With Nowshin

With Nowshin Daily lifestyle vlog☀️🌤️ | Cooking🥘🍳 |Travelling✈️🚘🚞🚢 | Singing🎤🎸| Gardening🪴🌵| Shopping🎒👒| Homedecor🏡
(2)

এটি একটি জীবন ঘনিষ্ঠ পেজ যেখানে জীবনে চলতে ফিরতে যা কিছু প্রয়োজন তার সবকিছুই এখানে পাবেন।হতে পারে সেটি রান্না অথবা ঘুরাঘুরি, আড্ডা, বিভিন্ন রকম টিপস,প্রতিদিনের রুটিন,খাওয়া ইত্যাদি আরও নানান কিছু.. এই পেজের সাথেই থাকবেন আশা করি ভালো লাগবে....

কাউকে নিজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আগে, একবার অন্তত নিজেকেও গুরুত্ব দিতে শিখুন।জীবনে এমন মানুষ হবেন না, যে অন্যের সু...
27/07/2026

কাউকে নিজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আগে, একবার অন্তত নিজেকেও গুরুত্ব দিতে শিখুন।

জীবনে এমন মানুষ হবেন না, যে অন্যের সুখের জন্য নিজের সবটুকু নিঃশেষ করে দেয়। কারণ অতিরিক্ত ভালোবাসা, অতিরিক্ত যত্ন কিংবা সীমাহীন আত্মত্যাগ

—সব সময় তার প্রাপ্য মূল্য পায় না।
আমরা অনেকেই প্রিয় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে গিয়ে নিজের স্বপ্ন, নিজের ইচ্ছা, এমনকি নিজের আত্মসম্মানও বিসর্জন দিয়ে ফেলি। অথচ সময় বদলালে, সেই মানুষগুলোর মধ্যেই কেউ কেউ খুব সহজে বলে বসে, "আমি তো তোমাকে এসব করতে বলিনি!"
তাই ভালোবাসুন, কিন্তু নিজেকে হারিয়ে নয়। সম্পর্ককে গুরুত্ব দিন, তবে নিজের মর্যাদার বিনিময়ে নয়। এমনভাবে পাশে থাকুন, যাতে আপনার উপস্থিতি সম্মান পায়, করুণা নয়।
মনে রাখবেন, যে মানুষ নিজের মূল্য নিজেই ভুলে যায়, পৃথিবীও একসময় তাকে মূল্য দিতে ভুলে যায়। তাই অন্যকে ভালো রাখার আগে নিজেকেও ভালো রাখুন। কারণ দিনশেষে আপনার আত্মসম্মান, আপনার শান্তি আর আপনার অস্তিত্বের দায়িত্ব একমাত্র আপনারই।

15/07/2026

একটা Artificial plant কে Real Plant বানিয়ে ফেলতে পারেন এভাবে...🌱🌿🥰🥰

াজানো
#ঘরসাজ



14/07/2026

Aarong এর প্রোডাক্ট দিয়ে ছেলেকে নিয়ে ঘর সাজাই



াজানো
#ঘরসাজ
#আড়ং

মন খারাপের দিনগুলোতে আমি ঘর সাজাই।কারণ কখনও কখনও এলোমেলো মনকে গুছিয়ে তোলার শুরুটা হয় নিজের চারপাশটাকে গুছিয়ে নেওয়া থ...
11/07/2026

মন খারাপের দিনগুলোতে আমি ঘর সাজাই।
কারণ কখনও কখনও এলোমেলো মনকে গুছিয়ে তোলার শুরুটা হয় নিজের চারপাশটাকে গুছিয়ে নেওয়া থেকে।

কিছু মানুষ মন খারাপ হলে কাঁদে, কেউ গান শোনে, আর আমি ঘর সাজাই।
কারণ আমি জানি, বাইরের সৌন্দর্য সব সময় ভেতরের ক্ষত সারায় না, তবু একটু শান্তি দেয়, একটু আশা দেয়, আর মনে করিয়ে দেয়— জীবন এখনও সুন্দর হতে পারে।
❤🥰🥰

মানুষ ভাবে আমি শখ করে ঘর সাজাই। অথচ কেউ জানে না, এই সাজানোর ভেতরেই আমি নিজেকে জোড়া লাগাই। প্রতিটি গুছিয়ে রাখা জিনিস, প্রতিটি আলোর রেখা, প্রতিটি ছোট্ট সৌন্দর্য আমাকে বাঁচতে শেখায়।

হয়তো মন খারাপ একদিনে চলে যায় না। তবু সুন্দর করে সাজানো একটা ঘর প্রতিদিন নীরবে মনে করিয়ে দেয়—ঝড়ের পরও জানালা খোলা যায়, ফুল ফুটে, আলো ফিরে আসে, আর মানুষও একদিন আবার হাসতে শেখে। 🌿❤️❤️🎀🎀

#ঘরসাজ
াজানো


জীবনে এমন সময় প্রায় সবারই আসে, যখন দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর ধরে একই দোয়া করে যাচ্ছি—তবুও মনে হয...
06/07/2026

জীবনে এমন সময় প্রায় সবারই আসে, যখন দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর ধরে একই দোয়া করে যাচ্ছি—তবুও মনে হয় সেই দোয়ার কোনো উত্তর মিলছে না। তখন মন ভেঙে যায়, হৃদয় ক্লান্ত হয়ে পড়ে, আর মনে প্রশ্ন জাগে, "আল্লাহ কি আমার দোয়া শুনছেন?"

কিন্তু একজন মুমিন জানে, আল্লাহ কখনো তাঁর বান্দার দোয়া অগ্রাহ্য করেন না। তিনি সব শুনেন, সব জানেন, এবং বান্দার জন্য যা সর্বোত্তম, তা-ই নির্ধারণ করেন। কখনো সঙ্গে সঙ্গে কবুল করেন, কখনো বিলম্ব করেন, আবার কখনো এর পরিবর্তে আরও উত্তম কিছু দান করেন—যা হয়তো আমরা তখন বুঝতে পারি না।

এই কঠিন সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় ধৈর্যের। কারণ ধৈর্য শুধু অপেক্ষা করার নাম নয়; ধৈর্য হলো আল্লাহর ফয়সালার ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখে তাঁর প্রতি আস্থা অটুট রাখা। যখন সব দরজা বন্ধ মনে হয়, তখনও আল্লাহর রহমতের দরজা কখনো বন্ধ হয় না।

মনে রাখবেন, আল্লাহ কখনো তাঁর বান্দার কষ্ট, চোখের পানি কিংবা নীরব আর্তনাদ বৃথা যেতে দেন না। প্রতিটি দোয়া, প্রতিটি অশ্রু, প্রতিটি অপেক্ষা—সবই তাঁর কাছে সংরক্ষিত। তিনি এমন সময় প্রতিদান দেন, যখন তা আমাদের জন্য সবচেয়ে কল্যাণকর হয়।

তাই হতাশ হবেন না। দোয়া করা বন্ধ করবেন না। আল্লাহর ওপর ভরসা হারাবেন না। হয়তো আজ যে অপেক্ষা আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে, আগামীকাল সেটিই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় নেয়ামত হয়ে ফিরে আসবে।

এই কথাগুলো মূলত আমার নিজের মনকে শক্ত রাখার জন্যই লেখা। নিজের ভেতরের অনুভূতিগুলোকে শব্দে প্রকাশ করে নিজেকেই সাহস দেওয়ার চেষ্টা করি, নিজেকেই মনে করিয়ে দিই—আল্লাহর ওপর ভরসা হারানো যাবে না।
হয়তো আমার এই লেখাগুলো পড়ে আপনাদের মধ্যেও কেউ নতুন করে ধৈর্য ধরার শক্তি পাবেন, আল্লাহর ওপর আরও বেশি ভরসা করতে অনুপ্রাণিত হবেন। তাই নিজের জন্য লেখা এই কথাগুলো আপনাদের সবার সঙ্গেও ভাগ করে নিলাম।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দিন, আমাদের সব নেক দোয়া কবুল করুন এবং আমাদের জন্য যা কল্যাণকর, তাই নসিব করুন। আমীন। 🤲

আল্লাহর পরিকল্পনা সবসময়ই আমাদের পরিকল্পনার চেয়ে উত্তম। তাই ধৈর্য ধরুন, ইস্তিগফার করুন, নিয়মিত নামাজ আদায় করুন, দোয়া করতে থাকুন এবং বিশ্বাস রাখুন—যিনি আপনাকে দোয়া করার তাওফিক দিয়েছেন, তিনিই একদিন সবচেয়ে সুন্দরভাবে তার প্রতিদান দেবেন, ইনশাআল্লাহ।

"নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গেই আছেন।"

আল্লাহ আমাদের সবাইকে ধৈর্য, তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা) এবং কবুল হওয়া দোয়ার সৌভাগ্য দান করুন। আমীন। 🤲






কাবার ঠিক উপরের আসমানে আরেকটা কাবা আছে.নাম: আল-বাইতুল মা'মুর।প্রতিদিন ৭০ হাজার ফেরেশতা ওই কাবা তাওয়াফ করে। একবার যে করলো...
03/07/2026

কাবার ঠিক উপরের আসমানে আরেকটা কাবা আছে.
নাম: আল-বাইতুল মা'মুর।
প্রতিদিন ৭০ হাজার ফেরেশতা ওই কাবা তাওয়াফ করে। একবার যে করলো, কিয়ামত পর্যন্ত আর সুযোগ পাবে না।

আর আল্লাহ আপনাকে দুনিয়ার কাবা দিয়ে দিলেন। যতবার খুশি চক্কর দেন।
ফেরেশতারা উপর থেকে দেখে আর বলে: ইয়া আল্লাহ..... আদম সন্তান কত ভাগ্যবান।

পর্ব ২: প্রতি কদমে জান্নাতের চুক্তি - সহিহ হাদিস

আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. বলেন:
আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি কাবা তাওয়াফ করে, সে প্রতি কদমে ১০টা নেকি পায়, ১০টা গুনাহ মাফ হয়, ১০ ধাপ জান্নাতে উপরে উঠে যায়

হিসাব করেন...
১ চক্করে ৩০ কদম = ৩০ নেকি + ৩০ গুনাহ মাফ।
৭ চক্কর = ২১০ নেকি শুধু পা ফেলার বিনিময়ে।

আপনি দোকানে ১ ঘন্টা কাজ করে ২০০ টাকা পান।
আর আল্লাহ ৭ মিনিটে ২১০ নেকি দিয়ে দেন... ফ্রি।

পর্ব ৩: ১ তাওয়াফ = ১ কোটি টাকার সওয়াব

যে ব্যক্তি ৭ চক্কর তাওয়াফ করে ২ রাকাত নামাজ পড়বে, তার সওয়াব একজন মুমিন গোলাম আজাদ করার সমান

সাহাবির যুগে একজন গোলামের দাম ছিল ৪০-৫০ হাজার দিরহাম।
আজকের বাজারে ১ কোটি টাকা।
মানে আপনি ঘেমে, ক্লান্ত হয়ে যে তাওয়াফ করলেন, আল্লাহ আপনাকে ১ কোটি টাকার জান্নাত লিখে দিলেন।

পর্ব ৫: আল্লাহ নিজে তাকিয়ে থাকেন

নবীজি ﷺ বলেছেন: আল্লাহর ঘরের উপর প্রতিদিন ১২০টা রহমত নাযিল হয়। ৬০টা তাওয়াফকারীদের জন্য

মানে যখন আপনি চক্কর দেন, আসমান থেকে আল্লাহর রহমত আপনার মাথার উপর বৃষ্টির মতো পড়ে।
যে রহমতের এক ফোঁটা আপনার কলবে লাগলে আপনি আর গুনাহ করতে পারবেন না।

শেষ দৃশ্য: কাঁদবেন এখন...

কল্পনা করেন..

আপনি মারা গেছেন। জানাজা হয়ে গেছে।
আপনার ছেলে মক্কায় গেল উমরা করতে।
নিয়ত করলো: আব্বা/ আম্মার নামে ৭ চক্কর তাওয়াফ।

আপনি কবরে শুয়ে আছেন।
হঠাৎ ফেরেশতা এসে বললো: উঠেন। আপনার ছেলে/মেয়ে আপনার জন্য তাওয়াফ করছে। ২১০ নেকি আপনার আমলনামায় দিয়ে দিলাম।

আপনার ছেলে/মেয়ে নাই? কোনো সমস্যা নাই।
আপনি নিজে বেঁচে থাকতেই করেন।
কারণ মরে গেলে আর তাওয়াফের সুযোগ নাই।

───

আজকের দোয়া:

ইয়া আল্লাহ... যে ঘরের চারপাশে ফেরেশতা চক্কর দেয়, আমাকে সেই ঘরের চারপাশে কাঁদার তৌফিক দাও। প্রতি কদমে আমার আব্বা-আম্মার কবরের আযাব মাফ করে দাও। আমি গুনাহগার, কিন্তু তোমার ঘর পবিত্র। তোমার ঘরের উছিলায় আমাকে মাফ করে দাও, আমার বাবা-মা কেও মাফ করে দাও। আমিন।

✍️ Ahmad Ali Molla

সনদ ১০% সহিহ:
1. ১০ নেকি প্রতি কদম: আহমাদ ২৭৮৬২, তিরমিজি ৯৫৯, ইবনে মাজাহ ২৯৫৬
2. গোলাম আজাদ: তিরমিজি ৯৫৯
3. ৫০ তাওয়াফে নিষ্পাপ: তিরমিজি ৮৬
4. ১২০ রহমত: তাবরানি

নিজের ভালো থাকার জন্যই কখনো কখনো নিজেকে বদলে ফেলতে হয়।সব পরিবর্তন ক্ষতিকর নয়। কিছু পরিবর্তন মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যায়...
03/07/2026

নিজের ভালো থাকার জন্যই কখনো কখনো নিজেকে বদলে ফেলতে হয়।

সব পরিবর্তন ক্ষতিকর নয়। কিছু পরিবর্তন মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যায়, আবার কিছু পরিবর্তন তাকে আল্লাহর আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। তাই এমন পরিবর্তনকে গ্রহণ করুন, যা হৃদয়ে প্রশান্তি আনে, চোখের অশ্রুকে দোয়ায় রূপ দেয় এবং জীবনকে প্রকৃত অর্থে সুন্দর করে তোলে।

দুনিয়ার প্রয়োজনে আমরা কত সহজেই নিজেদের বদলে ফেলি—জীবনযাপন বদলাই, পোশাক বদলাই, পরিচিত পরিবেশ বদলাই, এমনকি মানুষের সঙ্গও বদলে ফেলি। কিন্তু যখন বিষয়টি ইমান, আমল ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে বদলানোর আসে, তখন নানা অজুহাত সামনে চলে আসে।

শয়তানের সবচেয়ে বড় কৌশল হলো কি জানেন কি???ভালো কাজকে পিছিয়ে দিতে শেখানো। সে বলবে, "আজ নয়, কাল থেকে শুরু করো", "আরেকটু সময় নাও"। অথচ মৃত্যু কখনো সময় জানিয়ে আসে না।

যদি আজ আপনার অন্তরে ভালো হওয়ার, তাওবার পথে ফিরে আসার বা আল্লাহর দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা জাগে, তাহলে এটিকে সাধারণ অনুভূতি ভেবে অবহেলা করবেন না। এটি হতে পারে আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার জন্য এক বিশেষ অনুগ্রহ। হয়তো আজকের একটি সঠিক সিদ্ধান্তই আপনার আগামী জীবন ও আখিরাতের সফলতার সূচনা হয়ে উঠবে।

জীবনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হোক আল্লাহর সন্তুষ্টি, মানুষের প্রশংসা নয়। কারণ মানুষ সময়ের সঙ্গে সবকিছু ভুলে যায়, কিন্তু আল্লাহ তাঁর বান্দার প্রতিটি আন্তরিক দোয়া, প্রতিটি তাওবা, প্রতিটি অশ্রু এবং প্রতিটি সিজদার মূল্য অবশ্যই জানেন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক পথের হেদায়াত, সেই পথে অবিচল থাকার তাওফিক এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন। ❤️ 🕌🕌❤️

আপনি যত গুনাহই করে থাকুন, আল্লাহর রহমতের দরজা এখনো খোলাঅনেক সময় শয়তান মানুষের মনে এই ধারণা ঢুকিয়ে দেয়—"এত গুনাহ করেছ...
03/07/2026

আপনি যত গুনাহই করে থাকুন, আল্লাহর রহমতের দরজা এখনো খোলা

অনেক সময় শয়তান মানুষের মনে এই ধারণা ঢুকিয়ে দেয়—"এত গুনাহ করেছি, আল্লাহ আর আমার দোয়া কবুল করবেন না।"

এটি সত্য নয়। বরং আল্লাহ তাআলা নিজেই আমাদের আশ্বস্ত করেছেন—
﴿قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ﴾
অর্থ: "বলুন, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।"
সূত্র: সূরা যুমার, আয়াত ৫৩।

যে ভুলই হোক না কেন, তাওবার পথ খোলা আছে। তাই নিরাশ না হয়ে আল্লাহর কাছেই ফিরে আসুন।

১. দোয়া শুরু করুন আল্লাহর মহান নামের মাধ্যমে
দোয়ার শুরুতে এই দোয়াটি পড়তে পারেন—
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বি আন্নি আশহাদু আন্নাকা আনতাল্লাহু, লা ইলাহা ইল্লা আনতাল আহাদুস সামাদ।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই এই সাক্ষ্য দিয়ে যে, আপনিই আল্লাহ; আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি একক ও অমুখাপেক্ষী।

নবী ﷺ জানিয়েছেন, এই দোয়ায় আল্লাহর মহান নাম (ইসমে আযম) রয়েছে। এই নামে দোয়া করলে আল্লাহ কবুল করেন এবং এই নামে কিছু চাইলে তিনি দান করেন।
সূত্র: তিরমিযী ৩৪৭৫ (সহিহ), আবু দাউদ ১৪৯৩।

২. ইস্তিগফার ও দরূদ দিয়ে দোয়াকে সুন্দর করুন
দোয়ার আগে অন্তত কয়েকবার বলুন—
أستغفر الله
(আস্তাগফিরুল্লাহ)
এরপর নিজের প্রয়োজনগুলো আল্লাহর কাছে তুলে ধরুন।

দোয়া শেষ করুন নবী ﷺ-এর ওপর দরূদ পাঠ করে।

হাদিসে এসেছে, দরূদ দোয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব। আবার যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করে, আল্লাহ তার সংকট থেকে মুক্তির পথ তৈরি করে দেন এবং অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকে রিযিক দান করেন।
সূত্র: তিরমিযী ৪৮৬ (হাসান), আবু দাউদ ১৫১৮ (সহিহ)।

৩. রাতের শেষ তৃতীয়াংশকে হাতছাড়া করবেন না
রাতের শেষ তৃতীয়াংশ দোয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময়।

নবী ﷺ বলেছেন—
"আমাদের রব প্রতি রাতে শেষ তৃতীয়াংশে নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন—কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব; কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব; কে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব।"
সূত্র: সহিহ বুখারী ১১৪৫, সহিহ মুসলিম ৭৫৮।

সম্ভব হলে এই সময় দুই রাকাত নামাজ পড়ে আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।

আজ থেকেই একটি ছোট অভ্যাস শুরু করুন
কয়েকবার আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন।

আল্লাহর প্রশংসা ও ইসমে আযমের দোয়া দিয়ে দোয়া শুরু করুন।
মন খুলে নিজের প্রয়োজনগুলো আল্লাহর কাছে বলুন।

শেষে দরূদ শরিফ পাঠ করুন।

মাত্র অল্প কিছু সময়ের এই আমল আপনার রবের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে পারে, ইনশাআল্লাহ।

শেষ কথা
আপনার গুনাহ যত বড়ই মনে হোক, আল্লাহর রহমত তার চেয়েও অনেক বড়।
তাই হতাশ না হয়ে আজই তাঁর দিকে ফিরে আসুন। আন্তরিক তাওবা করুন, দোয়া করুন এবং তাঁর রহমতের আশা রাখুন।
اَللَّهُمَّ لَا تَرُدَّنَا خَائِبِينَ
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না। আমীন।

নিচের ছবিটি এবছর ২০২৬ সালের হজ্জের সময় আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করার সময় আসরের পরে সবার দোয়ারত অবস্থায় তুলেছিলাম।আল্লাহ তাআলা আমাকে এমন দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য দান করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর কাছে হাজার কোটিবার শুকরিয়া আদায় করি।

#আরাফাহ

29/06/2026

সম্মান আমার কাছে কারও জীবনযাত্রাকে নিজের মতো বানিয়ে দেওয়ার নাম নয়।

যে নারী নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাকে আমি সম্মান করি।
যে নারী সংসার, পরিবার আর সন্তান লালন-পালনেই নিজের আনন্দ খুঁজে পান, তাকেও আমি সমান সম্মান করি।
যে নারী মা না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, সেটাও তার ব্যক্তিগত অধিকার।
আবার যিনি একাধিক সন্তানের মা হয়ে পরিবারকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলেন, তার সিদ্ধান্তও সমানভাবে সম্মানের।
কেউ কর্মজীবন বেছে নেন, কেউ ঘরকেই নিজের পৃথিবী বানান। দুটো পথই সম্মানযোগ্য।
কেউ বিয়ে করেন, কেউ করেন না। কেউ ভ্রমণ, স্বাধীনতা আর নিজের স্বপ্ন নিয়েই জীবন কাটাতে চান। সেটিও তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত।
কেউ পর্দা করেন, কেউ নিজের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরেন। ব্যক্তিগত পছন্দের জায়গায় জোর করে মত চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।
আমার আপত্তি শুধু তাদের প্রতি, যারা মনে করেন অন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের আছে।
কী পড়বেন, কী পরবেন, কোথায় যাবেন, কখন বিয়ে করবেন বা সন্তান নেবেন কি না, এসব সিদ্ধান্ত একজন নারীর নিজের।
সম্মান মানে সবাইকে একই ছাঁচে গড়ে তোলা নয়।
সম্মান মানে, মতের অমিল থাকলেও অন্যের বৈধ ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দেওয়া।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when With Nowshin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share