Khaleda Akter653586

Khaleda Akter653586 স্বপ্ন দেখা ভালো, স্বপ্ন দেখলে, মনটা ভালো থাকে� হোক স্বপ্ন ছোট বড়, পুরণ হওয়াটাই আসল কথা � ধন্যবাদ

03/08/2025

📺 টেলিভিশন: আধুনিক যুগের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার

টেলিভিশন — আধুনিক বিজ্ঞানের এক অসাধারণ উপহার। এটি শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং জ্ঞানের ভাণ্ডার, শিক্ষার সহায়ক এবং বিশ্বকে জানার এক দারুণ জানালা। ঘরে বসেই আমরা পৃথিবীর নানা প্রান্তের খবর জানতে পারি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারি, ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে শিখতে পারি — সবই টেলিভিশনের মাধ্যমে।

---

🛠️ টেলিভিশনের আবিষ্কার ও ইতিহাস

টেলিভিশনের ধারণা প্রথম উদ্ভব হয় বিংশ শতকের শুরুতে। স্কটিশ বিজ্ঞানী জন লোগি বেয়ার্ড ১৯২৫ সালে প্রথম কার্যকর টেলিভিশন চিত্র সম্প্রচার করেন। সেই ছোট স্ক্রিনের সাদাকালো টিভি থেকে আজকের আধুনিক স্মার্ট টিভির যাত্রা দীর্ঘ হলেও রোমাঞ্চকর।

বর্তমানে এলইডি, ওএলইডি, স্মার্ট টিভি ও ৮কে রেজোলিউশনের যুগে প্রবেশ করেছে টেলিভিশন প্রযুক্তি। এখন এটি শুধু দেখার মাধ্যম নয়, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও কল, ইউটিউব, নেটফ্লিক্স, গেমসসহ আরও অনেক কিছুর দরজা খুলে দিয়েছে।

---

🎓 শিক্ষা ও সচেতনতায় টেলিভিশনের ভূমিকা

শিক্ষামূলক চ্যানেল যেমন ডিসকভারি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, বিবিসি, হ্যান্ডস অন সায়েন্স প্রভৃতি আমাদের জানার পরিধি বাড়ায়। শিশুদের মানসিক বিকাশেও নানা কার্টুন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

স্বাস্থ্য, কৃষি, আইন, সামাজিক সচেতনতা ইত্যাদি বিষয়ে জনগণকে অবহিত করতে সরকার ও বেসরকারি চ্যানেলগুলোর বিভিন্ন অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।

---

🎭 বিনোদন ও সংস্কৃতিতে টেলিভিশনের অবদান

নাটক, সিনেমা, গান, রিয়েলিটি শো, ক্রীড়া ইভেন্ট – টেলিভিশন সবকিছুকে মানুষের ঘরের এক কোণে নিয়ে এসেছে। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, লোকসংগীত, ঐতিহ্যকে ছড়িয়ে দিতে এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম।

বিশ্বকাপ, অলিম্পিক, ক্রিকেট ম্যাচ ইত্যাদি সম্প্রচার করে পুরো জাতিকে একত্রিত করার এক বিরল ক্ষমতা রাখে টেলিভিশন।

---

⚠️ সতর্কতা ও সীমাবদ্ধতা

যদিও টেলিভিশনের সুফল অনেক, তবে অতিরিক্ত দেখার কারণে চোখের সমস্যা, পড়াশোনার ক্ষতি, সময়ের অপচয় এবং অপ্রয়োজনীয় কনটেন্টের আসক্তি দেখা দিতে পারে। তাই সঠিক নিয়ন্ত্রণ এবং সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

---

✅ উপসংহার

টেলিভিশন একদিকে যেমন আনন্দ, তেমনি জ্ঞান ও শিক্ষার দিগন্ত খুলে দেয়। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে এটি হতে পারে আমাদের জীবনের এক চিরসঙ্গী। তবে এর অপব্যবহার থেকে নিজেকে এবং পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করাও আমাদের দায়িত্ব।

সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন, টেলিভিশনকে ব্যবহার করুন জ্ঞানের আলোকবর্তিকা হিসেবে। 🌟

03/08/2025

আপনাকে মানুষ দাম দিবে তখনি❤️
যখন আপনার পায়ের নিচের মাটি মজবুত থাকবে 😭 আর নয়তো, কেউ আপনাকে চিনবে না 😭

03/08/2025

মানুষ আর কয়দিন বাঁচবে, সেই চিন্তা নাই😩
কিন্তু, কাকে কয়টা বাঁশ দিবে, সেইটা ঠিকই খেয়াল আছে 🫵 😂

03/08/2025

বেঁচে থাকার ইচ্ছে, শুধু তার জন্যই জাগে😲
যেই নিজের করে, রাখে আমারে 💞

ফুলের সৌরভ আর মানুষের গৌরব, চিরদিন থাকে 😩 সেই একদিন শেষ হয়ে যায় 😲🫵
02/08/2025

ফুলের সৌরভ আর মানুষের গৌরব, চিরদিন থাকে 😩 সেই একদিন শেষ হয়ে যায় 😲🫵

02/08/2025

গল্পের নাম: ডেউয়ার গাছের আশীর্বাদ

এক সময়ের কথা, গ্রামের শেষপ্রান্তে ছিল একটি বিশাল পুরনো ডেউয়ার গাছ। গাছটা শুধু ফলই দিত না, বরং আশ্রয়ও দিত অনেক পাখি, গুঁইসাপ আর চিপা-পোকাদের। গ্রীষ্মকালে যখন অন্য গাছগুলো শুকিয়ে যেত, তখনো ডেউয়া গাছটা ভরে উঠত মিষ্টি গন্ধওয়ালা সবুজ ফল দিয়ে।

গ্রামের এক দরিদ্র ছেলে রাহুল প্রতিদিন সকালে গাছটার নিচে বসে পড়াশোনা করত। তার খাতা-পেন্সিল কেনার সামর্থ্য ছিল না, তাই সে মাটি আঁকত কাঠির দিয়ে, আর মুখে মুখে পড়ত। একদিন ডেউয়ার গাছের নিচে বসে সে বলল, “হায় আল্লাহ্‌! যদি আমি পড়ে বড় কিছু হতে পারতাম…”

হঠাৎ হাওয়ার দোলায় এক পাকা ডেউয়া ফল পড়ে গেল তার সামনে। রাহুল ফলটা তুলে খেতে খেতেই দেখল, গাছের গুঁড়িতে খোদাই করে রাখা এক পুরনো বাক্স! খুলতেই তার মধ্যে মেলে ধরল এক বৃদ্ধ ডায়েরি আর কিছু টাকার নোট। ডায়েরিতে লেখা ছিল—"এই গাছ আমার জীবন বাঁচিয়েছে, আমি আমার সঞ্চয় রেখে গেলাম ভবিষ্যতের একজন দরিদ্র শিক্ষার্থীর জন্য।"

সেই টাকা দিয়ে রাহুল স্কুলে ভর্তি হয়, পড়াশোনা করে বড় চাকরি পায়। বড় হয়ে সে ফিরে আসে গ্রামে, ডেউয়ার গাছটার চারপাশে বানিয়ে ফেলে এক সুন্দর পাঠাগার, নাম দেয়: “ডেউয়া জ্ঞানের তলা”।

আর সেই গাছটা? আজও দাঁড়িয়ে আছে, যেমন ছিল—নীরবে ছায়া দিয়ে যাচ্ছে আশার নতুন গল্পদের।

02/08/2025

জীবন নামের যু--দ্ধে
যেই যতো পারদর্শী 📚
সেই জীবনে 💞
ততোটা সফল🧑‍⚕️

02/08/2025

সারাক্ষণ শুধু তোমার নামই মনে পড়ে প্রিয় ও

01/08/2025

তোমার পথ চেয়ে
রাতটা ও এক সময়
শেষ হয়ে যায় 😲🫵

🐟 পাবদা মাছের ঘ্রাণে ভরপুর এক বাঙালি স্বাদ!রান্না হোক আজ একটু অন্যরকম – পাবদা মাছের সরষে ঝাল রেসিপি 🎉বাংলার রান্নাঘরে পা...
01/08/2025

🐟 পাবদা মাছের ঘ্রাণে ভরপুর এক বাঙালি স্বাদ!

রান্না হোক আজ একটু অন্যরকম – পাবদা মাছের সরষে ঝাল রেসিপি 🎉

বাংলার রান্নাঘরে পাবদা মাছের এক বিশেষ মর্যাদা আছে। এর কোমল স্বাদ, নরম কাঁটা এবং ঝোলের মিষ্টি গন্ধ সহজেই মন ছুঁয়ে যায়। আজ আপনাদের জন্য রইলো একেবারে ঘরোয়া স্টাইলে পাবদা মাছের সরষে ঝাল রেসিপি।

---

📝 যেসব উপকরণ লাগবে:

পাবদা মাছ – ৫০০ গ্রাম (মাঝারি আকারের ৫-৬টি)

সরষে বাটা – ৩ টেবিল চামচ (হালকা সর্ষে আর কালো সরষে মিশিয়ে নিলে ভালো হয়)

কাঁচা লংকা – ৫-৬টি (ঝাল পছন্দ অনুযায়ী কমাতে বা বাড়াতে পারেন)

হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ

লবণ – পরিমাণ মতো

সরিষার তেল – ৫ টেবিল চামচ

পানি – প্রয়োজন মতো

ধনে পাতা – একটু (সাজানোর জন্য)

---

👩‍🍳 রান্নার পদ্ধতি:

1. মাছ প্রস্তুত করা: পাবদা মাছ গুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিয়ে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন।

2. ভাজার ধাপ: কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করে হালকা করে মাছগুলো ভেজে তুলে রাখুন (খুব বেশি নাড়বেন না, মাছ ভেঙে যেতে পারে)।

3. ঝোল তৈরি: এখন সেই তেলে সরষে বাটা, লবণ, হলুদ ও কাঁচা লংকা দিয়ে হালকা কষিয়ে নিন।

4. পানি যোগ: মশলা কষা হয়ে গেলে প্রয়োজন মতো গরম পানি দিন। ফুটে উঠলে মাছগুলো সাবধানে দিয়ে দিন।

5. সিদ্ধ হওয়া: ঢেকে ৮-১০ মিনিট রান্না করুন মাঝারি আঁচে। মাছ নরম হয়ে এলে কাঁচা লংকা ফালি আর ধনে পাতা ছড়িয়ে দিন।

6. তৈরি! গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন অসাধারণ ঘ্রাণওয়ালা এই পাবদা মাছের ঝাল।

---

🍚 পরিবেশন পরামর্শ:

এই ঝাল পাবদা ভাতে দিয়ে খাওয়ার জন্য একেবারে পারফেক্ট!

পাশে যদি থাকে একটু আলুভর্তা আর কাঁচা পেঁয়াজ – তাহলে তো জমে ক্ষীর!

---

💬 শেষ কথা:

পাবদা মাছের এই ঘরোয়া রেসিপি শুধুই স্বাদের নয়, এটি আপনাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে শৈশবের সেই মায়াময় দুপুরবেলা, যখন মা বা দিদিমা রান্না করতেন এই মজাদার খাবার।

আপনার রান্না কেমন হলো? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না!

---

👉 পছন্দ হলে শেয়ার করুন এবং আরও মজার রেসিপির জন্য চোখ রাখুন আমাদের পেজে!
#পাবদামাছ #রান্নারঘর #বাংলারস্বাদ #রেসিপি

01/08/2025

মনটা শুধু তুমি তুমি করে 🫵
আর থাকতে পারি না ঘরে 🛖
তুমি ফিরবে না কি তবে 💔
আমার হৃদয়ের ছোট্ট ঘরে 🛖

01/08/2025

গল্পের নাম: চিঠির শেষ লাইন

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া রহিমা বেগম গ্রামের এক কোণার পুরনো একটি কুঁড়েঘরে একা থাকতেন। জীবনের সব রঙ, সব শব্দ, সব আশার আলো যেন কোথায় হারিয়ে গেছে বহু বছর আগে। স্বামী হঠাৎ করে এক রোগে মারা যাওয়ার পর থেকে, তাঁর পৃথিবীটা শুধুই একমাত্র ছেলে রাকিবকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল।

রাকিব ছিল দারুণ মেধাবী। রহিমা বেগম নিজের সব কষ্ট সহ্য করে, হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে ছেলেকে শহরে পড়তে পাঠিয়েছিলেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল—"আমার ছেলে একদিন অনেক বড় হবে, আমায় নিয়ে যাবে শহরে, আমি গর্ব করে বলবো, আমি রাকিবের মা!"

রাকিব শহরে যাওয়ার পর প্রথম দিকে দু-একটি চিঠি আসত, মায়ের খোঁজ-খবর নিত, লেখাপড়ার কথা জানাত। কিন্তু তারপর ধীরে ধীরে যোগাযোগ কমে এল। চিঠি আসা বন্ধ হয়ে গেল পুরোপুরি। রহিমা প্রতিদিন গ্রামের পোস্ট অফিসে ছুটে যেত, পোস্টম্যানের পায়ে পায়ে হাঁটত, হয়তো আজ তার ছেলের চিঠি এসেছে—এই আশায়।

গ্রামের লোকেরা নানা কথা বলত, কেউ বলত, “ছেলে নিশ্চয়ই ব্যস্ত আছে,” কেউ কটু করে বলত, “তোমার ছেলে তো শহরের সুখে ডুবে গেছে, তোমাকে ভুলেই গেছে!”
কিন্তু রহিমা কারো কথায় কান দিতেন না। বলতেন, “না, আমার রাকিব এমন না। সে কথা দিয়েছিল, সে একদিন আসবেই।”

একদিন হঠাৎ পোস্টম্যান এল। হাতে একটা চিঠি। বছরের পর বছর পর এল সেই কাঙ্ক্ষিত চিঠি। পোস্টম্যান বলল, “রাকিবের নাম লেখা আছে… ঢাকায় এক হাসপাতালে পাঠানো চিঠি।"

রহিমা চিঠিটা কাঁপা হাতে খুললেন। চোখে স্নান করা অশ্রু নিয়ে পড়তে লাগলেন—

> “মা,
আমি জানি, আমি অনেক বছর চুপ থেকেছি। তোমার অনেক কষ্ট হয়েছে। আমি তোমার ছেলে হয়েও তোমার কোনো খবর রাখিনি। প্রতিদিন ভেবেছি ফিরে যাব, কিন্তু পারিনি মা। জীবন এমন জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে, যেখানে ফেরা আর সম্ভব নয়।

এই চিঠিটা হয়তো আমার প্রথম ও শেষ চিঠি। হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে শুধু তোমার মুখটাই মনে পড়ে। চোখ বন্ধ করলেই তোমার সেই হাতের ভাত, তোমার গল্পের রাত, তোমার কাঁধে মাথা রাখা দিনগুলোর কথা মনে পড়ে।

মা, যদি কখনো ফিরতে না পারি, আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি খুব ভালোবাসি তোমায়।

—তোমার ছেলে, রাকিব”

চিঠিটা পড়ে রহিমা কোনো শব্দ করেননি। কেবল চোখের পানি চুপচাপ বইছিল, ঠিক যেভাবে একটা নদী বয়ে যায় নিঃশব্দে। ওইদিন সূর্যটাও ডুবছিল, কিন্তু তার আগেই এক মায়ের জীবনের আলো নিভে গিয়েছিল।

সে রাতের পর, রহিমা আর কখনো চিঠির অপেক্ষায় উঠোনে বসেননি। শুধু চিঠিটার শেষ লাইনটা তিনি প্রতিদিন পড়তেন…
"আমি খুব ভালোবাসি তোমায়।"

Address

Village:Baraish, Post Office:Mestoli Bazaar, Up Zilla:Choudda Grem, Zilla: Comilla, Country Name:
Cumilla
3550

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khaleda Akter653586 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share