THIRD EYE Politics

THIRD EYE Politics ​"Your neutral lens on politics. Analyzing policies, power, and public interest. Because staying info

তেল উৎপাদনকারী দেশ, তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণকারী দেশ, অথবা ধনী রাষ্ট্রগুলোও বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে তেল-গ্যাস সংকটে ...
07/09/2026

তেল উৎপাদনকারী দেশ, তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণকারী দেশ, অথবা ধনী রাষ্ট্রগুলোও বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে তেল-গ্যাস সংকটে হিমশিম খাচ্ছে!

ভাগ্যিস তাদের দেশে জামায়াত শিবির এনসিপির মতো অস্থির ও চদু কদু বিরোধীদল সক্রিয় নাই মাঠে।

গতকাল ডার্বি নাসির যে প্রাডো গাড়ি নিয়ে লং মার্চে গিয়েছিলো আর বলছিলো এটা গিফট পাইছে। আসলে সেই গাড়ি মালিক  ব্যাক্তি টা হলে...
06/09/2026

গতকাল ডার্বি নাসির যে প্রাডো গাড়ি নিয়ে লং মার্চে গিয়েছিলো আর বলছিলো এটা গিফট পাইছে। আসলে সেই গাড়ি মালিক ব্যাক্তি টা হলেন আওয়ামী দোসর শাহজান খানের ঘনিষ্ঠজন আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল ইসলাম ভূইয়া।
চন্দ্র পরিবহন ও ভূইয়া গ্রুপের মালিক।নাসিরুদ্দিন এর কাছে আওয়ামীলীগ ভালো না কিন্তু আওয়ামীলীগ নেতার গাড়ি ভালো লাগে। আওয়ামীলীগ পুনর্বাসনের দায়িত্ব যদি নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীরাই নিয়ে থেকে তাহলে ব্যাক্তিগত অবস্থান থেকে নিশ্চিৎ করে দিতে চাই, এর ফায়সালা রাজপথে হবে। তোর পি*ঠের চামড়া থাকবে না বাটপার পাটোয়ারী।

এর আগে  কি হাসিনা সরকার বা ইউনুস সরকারের সময় এরকম টা হতে দেখছেন। বাড়িভাড়া সাশ্রয় ও সার্ভিস চার্জ কমে যাওয়ায় চলতি বছর সরক...
06/09/2026

এর আগে কি হাসিনা সরকার বা ইউনুস সরকারের সময় এরকম টা হতে দেখছেন। বাড়িভাড়া সাশ্রয় ও সার্ভিস চার্জ কমে যাওয়ায় চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী ৪,৩৪১ জন হাজিকে মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। সাশ্রয় হওয়া এই অর্থ সংশ্লিষ্ট হাজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

06/09/2026

ভারতের উগ্রবাদী হিন্দু সংগঠন ইসকন এবং বাংলাদেশের জামায়াত ইসলাম দুইটাই একই সংগঠন।জামায়াত ইসলামের সমাবেশেই বললেন ইসকন নেতা🤣

বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করায় সাগর - রুনিকে হত্যা করে জিয়াউল - প্রাচীসাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহের...
06/09/2026

বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করায় সাগর - রুনিকে হত্যা করে জিয়াউল - প্রাচী
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডে সেনাবাহিনীর বরখাস্ত মেজর খুনি জিয়াউল আহসান এবং লীগের দালাল অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তারা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর মধ্যে ফোনে কথোপকথন এবং পরে দুটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস সংগ্রহ ও হস্তান্তরের
হত্যার আগে তৈরি হচ্ছিল ডকুমেন্টারি
তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে হত্যার আগে মাছরাঙা টেলিভিশনের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করছিলেন। ডকুমেন্টারিটি প্রকাশের আগেই পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় তাঁদের হত্যা করা হয়।
তদন্ত ও অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত একজন কর্মকর্তা দৈনিক আমার দেশের বরাতে জানিয়েছেন, কয়েকটি গুমের ঘটনা অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারির আগে ও পরে র‍্যাবের তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান জিয়াউল আহসান অভিনেত্রী ও রোকেয়া প্রাচীর সঙ্গে ২০ বারের বেশি ফোনে কথা বলেছেন।
ওই কথোপকথনের সূত্র ধরে অনুসন্ধান করতে গিয়ে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর জিয়াউল আহসান তাঁর একজন বিশ্বস্ত সহকারীকে রোকেয়া প্রাচীর কাছে পাঠিয়েছিলেন। সে সময় রোকেয়া প্রাচী ওই সহকারীর কাছে দুটি ডিভাইস দিয়েছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওই দুটি ডিভাইসে পিলখানার বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে তৈরি করা ডকুমেন্টারির তথ্য ছিল। সাগর ও রুনিকে হত্যার পর তাঁদের ব্যবহৃত ল্যাপটপ, মোবাইল ফোনসহ কয়েকটি ডিভাইস খোয়া যায়। ফোনালাপ ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত সংস্থা জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর মধ্যে ডিভাইস আদান-প্রদানের বিষয়টি জানতে পেরেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দল জিয়াউল আহসানের ওই সহকারীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনালের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
আগামীকাল কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা বলেন, সন্দেহভাজনদের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁরা জানতে পেরেছেন, তৎকালীন র‍্যাবের গোয়েন্দা প্রধানের দলে দায়িত্ব পালনকারী একজন ব্যক্তিকে হত্যাকাণ্ডের আগের দিন বলা হয়েছিল, “আগামীকাল কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে।” প্রয়োজন হলে তাঁকে ভোরে উপস্থিত থাকার জন্যও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। এর পরদিনই সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ড ঘটে।
তিনি বলেন, ওই দলে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউল আহসানের কাছ থেকে জব্দ করা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও সার্ভারে দীর্ঘ সময়ের অসংখ্য তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু ফাইল মুছে ফেলা হলেও সেগুলোর একটি অংশ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। আবার কিছু তথ্য ও নথি আগে থেকেই মুদ্রিত অবস্থায় ছিল। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত সংস্থা সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহে তিন থেকে চারজনকে চিহ্নিত করেছে। তাঁদের বিষয়ে আরও যাচাই-বাছাই চলছে।
জব্দ করা ডিভাইস ও তথ্য সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের হাতে গেলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

কৃষি মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী কি দূর্নীতি মুক্ত ছিলো নাকি বেগম জিয়ার উদারতার সুযোগের সৎব্যবহার?জামায়াতের লোকজন বার বার...
06/09/2026

কৃষি মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী কি দূর্নীতি মুক্ত ছিলো নাকি বেগম জিয়ার উদারতার সুযোগের সৎব্যবহার?
জামায়াতের লোকজন বার বার দাবী করে যে তাদের নেতার মন্ত্রনালয়ে নাকি কখনোই ১ টাকা দূর্নীতি হয় নি,তারা সৎ, নিষ্ঠাবান। কিন্তু তাদের সেই দাবী আদতেই মিথ্যা। ওরা সব সময়ই মেকী রচনায় পটু। আমি মতিউর রহমান নিজামী যে কতটা দলকানা ও পক্ষপাততুষ্ট ছিলো তা আজ প্রমান সহ দিব।

নিজামীর কৃষিমন্ত্রীত্ব নিয়ে দলীয়করণের সুস্পষ্ট অভিযোগ ছিল, কিন্তু “দলীয়করণের অভিযোগের কারণে তাকে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে সরানো হয়েছিল” এই কারণটিকে সরাসরি প্রমাণ করে এমন শক্ত সরকারি বা সমসাময়িক নির্ভরযোগ্য সূত্রও আছে,তবে পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার নিজট ক্ষমা চেয়ে জামায়াতিরা ক্ষমা পায় এবং ইজ্জত রক্ষা করে ।

২০০১ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার গঠিত হলে জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সরকারি কৃষি মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী তিনি ১০ অক্টোবর ২০০১ থেকে ২২ মে ২০০৩ পর্যন্ত কৃষিমন্ত্রী ছিলেন।

২০০৩ সালের ২২ মে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হয়। নিজামীকে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং এম কে আনোয়ার কৃষিমন্ত্রী হন। একই সময়ে নিজামী শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এখানেই মূল বিতর্ক।

১. দলীয়করণের অভিযোগ

নিজামী কৃষিমন্ত্রী থাকাকালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে ব্লক সুপারভাইজার পদটি বিতর্কের কেন্দ্রে আসে।

ব্লক সুপারভাইজাররা কৃষি সম্প্রসারণ ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাঠকর্মী। তারা কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করেন এবং ইউনিয়ন বা ব্লক পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ সেবা দেন।

মূল অভিযোগ এই ধরনের মাঠপর্যায়ের পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতার পাশাপাশি রাজনৈতিক আনুগত্যকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল এবং জামায়াতের কর্মী ও সমর্থকদের বিনা যোগ্যতায় নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

তদন্তে দেখা যায় প্রায় ৪ হাজার ব্লক সুপারভাইজার নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম হয়েছিল এবং ভাইভা পরীক্ষার আগেই দলীয় তালিকা তৈরি করা হয়েছিল।

২. “৪ হাজার নিয়োগ” প্রসঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ:

২০০৫ সালের মার্চে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কৃষি কর্মীদের সম্মেলনে বলেন, প্রায় ৪ হাজার কৃষি কর্মীকে ইতোমধ্যে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে এবং ২০০৪ সালে প্রায় ২,৫০০ কৃষি ডিপ্লোমাধারীকে Deputy Assistant Agriculture Officer পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। একই অনুষ্ঠানে তিনি ব্লক সুপারভাইজারদের পদ পরিবর্তন করে Deputy Assistant Agriculture Officer করার কথা বলেন।

অর্থাৎ “নিজামী ২০০৩ সালে ৪ হাজার ব্লক সুপারভাইজার নিয়োগ করেছিলেন” কথাটি সরাসরি প্রমাণিত তথ্য, ৪ হাজার সংখ্যাটি বিভিন্ন নিয়োগ, পদোন্নতি ও কৃষি কর্মীদের পরিবর্তনের সঙ্গে সত্যতা আছে, কিন্তু জোটের কারনে তখন বিএনপি এটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করে নি।

কৃষি মন্ত্রনালয়ের তৎকালীন সূত্র থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, নিজামীর সময় ব্লক সুপারভাইজারদের মর্যাদা ও পদ কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং সেই সময়ে জামায়াতের লোকদের গনহারে নিয়োগ ও পদোন্নতির ব্যবস্থা করে ছিলো সেই জামায়াত নেতা।

৩/প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষার অনিয়ম: লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে নির্দিষ্ট মতাদর্শের বিশেষ করে জামায়াত শিবির পন্থীদের পরীক্ষার্থীদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

তাই এটিকে সরাসরি শাস্তিমূলক বদলি হলেও বিএনপি বিষয়টি চেপে রাখে।

সাভারে শিশু বলাৎ*কারের ঘটনার যে বৃত্তান্ত জানা গেছে তা শুধু লোমহর্ষকই নয় এটা যেন আদিম কওমে লুতের ব্যাভিচার বিভৎসতাকেও হা...
04/09/2026

সাভারে শিশু বলাৎ*কারের ঘটনার যে বৃত্তান্ত জানা গেছে তা শুধু লোমহর্ষকই নয় এটা যেন আদিম কওমে লুতের ব্যাভিচার বিভৎসতাকেও হার মানিয়েছে।

মাত্র ৭-৮ বছরের একটি কোমলমতি শিশু, এদেশের বাকি ৬০-৭০ ভাই বাঙালী মুসলমান পরিবারের মতোই পরিবার ও সন্তানের আগ্রহে কলিজার টুকরা শিশুকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছেলেন বাবা।

শিশুটিকে গত ফেব্রুয়ারিতে ভর্তি করা হয়। তার পাঠদানের সময় ফজর থেকে এশার নামাজের আগ পর্যন্ত। শিশুটির সঙ্গে তার বাবা সপ্তাহে একদিন দেখা করতেন এবং ছুটির দিন শুক্রবার বাসায় নিয়ে যেতেন। ভর্তি করানোর ২০/২১ দিন পর থেকে আসামিদের কুনজর পড়ে শিশুটির উপর; শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হয়।

২১ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় রোজার দিন সন্ধ্যায় টয়লেটে ২০ বছর বয়সি এক শিক্ষার্থীর প্রথম ধর্ষ*ণের শিকার হয় সাত বছরের শিশুটি। কান্নাকাটি করলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনা জেনে তার আরও বেশ কজন সহপাঠী সুযোগ বুঝে তাকে ধ*র্ষণ করে। এ ব্যাপারে হুজুরদের কাছে অভিযোগ গেলে তারাও সুযোগ বুঝে তাকে ধ*র্ষণ করে। ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত টানা ছয় মাস ছেলেটি উপর্যুপরি ধ*র্ষিত হয়।

ছোট পায়ু পথে চেপে চেপে বড় যৌ*নাঙ্গ ঢুকাতে ঢুকাতে জখম করে ফেলেছে। এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিচিত এক চিকিৎসকের পরামর্শ নেন তার বাবা। ওই চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে দ্রুত সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন।

আপনার কোমলমতি শিশু বাচ্চা যাকে আপনি দ্বীনের খেদমতের জন্য, কুরআনের হাফেজ করার জন্য এই আবাসিক মাদ্রাসা গুলোয় দিচ্ছেন বিশ্বাস করে, তার যদি এ অবস্থা করে এই হিং*স্র হায়েনার দল, তাহলে আপনি কোথায় যাবেন? কাকে বিশ্বাস করবেন??

বর্তমানে ওই মাদ্রাসার চার শিক্ষক ও ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছে। ধ*র্ষকদের কেউ হাফেজ, কেউ হাফ মাওলানা আর কেউ বড় মাওলানা। তাদের শক্তিশালী শরীরের কামুক স্পর্শে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ছোট শিশুটি। এই বয়সেই কি নির্মম পরিহাস।

অতীতে আমরা এই আবাসিক শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও কঠোর নিয়মকানুন এর আওতায় নিয়ে আসতে বিজ্ঞ আলেমদেরকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেছি, কিন্তু আমাদেরকে গালি দেওয়া হয়েছে এই বলে যে আমরা হুজুরদের পছন্দ করিনা! অথচ একাজগুলো, কিছু ঘটনা দ্বারা পুরো আলেম সমাজ, পুরো মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যা আমরা চাইনা।

সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ, আইনের ফাঁক ফোকড়ের কারণে এরা বারবার এইসব অপরাধ সংঘটিত করার সাহস পায়, ঘটনা তদন্তের পর যতজন এটাতে জড়িত প্রমাণিত হবে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক দ্রুততম সময়ে।

আপনারা সমালোচনা করে যান বিএনপি সরকার দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং  যাবে।২০২৬ সালের আগস্ট মাসে রপ্তানি আয় গত বছরের একই স...
02/09/2026

আপনারা সমালোচনা করে যান বিএনপি সরকার দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং যাবে।২০২৬ সালের আগস্ট মাসে রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩.১৪ শতাংশ বেড়ে ৪.৪৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের (জুলাই-আগস্ট) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পণ্য রপ্তানি ৫.৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯.১৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৮.৬৯ বিলিয়ন ডলার।নতুন বা উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে তুরস্কে রপ্তানি বেড়েছে রেকর্ড ১৪১.০৩ শতাংশ। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪২.৩৭ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৪২.০৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

ড.ইউনুস আর তার জামাতপন্থী  জ্বালানি উপদেষ্টা  বাংলাদেশের বিদ্যুৎের কতোবড়  ক্ষতি করে গেছে জানেন !যে সৌরবিদ্যুৎ এর জন্য বি...
01/09/2026

ড.ইউনুস আর তার জামাতপন্থী জ্বালানি উপদেষ্টা বাংলাদেশের বিদ্যুৎের কতোবড় ক্ষতি করে গেছে জানেন !
যে সৌরবিদ্যুৎ এর জন্য বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসার পর থেকে চেষ্টা করছে এবং already বেশ কিছু জায়গায় বসানো হয়েছে-
আজ থেকে ২ বছর আগে ৩১ টা সৌর বিদ্যুৎ নির্মাণকেন্দ্র এর আদেশ বাতিল করে দিয়েছে ইউনুস সরকার।নাহলে এগুলা হতে এতোদিনে কম করে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হতো।

এলএনজি বিদেশ থেকে এনে যে টার্মিনালে রাখা হয়, সেই টার্মিনাল আছে মাত্র দুটা।তৃতীয় আরেকটা টার্মিনাল বানানোর কথা হচ্ছিলো, ইউনুস আর জ্বালানী উপদেষ্টা মিলে সেই প্রজেক্ট ও বাতিল করে দিয়ে গেছে।

এখন বিএনপি সরকার অলরেডি সেই থার্ড টার্মিনাল বানানোর প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে, ইউনুস সেইসময় বাতিল না করলে কাজ এখন অর্ধেক এগিয়ে থাকতো!

এদের ধান্দা ছিলো ক্ষমতা যদি দেড় বছরের মধ্যে ছাড়তেই হয়, বিএনপি এসে যেন শান্তি না পায় এমন ব্যবস্থা করে রেখে যাবো!

এবার দেখুন নিচের নিউজ! বিশ্বাস না হলে যাচাই করে দেখুন—
ফাওজুল কবীর নামে জামায়াতের যে লোক জ্বালানি উপদেষ্টা ছিলো, সে ছিলো কুইক রেন্টালের জনক!
কোটি কোটি টাকা কামাইছে এই লোক, এরপর আওয়ামীলীগও কুইক রেন্টালের পথ বেছে নেয়।
এই সুবিধাবাদী “ইউনাইটেড পাওয়ার এর ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডাইরেক্টর ছিলেন” এরা সবচেয়ে কম দামে গ্যাস কিনে, এরপর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সবচেয়ে বেশি দামে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে।

তো এসব লোক দিয়েই জ্বালানী খাত ধ্বংস হয়েছে, হাসিনার সময়ে সর্বোচ্চ সুবিধা নিয়ে ৫ আগস্টের পর জ্বালানি উপদেষ্টা হওয়ার পুরস্কারও আবার পায়! আর পুরা জ্বালানী খাত ভরাইছে গুপ্তদের দিয়ে।

ড. ইউনূসের কাছে “৫ বছর চাই ছাগলদের”জিজ্ঞেস করতে বলেন, কেন ৩১ টা সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র আর একটা টার্মিনাল নির্মাণের সম্মতিপত্র বাতিল করছে?

স্পট মার্কেটে এলএনজির দাম বাড়ার কারণে প্রতি মাসে সরকারকে গ্যাস খাতে লোকসান দিতে হয়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। গ্যাসের এ...
01/09/2026

স্পট মার্কেটে এলএনজির দাম বাড়ার কারণে প্রতি মাসে সরকারকে গ্যাস খাতে লোকসান দিতে হয়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। গ্যাসের এই উচ্চমূল্য থাকলে চলতি বছর এলএনজি আমদানি করে সরকারকে লোকসান দিতে হবে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই লোকসান ছিল মাত্র ৬ হাজার কোটি টাকা।প্রতি মাসে ১০টি এলএনজি কার্গোর মধ্যে ৭/৮টি কেনা হয় স্পট মার্কেট থেকে। স্পট মার্কেটে প্রতি কার্গো গ্যাস কিনতে বিল দিতে হয় প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। কিন্তু এ গ্যাস বিক্রি করে সরকার পায় মাত্র ৩৫০ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্গোতে লোকসান ৭০০ কোটি টাকার বেশি। এই হিসাবে প্রতি মাসে এখন সরকারকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলএনজি কিনে বাড়তি লোকসান দিতে হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when THIRD EYE Politics posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

l="false"> Add listing
  • Login
  • Subscribe

    We will notify you when anything happens in Dhaka.