10/06/2026
টেকনাফে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ‘বাইতুল ইজ্জত’ জামে মসজিদ।
টেকনাফ প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এর রিপোর্টে দেখুন বিস্তারিত।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ৫ নং বাহারছড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের শামলাপুর পুরানপাড়া পশ্চিম মন্তলিয়া মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন মুজিববর্ষ মহল্লায় সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন জামে মসজিদ নির্মাণ করছেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন শিকদার।
নতুন এই ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ। ফলে এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুরুতে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকনের অর্থায়নে বাঁশ ও টিন দিয়ে একটি অস্থায়ী মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে মুসল্লির সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি প্রায় ২ হাজার বর্গফুট আয়তনের একটি স্থায়ী ও আধুনিক মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
নবনির্মিত মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে “বাইতুল ইজ্জত আমজাদ হোসেন খোকন জামে মসজিদ”। মসজিদটি নির্মিত হলে প্রায় ১৫০টি পরিবারের নিয়মিত নামাজ আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বাহারছড়া ইউনিয়নের দর্শনীয় স্থানগুলোতে ঘুরতে আসা পর্যটকরাও এখানে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
মসজিদটির সুষ্ঠু পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন—
প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি: আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন খোকন শিকদার (চেয়ারম্যান, ৫ নং বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ)
সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ আইয়ুব আলী
ইমাম ও খতিব: আলহাজ্ব মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম
মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের পাশাপাশি প্রবাসে অবস্থানরত অনেক রেমিট্যান্স যোদ্ধাও এই মহৎ উদ্যোগে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। দেশ-বিদেশে অবস্থানরত যেকোনো দানশীল ব্যক্তি আল্লাহর ঘর নির্মাণের এ কাজে শরিক হতে চাইলে সরাসরি মসজিদ কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে, চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন শিকদার শুধু এই মসজিদ নির্মাণেই নয়, বরং ২ নম্বর ওয়ার্ডের হেফজখানাসহ এলাকার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজেও দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে চেয়ারম্যান খোকনের অবদান প্রশংসনীয়। তাঁর এমন উদ্যোগ এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং অনেকেই এটিকে একটি মানবিক ও কল্যাণমূলক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করছেন।
মসজিদটির নির্মাণকাজ দ্রুত ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য এলাকাবাসীসহ দেশ-বিদেশের সকল মুসলমানের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন মসজিদ কর্তৃপক্ষ।