Aspehia

Aspehia vloger

16/01/2026
13/01/2026
""রাগের আড়ালে ভালোবাসা''                                            লেখিকা:আসফিহা অনাথ আশ্রমের লোহার গেটটা আজও কাঁপছিল।...
12/01/2026

""রাগের আড়ালে ভালোবাসা'' লেখিকা:আসফিহা

অনাথ আশ্রমের লোহার গেটটা আজও কাঁপছিল।
বৃষ্টির ফোঁটা পড়ছে টিনের চালে, ঠিক যেমন পড়ত দশ বছর আগে—যখন অনন্যা প্রথম এখানে এসেছিল।
মা-বাবাহীন অনন্যা।
দারিদ্র্য তার ছায়া হয়ে লেগে আছে।
চোখে গভীর বিষণ্ণতা, কিন্তু তবু সেই চোখে আছে একরাশ জেদ।
সে জানে, এই পৃথিবীতে কেউ তার জন্য দাঁড়িয়ে নেই।
নিজেকেই নিজের ভরসা হতে হবে। অনেক দিন পর সে আশ্রমে এসেছে। এসএসসির পর আর আশ্রমে থকতে পারেনি। তখন থেকে একটি মহিলা হোস্টেলে উঠেছে। টিশনী করে নিজের খরচ চালায়।
আজ সে যাচ্ছে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে

আব্রার ফাহাদ খান শহরের অন্যতম বড় শিল্পপতি।
টাকা আছে, ক্ষমতা আছে, কিন্তু হৃদয় নেই—এমনটাই সবাই বলে।
রাগ তার স্বভাব।
কথায় কথায় চেঁচায়, জিনিস ছুড়ে মারে।
মানুষের চোখে সে এক ভয়ংকর মানুষ।
কিন্তু কেউ জানে না
রাত হলে সে একা বসে বাবার পুরনো ছবির দিকে তাকিয়ে থাকে।
ভেতরে জমে থাকা কষ্টটা রাগ হয়ে বেরিয়ে আসে। রাস্তায় দায়িয়ে গাড়ির অপেক্ষা খরছিল অনন্য। এর ভিতর একটি গাড়ি অন্যার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু কাদা পানি ছিটে যায় অন্যন্যা র গায়। অনন্যার মেজাজ খারাপ হয়ে যায় আর বলে ওঠে এ ছোটলোক রাস্তা কি তোর দাদার। হঠাৎ গাড়ি ব্রেক কষে থামে যায়। আর কিছু সময় পর বের হয়ে আসে এক ব্যাক্তি। দেখতে পুরাই হিরো। ফোনে কেউকে বলছে টাকা দিলে সময় মত গড়ি নিয়ে পৌছাবো।যেমন লম্বা তেমন জিম করা বডি। অনন্যা মনে মনে বলে এত সুন্দর ছেলে ড্রাইবার। নিজের জামার দিকে তাকিয়ে মেমাজ খারাফ হলো এখন আবার পাল্টাতে যেতে হবে। অনন্যা রে গে বলে উঠলে চোখে দেখেন না গাড়ি চালান কেন আমার নতুন জামাটার ১২টা বাজিয়ে ছাড়ছেন। ফাহাদ পকে থেকে১হাজার টার কিছু নোট বের টরে অনন্যাকে বল্ল টাকাটা রাখুন নতুন ড্রেস কিনে নিবেন। যদিও আপনার দোষ কাদা পানির সামনে না দাড়িয়ে একটু সরে দারালে পারতেন। অনন্যার মেজাজ আর খারাফ হল এই ড্রাইবার টাকা কি বেশি হয়ছে। তোকে আজ শিক্ষা দিতাম। সময় নাই তাই মাফ করে দিলাম। ঐ টাকা দিয়ে চোখের চিকিৎসা করা বলে চলে যায়।
অনন্যা খান গ্রুপে র অফিসে র সামনে এসে গাড়ী থেকে নামল। জীবনে র প্রথম ইন্টারভিউ দিতে এসেছে। এর বান্ববী রিমা সাথে আসতে চেয়েছিল। ব্যাস্ততার জন্য পারেনি। রিমা সাথে থাকলে একটু সাহস পেত।অনন্যার ইন্টারভিউ হল সিলেক্ট ও হল। পর দিন আফিসে এসে বসের সাথে দেখা করতে গেল।
অনন্যা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল।
ফাহাদ একবার তাকিয়েই বলল,
—“এই বেয়াদব মেয়ে তুমি?
অনন্যা তাকিয়ে ফাহাদ কে দেখে অবাক আপনি।। আমার অফিসে আমাকে বলছো অনন্যা ভঢয়ে চুপ আছে। কাল রাগের মাথায় যা তা বলছে,
—“স্যার, কালকের জন্য সরি।। ফাহাদ কিছুক্ষন চুপ থেকে মনে কিছু আটল আর ভাবল জীবনে এত বড় অপমান কেউ করেনি কাল এই মেয়ে যা করছে একে অফিসে রেখে শাস্তি দিব বের করে না। ফাহাদ বল
ল ইটস ওকে। আর এখানে সই করে কাজ শুরু করুন। কাজে কি পারবেন। কাজ সম্পর্কে ভালো করে দেখছেন। আপনাকে আমার পিয়ের কাজ করতে হবে কাজ শিখে নেব। আমি পরিশ্রমী।”
ফাহাদ হেসে উঠল—কটাক্ষের হাসি।
—“গরীবরা সবাই নাকি পরিশ্রমী হয়!”
কথাটা অনন্যার বুকে লাগল।
তবু সে কিছু বলল না।
এই চুপ করে থাকাটাই ফাহাদকে আরও রাগিয়ে দিল প্রথম দিন

ভুল করে অনন্যা রুদ্রের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ভিজিয়ে ফেলে।
রুদ্রের চোখ লাল।
কণ্ঠ কাঁপছে রাগে।
—“তোমার মতো অযোগ্য মেয়েকে কে এখানে এনেছে!”
অনন্যা কাঁপতে কাঁপত।।। গল্সটি ভালো লাগলো লিখব। নতুন লিখা। ভূলত্রূটি ক্ষমার চোখে দেখবেন

12/01/2026

বৃষ্টি নামল হঠাৎ করেই। শহরের পুরোনো বাসস্টপে দাঁড়িয়ে ছিল মেঘলা। হাতে একটা বই, চোখে অপেক্ষা। ঠিক তখনই ছাতাটা এগিয়ে এল তার দিকে।
“ভিজে যাবেন,” বলল অপরিচিত ছেলেটি।
মেঘলা মাথা তুলে তাকাল। অচেনা মুখ, কিন্তু কণ্ঠে অদ্ভুত চেনা উষ্ণতা। একটু হাসল সে, ছাতার নিচে দাঁড়াল। বৃষ্টির শব্দে কথাগুলো ছোট হয়ে এল—নাম, পছন্দের বই, বৃষ্টি ভালো লাগে কি না।
বাস এল দেরিতে। কিন্তু সময়টা যেন থেমে রইল।
নেমে যাওয়ার আগে ছেলেটি বলল,
“কাল আবার বৃষ্টি হলে… এখানে থাকবেন?”
মেঘলা কিছু বলল না। শুধু হালকা মাথা নাড়ল।
পরদিন বৃষ্টি ছিল না। তবু বাসস্টপে দু’জনই এসেছিল।
সেদিন ছাতা লাগেনি—কিন্তু কাছাকাছি দাঁড়ানোর জন্য আর কোনো অজুহাতও দরকার হয়নি।
কিছু সম্পর্ক বৃষ্টিতে শুরু হয়,
কিন্তু সারাজীবন রোদেই পাশে থাকে।

Address

Dakha
Dakhalduar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aspehia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share