিয়্যাকশন দেবে? ও তো আরমানের সাথে রাত কাটানোর জন্য এসেছিল। ভেবেছিল সকালে চলে যাবে। কিন্তু আরমান যে ওকে এখন এই একমাস পার্মানেন্ট কাজের লোক বানিয়ে নিলো। যদিও ওই কাজের থেকে এই কাজটা যথেষ্ট ভালো তবুও এই বাড়ির সাথে যে ওর সম্পর্ক অন্য রকম। কিভাবে কাজ করবে ও এই বাড়িতে??

আবির:- “আচ্ছা রুবি বাড়িতে কি আজ কোনো স্পেশাল রান্না হয়েছে?? খুব সুন্দর গন্ধ আসছে।”

রুবি:- “হ্যাঁ মানে উনি রান্না করেছিলেন স্যারের জন্য। কিন্তু স্যার খাইনি।”

আবির:- “ওর কথা বাদ দাও। চলো তো আমাকে খেতে দাও আর মায়া তুমিও এসো খেয়ে নাও।”

রুবি:- “কিন্তু স্যার, আপনি এই মাত্র বাইরে থেকে ফিরলেন। ফ্রেশ হবেন না??

আবির বোকা বোকা হেসে বলল, “ হ্যাঁ হবো তো। খাওয়ার পর। ভীষণ খিদে পেয়েছে, আগে খেতে দাও প্লিজ।

এটা শুনে রুবি চলে গেলো আবিরের জন্য খাবার বাড়তে। আর মায়া অসহায় চোখে তাকালো আবিরের দিকে। আবির ওর হাতটা মায়ার মাথায় রেখে বলো, “চিন্তা করো না। সব ঠিক হয়ে যাবে। আর আমি তোমার কাজের ব্যাবস্থা করবো কম্পানিতে। এখানে এই মেডের কাজ করতে হবে না তোমায়।”

মায়া:- “না ভাইয়া এখন কম্পানিতে কাজ করতে পারবো না। আমি আপনার স্যারের থেকে একমাসের মাইনে অ্যাডভান্স নিয়ে নিয়েছি। তাই আমাকে এই এক মাস এখানেই কাজ করতে হবে।”

এদিকে রুবি ডাইনিং থেকে বলল খাবার বাড়া হয়ে গেছে। আবির মায়ার হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে যেতে বলল, “ঠিক আছে চলো, বেশি চিন্তা করো না যা হবে দেখা যাবে। খাবে চলো।”

এই বলে আবির মায়ার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো। আর এই দৃশ্য উপরের বারান্দা থেকে একজন জলন্ত চোখে দেখছিল। তারপর ওদেরকে চলে যেতে দেখে রাগে হাতের মুঠো শক্ত করে বারান্দার গ্রিলে বারি দিয়ে নিজের রুমে চলে গেলো।

এদিকে আবির বেসিনে হাত মুখ ধুয়ে এসে চেয়ারে বসে বলে, “ওয়াও খিচুড়ি!! অনেক দিন খাইনি। গন্ধ শুকেই মনে হচ্ছে দারুন টেস্টি হয়েছে।”

তারপর রুবি ও মায়ার দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমরা দাঁড়িয়ে আছো কেনো?? বসো খেয়ে নাও।”

রুবি:- “আমি অনেক আগেই ডিনার করে নিয়েছি স্যার। আপনি খেয়ে নিন।”

আবির বিরবির করে বলল, “হ্যাঁ তা তো খাবেই। আমার জন্য ওয়েট করলে কি মহা ভারত অশুদ্ধ হয়ে যেতো??”

রুবি:- “কিছু বললেন স্যার??

আব

09/07/2025

#আমার_নিষ্ঠুর_ভালবাসা
#পর্ব_5
#লেখিকা_সালমা_খাতুন

🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ🚫

শাহরিয়ার ম্যানশনের বিশাল রান্না ঘরে রান্না করছে মায়া। রান্না ঘরটাও ভীষণ সুন্দর। রান্নার কাজে ব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন রকমের সরঞ্জাম রাখা। মায়া কিছুক্ষণ মুগ্ধ হয়ে দেখলো। তারপর লেগে গেলো কাজে। রুবি কোথায় কি আছে সব কিছু দেখিয়ে দিলো। মায়া এই ত্রিশ মিনিটে‌ কি রান্না করবে ভেবে পেলো না যদিও ও রান্নাটা ভালোই করে। তাই ফ্রিজ থেকে সবজি বের করে ডালে চালে করার সিদ্ধান্ত নিলো। মনে মনে একবার ভাবলো, ওই বড়োলোকের রাজপুত্র আবার খিচুড়ি খাইতো? তারপর ভাবলো খেলে খাক না খেলে না খাক। ওর তাতে কি? দিয়েছে তো আদ ঘন্টা সময়। এক মাত্র এটাই রান্না করা সহজ হবে ওর জন্য। আর মায়া খিচুড়ি খেতে খুব ভালোবাসে তাতে শীতকালই হোক বা গ্রীষ্ম বা বর্ষা। এটা ওর ফেভারিট খাবার তাই প্রথমে এই খিচুড়ি রান্না করার কথাই ওর মাথায় এসেছে।

মায় মাথা থেকে ওরনা খুলে তা কোমড় পেঁচিয়ে নিলো একদম কাজের বুয়াদের মতো। তারপর একমনে লেগে গেলো রান্নার কাজে। এদিকে বাড়ির বাকি সার্ভেন্টরা তো অবাক হয়ে দেখছে মায়াকে। ভাবছে এতো সুন্দর দেখতে একটা মেয়ে ওদের রান্না ঘরে কোথা থেকে টপকালো?

রুবিও অবাক হয়ে দেখছে মায়াকে। ভাবছে, গোলগাল পুতুলের মতো মেয়েটার এই কাজের দরকার পড়লো কেন? মেয়েটার কি বাবা মা নেই। নাকি ওই মেয়েটাও কোনো অসহায় পরিবারে? কি তার পরিচয়? আর স্যার তো ওকে রান্না করতে দেয়না। রান্না করার জন্য তো শেফ আছে বাড়িতে। আর স্যার তো বলল, ওর জায়গায় আজ থেকে কাজ করবে, তাহলে ওকে কেন রান্না করতে দিলো? স্যার তো সবার হাতের রান্না খেতে পারে না। তাহলে?

ত্রিশ মিনিটের জায়গায় 35 মিনিট লেগে গেলো সব কিছু রেডি করতে। রুবি আরমানকে কল করে জানালো রান্না হয়ে গেছে। খাবার কি ঘরে নিয়ে যাবে? নাকি ডাইনিং এ খাবে? আরমান জানালো সে নীচে আসছে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই আরমান নীচে এসে ডাইনিংএ বসলো। মায়া এসে খাবার সার্ভ করতে শুরু করলো। আরমান তার হাত ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো, “পাঁচ মিনিট লেট। এই লেট করা মানুষদের আমি একদম পছন্দ করিনা।”

মায়া মুখ ছোটো করে বলল, “সরি স্যার এরপর থেকে আর হবে না।”

আরমান প্রথমেই খিচুড়ির গন্ধ পেয়ে ভাবলো ভালো কিছুই রান্না করেছো হয় তো। দারুন সুন্দর গন্ধ উঠছে। কিন্তু সার্ভ করা শেষ হতেই আরমানের চক্ষু চড়কগাছ।

আরমান:- “হোয়াট ননসেন্স!! কি এ

09/07/2025

#আমার_নিষ্ঠুর_ভালবাসা
#পর্ব_4
#লেখিকা_সালমা_খাতুন

🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ🚫

মায়া তাড়াতাড়ি ওর হাতে থাকা ব্যাগটা খুলে ফাইলটা বের করে। আর ফাইল থেকে বের করে সেই সাইন করা কাগজ। আর কাগজটা পড়ে দেখতেই মায়ার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে।

এটা একটা ডিল করা হয়েছে। যেখানে মায়াকে 50 লক্ষ্য টাকার বদলে এক মাসের জন্য কিনে নেওয়া হয়েছে মায়ার সম্মতিতে। এই এক মাস আরমান যা যা বলবে মায়াকে সব শুনতে। আর মায়া যদি এই ডিল ক্যান্সেল করতে চাই তাহলে মায়াকে 50 লক্ষ্য টাকা নেওয়ার বদলে এক কোটি টাকা ফেরত দিতে হবে। মায়া আর ভাবতে পারছে না। মাথা টা যেন পুরো ফাঁকা ফাঁকা লাগছে।

মায়া কাঁপা কাঁপা গলায় কোনোমতে বলল, “কি…কিন্তু ওনি তো আমায় মি..মিথ্যা বলে সাইন করিয়েছিল। আর..আর এই 50 লক্ষ্য টাকা তো আমি নিইনি। ফাঁসানো হয়েছে আমাই। আমি এই ডিল মানি না।”

আরমান:- “হ্যাঁ 50 লক্ষ্য টাকা তুমি নাওনি ঠিক আছে কিন্তু তোমার বস তো নিয়েছে। আর তোমার বস তোমাকে কি বলে সাইন করিয়েছে সেটা তোমাদের ব্যাপার। আমি তো কাগজে সব শর্ত লেখেই দিয়েছি এখন তুমি যদি শর্ত না পড়ে সাইন করো এতে তো আমার কিছু করার নেই।”

আরমান কথা গুলো বলতে বলতে মায়ার হাত থেকে ডিলের পেপার টা কেড়ে নিলো। মায়া তো স্তব্ধ হয়ে গেছে। ওর সাথে কি হচ্ছে ও কিছুই বুঝতে পারছেনা। কিভাবে ও এই লোকটার সাথে থাকবে? যে ওর সাথে সংসার না করেই ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে। আর মায়া তো ভালোবেসে ফেলেছিল এই লোকটা। তাহলে কি করবে ও এখন? না কিছুতেই ও এই লোকটার সাথে থাকতে পারবে না। মায়া আর কোনো কিছু না ভেবেই ওর ব্যাগ থেকে মোবাইল বের করে কল লাগালো ক্লাবের বসকে। ওপাশ থেকে কল রিসিভ হতেই মায়া বলে উঠলো।

মায়া:- “স্যার কিভাবে পারলেন আমার সাথে এভাবে প্রতারণা করতে? কেন আমাকে মিথ্যা বলে সাইন করালেন পেপারে?

ওপাশ থেকে ক্লাবের বস বলে উঠলো, “কিসের কথা বলছো মিস মায়া?”

মায়া গলায় ঝাঁঝ নিয়ে বলল, “যেই কন্ট্রাক্ট পেপারে আমার সাইন নিয়ে আপনি আমাকে বিক্রি করে দিয়েছেন 50 লক্ষ্য টাকার বদলে আরমান শাহরিয়ার এর কাছে তার কথা বলছি।”

ক্লাবের বস:- “ আমি তো বলেছিলাম যে আমাদের এখানে এই কাজ করলে পেপারে সাইন করতে হয়।‌ হ্যাঁ কারোর সাথে এক রাত কাটালে সাইন করতে হয়না তবে কোনো ক্লাইন্ট যদি কাউকে এক সপ্তাহ বা তারো বেশি দিনের জন্য বুকিং করে তাহলে আমারা পেপারে সাইন করিয়ে নিই।”

মায়া অসহায় গলায় বলল,

09/07/2025

#আমার_নিষ্ঠুর_ভালবাসা
#পর্ব_3
#লেখিকা_সালমা_খাতুন

🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ🚫

শাহরিয়ার ম্যানশন….

মায়া অটো থেকে নেমে শাহরিয়ার ম্যানশনের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। যেই বাড়িতে তার বউ হয়ে ঢোকার কথা ছিল সেই বাড়িতে আজ রক্ষিতা নামে ঢুকতে হচ্ছে। বিয়ের পর আরমান মায়াকে তাদের বাড়ি নিয়ে আসেনি। বিয়েটা মায়াদের বাড়িতেই হয়েছিল। কবুল বলার পর আর এক মুহূর্তও ওদের বাড়িতে থাকে নি। চলে গিয়েছিল নিজের ফ্ল্যাটে। আর বলেছিল ওই মেয়ে যদি ওদের বাড়িতে আসে তাহলে ওই বাড়িতে আর কোনোদিন পা দেবে না। সারা জীবনের জন্য পাড়ি দেবে বিদেশে। আরমানের মা চাইনি ছেলেকে হারাতে তাই বাধ্য হয়েই মায়াকে তার বাবার বাড়িতেই রেখে এসেছিল। মায়াও অনেক ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু নিজেকে শক্ত করে নিয়েছিল শুধু মাত্র ওর বাবার কথা ভেবে। ওর বাবার যে এই দুনিয়ায় আর কেউ নেই ও ছাড়া।

মায়া গেটের সামনে গিয়ে দাড়োয়ানকে ডাক দিলো। দাড়োয়ান মায়ার পরিচয় জিজ্ঞাসা করতে মায়া কি উত্তর দেবে ভেবে পেলো না। শুধু বললো মিস্টার আরমান তাকে আসতে বলেছিল, তার সাথে দরকার আছে। দাড়োয়ান কল করলো আরমানের পার্সোনাল মেডকে। মেড যাওয়ার পারমিশন দিলে দাড়োয়ান গেট খুলে দিলো। মায়া ভিতরে প্রবেশ করলো। আর চারিদিকের সৌন্দর্য দেখে অবাক হয়ে গেলো। রাজপ্রাসাদের মতো ডুপ্লেক্স বাড়ি। গেট থেকে সোজা মোরাম বিছানো রাস্তা কিছুটা গিয়েই তিন ভাগ হয়ে গেছে। মাঝখানে পানির ফোয়ারা। একটা রাস্তা গেছে বাড়ির মেন গেট পর্যন্ত। আর একটা গাড়ির গ্যারেজে। এবং আর একটা সুইমিং পুল ও বাগানের দিকে। বাগানে বিভিন্ন রকমের গাছ। আর সেই গাছে বিভিন্ন রং বেরঙের ছোট ছোট লাইট লাগানো। এটা রাত্রি বেলা হলেও চারিদিকে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। চারিদিকের সৌন্দর্য দেখে মায়া মুগ্ধ হয়ে গেলো।

চারিদিক দেখতে দেখতে এগিয়ে গেলো বাড়ির মেন দরজার কাছে। কেন জানি মায়ার আজ খুব ভয় করছে। কাঁপা কাঁপা হাতে কলিং বেলে চাপ দিল মায়া।

_.._.._.._.._.._.._.._.._.._.._.._.._.._.._.._.._..

আরমান নিজের রুমে সোফায় বসে আছে চোখ বন্ধ করে ও চোখের উপর এক হাত দিয়ে। কি হচ্ছে ওর সাথে ও কিচ্ছু বুঝতে পারছে না। আজ যখন ও ক্লাব থেকে বেরিয়ে অফিসে গেলো, তখন অফিসে কোনো কাজেই মন বসাতে পারছিল না। বার বার শুধু মায়ার বলা কথা গুলো মনে পড়ছিল। কেন জানি ও মানতে পারছিল না যে মায়া আজ অন্য কোনো পুরুষের সাথে রাত কাটাবে। সারাট

09/07/2025

#আমার_নিষ্ঠুর_ভালবাসা
#পর্ব_2
#লেখিকা_সালমা_খাতুন

আরমান মায়াকে এমনভাবে কিস করতে শুরু যে মায়ার ঠোঁট কেটে রক্ত বের হয়ে যাই। যেনো পুরো রাগটা মায়ার ঠোঁটের উপর ঝাড়ছে। কিন্তু মায়া কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় না। চুপচাপ সহ্য করে নেয়। এরপর ওরা মত্ত হয় সেই আদিম খেলায়। যা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু এতে কোনো ভালোবাসা ছিল না। ছিল শুধু আরমানে রাগ। যা মায়ার শরীরের উপর দিয়ে বয়ে গেলো। মায়া হাসিমুখে সব কিছু সহ্য করছিল, সে অনেক কষ্টে পাচ্ছিল তারপরও সে তার মুখে তার ব্যাথা প্রকাশ করতে দিচ্ছিল না। আরমান সারাটা রাত মায়ার সাথে কাটাই।

__________________

সকাল বেলা……

আরমান শাওয়ার নিয়ে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসে। তার পরে মায়া ওয়াশরুমে যায় এবং দরজা বন্ধ করে দেয়। ভিতরে যেতেই মায়ার সমস্ত যন্ত্রণা এবং কষ্ট তার চোখের অশ্রু হয়ে ঝরতে থাকে। মুখের উপর হাত চাপা দিয়ে নীরবে কান্নায় ভেঙে পড়ে। ঝরনার জল তার শরীরে পড়ছিল, তার শরীরে লাল এবং নীল চিহ্ন ছিল, যা বোঝায় যে আরমান কতটা নিষ্ঠুরভাবে তাকে আঁচড়ে খেয়েছে। তার শরীরে থেকে বেশি আত্মায় ব্যাথা লেগেছে। মায়া তার কণ্ঠস্বরকে চাপা দিয়ে কাঁদতে থাকে, কিছুক্ষণ পরে ব্যথাযুক্ত শরীর নিয়ে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসে।

আরমান পোশাক পরে রেডি হয়ে নিয়েছে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য। যাওয়ার আগে সে তার কোট থেকে একটি চেক বের করে মায়ার কাছে এসে চেকটি মায়ার দিকে ছুড়ে দেয়, "এই ধরো, তোমার রাতের সেবার মূল্য।"

মায়া, নিজের ভেতরের কষ্ট লুকিয়ে, নির্লজ্জভাবে চেকটা তুলে নিয়ে তাকায়। চেকে লেখা পরিমাণ দেখে মায়ার ঠোঁটে হাসি ফুটে ওঠে।

আরমানের দিকে তাকিয়ে বলল, "ধন্যবাদ স্যার, পরিমান দেখে মনে হচ্ছে আপনি আমার সার্ভিস খুব পছন্দ করেছেন, অবশ্যই আবার আসবেন।"

আরমান মায়ার চুল মুঠো করে ধরে একটু কাছে নিয়ে আসে, এতে মায়া ব্যাথা পাই কিন্তু মুখে প্রকাশ করে না। আরমান রাগে দাঁত কিড়মিড় করে বলল, "প্রশ্নই আসে না, এই আরমান শাহরিয়ার একবার যেই জিনিস ব্যবহার করে তাতে দ্বিতীয়বার আর হাত দেয় না।”

মায়া একটু মন খারাপের ভান করে বলে, , "ওহ, এর মানে আমি আর আপনার সাথে রাত কাটানোর সুযোগ পাব না। সমস্যা নেই, আপনি না হলে অন্য কোন মোটা পার্টি ঠিকই পেয়ে যাবো, শহরে এমন লোকের অভাব নেই, যাইহোক, আজ রাতে আমার আরেকজন ব্যবসায়ীর সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে, তার জন্যও প্রস্তুত হতে হবে, একটি

09/07/2025

"আমি তোমাকে কিনছি, পুরো এক মাসের জন্য, আজ থেকে পুরো একমাস তুমি শুধু আমার বিছানায় থাকবে, এই এক মাসে তোমাকে শুধু আমাকে খুশি করতে হবে, এই সময়ের মধ্যে অন্য কারো দিকে তাকাতেও পারবে না তুমি। তাই আমি যা বলবো চুপচাপ শুনবে" আরমান শাহরিয়ার, মায়ার কানের কাছে এসে খুব লোভনীয় কণ্ঠে কথা গুলো বললেন, যার কারণে মায়ার লোমকূপ দাঁড়িয়ে গেল।

কিছুক্ষণ আগে...

একটা বড় ঘরে একটা সিঙ্গেল সোফায় একজন হ্যান্ডসাম ব্যাক্তি বসে আছে, আর তার সামনে অনেক গুলো মেয়ে একটা লাইন করে দাঁড়িয়ে আছে, সব মেয়েই একে অপরের থেকে অনেক বেশি সুন্দরী, তাদের মুখে লেগে আছে খুব লোভনীয় হাসি।

এখানে তাদেরকে চোখের সামনে বসে থাকা একজন বিশেষ ব্যাক্তির সামনে হাজির করা হয়েছে, তিনি দেখতে খুবই সুদর্শন এবং শহরের একজন বড় ব্যবসায়ী।

পুরো শহরে এই লোকটির অনেক মর্যাদা আছে, তার নাম আরমান শাহরিয়ার, 28 বছরের একজন খুব সুদর্শন যুবক, তার চেহারা এবং তার পেশীবহুল শরীর এমন ছিল যে সে যে কোনও মেয়েকে তার প্রেমে পড়তে বাধ্য করবে। কিন্তু আরমান শাহরিয়ার প্রেম শব্দটি পছন্দ করেন না। সে তার জীবনের প্রতিটি সম্পর্ককে কেবল নিজের মতলবের জন্য বানিয়েছে।

আর ভালবাসা?? ভালবাসা কি, কেমন তার অনুভূতি সে বিষয়ে তার কোনো ধারণা ছিল না,
আরমান শুধু মনে করে যে, আবেগ, অনুভূতি শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে অসহায় করে তোলে।
তাই তার কাছে অনুভূতি, আবেগ এসবের কোনো মূল্য ছিল না, যদি কোনো কিছুর মূল্য থাকে তাহলে তা হলো সম্পদ, খ্যাতি, মর্যাদা এবং তার নিজস্ব মনোভাব।

আরমান শাহরিয়ার তার ঠান্ডা চোখে দূর থেকে মেয়েদের স্ক্যান করছিল, আর পাশে বসে তার নতুন ব্যবসায়িক অংশীদার আরমানকে বলছে, "এরা আমাদের ক্লাবের কিছু সুন্দরী নৃত্যশিল্পী, আপনি আজ রাতে বিনোদনের জন্য তাদের মধ্যে থেকে যেকোনো একজনকে বেছে নিতে পারেন। আমাদের নতুন ব্যবসায়িক চুক্তির জন্য এটি আমার পক্ষ থেকে একটি ছোট উপহার।"

লোকটির ঠোঁটে ছিল নির্লজ্জ হাসি, আরমান শাহরিয়ার হাতে ওয়াইনের গ্লাস ধরে ওই সব মেয়ের দিকে তাকায়, সব মেয়েই খুব ভালোভাবে তৈরি হয়ে এসেছিল, যখনই তারা জানতে পারল যে তারা মিস্টার আরমান শাহরিয়ারের‌ সামনে হাজির হতে চলেছে, প্রত্যেক মেয়ের চোখেই একটা আলাদা উত্তেজনা আর নার্ভাসনেস ছিল, প্রতিটি মেয়েই চাই সে জেনো শুধু তাকে নিতে চায়।

এই সমস্ত মেয়েরা আরমান শাহরিয়ার এর জন্য পাগল ছিল, সবাই শুধু মনে মনে

 #প্রাপ্তি [দ্বিতীয় অধ্যায়] #বিনতে_ফিরোজসকল পর্বের লিংক একসাথে দেওয়া হলো--  পর্ব ১.https://www.facebook.com/615502323...
07/07/2025

#প্রাপ্তি [দ্বিতীয় অধ্যায়]
#বিনতে_ফিরোজ
সকল পর্বের লিংক একসাথে দেওয়া হলো--



পর্ব ১.
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122184390296007745/?app=fbl

পর্ব ২:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122184735026007745/?app=fbl

পর্ব ৩:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122184812948007745/?app=fbl

পর্ব ৪:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122185193582007745/

পর্ব ৫ (প্রথমাংশ):
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122185577282007745/?app=fbl

পর্ব ৫(শেষাংশ):
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122185822490007745/

পর্ব ৬:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122186094962007745/?app=fbl

পর্ব ৭:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122186361806007745/

পর্ব ০৮:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122186989598007745/

পর্ব ৯:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122187282428007745/

পর্ব ১০:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122187328586007745/?app=fbl

পর্ব ১১:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122187490310007745/

পর্ব ১২:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122187893036007745/?app=fbl

পর্ব ১৩:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122188087574007745/?app=fbl

পর্ব ১৪:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122188267022007745/?app=fbl

পর্ব ১৫:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122188454966007745/

পর্ব ১৬:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122188833224007745/?app=fbl

পর্ব ১৭:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122189218196007745/

পর্ব ১৮:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122190266072007745/?app=fbl

পর্ব ১৯:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122190638324007745/?app=fbl

পর্ব ২০:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122191099958007745/?app=fbl

পর্ব ২১:
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122191267346007745/?app=fbl

পর্ব:২২
https://www.facebook.com/61550232351899/posts/122191464518007745/?app=fbl

পর্ব ২৩:
http

 #প্রাপ্তি  {প্রথম অধ্যায়} #বিনতে_ফিরোজ সকল পর্বের লিংক একত্রে:সূচনা পর্ব:https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=12...
07/07/2025

#প্রাপ্তি {প্রথম অধ্যায়}
#বিনতে_ফিরোজ



সকল পর্বের লিংক একত্রে:

সূচনা পর্ব:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122138654750007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ২:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122139126074007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ৩:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122139637316007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ৪:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122140230392007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ৫:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122140684748007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ৬:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122141220890007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ৭:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122141636714007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ৮:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122142110486007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

বোনাস পর্ব:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122142384200007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ৯:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122142615920007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ১০:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122142881792007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ১১:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122143255280007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ১২:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122143494662007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ১৩:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122143672268007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ১৪:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122143909778007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ১৫:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122144166530007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ১৬:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122144371706007745&id=61550232351899&mibextid=Nif5oz

পর্ব ১৭:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=122144580620007745&id=6155023235189

(অনেক কষ্টের একটি গল্প।) 😓😓😓​~~একটি ছেলে একটি মেয়েকে খুবভালোবাসতো।~~মেয়েটিও ছেলেটিকে অনেকভালোবাসতো।~~20 নভেম্বরে মেয়েটির...
07/07/2025

(অনেক কষ্টের একটি গল্প।) 😓😓😓
​~~একটি ছেলে একটি মেয়েকে খুব
ভালোবাসতো।
~~মেয়েটিও ছেলেটিকে অনেক
ভালোবাসতো।
~~20 নভেম্বরে মেয়েটির জন্মদিন।
~~সবাই মেয়েটিকে দামি
দামি গিফট করে,,
~~কিন্তু ছেলেটির কাছে টাকা না
থাকার কারনে সে কিছুই গিফট
করতে পারে না।
~~তাই মেয়েটি রাগ করে।
ছেলেটি কথা দেয়,আগামী জন্মদিনে
মেয়েটিকে অনেক দামী
কিছু গিফট করবে।
তারপর অনেক দিন কেটে যাই।
মেয়েটির জন্মদিন তো
আর মাত্র ৪ দিন বাকি।
কিন্তু এবারও ছেলেটির
কাছে টাকা নেই,
কি করবে কিছুই ভেবে
পাচ্ছেনা ছেলেটি।দুজনে পাশাপাশি
রাস্তায় হাটছিলো আর
আনমনে ছেলেটি ভাবছিল.।
হঠাৎ করেই একটি ট্রাক
মেয়েটিকে ধাক্কা দেয়।
ছেলেটি চিৎকার করে উঠে।
মেয়েটির পরে থাকা
দেহটিকে কাধে তুলে নিয়ে দৌড়ে
হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ছেলেটি ভেঙে পরে, এই
মেয়েটিই একমাত্র বেচে থাকার
সম্বল ছেলেটির জন্য।
ডাক্তারের সাথে কথা
বলে জানতে পারে
মেয়েটির দুটো কিডনিই
নষ্ট হয়ে গেছে।
ছেলেটি কি করবে কিছুই
ভেবে পায় না।
আজ ১৯ নভেম্বর।
মেয়েটি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলো।
কিন্তু ছেলেটি কোথায়??
ছেলেটির ফোনটা
বারবার বন্ধ পাচ্ছে মেয়েটি।
আজ ২০ নভেম্বর মেয়েটির
জন্মদিন। অবাক কান্ড!!
আজকে ছেলেটির কোনো খোজ নেই।
মেয়েটি ছেলেটির
বাড়িতে যায় কিন্তু

ছেলেটি যে আর নেই।
কেউ একজন মেয়েটিকে
একটি কবর দেখিয়ে দেয়।
মেয়েটির চোখে
অজান্তেই পানি এসে পরে।
কবরের পাশেই একটি চিঠি।
উপরে মেয়েটির নাম লিখা।
মেয়েটি চিঠি পরতে শুরু করে।
“প্রিয়তমা,
যখন তোমার হাতে আমার
চিঠি পৌছবে,
তখন আমি চিরদিনের
জন্য অনেক দূরে থাকবো।
অচেনা পথের একটি কোনায়।
যেখান থেকে কেউ কখনো
ফিরে আসে না।
বলেছিলাম তোমার
জন্মদিনে তোমাকে
দামি কিছু গিফট করবো।
তাই নিজের জীবনটাই
গিফট করলাম।”
মেয়েটি চিঠি পড়ছে আর
দু চোখ দিয়ে
অজস্র পানি ঝরছে।
মেয়েটি চিঠির বাকিটুকু
আর পরতে পারলো না।
হাওমাও করে কেদে উঠলো।
চিৎকার করে বলতে
থাকলো, চাইনা আমার
এমন গিফট।
তুমি ফিরে এসো।
মেয়েটি পাগলের মতো
চিৎকার করে
কান্না করতে লাগলো।
কিছুতেই তার চোখের
পানি বন্ধ হয় না।
সে অনবরত কাঁদতেই থাকে।
ছেলেটির কবর জরিয়ে
ধরে চিৎকার করে কাদতে থাকে।
বুকের ভেতরটা ব্যাথা
করতে থাকে।
এ কান্না যেনো থামার নয়………! 😓
বি:দ্র:- ছেলেটি তার নিজের কি"ড"নি মেয়েটি"কে দিয়ে দেয়। আজকাল এমন ভালোবাসা খুবই কম দেখা যায়। গল্পটা সম্পূর্ণই কাল্পনিক এর সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। তবে কিছু কিছু কথা হয়তোবা মিলে যেতে পারে।

Address

Chakaria
Cox's Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AB NorrriiiN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share