শিশু চিকিৎসক ডা : সুজন

শিশু চিকিৎসক ডা : সুজন ডা:মো:সুজন মিয়া
এম বি বি এস (ই এম সি)
এম ডি (ফেইজ-বি )পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি
(পি জি হাসপাতাল)ঢাকা।

01/01/2026

Urticaria (আর্টিকারিয়া) বাংলায় সাধারণত আমবাত বা ছুলি নামে পরিচিত, যা ত্বকের একটি সাধারণ সমস্যা যেখানে লালচে, চুলকানিযুক্ত ফোলা দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা অনেকটা মশার কামড় বা বিছার কামড়ের মতো দেখতে এবং জ্বালাপোড়ার অনুভূতি হতে পারে। এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন: অ্যালার্জি (খাবার, ওষুধ), সংক্রমণ, মানসিক চাপ বা শারীরিক কারণ (যেমন: তাপ, চাপ), এবং এর চিকিৎসায় সাধারণত অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
#আমবাত (Urticaria) সম্পর্কে:
#লক্ষণ: ত্বকে লাল, উঁচু, চুলকানিযুক্ত দাগ (wheals) দেখা যায়, যা বিভিন্ন আকারের হতে পারে এবং কয়েক মিনিট থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।
#কারণ:
অ্যালার্জেন: খাবার (বাদাম, শেলফিশ), ওষুধ (অ্যান্টিবায়োটিক), পোকামাকড়ের কামড় বা হুল ফোটানো।
শারীরিক কারণ: ব্যায়াম, তাপ, ঠান্ডা, চাপ, জল, বা সূর্যের আলো।
অন্যান্য: কিছু ক্ষেত্রে, কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না (idiopathic urticaria)।
#প্রকারভেদ:
তীব্র (Acute): সাধারণত অ্যালার্জির কারণে হয় এবং কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয়।
দীর্ঘস্থায়ী (Chronic): ৬ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে, এটি দীর্ঘস্থায়ী আমবাত, যার কারণ প্রায়শই অজানা থাকে।
#চিকিৎসা:
অ্যান্টিহিস্টামিন: এটি মূল চিকিৎসা, যা চুলকানি কমায়।
কোর্টিকোস্টেরয়েড: গুরুতর ক্ষেত্রে।
কারণ শনাক্তকরণ: অ্যালার্জেন বা ট্রিগার এড়িয়ে চলা।
চিকিৎসকের পরামর্শ: সঠিক কারণ জানতে এবং উপযুক্ত চিকিৎসা পেতে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ (dermatologist) দেখানো উচিত, বিশেষত যদি এটি বারবার হয় বা গুরুতর হয় (যেমন: angioedema বা শ্বাসকষ্ট)।

31/12/2025

অস্টিওসারকোমা হলো এক ধরনের হাড়ের ক্যান্সার যা সাধারণত শিশুদের ও কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে দেখা যায়, যেখানে অস্বাভাবিক হাড় তৈরির কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে উঠে দুর্বল ও ক্যান্সারযুক্ত টিউমার তৈরি করে, যা প্রায়শই হাত-পায়ের দীর্ঘ হাড়ের (যেমন হাঁটুর কাছে) কাছাকাছি হয় এবং ব্যথা, ফোলা, বা সহজে হাড় ভেঙে যাওয়ার কারণ হতে পারে, এবং এর চিকিৎসায় সাধারণত কেমোথেরাপি ও অস্ত্রোপচার ব্যবহৃত হয়।
#কারণ ও ঝুঁকির কারণ
অস্টিওব্লাস্ট নামক হাড় গঠনকারী কোষের জেনেটিক পরিবর্তনের ফলে এটি ঘটে। কৈশোর ও যৌবনে হাড়ের দ্রুত বৃদ্ধির সময় এটি বেশি হয়, বিশেষত ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের মধ্যে।
এটি সাধারণত হাত ও পায়ের দীর্ঘ হাড়ে (ফিমার, টিবিয়া, হিউমেরাস) এবং হাঁটু, কাঁধ, বা নিতম্বের কাছে শুরু হয়, তবে যেকোনো হাড়ে হতে পারে।
#লক্ষণ
হাড় বা জয়েন্টে ব্যথা, যা প্রাথমিকভাবে উপেক্ষা করা যেতে পারে (বৃদ্ধির ব্যথা ভেবে)।
ফোলা বা পিণ্ড (Mass)।
অপ্রত্যাশিতভাবে হাড় ভেঙে যাওয়া।
ত্বকের নিচে লালচে ভাব বা বিবর্ণতা।
অজানা জ্বর।



30/12/2025

অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস (Obstructive Jaundice) বাংলায় পিত্তনালীতে বাধা জনিত জন্ডিস বা পোস্টহেপ্যাটিক জন্ডিস নামে পরিচিত, যা পিত্তথলি থেকে অন্ত্রে পিত্তের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে ঘটে, ফলে রক্তে বিলিরুবিন জমে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়, প্রস্রাব গাঢ় এবং মল ফ্যাকাশে (মাটির রঙের) হয়ে যায়। এর প্রধান কারণগুলো হলো পিত্তথলির পাথর, অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ (pancreatitis) বা ক্যান্সার এবং পিত্তনালীর টিউমার।
#লক্ষণ (Symptoms)
ত্বক ও চোখের হলুদ ভাব: বিলিরুবিন জমার কারণে হয়।
গাঢ় প্রস্রাব: প্রস্রাবের রঙ গাঢ় বাদামী বা চায়ের মতো হয়।
ফ্যাকাশে বা মাটির রঙের মল: পিত্ত না পৌঁছানোর কারণে মলের রং হালকা হয়ে যায়।
প্রচুর চুলকানি: পিত্ত লবণ ত্বকের নিচে জমা হওয়ার কারণে হতে পারে।
#কারণ (Causes)
পিত্তথলির পাথর: এটি সবচেয়ে সাধারণ কারণ, যা পিত্তনালীতে আটকে যায়।
অগ্ন্যাশয়ের সমস্যা: অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ (Pancreatitis) বা অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার।
টিউমার: পিত্তথলি, পিত্তনালী বা পিত্তের সাথে সম্পর্কিত অঙ্গের ক্যান্সার।
পিত্তনালীর সংকোচন (Stricture): কোনো কারণে পিত্তনালী সরু হয়ে গেলে।
#চিকিৎসা (Treatment)
কারণ নির্ণয়: আলট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান বা MRCP-এর মাধ্যমে বাধা কোথায় তা বের করা হয়।
#গুরুত্বপূর্ণ: অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস একটি গুরুতর অবস্থা। সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ এর কারণগুলো জীবন-হুমকিস্বরূপ হতে পারে।


18/12/2025




17/12/2025

#নিউরোফাইব্রোমাটোসিস (Neurofibromatosis বা NF) হলো একটি জেনেটিক ব্যাধি যা স্নায়ুতন্ত্র এবং ত্বককে প্রভাবিত করে, যার ফলে স্নায়ুতে টিউমার (নিউরোফাইব্রোমা) তৈরি হয়; এটি সাধারণত শৈশবে বা কৈশোরে ধরা পড়ে, বেশিরভাগ টিউমারই ক্ষতিকর (ক্যান্সারবিহীন) হলেও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন — শেখার অসুবিধা, শ্রবণশক্তি হ্রাস বা হাড়ের সমস্যা (স্কোলিওসিস), এবং এর প্রধানত দুটি ধরন (NF1 ও NF2) রয়েছে, যদিও কোনো নিরাময় নেই তবে চিকিৎসা উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
#প্রধান প্রকারভেদ:
(Type 1): এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরন, যা সাধারণত NF1 জিনের মিউটেশনের কারণে হয় এবং ত্বক ও স্নায়ুতে টিউমার, ক্যাফে-অ-ল্যাটে স্পট (ত্বকে বাদামী দাগ), এবং হাড়ের সমস্যা সৃষ্টি করে।
(Type 2): এটি কম দেখা যায় এবং শ্রবণ ও ভারসাম্য রক্ষার স্নায়ুতে টিউমার (ভেস্টিবুলার স্কোয়ানোমা) হওয়ার জন্য পরিচিত।
#সাধারণ লক্ষণ:
ত্বকে নরম, মাংসল টিউমার (নিউরোফাইব্রোমা)।
ত্বকে বাদামী দাগ (ক্যাফে-অ-ল্যাটে)।
চোখের স্নায়ুতে টিউমার (আইरिसের উপর)।
স্কোলিওসিস ( মেরুদণ্ড বাঁকানো) বা পায়ের হাড় বাঁকা হওয়া।
শ্রবণশক্তি হ্রাস, শেখার অসুবিধা, ভারসাম্যহীনতা।
#কারণ:
এটি জিনগত কারণে হয়, যা মূলত ক্রোমোজোমের (NF1-এর জন্য ক্রোমোজোম 17 এবং NF2-এর জন্য ক্রোমোজোম 22) পরিবর্তনের ফলে ঘটে।
#চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা:
নিউরোফাইব্রোমাটোসিসের কোনো প্রতিকার নেই, তবে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়।
নিয়মিত ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকা জরুরি, কারণ টিউমার বাড়তে পারে বা ম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সারযুক্ত) হতে পারে।
ওষুধ, ফিজিওথেরাপি, এবং কিছু ক্ষেত্রে সার্জারি বা অন্যান্য থেরাপির প্রয়োজন হতে পারে।


16/12/2025

স্ক্যাবিস (খোসপাঁচড়া) রোগীদের জন্য প্রধান পরামর্শ হল দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা এবং রোগের বিস্তার রোধে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা। নিচে বিস্তারিত পরামর্শ দেওয়া হলো:

১.গোসলের পর সমস্ত শরীর ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে।

২.প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার করা

৩.২ বছরের কম শিশুদের ক্ষেত্রে পারমেথ্রিন ক্রীম ঘাড়ে, কানে, মাথায় এবং মুখমন্ডলে ভালোভাবে লাগাতে হবে। লোশনের ক্ষেত্রে সমস্ত শরীরে ভালোভাবে লাগাতে হবে। চোখ ও মুখের চারিদিকে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৪.২ বছরের উপরে এবং প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে হাত ও আঙুলের ফাঁকে, শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে এবং যৌনাঙ্গের বহিরাংশে পারমেথ্রিন ক্রীম ত্বকে মিশে না যাওয়া পর্যন্ত লাগাতে হবে। লোশনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে গলার নিচ থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত সমস্ত শরীরে ভালোভাবে লাগাতে হবে।

৫.ব্যবহারের ১২-২৪ ঘন্টা পর সাবান ও গরম পানিতে ভালো করে গোসল করে ফেলতে হবে। ৮ ঘন্টার মধ্যে পানিতে ধুয়ে গেলে পুনরায় লাগাতে হবে।

৬.প্রয়োজনে ৭ দিন পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী একই নিয়মে ব্যবহার করতে হবে।

৭.চিকিৎসার পর চুলকানি কয়েকদিন পর্যন্ত থাকতে পারে, তাই ধৈর্য ধরতে হবে।

৮.আক্রান্ত ব্যক্তির কাপড়, তোয়ালে এবং বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুতে হবে এবং নিয়মিত ঘর পরিষ্কার পরিছন্ন রাখতে হবে।

৯.স্ক্যাবিস খুব ছোঁয়াচে, তাই পরিবারের সকল সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা করাতে হবে, এমনকি যদি তাদের কোনো লক্ষণ নাও থাকে।

১০.স্ক্যাবিসের সঠিক চিকিৎসা না করা হলে এটি আরও জটিল হতে পারে।

১১.চিকিৎসা চলাকালীন বা পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে সরাসরি ত্বক থেকে ত্বকের সংস্পর্শ (skin-to-skin contact) এড়িয়ে চলুন

13/12/2025
12/12/2025

" indrawing" (বুকে শ্বাস টানার সময় ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া) হলো এমন একটি লক্ষণ যেখানে শ্বাস-প্রশ্বাসের পেশীগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কাজ করে, যার ফলে পাঁজরের মধ্যবর্তী স্থান বা বুকের নিচের অংশ শ্বাস নেওয়ার সময় ভেতরের দিকে ঢুকে যায়। এটি শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর সমস্যার একটি ইঙ্গিত এবং এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি।
#এই লক্ষণের সম্ভাব্য কারণগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:
#অ্যাজমা (হাঁপানি) আক্রমণ: গুরুতর অ্যাজমা অ্যাটাকের সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হলে এই লক্ষণ দেখা যায়। [1]
#নিউমোনিয়া: ফুসফুসের সংক্রমণ তীব্র আকার ধারণ করলে শ্বাসযন্ত্রে চাপ পড়ে।
#ব্রঙ্কিওলাইটিস: সাধারণত ছোট শিশুদের মধ্যে দেখা যায় এমন একটি ভাইরাসজনিত রোগ।
#উপরের শ্বাসনালীতে বাধা: গলায় বা শ্বাসনালীর উপরের অংশে কিছু আটকে গেলে বা সংক্রমণ হলে। [1]
: শিশুদের মধ্যে কণ্ঠনালীর এক ধরনের সংক্রমণ।
#গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
বুকে শ্বাস টানার সময় ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া (chest indrawing) দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন। এটি নির্দেশ করে যে ব্যক্তিটি পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাচ্ছেন না।
যদি এই লক্ষণটি দেখা যায়, বিশেষ করে শিশু বা বয়স্কদের ক্ষেত্রে, অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতাল যোগাযোগ করুন।


11/12/2025

প্রোজেরিয়া সিনড্রোম (Hutchinson-Gilford Progeria Syndrome - HGPS) হলো শিশুদের মধ্যে দ্রুত বার্ধক্যের একটি বিরল জিনগত ব্যাধি, যার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো— বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া, শরীরের চর্বি ও চুল কমে যাওয়া, বয়স্কদের মতো ত্বকের পরিবর্তন (বলিরেখা), জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি এবং মুখাবয়ব অস্বাভাবিক হয়ে পড়া, যদিও তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ স্বাভাবিক থাকে এবং তাদের গড় আয়ু প্রায় ১৪-২০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

11/12/2025

#অ্যালাগিল সিনড্রোম (Alagille Syndrome) হলো একটি বিরল বংশগত রোগ যা লিভার, হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ও কঙ্কালসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে প্রভাবিত করে; এর ফলে শিশুদের লিভারের নালী সরু হয়ে যায়, কোলেস্টেসিস (পিত্ত জমে থাকা) দেখা দেয়, হৃৎপিণ্ডে জন্মগত ত্রুটি এবং বিশেষ মুখাবয়ব (প্রশস্ত কপাল, গভীর চোখ, সোজা নাক) তৈরি হতে পারে, যার জন্য বিশেষ চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হয়।
#প্রধান বৈশিষ্ট্য:
#লিভার: লিভারের পিত্ত নালী সরু বা অনুপস্থিত থাকা, যার কারণে পিত্তরস জমে যায় (cholestasis), চুলকানি, জন্ডিস, লিভার ফেইলিওর ও সিরোসিস হতে পারে।
#হৃৎপিণ্ড: পালমোনারি ধমনীর ত্রুটি (যেমন টেট্রালজি অফ ফেলো) বা অন্যান্য জন্মগত হৃদরোগ।
#মুখের গঠন: প্রশস্ত কপাল, গভীর চোখ, সোজা নাক, সূক্ষ্ম চিবুক (যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে কম স্পষ্ট হতে পারে)।
#চোখ: চোখের পেছনের অংশে অস্বাভাবিকতা (posterior embryotoxon)।
#কঙ্কাল: কশেরুকার অস্বাভাবিকতা (যেমন প্রজাপতি আকৃতির কশেরুকা) এবং আঙুলের অস্বাভাবিকতা।
#অন্যান্য: কিডনির সমস্যা, ত্বকে হলুদ ভাব, খাওয়ায় অনীহা, বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া।
#কারণ:
এটি একটি জেনেটিক ডিসঅর্ডার যা মূলত JAG1 জিনের মিউটেশনের কারণে ঘটে।
#রোগ নির্ণয়:
লিভার বায়োপসি করে পিত্ত নালীর ঘনত্ব পরীক্ষা করা হয়।
জেনেটিক টেস্টিং।
ইকোকার্ডিওগ্রাম (হৃৎপিণ্ড), আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান।

শিশু চিকিৎসক ডা : সুজন

Address

Mir Pur B-para
Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিশু চিকিৎসক ডা : সুজন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to শিশু চিকিৎসক ডা : সুজন:

Share