MD.Nurul Amin

MD.Nurul Amin " لاتقنطوا من رحمة الله "
“ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না ” সূরা আয- যুমার : ৫৩

08/06/2026

দীর্ঘদিনের হাহাকার, দুঃসহ প্রতীক্ষা ও বিষণ্নতার গহ্বর অতিক্রম করে অবশেষে কক্সবাজার স্বস্তির সুশীতল নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে; যেন অবসন্ন জনপদের বুকে পুনরায় আশার সঞ্জীবনী সুধা প্রবাহিত হয়েছে।

28/05/2026
With Dhakapost.com – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
28/05/2026

With Dhakapost.com – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

27/05/2026

কোরবানির ইতিহাস বিদগ্ধ আলেমের মুখে শুনেন

With Muslimun tv – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
25/05/2026

With Muslimun tv – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

24/05/2026

কোরবানির সূচনা

ইতিহাস ও জীবনীমূলক কিতাবাদি অধ্যয়ন করলে বুঝা যায় যে, পৃথিবীতে এমন কোন জাতি ছিল না যারা স্বীয় মাযহাব অনুসারে কোরবানি করেনি। কোরবানির এ ধারা, আদম (আ.)-এর পুত্র হাবিল-কাবিলের যুগ থেকে প্রবাহমান। হযরত আদম (আ:)-এর সন্তান হাবিল-কাবিলের মাঝে তাদের বোন আকলিমার বিবাহ নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দিলে হযরত আদম (আ:) তাদেরকে ইখলাছের সহিত কোরবানি করার নির্দেশ দিয়ে বলেন: তোমাদের মধ্যে যার কোরবানি কবুল হবে তার সঙ্গেই এ মেয়েকে বিবাহ দেওয়া হবে। হযরত আদম (আ:) এর নিশ্চিত বিশ্বাস ছিল যে, যে সত্য পথে আছে তার কোরবানিই গৃহীত হবে। তখনকার যুগে কোরবানি গৃহীত হওয়ার একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন ছিল এই যে, আকাশ থেকে একটি অগ্নিশিখা এসে কোরবানিকে বস্মীভূত করে আবার অন্তর্হিত হয়ে যেত। আর যে কোরবানি অগ্নি ভস্মীভূত করত না তাকে প্রত্যাখ্যাত মনে করা হত।

হাবিল ভেড়া, দুম্বা ইত্যাদি পশু পালন করত। সে তার পশুগুলো থেকে বেছে উৎকৃষ্ট একটি দুম্বা কোরবানি করল। আর কাবিল ছিল একজন কৃষক। সে কিছু শস্য, গম ইত্যাদি কোরবানির জন্য পেশ করল। অত:পর নিয়মানুযায়ী আকাশ থেকে একটি অগ্নিশিখা অবতরণ করে হাবিলের কোরবানিটি ভস্মীভূত করে দিল এবং কাবিলের কোরবানি যেমন ছিল, তেমনি পড়ে রইল অর্থাৎ হাবিলের কোরবানি আল্লাহ কবুল করে নিলেন কিন্তু কাবিলের কোরবানি আল্লাহ কবুল করলেন না। সেই ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে আল্লাহ তা'য়ালা কোরআন মাজিদে এরশাদ করেছেন "হে হাবিব (সা:) আপনি তাদেরকে (আহলে কিতাবদেরকে) আদমের পুত্রদ্বয়ের (হাবিল ও কাবিলের) ঘটনা সঠিকভাবে পাঠ করে শুনিয়ে দিন; যখন তারা উভয়েই এক একটি কোরবানি উপস্থিত করল এবং তন্মধ্য হতে একজনের (হাবিলের) কোরবানি কবুল হল অপরজনের কোরবানি কবুল হল না। অপরজন বলতে লাগল: আমি তোমাকে নিশ্চয়ই হত্যা করবো; প্রথমজন বলল: আল্লাহ
খোদাভীরুদের আমলই কবুল করে থাকেন"। (আল মায়েদা ৬/২৭)

অত:পর হযরত আদম (আ:) নিজ সুন্দরী মেয়ে আকলিমাকে বিবাহ দেওয়ার জন্য যে মাপকাঠি নির্ধারণ করেছিলেন, সে মাপকাঠি অনুযায়ী হাবিল তাকে বিবাহ করার অনুমতিপ্রাপ্ত হলো। আর কাবিল বিয়ে করতে ব্যর্থ হল। এতে কাবিলের জেদ আরো বৃদ্ধি পেল। সে বলল: হে হাবিল আমি তোমার কারণে সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করতে ব্যর্থ হয়েছি, তাই আমি তোমাকে হত্যা করব। হাবিল তখন ক্রোধের জওয়াবে ক্রোধ প্রদর্শন না করে একটি মার্জিত ও নীতিগত বাক্য উচ্চারণ করল। এতে কাবিলের প্রতি তার সহানুভূতি ও শুভেচ্ছা ফুটে উঠেছিল। সে বলল: আল্লাহ তা'য়ালার নিয়ম এই যে, তিনি খোদাভীরুদের কর্মই গ্রহণ করেন। তুমি খোদাভীতি অবলম্বন করলে তোমার কোরবানিও গৃহীত হত। তুমি তো তা করনি, তাই তোমার কুরবানি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। এতে আমার দোষ কি? আর তুমি আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে আমার দিকে হাত প্রসারিত করলেও আমি তোমাকে হত্যা করতে তোমার দিকে হাত প্রসারিত করব না। কারণ আমি বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করি। আমি চাই যে, আমার পাপ ও তোমার পাপ তুমি নিজের মাথায় চাপিয়ে নাও। অতঃপর তুমি জাহান্নামীদের অর্ন্তভুক্ত হয়ে যাও। এটাই অত্যাচারীদের শাস্তি।

একদিন হযরত আদম (আ:) হজ পালনের উদ্দেশ্যে পবিত্র মক্কায় তাশরীফ নিয়ে গেলেন। কাবিল এই সুযোগকে হাত ছাড়া করেনি। সে এই সুযোগে তার ভাই হাবিলকে হত্যা করে ফেলল। হত্যার পরে কাবিলের মন গলে যায় এবং সে অনুভব করে, আহারে! এত বড় ভুল করে ফেললাম। নিজের ভাইকে নিজ হাতে হত্যা করে দিলাম! এর চেয়ে বড় ধৃষ্টতা আর কি হতে পারে? ভেতরে ভেতরে সে অনেক অনুতপ্ত হল এবং নিজের অপকর্ম কিভাবে ঢাকবে তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেল। তখনো পর্যন্ত পৃথিবীতে মৃতদেহ সৎকারের ব্যাপারে বিশেষ কোন নিয়ম ছিল না। কারণ এর আগে আর কোন মানুষের মৃত্যু ঘটেনি। মৃতদেহটিকে নিয়ে কি করবে এ নিয়ে যখন সে চিন্তায় মগ্ন, তখন সে দেখতে পেল, একটি কাক তার ঠোঁট দিয়ে ঠুকরে ঠুকরে একটি গর্ত করল অত:পর সেই গর্তে একটি মৃত কাককে টেনে এনে কবর দিয়ে দিল। এটি দেখে কাবিল ভাবল, তাকেও হয়ত এভাবে কবর দিতে বলা হচ্ছে। তাই একটি গর্ত করে সে তার ভাইকে কবর দিয়ে দিল। ইসলামের ইতিহাসে এটিই ছিল মানবজাতির প্রথম কবর।

পবিত্র কোরআনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আয়াত রয়েছে, যাতে এ কথা উল্লেখ আছে যে, "যে ব্যক্তি কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করলো, সে যেন পৃথিবীর সব মানুষকেই হত্যা করলো। আর যে ব্যক্তি কারো জীবন রক্ষা করলো সে যেন পৃথিবীর সব মানুষের জীবনই রক্ষা করল" (সূরা আল মায়িদাহ ৬/৩২) নাবী কারিম (সা:) বলেছেন যে, "পৃথিবীতে যত অন্যায় হত্যাকান্ড সংঘটিত হবে, তার পাপের একটা ভাগ আদম (আঃ)- এর প্রথম পুত্রের ওপরও বর্তাবে। কারণ সে-ই প্রথমে হত্যার রীতি চালু করে"।

🔹বিভিন্ন তাফসীর ও হাদিসের কিতাবাদি থেকে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে, সর্বপ্রথম হাবিল ও কাবিল তাদের কোরবানি দিয়ে ছিল বর্তমান দামেস্কের নিকটে যা বর্তমান সিরিয়ার রাজধানী। আর দামেস্কের নিকটেই "হাইলে কাসিউন" নামক একটি স্থান রয়েছে, সেখানে একটি বিশেষ স্থানে হাবিল নিহত হয়েছে বলে মনে করা হয়। এ জন্য হাজার হাজার লোক ঐ স্থানে জিয়ারত করতে যায়।

আল্লামা আসাকির (র.) আহমদ বিন কাসিরের জীবনী গ্রন্থে তাঁর এক স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে বলেন: আহমদ বিন কাসির (র.) হুজুর (স:) কে স্বপ্নে দেখেছিলেন। হুজুর (স:) এর সাথে হাবিল-কাবিলও ছিল। হাবিল শপথ করে বলল যে, ইহাই আমার নিহত হওয়ার স্থান। আর হুজুর (স:) তার কথা সত্য বলে স্বীকার করলেন।

পরিশেষে মহান আল্লাহ তা'য়ালার নিকট প্রার্থনা করছি যে, তিনি যেন আমাদের সকলকে অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা, হত্যায় উদ্বুদ্ধ করা বা সহযেগিতা করা থেকে বাঁচিয়ে রাখেন।

23/05/2026

যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশদিন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ দিন

হযরত জাবির থেকে বর্ণিত, রাসূলে কারীম বলেন
-وَعَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - - قَالَ : " أَفْضَلُ أَيَّامِ الدُّنْيَا أَيَّامُ الْعَشْرِ " - يَعْنِي عَشَرَ ذي الحجة - قيل : وَلَا مِثْلُهُنَّ فِي سَبِيلِ اللَّهِ؟ قَالَ: " وَلَا مِثْلُهُنَّ فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِلَّا رَجُلٌ عَفْرَ وَجْهَهُ فِي التَّرَابِ

رَوَاهُ الْبَزَّارُ، وَإِسْنَادُهُ حَسَنٌ، وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ

অর্থ: দুনিয়ার সর্বোত্তম দিনগুলো হল, যিলহজ্জের দশদিন। জিজ্ঞাসা করা হল, আল্লাহর রাস্তায়ও কি (জিহাদ করা) তার সমতুল্য নয়? তিনি বলেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাও তার সমতুল্য নয়। তবে ঐ ব্যক্তি, যার চেহারা ধূলিযুক্ত হয়েছে। (অর্থাৎ, শাহাদাত লাভ করেছে।)

23/05/2026

আরাফার দিনের রোযার ফজিলত:

عن قتادة رضي الله تعالي عنه قال قال رسول الله صلي الله عليه وسلم صيام يوم عرفة احتسب على الله ان يكفر السنة التي قبله والسنة التي بعده

অর্থ: হযরত কাতাদাহ (রা:) থেকে বর্নিত তিনি বলেন যে, রাসূল (সা:) ইরশাদ করেন: ইয়াওমে আরাফা তথা ৯ই জিলহজ্বের রোযা বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের কাফ্ফারা স্বরূপ অর্থাৎ তার আগে ও পরের (দুই) বৎসরের (ছগীরা) গুনাহ মাফ করে দিবেন। (তিরমিজি শরিফ)

23/05/2026

হাদিসের আলোকে জিলহজ্বের প্রথম দশকের ফজিলত:

জিলহজ্বের প্রথম নয় দিনের রোজার ফজিলত সম্পর্কে হুজুর (সা:) ইরশাদ করেন:

عن ابي هريرة رضي الله تعالي عنه قال قال رسول الله صلي الله عليه وسلم ما من ايام احب الى الله ان يتعبد له فيها من عشر ذي الحجة يعدل صيام كل يوم منها بصيام سنة وقيام كل ليلة منها بقيام ليلة القدر (رواه الترمزي وابن ماجة)

অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা:) ইরশাদ করেন: আল্লাহর ইবাদতের নিমিত্তে জিলহজ্বের প্রথম দশ দিনের চেয়ে শ্রেষ্ঠতম কোন আমল নেই, ১লা জিলহজ্ব থেকে ৯ ই জিলহজ্ব পর্যন্ত প্রত্যেক দিনের রোযা এক বৎসরের রোযার সমতুল্য এবং প্রত্যেক রাতের ইবাদত শবে কদরের ইবাদত সমতুল্য।

Address

Koraill Chara, South Mithachari, Ramu
Cox’s Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD.Nurul Amin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share