SAYED AHMED

SAYED AHMED Hello friends how are you?? Welcome to my page...কপালের মধ্যে যদি লেখা। থাকতো ,Childhood memorys is my mind always present.তাহলে খুব ভালো হতো,,,

সবাইকে "বিশ্ব ভালবাসা দিবস" উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন। ।।ভালো লাগার ভালোবাসায় সারাক্ষণ।। কিন্তু, আমি মনে করি য...
13/02/2026

সবাইকে "বিশ্ব ভালবাসা দিবস" উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন।
।।ভালো লাগার ভালোবাসায় সারাক্ষণ।। কিন্তু, আমি মনে করি যে ভালোবাসার জন্য কোন স্পেশাল কোন দিনের প্রয়োজন নেই। আমার কছে প্রতেকটা দিনই ভালোবাসার দিন......... ....... তাই আমি আজকের এই দিনটা Avoid করছি............

"বিশ্ব ভালবাসা দিবস" বা ''ভ্যালেন্টাইনস ডে''-এর পটভূমিঃ

১৪ ই ফেব্রুয়ারি সারাবিশ্বে বেশ পরিচিত একটি নাম "বিশ্ব ভালবাসা দিবস" বা ''ভ্যালেন্টাইনস ডে''। একজন ভালোবাসা প্রেমী ও সচেতন মানুষ হিসাবে ”ভ্যালেন্টাইনস ডে” কি? এর পেছনের লুকানো ইতিহাস আসলে কি? আমি মনে করি একজন সচেতন মানুষ কোন কাজ করার আগেই সে কাজটি সম্পর্কে অন্ততঃপক্ষে সেটা জানার চেষ্টা করবেন। ”ভ্যালেন্টাইনস ডে” সম্পর্কে এখন বোধহয় পরিস্কার ধারনা থাকা অপরিহার্য হয়ে দেখাদিয়েছে।

ভ্যালেন্টাইনস ডে যেভাবে আসলঃ

প্রথমঃ রোমের সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস-এর আমলের ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেনটাইন ছিলেন শিশুপ্রেমিক, সামাজিক ও সদালাপী এবং খৃষ্টধর্ম প্রচারক। আর রোম সম্রাট ছিলেন বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজায় বিশ্বাসী। ঐ সম্রাটের পক্ষ থেকে তাকে দেব-দেবীর পূজা করতে বলা হলে ভ্যালেন্টাইন তা অস্বীকার করায় তাকে কারারুদ্ধ করা হয়। সম্রাটের বারবার খৃষ্টধর্ম ত্যাগের আজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করলে ২৭০ খৃস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় আদেশ লঙ্ঘনের দায়ে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন।

দ্বিতীয়ঃ সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কারারুদ্ধ হওয়ার পর প্রেমাসক্ত যুবক-যুবতীদের অনেকেই প্রতিদিন তাকে কারাগারে দেখতে আসত এবং ফুল উপহার দিত। তারা বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক কথা বলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে উদ্দীপ্ত রাখত। এক কারারক্ষীর এক অন্ধ মেয়েও ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে যেত। অনেকক্ষণ ধরে তারা দু’জন প্রাণ খুলে কথা বলত। এক সময় ভ্যালেন্টাইন তার প্রেমে পড়ে যায়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাত্মিক চিকিৎসায় অন্ধ মেয়েটি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। ভ্যালেন্টাইনের ভালবাসা ও তার প্রতি দেশের যুবক-যুবতীদের ভালবাসার কথা সম্রাটের কানে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ২৬৯ খৃষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে মৃত্যুদন্ড দেন।

তৃতীয়ঃ খৃষ্টীয় ইতিহাস মতে, ২৬৯ খৃষ্টাব্দের কথা। সাম্রাজ্যবাদী, রক্তপিপাষু রোমান সম্রাট ক্লডিয়াসের দরকার এক বিশাল সৈন্যবাহিণীর। এক সময় তার সেনাবাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দেয়। কিন্তু কেউ তার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে রাজি নয়। সম্রাট লক্ষ্য করলেন যে, অবিবাহিত যুবকরা যুদ্ধের কঠিন মুহূর্তে অত্যধিক ধৈর্যশীল হয়। ফলে তিনি যুবকদের বিবাহ কিংবা যুগলবন্দী হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। যাতে তারা সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে অনীহা প্রকাশ না করে। তার এ ঘোষণায় দেশের যুবক-যুবতীরা ক্ষেপে যায়। যুবক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামের এক ধর্মযাজকও সম্রাটের এ নিষেধাজ্ঞা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি। প্রথমে তিনি সেন্ট মারিয়াসকে ভালবেসে বিয়ের মাধ্যমে রাজার আজ্ঞাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং তার গীর্জায় গোপনে বিয়ে পড়ানোর কাজও চালাতে থাকেন। একটি রুমে বর-বধূ বসিয়ে মোমবাতির স্বল্প আলোয় ভ্যালেন্টাইন ফিস ফিস করে বিয়ের মন্ত্র পড়াতেন। কিন্তু এ বিষয়টি এক সময়ে সম্রাট ক্লডিয়াসের কানে গেলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। ২৭০ খৃষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি সৈন্যরা ভ্যালেন্টাইনকে হাত-পা বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে সম্রাটের সামনে হাজির করলে তিনি তাকে হত্যার আদেশ দেন।

চতুর্থঃ আরেকটি খৃষ্টীয় ইতিহাস মতে, গোটা ইউরোপে যখন খৃষ্টান ধর্মের জয়জয়কার, তখনও ঘটা করে পালিত হতো রোমীয় একটি রীতি। মধ্য ফেব্রুয়ারিতে গ্রামের সকল যুবকরা সমস্ত মেয়েদের নাম চিরকুটে লিখে একটি পাত্রে বা বাক্সে জমা করত। অতঃপর ঐ বাক্স হতে প্রত্যেক যুবক একটি করে চিরকুট তুলত, যার হাতে যে মেয়ের নাম উঠত, সে পূর্ণবৎসর ঐ মেয়ের প্রেমে মগ্ন থাকত। আর তাকে চিঠি লিখত, এ বলে ‘প্রতিমা মাতার নামে তোমার প্রতি এ পত্র প্রেরণ করছি।’ বৎসর শেষে এ সম্পর্ক নবায়ন বা পরিবর্তন করা হতো। এ রীতিটি কয়েকজন পাদ্রীর গোচরীভূত হলে তারা একে সমূলে উৎপাটন করা অসম্ভব ভেবে শুধু নাম পাল্টে দিয়ে একে খৃষ্টান ধর্মায়ণ করে দেয় এবং ঘোষণা করে এখন থেকে এ পত্রগুলো ‘সেন্ট ভ্যালেনটাইন’-এর নামে প্রেরণ করতে হবে। কারণ এটা খৃষ্টান নিদর্শন, যাতে এটা কালক্রমে খৃষ্টান ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যায়।

পঞ্চমঃ অন্য আরেকটি মতে, প্রাচীন রোমে দেবতাদের রাণী জুনোর সম্মানে ১৪ ফেব্রুয়ারি ছুটি পালন করা হতো। রোমানরা বিশ্বাস করত যে, জুনোর ইশারা-ইঙ্গিত ছাড়া কোন বিয়ে সফল হয় না। ছুটির পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি লুপারকালিয়া ভোজ উৎসবে হাজারও তরুণের মেলায় র‌্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে সঙ্গী বাছাই প্রক্রিয়া চলত। এ উৎসবে উপস্থিত তরুণীরা তাদের নামাংকিত কাগজের সি­প জনসম্মুখে রাখা একটি বড় পাত্রে ফেলত। সেখান থেকে যুবকের তোলা সি­পের তরুণীকে কাছে ডেকে নিত। কখনও এ জুটি সারা বছরের জন্য স্থায়ী হত এবং ভালবাসার সিঁড়ি বেয়ে বিয়েতে গড়াতো।
ঐ দিনের শোক গাঁথায় আজকের এই "ভ্যালেন্টাইন ডে"।

বাংলাদেশে ভ্যালেন্টাইনস ডে যেভাবে আসলঃ

১৯৯৩ সালের দিকে বাংলাদেশে বিশ্ব ভালবাসা দিবসের আর্বিভাব ঘঠে। যায় যায় দিন পত্রিকার সম্পাদক শফিক রেহমান। তিনি পড়াশোনা করেছেন লন্ডনে। পাশ্চাত্যের ছোঁয়া নিয়ে দেশে এসে লন্ডনী সংস্কৃতির প্র্যাকটিস শুরু করেন। তিনি প্রথম যায় যায় দিন পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্ব ভালবাসা দিবস বাংলাদেশীদের কাছে তুলে ধরেন। তেজগাঁওয়ে তার পত্রিকা অফিসে কেউ চাকরী নিতে গেলে না কি সাথে তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে যেতে হতো। প্রেমের যুগললবন্দী কপোত-কপোতীকে দেখে ওনি না কি খুব খুশী হতেন। অভিধা প্রথম ব্যবহার করেন শফিক রেহমান। এজন্য শফিক রেহমানকে বাংলাদেশে ভালবাসা দিবসের জনক বলা হয়।

সকলের তরে আমার মিনতিঃ
দিন শেষে রাত ১১:৫৯মি: পরেই ১৪ ই ফেব্রুয়ারি অর্থ্যাৎ "বিশ্ব ভালবাসা দিবস" বা ''ভ্যালেন্টাইনস ডে''। বহু প্রতিক্ষিত তিল তিল করে জামানো ভালোবাসাকে ভালো লাগার প্রিয় মানুষটার সাথে শেয়ার করার দিন। ভালোবাসার মানুষটিকে যুগ যুগ ধরে পবিত্র সম্মানে সম্মনিত করা। আমরা মানুষ হিসাবে সব ভালোকে ভালোবাসি বলেই ভালবাসার মধ্যে আছি। পশ্যুবৃত্তি একদিনের ভালবাসা হাজার দিনের ভালবাসাকে অপমান করার শামিল। তাই কোন পশুবৃত্তি নয়,কোন বেয়ায়াপনা নয়। কারণ মানুষ "আশরাফুল মাখলূখাত"।
আমাদের আশে-পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আদর-অনাদরে পড়ে থাকা মানুষগুলোর কথা ভাবার বড় প্রয়োজন।

"বিশ্ব ভালবাসা দিবস" বা ''ভ্যালেন্টাইনস ডে'' এর মানে এই নয় যে তা জমা করে ১৪ ই ফেব্রুয়ারী পালন করতে হবে। আমরা মানুষকে ভালোবাসব প্রতিটি ক্ষণে, প্রতিদিন, প্রতিটি কাজে। তাহলে ১৪ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার দিন হিসাবে পবিত্র সম্মানে সমুজ্জ্বল থাকবে।

অপরিণামদর্শী মিডিয়া কর্মীরা এর ব্যাপক কভারেজ দেয়। আর যায় কোথায় ! লুফে নেয় বাংলার তরুণ-তরুণীরা। এরপর থেকে ঈমানের ঘরে ভালবাসার
পরিবর্তে ভুলের বাসা বেঁধে দেয়ার কাজটা যথারীতি চলছে। আর এর ঠিক পিছনেই মানব জাতির আজন্ম শত্রু শয়তান এইডস নামক মরণ- পেয়ালা হাতে নিয়ে দাঁত বের করে হাসছে। মানুষ যখন বিশ্ব ভালবাসা দিবস সম্পর্কে জানত না, তখন
পৃথিবীতে ভালবাসার অভাব ছিলনা। আজ পৃথিবীতে ভালবাসার বড় অভাব। তাই দিবস পালন করে ভালবাসার কথা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়! আর হবেই না কেন! অপবিত্রতা নোংরামি আর শঠতার মাঝে তো আর ভালবাসা নামক ভালো বস্তু
থাকতে পারে না। তাই আল্লাহ তা‘আলা মানুষের হৃদয় থেকে ভালবাসা উঠিয়ে নিয়েছেন। বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে চেনার জন্য আরও কিছু বাস্তব নমুনা পেশ করা দরকার। দিনটি যখন আসে তখন শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তো একেবারে বেসামাল হয়ে উঠে। নিজেদের রূপা-সৌন্দর্য উজাড় করে প্রদর্শনের জন্য রাস্তায় নেমে আসে। শুধুই কি তাই ! অঙ্কন
পটীয়সীরা উল্কি আঁকার জন্য পসরা সাজিয়ে বসে থাকে রাস্তার ধারে। তাদের
সামনে তরুণীরা পিঠ, বাহু আর হস্তদ্বয় মেলে ধরে পছন্দের উল্কিটি এঁকে দেয়ার ন্য। তারপর রাত পর্যন্ত নীরবে-নিবৃতে প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে খোশ গল্প। এ হলো বিশ্ব ভালবাসা দিবসের কর্মসূচি! বিশ্ব ভালবাসা দিবস না বলে বিশ্ব বেহায়াপনা দিবস বললে অন্তত নামকরণটি যথার্থ হতো। যারা ঈমানদারদের সমাজে এ ধরণের অশ্লীলতার বিস্তার ঘটায়, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের জন্য
আল্লাহ তা‘আলা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳُﺤِﺒُّﻮﻥَ ﺃَﻥْ ﺗَﺸِﻴﻊَ ﺍﻟْﻔَﺎﺣِﺸَﺔُ ﻓِﻲ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﻟَﻬُﻢْ ﻋَﺬَﺍﺏٌ ﺃَﻟِﻴﻢٌ ﻓِﻲ ﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﻭَﺍﻟْﺂﺧِﺮَﺓِ
‘‘ যারা মু’মিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে তাদের জন্য আছে দুনিয়া ও
আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি..।’’(সূরা আন-নূর :১৯) পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেন : “হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যথাযথ ভয়। আর তোমরা মুসলিম হওয়া ছাড়া মারা যেও না”। পোষ্টটা পড়া শেষ হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না মুমিন ভাই ও বোনেরা ।

 #মাঝেমধ্যে ভাবি কেন আমাকে এতো ভালবাসো তোমরা আপ্লুত হই, চোখ ভিজে চায়,এসবের যোগ্য আমি নই, তোমাদের মহাজাগতিক ভালবাসাগুলোই ...
06/11/2025

#মাঝেমধ্যে ভাবি কেন আমাকে এতো ভালবাসো তোমরা আপ্লুত হই, চোখ ভিজে চায়,এসবের যোগ্য আমি নই, তোমাদের মহাজাগতিক ভালবাসাগুলোই আমার শক্তি আর আত্মবিশ্বাসের ফুয়েল হিসেবে কাজ করে,,,
ভালো থাকুক সবার ভালোবাসা,,,

05/11/2025

#সেলফিটা তোলার জন্য ভালো মন-মানসিকতা দরকার হয় স্মৃতির অ্যালবাম থেকে..
ধন্যবাদ বন্ধু তোর প্রতিটি তোলা ছবিগুলো আপলোড করলাম
#রৌদ্রজ্জোল দুপুরে পিচ ঢালা রাস্তায় কি শুধু তোরাই ছিলি সেদিন?
না.....

17/10/2025
★অসুন্দর পৃথিবীকে সুন্দর করতে; সর্বনির্যাতন থেকে মুক্ত করতেই মানুষের জন্ম। - কাজী নজরুল  ইসলাম=নজরুল কখনোই সুযোগসন্ধানী ...
17/10/2025

★অসুন্দর পৃথিবীকে সুন্দর করতে; সর্বনির্যাতন থেকে মুক্ত করতেই মানুষের জন্ম।
- কাজী নজরুল ইসলাম=

নজরুল কখনোই সুযোগসন্ধানী কবি হতে পারেন নি। তিনি নির্যাতিতের মুখপাত্র, তাঁর কলমে মননে চিন্তায় চেতনায় ছিল মানুষে মানুষে সাম্যের অবগাহন। আমরা বাংলাদেশী মুসলমানেরা কবির ইসলামীক সাইডটা খুব সযত্নে আলগা করে ফেলেছি। নজরুল চর্চার অভাবে এদেশের মানুষ উনার সাম্যবাদী মানষিকতা আর সৃষ্টি সম্বন্ধে কোন ধারনাই রাখেনা। আজ থেকে একশো বিশ বছর আগে জন্ম নেয়া একজন আধুনিক।

নজরুলকে আমরা আজো বুঝতে পারিনি। বুঝতে পারলে বৃটিশ ষ্টাইলে তৃতীয় পক্ষের ডিভাইড এন্ড রুল এর শিকার হতে হতোনা উপমহাদেশের হিন্দু মুসলমানেরা। সহস্র বছরের সম্প্রীতি
রক্ষার জন্য একটা কাজী নজরুল ইসলামের আজ খুব প্রয়োজন, যার কলমের চাবুকে আবার আমরা গেয়ে উঠতাম সাম্যের লবাঁগিচা দোলানো বিদ্রোহী কবির একটা ছবি, সেখানে লেখা ছিল- ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি !!! আল্লাহর ইশারায় আজ নভোমন্ডল আর সমূদ্রতলে মানুষের বিচরণ। মর্ত্যলোকে চলছে হিংসা হানাহানির মচ্ছব। এই অসহনীয় বিভেদ বিচ্ছেদ সংঘাত থেকে মুক্তি চাই মুক্তি চাই মুক্তি চাই।

03/07/2025

-সবার দ্বারা সব কাজ হয় না, সবাই সব কিছু করতে পারে না, লোক ঠকানো, বেঈমানি, গুছিয়ে মিথ্যা বলা, অন‍্যের সমালোচনা করা, এগুলো সবার জন্য না👍

যারা করে তারা অত্যন্ত চতুর, ঠাণ্ডা মাথার মানুষ! তাদের দেখলে মনে হবে যেন আসমান থেকে নেমে আসা এক ফেরেশতা। তারা এমন ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবে, যেন আপনি ভাববেন,

একজন মানুষ এত ভালো কীভাবে হতে পারে?

-তাদের আচরণে এমন মাধুর্য থাকবে যে, আপনি চাইলেও তাদের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে থাকতে পারবেন না। আপনি হয়তো ভুল করে তাদের ভালোবাসতেও বাধ্য হবেন!

-কিন্তু এই ভালো মানুষির মুখোশটা আসলে একটা সাজানো ফাঁদ! আপনি যতই তাদের প্রতি বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখাবেন, ততোই তাদের জালে আটকে যাবেন। যখন সেই ফাঁদে পুরোপুরি আটকে যাবেন, তখনই তাদের আসল রূপ আপনার সামনে উন্মোচিত হবে।

-ততো দিনে, আপনি তাদের প্রতি এমন ভাবে আসক্ত হয়ে যাবেন যে, তারা যা-ই করুক, আপনার কিছুই করার থাকবে না। তারা আপনাকে জীবনের খেলায় ফুটবলের মতো ব্যবহার করবে, আর তারা হবে সেই খেলার মেসি। আপনি এক সময় টের পাবেন, এই খেলায় আপনি একমাত্র বল নন, আরও অনেক বল রয়েছে তাদের জন্য।

-সেই মুহূর্তে আপনি শিখবেন, নিজের মূল্য নিজেকেই দিতে হয়☺
বিদ্রঃ ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না👍

Highlight_ هاي لايت للتصوير

  স্মৃতির অ্যালবাম থেকে নেওয়া।কৃত্রিমতা যেখানে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যায়।স্থানঃ পদ্মপুকুর, চৌরঙ্গী মোড়,  জাহাঙ্গীরনগর বি...
22/05/2025

স্মৃতির অ্যালবাম থেকে নেওয়া।
কৃত্রিমতা যেখানে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যায়।
স্থানঃ পদ্মপুকুর, চৌরঙ্গী মোড়,
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যস্ত শহরের কোল ঘেঁষে সাভারের এক নক্ষত্রের ন্যায় উজ্জ্বল স্বর্গভূমি এই বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রাণের স্পর্শে এই ক্যাম্পাস এতোটাই সজীব যে ক্যাম্পাসের মোহ টানে সারা দেশের মানুষকে প্রকৃতির সাথে বিলীন হতে দূর দুরান্ত থেকে ছুটে আসে মানুষেরা। বিস্তর সীমানা,মন মাতানো ফুলের সুবাস, নাম না জানা পাখির সাথে সন্ধি করতে শহুরে। ভদ্রলোকেরা ছুটে আসে এক কাপ চায়ের চুমুকে শান্তি খুঁজতে,,
কার নীল পদ্ম, নানা কণ্ঠি পাখি, লাল শাপলা কিংবা চিরসবুজ কি নেই এখানে,,,

19/05/2025

সময় হলো সবচেয়ে বড় শিক্ষক,,, যতটা শিখতে পারবেন ততটা নিজের সিদ্ধান্ত ভালো ভাবে নিতে পারবেন,,,

  মহান আল্লাহ্ যদি খুশি থাকেন তাহলে সবকিছুই আপনার,,, সবকিছুতেই আপনি অর্জন করতে পারবেন,,,
12/05/2025

মহান আল্লাহ্ যদি খুশি থাকেন তাহলে সবকিছুই আপনার,,, সবকিছুতেই আপনি অর্জন করতে পারবেন,,,

আমরা সবাই ভালো মানুষ খুঁজি কিন্তু মানুষের ভালো কখনো চাই না,, যার কিছু নাই,তার হারাবার ভয়ও নাই।😅Moral of the story - সুখী...
11/05/2025

আমরা সবাই ভালো মানুষ খুঁজি কিন্তু মানুষের ভালো কখনো চাই না,, যার কিছু নাই,তার হারাবার ভয়ও নাই।😅
Moral of the story - সুখী মানুষের কিন্তু গায়ের একটা জামাও খুঁজে পাওয়া যায়নি,,,

জীবনে অনেক কিছু দেখেছি, খুব প্রিয় মানুষের মৃত মুখ দেখেছি। কারো মুখে হাসি ফুটিয়েছি।তো কাওকে অনেক কষ্ট দিয়েছি। দেনা পাও...
08/05/2025

জীবনে অনেক কিছু দেখেছি, খুব প্রিয় মানুষের মৃত মুখ দেখেছি। কারো মুখে হাসি ফুটিয়েছি।তো কাওকে অনেক কষ্ট দিয়েছি। দেনা পাওনার হিসেব এখন আর মিলাই না। চাওয়া পাওয়ার হিসেব কসতে সাহস হয়না। সব কিছুই হয়ত পেয়েছি জীবন থেকে, শুধু পাইনি খুঁজে আমার মাঝে লুকিয়ে থাকা আমি কে,,,

Address

Derai

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SAYED AHMED posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category