02/05/2026
আপনার মুরগির বাচ্চা কি বড় হওয়ার আগেই মারা যাচ্ছে? 😟
না জানার কারণে আপনি নিজেই হয়তো ক্ষতি করছেন! আজ আমি দেখাবো ১–৩০ দিনের সম্পূর্ণ সঠিক পদ্ধতি 👇”
“ডিম থেকে বাচ্চা বের হওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—
👉 মায়ের তাপের নিচে রাখা 🐔
বাচ্চা যেন ভালোভাবে শুকিয়ে যায়, এটা খুব জরুরি।
⚠️ যদি নাভি কাঁচা থাকে, তাহলে নিউমোনিয়া হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়—যা অনেক সময় মৃত্যুর কারণ হয়!”
“প্রথম দিন থেকেই পরিষ্কার পানির ব্যবস্থা করুন 💧
👉 পানির সাথে লেবু বা লাইসোভিট দিন
এতে বাচ্চা দ্রুত এনার্জি পাবে এবং দুর্বল হবে না 💪”
“১ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত—
👉 শুধু সোনালি স্টার্টার ফিড দিন 🥣
এই ফিডে বাচ্চার গ্রোথের জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি থাকে।
❌ ভুলেও ভাত, ধান, গম, চাল বা খুদ দিবেন না
এগুলো দিলে বাচ্চার গ্রোথ থেমে যেতে পারে!”
“যদি দেখেন—
👉 বাচ্চার পেছনে মল লেগে আছে
👉 বা ঠান্ডা লেগেছে
তাহলে সেফা-1 ব্যবহার করুন
👉 ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম
👉 ৩–৫ দিন কোর্স করান”
“সঠিক সময়ে ভ্যাক্সিন না দিলে পুরো খামার ঝুঁকিতে পড়ে 😬
📅 ৭ দিন বয়সে → রানিক্ষেত (BCRDB)
📅 ৯–১০ দিন → গামবোরো
📅 ১৮–১৯ দিন → গামবোরো বুস্টার
📅 ২১–২২ দিন → রানিক্ষেত বুস্টার (১ চোখে)
💡 মনে রাখবেন: একই ভ্যাক্সিন দ্বিতীয়বার দেয়াই বুস্টার”
“১২–১৬ দিন পর্যন্ত—
👉 এমাইনো ভেট প্লাস দিন
এতে ওজন বাড়বে, গ্রোথ ভালো হবে
পাখা ঝুলে যাওয়া বা শুকিয়ে যাওয়া কমবে 🐥
২৩–২৬ দিন—
👉 থায়াবিন দিন (১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম)
এটা টাল রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে”
“📅 ৩৫ দিন বয়সে → ফাউল পক্স ভ্যাক্সিন
⚠️ এর আগে অবশ্যই মশার কামড় থেকে বাচ্চাকে বাঁচান
📅 ৪০ দিন → কৃমিমুক্ত করুন”
“মনে রাখবেন—
👉 সঠিক ম্যানেজমেন্ট = সুস্থ মুরগি + বেশি লাভ 💰
আপনি যদি খামার করে লাভ করতে চান, তাহলে এই নিয়মগুলো ফলো করতেই হবে!
#দেশিমুরগি #বাচ্চা