28/03/2025
নিচে গ্যাস্ট্রোস্টমি (Gastrostomy) টিউব সম্পর্কিত কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো:
প্রশ্ন ১: গ্যাস্ট্রোস্টমি টিউব কী?
উত্তর: গ্যাস্ট্রোস্টমি টিউব (G-Tube) হলো একটি বিশেষ চিকিৎসা ডিভাইস যা সরাসরি পাকস্থলীতে (stomach) প্রবেশ করানো হয়। এটি খাবার, ওষুধ ও তরল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে যাদের মুখ দিয়ে খাওয়ার সমস্যা রয়েছে।
প্রশ্ন ২: গ্যাস্ট্রোস্টমি টিউব কাদের জন্য প্রয়োজন হয়?
উত্তর:
যারা দীর্ঘমেয়াদী গিলতে না পারার সমস্যায় (dysphagia) ভুগছেন।
স্ট্রোক, স্নায়বিক রোগ (যেমন পারকিনসনস বা ALS) বা ক্যান্সারের কারণে মুখ বা গলা দিয়ে খাওয়া সম্ভব নয়।
শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক যাদের খাবারের প্রয়োজনীয় পুষ্টি মুখ দিয়ে খাওয়া সম্ভব হয় না।
প্রশ্ন ৩: গ্যাস্ট্রোস্টমি টিউব কিভাবে বসানো হয়?
উত্তর: এটি সাধারণত একটি ছোট অস্ত্রোপচারের (surgery) মাধ্যমে করা হয়। দুই ধরনের পদ্ধতি বেশি ব্যবহৃত হয়:
1. পেরকুটেনিয়াস এন্ডোস্কোপিক গ্যাস্ট্রোস্টমি (PEG) – এন্ডোস্কোপ ব্যবহার করে মুখ দিয়ে একটি টিউব পাকস্থলীতে প্রবেশ করানো হয়।
2. সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোস্টমি – সরাসরি পেট কেটে পাকস্থলীতে টিউব স্থাপন করা হয়।
প্রশ্ন ৪: গ্যাস্ট্রোস্টমি টিউব কতদিন থাকে?
উত্তর:
সাধারণত ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়, তবে এটি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিবর্তন করা হয়।
যদি টিউব ক্ষতিগ্রস্ত বা ব্লক হয়ে যায়, তবে তা আগে পরিবর্তন করতে হতে পারে।
প্রশ্ন ৫: গ্যাস্ট্রোস্টমি টিউবের যত্ন কিভাবে নিতে হবে?
উত্তর:
প্রতিদিন হালকা সাবান ও গরম পানি দিয়ে টিউব এবং চারপাশের ত্বক পরিষ্কার করতে হবে।
টিউব ব্যবহারের পর ৩০-৫০ মি.লি. পরিষ্কার পানি দিয়ে ফ্লাশ করে নিতে হবে যাতে কোনো খাদ্য আটকে না থাকে।
যদি কোনো ব্যথা, লালচে ভাব, ফোলা বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা যায় তবে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
প্রশ্ন ৬: গ্যাস্ট্রোস্টমি টিউব ব্লক হয়ে গেলে কী করবো?
উত্তর:
প্রথমে গরম পানি (হালকা উষ্ণ) ব্যবহার করে টিউব ফ্লাশ করুন।
যদি সমস্যা সমাধান না হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
প্রশ্ন ৭: গ্যাস্ট্রোস্টমি টিউব ব্যবহারের সময় কোনো সমস্যা হলে কী করা উচিত?
উত্তর:
যদি টিউব খুলে যায়, তবে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে, কারণ টিউবের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
যদি টিউবের চারপাশ থেকে লিকেজ হয়, তবে এটি পরিষ্কার করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
যদি