25/04/2026
★ “বাবা বুঝি রাস্তায় ফেলে আসবে—এই ভ’য়ে মসজিদে রাত কাটাতো শিশু শাহীন; অবশেষে বাবার সেই নি’ষ্ঠুর ছ’লনাই সত্যি হলো!”—পৃথিবীতে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হলো বাবা-মায়ের কোল, কিন্তু ১৯ বছরের তরুণ শাহীনের জীবনে নিয়তি ছিল অত্যন্ত নি’র্মম। রিকশাচালক বাবা নজরুল "ঘুরতে যাই" বলে বরিশাল থেকে সদরঘাটে এনে চিরতরে ফেলে রেখে যায় ছোট্ট শাহীনকে। শুধু শাহীন নয়, তার বড় ভাই ইয়াসিনকেও একইভাবে রাস্তায় ফেলে দিয়েছিলেন এই পাষণ্ড বাবা। ছোটবেলার সেই আ’তঙ্ক যে একদিন এমন রূঢ় বাস্তবতায় রূপ নেবে, তা হয়তো অবুঝ শাহীন কল্পনাও করেনি। সদরঘাটে পানি বিক্রি থেকে শুরু করে সেফ হোম—শাহীনের একাকী বেঁচে থাকার প্রতিটি বাঁক যেন এক র’ক্তাক্ত সংগ্রামের ইতিহাস।
★ মায়ের খোঁজে এক লড়াকু স’ন্তানের হাহাকার—ব বাবাকে আর কোনোদিন দেখতে চায় না শাহীন: বিনা অ’পরাধে জেলে যাওয়ার ভ’য়ে দর্জির কাজ শেখা শাহীন আজ চমৎকার পাঞ্জাবি তৈরি করতে পারে, বর্তমানে কাজ করছে রাজমিস্ত্রি হিসেবে। লঞ্চ থেকে পড়ে গিয়ে গালে হওয়া সেই কাটা দাগটা আজও তার একাকী যুদ্ধের নীরব সাক্ষী। যে বাবা তাকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল, সেই বাবাকে শাহীন আর জীবনেও দেখতে চায় না; তার মনে এখন শুধুই মা আনোয়ারা বেগম আর বড় ভাই ইয়াসিনকে ফিরে পাওয়ার তীব্র আকুতি। বরিশালের এক শিক্ষকপুস্পিত আশ্রয়ে থেকে শাহীন আজ প্রহর গুনছে মা’কে একটিবার দেখার আশায়। আপনার একটি শেয়ার হয়তো বাঁশখালী বা বরগুনার কোনো কোণায় থাকা এক অ’সহায় মায়ের বুকে তাঁর হারিয়ে যাওয়া ধনকে ফিরিয়ে দিতে পারে। আসুন, শাহীনের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে সবাই পাশে দাঁড়াই।
" Copy post"