Nasir’s Opinion

Nasir’s Opinion প্রতিটি থাকার পাশে না থাকা অধিক,
গাছে থাকা ফুলটিরও শুন্য চারদিক!!

09/07/2026

Raw !!!

26/03/2026

When Sikandar Raja also act like Jamaat Ameer, Is Sikandar Raja also Jammat Shibir?

12/03/2026

কুমিল্লা-১১ তে বিএনপি প্রার্থী জনাব কামরুল হুদা সাহেবকে ভোট না দিয়ে এখন মনে হচ্ছে আমি উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কিছু দিন আগেও যখন দেখছি, আমাদের নির্বাচিত প্রার্থী জামায়াতের নায়েবে আমির জনাব সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের নির্বাচিত হওয়ার পর মানুষের সাথে যে কমিউনিকেশন এক্সপেক্ট করেছিলাম তা ব্যাহত হচ্ছে। যে মানুষগুলো উনাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছিলো তাদের সাথে উনার দূরত্ব উপলক্ষিত হচ্ছিল। আবার যেসব প্রতিশ্রুতি, আশা, ভরসা এবং আকাঙ্খা ছিলো তার ছিঁটেফোঁটাও আমরা দেখছি না।
মনে হচ্ছে নির্বাচনের পরে চৌদ্দগ্রাম যেন অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে আছে। এ যেন এতিমের রাজ্য।এসব কারনে মনে হতো উনাকেও ভোট দিয়ে ভুল করেছি হয়তো। কারন আমি বরাবরই জীবনে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে অনেক ভুল করি।

ফ্যাসিবাদ আমলে অনেক ডামি নির্বাচনের সম্মুখীন হয়েছি।
আমার আশেপাশের প্রতিবেশ,বন্ধুবান্ধব মজা করার ছলে হলেও ভোট কেন্দ্রে গিয়েছে। যারা ভোটার হয়নি তারাও ভোট দেয়ার সুযোগ পেয়েছে। কে কয়টা ভোট দিয়েছে এগুলো নিয়ে আনন্দ উল্লাস করতো। কেউ ১শ - ২শ বা হাজার ভোটও দিয়েছিলো, ইভেন ভোট দেয়ার পর বলতো এতো এতো সিল মেরেছি হাত ব্যথা হয়ে গেছে।

এতো কিছুর মাঝেও আমি নিজেকে সংযত রেখেছিলাম। ফ্যাসিবাদ আমলে একবারও কারনে-অকারনে ভোট দেয়ার ইচ্ছে হয়নি। এবং এই ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে একটা ভোটও দিই নি। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে থেকেছি। ছাত্রলীগকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। হল কালচার দেখেছি।
হলে থাকলে কি কি করতে হয়, মানতে হয় সেই আলাপে না ই গেলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি ই একমাত্র ব্যক্তি হয়তো প্রাউডলি বলতে পারি, ছাত্রলীগ কখনো আমাকে নিয়ে একটা মিটিং করতে পারে নাই। আমাকে দিয়ে কোনো মিছিল কিংবা স্লোগান দেয়াতে পারে নাই।এটাও সম্ভব? কেউ বিশ্বাসও করতে পারবে না। শুধু আমার হলের বন্ধু-বান্ধব ই এর রাজসাক্ষী। আমার একটা নেতার সাথে ছবি বা কোনো মিটিং মিছিলের ছবি পর্যন্ত কেউ দেখাতে পারবে না। বরং হলে বসেই আমি আওয়ামিলীগ এর অন্যায়,অত্যাচার ও অনিয়মের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেছি। সেই মেলা আলাপ।

জনাব কামরুল হুদা সাহেবের ব্যাপারে আলাপ দেই। উনি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র। দেখে সুজন মনে হয়। ফ্যাসিবাদ আমলে তার নানারকম স্যাক্রিফাইস দেখেছি। স্রোতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একা মাঠে রাজনীতি করতে দেখেছি। তাকে আমার বরাবরই মজলুম মনে হয়। আমি সবসময়ই মজলুমদের পক্ষে।উনার আত্মত্যাগকে এপ্রিশিয়েট করি।

গত ত্রয়োদশ নির্বাচনে তিনি বিপুল ব্যবধানে হেরেছেন। তিনি হারবে এইটা স্বয়ং বিএনপি-আওয়মীলগের কর্মী সমর্থকরাও আগে থেকে জানে। তাও তিনি লড়াই করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বীতা মুলক নির্বাচনের স্বাক্ষী হয়েছেন।সেটিই গনতন্ত্রের সৌন্দর্য।
কিন্তু হারার পর তিনি এতদিন চুপ ছিলেন, হটাৎ কইরা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট ইন্জিনিয়ারিং এর অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। যেইটা অত্যন্ত বিব্রতকর। অন্তত বিএনপির জন্য।
এতদিন ধরে জামায়াত জোট অভিযোগ করছিলো যে, নির্বাচন ইন্জিনিয়ারিং হয়েছে। তাদেরকে ইচ্ছে করেই হারিয়ে দেয়া হয়েছে।
কিন্তু একই অভিযোগ যখন বিএনপির পক্ষ থেকে করা হলো তখন নির্বাচন ইন্জিনিয়ারিং এর বৈধতা তৈরী হলো।
যখন বিএনপি থেকে ইন্জিনিয়ারিং এর অভিযোগ আসলো তখন আমরা ধরেই নিতে পারি। আসলেই কিছু একটা হয়েছে। এবং এই তিলে ঘি ঢাললো বিএনপি নিজেই।

কামরুল হুদা সাহেব জনাব তারেক রহমানের এটেনশান পেতে চাচ্ছে এইটা দেখেই বুঝা যায়। তাই বলে এভাবে বিএনপিকে পঁচিয়ে? এইরকম রাজনীতিবিদ থাকা আমার মনে হয় বিএনপির সর্বনাশের কারন। বিএনপিকে ডুবাতে এরা কয়েকজনই যথেষ্ট।

আমার প্রত্যাশা থাকবে কামরুল হুদা সাহেব যেন, রাজনীতিবিদ হিসেবেই রাজনীতিটা করুক। উনি যখন নিজের প্রয়োজনীয়তা দলকে বুঝাতে সক্ষম হবেন। দলই উনাকে কাছে টেনে নিবেন। উনার জার্নি তো মাত্র শুরু। রাজনীতিতে শেষ বলতে কিছু নাই। উনি উনাকে তৈরী করতে পারলে আমরাও উনাকে কুমিল্লা -১১ আসনের বিকল্প হিসেবে ভাববো একদিন।
কিন্তু উনি যদি বর্তমান মেনে না নিয়ে এসব মূর্খতামি করে, উনি আরও মানুষের মন থেকে মাইনাস হতে থাকবে।
মিলাই নিয়েন।
একটা সময় উনার বিরুদ্ধে কলা গাছ দাঁড়াইলেও মানুষ কলা গাছকে ভোট দিবে।

23/02/2026

যে মানুষটি বুকের ওপর দম বন্ধ হওয়া যন্ত্রণা ও ক্লান্তি নিয়ে একটু একটু করে তোমার সামনে এগিয়ে এসে চোখের দিকে তাকিয়ে কোমল সুরে জিজ্ঞেস করলো তুমি ঠিক আছো কি-না!

সে প্রশ্নে তুমি বুক ভাঙা যন্ত্রণায় হাউমাউ করে কেঁদে নিও। সে এগিয়ে এসেছে এই বিশ্বাসে তুমি তাঁর উপস্থিতিতে শান্ত হয়ে যাও, ভুলে যাও বুক চেপে ধরা ব্যথার কথা। সত্যিই কি তাই নয়?

ছোট্ট শিশুর হাতে কাঁটা চামচ দিয়ে রাখলে সেটি যদি তোমার চোখে আ'ঘাত আনে তুমি কি পারবে তাকে দো'ষারোপ করতে? তাকে কি শাস্তি দেওয়া যায়? সে তো অবুঝ শিশু।

মানুষ আজীবন দুঃখ থেকে পালানোর চেষ্টা করে। তুমি তো সেই ছোট্ট অবুঝ শিশু আমার চোখে। কিভাবে তোমাকে তোমার দেওয়া ওসব নিত্যদিনের ছোটখাটো আঘাতের জন্য ছেড়ে যাই?

তবে বোধ করি দুঃখ পেতে পেতে একদিন নিজেকে ছেড়ে যেতে সক্ষম হবো। যেদিন আমিও শুধু নিজের দিক চিন্তা করতে পারবো, নিজেকে নিয়ে চিন্তা করবো। যেদিন সবার উর্ধ্বে থাকবে নিজের অস্তিত্ব, সেদিন আর তোমার দিকে তাকাবো না।

In words - Ashraf Ahmed

02/02/2026

শিবির নেতা যখন প্রতিদিন কন্সার্টে যায়।

18/01/2026

তুমি সত্যের মতো, তবু কল্পনা!

07/01/2026

কী সুন্দর স্নিগ্ধতার সাথে তুমি বলে দিলে; আমার অপেক্ষা করো না, রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে ফেরার পথ নেই। অথচ আমি দাঁড়িয়ে মস্তিষ্কে তোমার দেওয়া প্রতিশ্রুতি আর দেখানো স্বপ্নের পাহাড় নিয়ে।

তোমার স্মৃতির ওজনে নুইয়ে পড়ছে আমার ক্লান্ত দেহ! তবু্ও দাঁড়িয়ে অপেক্ষায়; আমার যে কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। সময় যত গড়ালো, তোমার না ফেরার সম্ভাবনা স্পষ্টতার সাথে নিশ্চিত করলো তুমি আর ফিরবেনা!

তোমার অনুপস্থিতিতে আমার অস্তিত্ব বিলীন হচ্ছে তিলেতিলে, দিশেহারা হয়ে ছোটাছুটির কোনো সুযোগ নেই। নিজেকে করেছিলাম তোমাতে উৎসর্গ; তুমি নেই, আমারও সময় ঘনিয়ে প্রায়।

যদি কখনো ফেরা হয়; আর আমাকে খুঁজে না পাও, তবে খুঁজে নিয়ো বিলীন হওয়ার শেষ সীমান্তে ছিটকে পড়ে থাকা আমাদের স্মৃতির টুকরো গুলো। কুড়িয়ে নিয়ো তোমাকে ঘিরে আমার অনুভূতির মহাকাশ। তখন অন্তত একটিবার স্বীকারোক্তি দিও- আমার মত আর কেউ তোমাকে ভালোবাসেনি।

In words - Ashraf Ahmed

05/12/2025

কাবেরী!

Address

Dhaka
3551

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nasir’s Opinion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nasir’s Opinion:

Shortcuts

Share

Category