S M Sayful Islam

S M Sayful Islam "রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সেবা, ক্ষমতা দখল নয়।"

৫ নং পূর্ব ধৈইর পশ্চিম ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জনাব মোঃ ইব্রাহিম সরদার এর পক্ষ থেকে দেশ ও বিদেশের সকলকে জানাই পবিত্র  ঈদ...
25/05/2026

৫ নং পূর্ব ধৈইর পশ্চিম ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জনাব মোঃ ইব্রাহিম সরদার এর পক্ষ থেকে দেশ ও বিদেশের সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।...
20/05/2026

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।

পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।

রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।

দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।

পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।

রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।

আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।

রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।

স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।

রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।

জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায়
যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।

র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।

জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।

কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।

এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।

এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।

দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।

রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!

কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।

খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।

এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।

এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।

ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব।
কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।

তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়
- Ibrahim Khalil Shawon@বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।

পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।

রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।

দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।

পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।

রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।

আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।

রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।

স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।

রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।

জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায়
যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।

র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।

জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।

কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।

এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।

এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।

দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।

রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!

কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।

খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।

এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।

এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।

ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব।
কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।

তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল

- Ibrahim Khalil Shawon

09/05/2026

একই পরিবারের ৫ জনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী-সন্তানসহ পাঁচজনকে ঘরের ভেতরে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (৮ মে) উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গভীর রাতের কোনো এক সময় ওই পাঁচজনকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী, তিন কন্যা সন্তান ও শ্যালক নিহত হয়েছেন।

দেবিদ্বারে সড়ক দুর্ঘটনা: বাবার বাইক থেকে ছিটকে পড়ে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু..কুমিল্লার দেবিদ্বারে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক ...
03/05/2026

দেবিদ্বারে সড়ক দুর্ঘটনা: বাবার বাইক থেকে ছিটকে পড়ে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু..

কুমিল্লার দেবিদ্বারে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের নিউ মার্কেট সংলগ্ন আজগর আলী স্কুলের সামনে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় এক মাদ্রাসা ছাত্র নিহত হয়েছে।

16/04/2026

১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৫
যাত্রাপথে স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ
কুমিল্লার হোমনায় অটোরিকশায় করে বাসায় ফেরার পথে এক দম্পতির পথ রোধ করে গৃহবধূকে (১৮) তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদি হয়ে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে হোমনা কৃষি কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হোমনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, ভুক্তভোগী আর তার স্বামী হোমনা পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। বুধবার রাতে তারা একটি অটোরিকশায়যোগে ভুক্তভোগীর বাবার বাড়ি তিতাসে যাচ্ছিলেন। হোমনা কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমান (২৪) ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন তাদের পথরোধ করেন। এসময় দম্পতিসহ অটোরিকশাটিকে জোরপূর্বক একটি নির্জন ইটের রাস্তায় নিয়ে যান। সেখানে আশিকুর রহমান ও তার দুই সহযোগী ওই নারীকে আটকে রাখেন। অন্যরা তার স্বামী ও অটোরিকশার চালককে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। এ সময় আশিকুর রহমান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই দম্পতিকে ছেড়ে দিলে তারা প্রথমে হাসপাতালে এবং পরে থানায় যান।

ওসি টমাস বড়ুয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভুক্তভোগী নারী ভোর ৪টার দিকে তার স্বামীসহ থানায় এসে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানান। পরে আমি ওই দম্পতিকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যাই। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছেন। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা মামলা নিয়েছি। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এজাহারে একজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তাকেসহ ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

16/04/2026
একজন শিশু ছয় বছর বয়‌সে হা‌রি‌য়ে গি‌য়ে‌ছে। চিটাগাং থে‌কে ভুল ক‌রে ট্রে‌নে চ‌ড়ে ঢাকায় চ‌লে এ‌সে আর চি‌নে ফি‌রে যে‌তে পা‌রে...
15/04/2026

একজন শিশু ছয় বছর বয়‌সে হা‌রি‌য়ে গি‌য়ে‌ছে। চিটাগাং থে‌কে ভুল ক‌রে ট্রে‌নে চ‌ড়ে ঢাকায় চ‌লে এ‌সে আর চি‌নে ফি‌রে যে‌তে পা‌রে‌নি। বাসার ঠিকানাও বল‌তে পা‌রে‌নি। পাঁচ বছর পর সে তার প‌রিবার‌কে ফি‌রে পে‌য়ে‌ছে এক‌টি জাতীয় দৈ‌নি‌কের ফেসবুক পো‌স্টের মাধ‌্যমে। এই পাঁচটি বছর শিশু‌টি পে‌টের ক্ষুধায় ভা‌ঙা‌রি বি‌ক্রি ক‌রে‌ছে। রাস্তায়, গাছতলায় ঘু‌মি‌য়ে‌ছে। পোশা‌ক তার এত ময়লা যে ম‌নে হয় যেন ডাস্ট‌বিন থে‌কে উ‌ঠে এ‌সে‌ছে! শেষ ক‌বে গোসল ক‌রে‌ছে তাও হয়‌তো ম‌নে নেই।

শিশু‌টিকে যখন তার প‌রিবার নি‌তে এ‌লো, তখন আবার আই‌নি প্র‌ক্রিয়া সম্পন্ন ক‌রে ত‌বেই নি‌তে হ‌য়ে‌ছে। দে‌খে এমন হা‌সি পে‌লো আমার! এক‌টি অথর্ব রাষ্ট্রব‌্যবস্থা যেখানে ছয় বছ‌রের শিশুর পে‌টের ক্ষুধা নি‌জে‌কেই মেটা‌তে হয়, রাস্তায় ঘুমা‌তে হয় বছ‌রের পর বছর, গোসল করার ম‌তো সু‌যোগটুকুও নেই, সেই শিশু‌কে তার মা-বাবার হা‌তে যখন তু‌লে দি‌লো, কর্তাব‌্যক্তিদের একটু লজ্জাও কর‌লো না? এক‌টি দে‌শের শিশুরা কেন রাস্তায় থাক‌বে? রাস্তা কি শিশুর থাকার জায়গা?

মুরাদনগর উপজেলা বাংঙ্গরা গাজী হাটের কেউ আছেন দ্রুত জানান এক দোকানদার স্ত্রী ও সন্তান মারা গেছে দেবিদ্বার সরকারি হাসপাতাল...
15/04/2026

মুরাদনগর উপজেলা বাংঙ্গরা গাজী হাটের কেউ আছেন দ্রুত জানান এক দোকানদার স্ত্রী ও সন্তান মারা গেছে দেবিদ্বার সরকারি হাসপাতালে আছে

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিয়ের দাবিতে পটুয়াখালী থেকে এসে অনশন করছেন এক নারী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল থেকে উপজেলার আদারভিটা...
14/04/2026

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিয়ের দাবিতে পটুয়াখালী থেকে এসে অনশন করছেন এক নারী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল থেকে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাঁশদাইড় এলাকায় কাজল নামে এক যুবকের বাড়িতে ওই নারী অনশন শুরু করেন। ঘটনার পর পুরো পরিবারসহ পালিয়েছেন যুবক কাজল।

অনশনকারী নারী চম্পা (৪১) পটুয়াখালী জেলার রানাগাছা এলাকার সানু মিয়া (৭০) এর বড় মেয়ে। মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার দোসরপাড়া এলাকার আবু তালেব (৫০) এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

পলাতক কাজল (২২) মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাঁশদাইড় এলাকার আহসান আলীর ছেলে।

চম্পা বলেন, মুন্সিগঞ্জে আমার বিয়ে হয়েছিল। কাজলের সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পরই ডিভোর্স হয়ে গেছে। ওই দিকে পাঁচ ছেলে-মেয়ে আছে। ওরা ওদের বাবার কাছে থাকে। চার বছর থেকে কাজলের সঙ্গে মোবাইলে সম্পর্ক। আমাকে মোবাইলে কবুল বলে বিয়েও করেছে। কিন্তু কাবিন হয়নি। আমি কাজলকে বারবার বলেছি, তুমি অবিবাহিত আর আমি বিবাহিত, আমি তোমার থেকে বয়সেও বড়, আমার বাচ্চা আছে। পরে তুমি আমাকে ভুলে যাবা। কিন্তু কাজল আমার কথা শুনেনি। কাজল বলেছে, আমি জেনেশুনেই তোমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছি। কাজল আমাকে চার বছর ধরে সংসার করার আশা দিয়েছে। আমি এর আগেও এখানে এসেছিলাম, আবার চলেও গেছি। কিন্তু এ মাসের ৯ তারিখ আবার কাজল আমাকে কল দিয়ে আসতে বলেছে। এখন এসে দেখি সে পালিয়েছে। এবার আমি বিয়ে না করে যাবো না। আমি ওর সঙ্গে সংসার করতে চাই

মুরাদনগরে যুবকের গ'লা'কা'টা লা-শ উদ্ধার, নেশা ও ভাগবাটোয়ারা নিয়ে খু-নের সন্দেহকুমিল্লার মুরাদনগরে এরশাদ মিয়া (৩২) নামে এ...
14/04/2026

মুরাদনগরে যুবকের গ'লা'কা'টা লা-শ উদ্ধার, নেশা ও ভাগবাটোয়ারা নিয়ে খু-নের সন্দেহ
কুমিল্লার মুরাদনগরে এরশাদ মিয়া (৩২) নামে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের বি-চাপিতলা গ্রামের দক্ষিণ মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত এরশাদ মিয়া ওই গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এরশাদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং চুরি সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুরি করা মালামালের ভাগাভাগি অথবা মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

নিহতের পিতা আব্দুল হক জানান, তার ছেলে আগে গাড়ি চালাতেন। কিন্তু কয়েক বছর ধরে মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েন এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকে বিচ্যুত হন। পরিবারের পক্ষ থেকে বহু চেষ্টা করেও তাকে সুপথে ফেরানো সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা মোমেন মিয়া বলেন, সে খারাপ ছিল, এটা সত্য; কিন্তু এভাবে নির্মমভাবে হত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মুরাদনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামান।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুল কাদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক বা অন্য কোনো বিরোধের কারণে তার সঙ্গীরাই তাকে হত্যা করে থাকতে পারে। নিহত ওই যুবকের কাছে একটি ছুরি পাওয়া গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Address

Muradnagar Cumilla
Cumilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S M Sayful Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share