The Holy Quran BD

The Holy Quran BD মানুষ কি দেখে না আমি তাকে কি ভাবে সৃষ্টি করেছি (সূরাহ ইয়াছিন)
ভাই আমরা ভালো কিছু প্রচার করি তাতে মনে প্রশান্তি আসবে

একসময় সংসারে হাসিখুশি ও খাবার-দাবার সবই ছিল। হঠাৎ স্বামী অসুস্থ হয়ে চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেন; এরপর থেকেই নেমে আসে পাহ...
19/09/2026

একসময় সংসারে হাসিখুশি ও খাবার-দাবার সবই ছিল। হঠাৎ স্বামী অসুস্থ হয়ে চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেন; এরপর থেকেই নেমে আসে পাহাড়সমান কষ্ট। অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা করাতে গিয়ে পুরো পরিবার আজ রাস্তার ভিখারি।

এখন এই অসহায় পরিবারটির কপালে দুই বেলা খাবারও জুটছে না। স্বামী ছাড়া দুনিয়াতে কেউ নেই—হতভাগা সেই স্ত্রী ক্যামেরার সামনে তাঁর স্বামীর জীবন ভিক্ষা চাচ্ছেন। কারণ, যা সম্পদ ছিল, সবকিছু বিক্রি করেই স্বামীর চিকিৎসা চালিয়েছেন। কিন্তু চিকিৎসা চালাতে গিয়ে এখন না খেয়ে থাকতে হচ্ছে।

প্রতিবেশীরা সাধ্যমতো সাহায্য করেছেন। এখন হৃদয়বান মানুষের দিকে তাকিয়ে আছেন এই হতভাগা স্ত্রী।

ভাবা যায় দেশ কোথায় চলে গেছে একবার পরে দেখুন চুল কাটার জন্য বাবার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১২ বছরের ম...
18/09/2026

ভাবা যায় দেশ কোথায় চলে গেছে একবার পরে দেখুন

চুল কাটার জন্য বাবার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১২ বছরের মো. রায়হান। এরপর পেরিয়ে গেছে প্রায় সাত মাস। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্থানীয় একটি মাহফিলের মাঠে বাবার সঙ্গে দেখা হয়েছে তার। সন্তানকে ফিরে পেয়েছেন বাবা, তবে আগের সেই রায়হান আর নেই তার ডান পা নেই।

রায়হানের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ি থেকে বের হয়ে সে কক্সবাজারে যায়। সেখানে কয়েকজন ছেলের সঙ্গে পরিচয়ের পর ট্রেনের ছাদে করে কমলাপুরে পৌঁছায়। পরে কয়েকজন লোক তাকে চারপাশে বাগান ও মাঝখানে একটি ঘর থাকা একটি জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে তার মতো আরও অনেক ছেলে-মেয়ে ছিল।

রায়হান জানায়, এক সকালে ঘুম থেকে উঠে সে দেখতে পায় তার একটি পা নেই। কারণ জানতে চাইলে তাকে বলা হয়, ট্রেনে দুর্ঘটনায় তার পা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এরপর তাকে প্রতিদিন ভিক্ষা করানো হতো এবং ভিক্ষার টাকা প্লাস্টিকের ব্যাংকে জমা রাখা হতো। তার সঙ্গে থাকা অনেকেরই হাত-পা ছিল না বলে দাবি করেছে সে। সেখানে দুই পুরুষ ও এক নারী ছিল, যার নাম সালমা বলে জানায় রায়হান। একপর্যায়ে তাকে বাড়ি ঘুরে আসার কথা বলে একটি গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়। পরে সে চুনতির একটি মাহফিলে যায় এবং সেখানেই বাবার সঙ্গে দেখা হয়।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় গ্রামের নয়া পাড়ার বাসিন্দা রায়হান। তার বাবা নাজিম উদ্দিন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। দীর্ঘদিন আগে রায়হানের মায়ের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়। নিখোঁজ হওয়ার আগে রায়হান সৎ মায়ের সঙ্গে থাকত বলে জানা গেছে।

নাজিম উদ্দিন বলেন, রায়হান একটি হেফজখানায় পড়ত। দুষ্টুমি বেশি করায় মাঝে মাঝে তাকে পানের ক্ষেতে নিজের সঙ্গে কাজে নিয়ে যেতেন। প্রায় সাত মাস আগে ১০০ টাকা দিয়ে চুল কাটতে সেলুনে পাঠানোর পর থেকেই তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

মাহফিলে স্থানীয় এক ব্যক্তি রায়হানকে দেখে নাজিমকে খবর দেন। ছুটে গিয়ে ছেলেকে খুঁজে পান তিনি। দীর্ঘ সাত মাস পর বাবা-ছেলের সেই সাক্ষাৎ মুহূর্তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন দুজন। তখনই নাজিম দেখেন, ছেলের একটি পা নেই। তাঁর দাবি, চক্রটি এতদিন রায়হানকে আটকে রেখেছিল এবং ভিক্ষার জন্য তাকে হুইলচেয়ারও দিয়েছিল। পরে রায়হান ৩৫০ টাকা বাসভাড়া দিয়ে বাড়ি ফিরে আসে।

অসুস্থ পঙ্গু বাবার চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে মাত্র ৫০ টাকা মজুরিতে কাজ করছেন এসএসসি পাস ছেলে। আর সন্তানের কষ্টের কথা শুন...
17/09/2026

অসুস্থ পঙ্গু বাবার চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে মাত্র ৫০ টাকা মজুরিতে কাজ করছেন এসএসসি পাস ছেলে। আর সন্তানের কষ্টের কথা শুনে বাবা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সারা জীবন রিকশা চালিয়েছেন তিনি, কিন্তু সন্তানকে কষ্ট দেননি। আজ পঙ্গু হওয়ার পর সন্তানের ৫০ টাকা দিয়েই চলছে সংসার।

বাবার স্বপ্ন ছিল সন্তান পড়াশোনা করবে এবং চাকরি করবে; কিন্তু সেই স্বপ্ন মাটির সঙ্গে মিশে গেল। বন্ধ হয়ে গেল সন্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা। সারাদিন মোটরসাইকেল গ্যারেজে কাজ করেন তিনি।

এদিকে টাকার অভাবে বাবার সঠিক চিকিৎসাও করাতে পারছে না। এখন সঠিক চিকিৎসা না করালে সারাজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করতে হবে তাঁকে। অসহায় বাবা কোনো উপায় না পেয়ে নিজের সম্মান মাটির সঙ্গে মিশিয়ে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছেন, যদি আবারও সুস্থ হয়ে টাকা উপার্জন করতে পারেন এবং সন্তানকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করাতে পারেন।

একবার ভাবুন, সন্তানের কষ্ট কোনো মা-বাবা সহ্য করতে পারেন? অঝোরে কান্না করছেন সন্তানের জন্য।

এই বাবা-মা হয়তো আর কয়েক দিন বাঁচবেন, আর শেষ কালে এসে তাঁদের কপালে জুটছে খাবারের কষ্ট, তিন দিন ধরে তাঁদের হাড়িতে রান্ন...
13/09/2026

এই বাবা-মা হয়তো আর কয়েক দিন বাঁচবেন, আর শেষ কালে এসে তাঁদের কপালে জুটছে খাবারের কষ্ট, তিন দিন ধরে তাঁদের হাড়িতে রান্না হয় না। সন্তান থাকলেও অভাবের কারণে বাবা-মাকে সাহায্য করতে পারছেন না।

অনেক দিন আগে বৃদ্ধা মা পড়ে গিয়ে চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। তাঁর দেখাশোনা থেকে শুরু করে গোসল-খাওয়ানো—সব কিছু তাঁর স্বামী করেন। বৃদ্ধ স্বামী নিজেও ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। তবুও স্ত্রী ও নিজের জন্য বাড়ি বাড়ি থেকে খাবার চেয়ে এনে খেয়ে বেঁচে থাকেন।

কিন্তু তিন দিন ধরে কোথাও খাবারও পাচ্ছেন না, তাই না খেয়ে আছেন তাঁরা দুজন। খাবারের কষ্টে তাঁদের শরীরে শুধু হাড় বেরিয়ে গেছে। যা কয়েক দিন বাঁচার কথা ছিল, তা মনে হয় খাবারের অভাবে মারাই যাবেন।

অসহায় বাবা-মায়ের বাড়ি গ্রাম: খনুয়া চরপাড়া, থানা ও জেলা: শেরপুর সদর।

বড় হয়ে হাফেজ হতে চেয়েছিল, এখন বিছানায় মৃত্যুর জন্য দিন গুনছেন আব্দুর রহমান।২২ পারার কুরআনের হাফেজ, চৌদ্দ বছরের এই কি...
12/09/2026

বড় হয়ে হাফেজ হতে চেয়েছিল, এখন বিছানায় মৃত্যুর জন্য দিন গুনছেন আব্দুর রহমান।

২২ পারার কুরআনের হাফেজ, চৌদ্দ বছরের এই কিশোরের বুকভরা স্বপ্ন ছিল একজন বড় আলেম ও হাফেজ হওয়ার। যে বয়সে তার মাদ্রাসায় সহপাঠীদের সাথে আনন্দে মেতে থাকার কথা, কোরআনের সুমধুর তেলাওয়াতে মুখরিত থাকার কথা, ঠিক সেই বয়সেই আজ মরণব্যাধি ক্যান্সারে থমকে গেছে তার পুরো জীবন। গরিব পরিবারে জম্ম নেওয়ায় গুনতে হচ্ছে জীবনের শেষ দিনগুলো।

পড়াশোনার পাশাপাশি কোরআন তেলাওয়াতের সুমধুর কণ্ঠের জন্য সে মোংলা উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়নসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছে। কিন্তু সহপাঠীদের সাথে খতমে যাওয়ার পথে পায়ে পাওয়া সামান্য এক আঘাতই তার জীবনকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দেয়। টিউমার থেকে পরবর্তীতে তা ক্যান্সারে রূপ নেয়। আল্লাহ হয়তো কঠিন পরিক্ষার নিচ্ছে তার।

বর্তমানে ক্যান্সারের তীব্র ব্যথায় তার নির্ঘুম রাত কাটে। পায়ে অস্বাভাবিক যন্ত্রণা, বুকে ও মাথায় ব্যথার কারণে সে ঠিকমতো দাঁড়াতেও পারে না। ডাক্তার জানিয়েছেন তাকে ১২টি কেমোথেরাপি দিতে হবে, যার খরচ প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা। দিনমজুর বাবার পক্ষে এই আকাশসম খরচ বহন করা তো দূরের কথা, প্রতিদিনের ওষুধের খরচ জোগাড় করতেই পরিবারটি আজ দিশেহার। এনজিওর ঋণ আর ধারদেনা করে মাত্র দুটি কেমোথেরাপি দেওয়া সম্ভব হলেও অর্থাভাবের কারণে এখন বন্ধের পথে তার জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে আব্দুর রহমানের একটাই আকুতি— "আমি সুস্থ হয়ে আবার মাদ্রাসায় ফিরতে চাই, ভালো একজন হাফেজ আলেম হতে চাই "

গত চার বছর আমার বাবা  মা'কে হাসতে দেখিনি পেট ভরে খেতে দেখিনি।কলিজার টুকরো ছোট সন্তান স্বর্ণা দিনেদুপুরে যশোর থেকে  হারিয়...
11/09/2026

গত চার বছর আমার বাবা মা'কে হাসতে দেখিনি পেট ভরে খেতে দেখিনি।কলিজার টুকরো ছোট সন্তান স্বর্ণা দিনেদুপুরে যশোর থেকে হারিয়ে যাওয়ার পর তারা নির্বাক একমাত্র চোখের জল হলো তাদের মুখের ভাষা।

ছবিতে স্বর্ণা

আমার বাবা মায়ের কোন ছেলে সন্তান নেই আমরা তিনটা বোন ছিলাম বাবা মায়ের পৃথিবী।আমাদের নিয়ে ওনাদের আশা ভরসার কমতি ছিলো না।২০২১ সালে আমার ছোট বোনটি যশোর বেজ পাড়ার নিজ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়ার পর আমার বাবা মা বেঁচে থেকেও মৃত ওনারা সন্তান হারানোর শোকে পাথর।

রাষ্ট্রের যতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল থানা পুলিশ সব যোগাযোগ করা হয়েছে কিন্তু তারা খুঁজে দিতে পারেনি।

কেউ আশঙ্কা করে যশোর যেহেতু ভারতের পশ্চিম বঙ্গের পাশের জেলা স্বর্ণা ভারতে পাচার হয়ে যেতে পারে আবার কেউ অনুমান করে স্বর্ণাকে মেরে ফেলেছে আবার কেউ বলে স্বর্ণা হয়তো অন্যকোথাও স্বেচ্ছায় চলে যেতে পারে।

বাড়িটা মাতিয়ে রাখতো স্বর্ণা, বাড়িতে পাড়াপড়শি কেউ আসলে ওর সরল মুখটায় হাসি লেগে থাকতো,সকলের কুশল বিনিময় করতো খোঁজ নিতো।

স্বর্ণা যখন হারিয়ে যায় ওর বয়স তখন ২১, ভীষণ শিশু সুলভ মানসিকতার মেয়ে ছিল,বয়সে স্বর্ণা যৌবনে পা রাখলেও ওর সঙ্গী সাথী ছিলো পাড়ার ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা।

পাড়ার ছেলেমেয়েদের চড়ুইভাতি,লুকোচুরি, পুতুল খেলার সঙ্গী ছিল স্বর্ণা।

একুশ বয়সের যুবতী স্বর্ণা তার সমবয়সীদের সাথে খুব একটা মিশতো না,সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক ইন্টারনেট এসবেও কোন আসক্তি ছিলো না এমনকি ওর নিজস্ব মোবাইল ফোন ছিলো না।

বঙ্গ ভিটা ফেসবুক পেজের বন্ধুদের আরও জানিয়ে রাখি প্রশাসন থেকে সবশেষ আমাদেরকে জানানো হয় আমার বোনের কাছে যেহেতু কোন ইলেকট্রিক ডিভাইস ছিল না যেমন মোবাইল ফোন বা কিছু তাই তারা কোন ক্লু পাচ্ছে না। আমরা এখনো জানি না আমার বোনটা বেঁচে আছে কিনা? আমার নিজ এলাকা থেকে আমার বোন হারিয়ে যাবে এটা কখনো কল্পনা করিনি। আমাদের কারো সাথে কোন শত্রুতা নেই আমরা মনে করি তারপরও যে কে বা কারা আমার বোনকে এভাবে নিয়ে গেছে তা আমরা জানিনা। আমার বোনের একার পক্ষে তো নিশ্চয়ই বাড়ি ছাড়া চার বছর বাইরে কাটিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। এর পিছনে নিশ্চয়ই কোন খারাপ লোক আছে হয়তো তাকে আমরা সন্দেহই করছি না কিন্তু আমাদের সামনে ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছে হতেও তো পারে।

আমার বাবার নাম-মোঃ জাহিদ হাসান।মায়ের নাম-শাহানা আক্তার। বাড়ি-বেজপাড়া মেইনরোড,যশোর।স্বর্ণার পুরো নাম উমাইয়া হাসান স্বর্ণা।

আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের আপনজন হারানোর এই আর্তনাদ রাষ্ট্র ও দেশ যারা পরিচালনা করে তাদের চোখে পড়বে না,

তবুও লিখলাম আসলে বাবা মায়ের কষ্ট আর সহ্য করতে পারছি না।

বঙ্গ ভিটা ফেসবুক পেজের বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুদের নিকট অনুরোধ আপনারা পোস্টটা শেয়ার করুন আমার মতো আপনাদেরও মা বোন আছে যদি হারিয়ে যায় কেমন কষ্ট হবে 😭😭

যোগাযোগ
+8801815764630

ফুলের মত নিষ্পাপ একটা শিশু পানিতে ডুবে এই পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেল 🥀 মুখখানা দেখলেই মায়া লাগে 🥀আল্লাহ তুমি তার মা-বা...
10/09/2026

ফুলের মত নিষ্পাপ একটা শিশু পানিতে ডুবে এই পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেল 🥀 মুখখানা দেখলেই মায়া লাগে 🥀আল্লাহ তুমি তার মা-বাবার ধৈর্য ধারণ করার ক্ষমতা দাও 🥀বাবা হলেন প্রবাসীর প্রথম ছেলে
নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে কি হয়ে গেল

মসজিদে আজান দিয়ে মাসে মাত্র ৫ হাজার টাকা বেতন পান, যে টাকা দিয়ে কোন মতে খেয়ে বেঁচে আছেন দুইজন, এদিকে স্ত্রী জীবন ভিক্...
09/09/2026

মসজিদে আজান দিয়ে মাসে মাত্র ৫ হাজার টাকা বেতন পান, যে টাকা দিয়ে কোন মতে খেয়ে বেঁচে আছেন দুইজন, এদিকে স্ত্রী জীবন ভিক্ষা চাচ্ছেন অসহায় স্বামী। অসুস্থ স্ত্রীর ধরা পরেছে ক্যান্সার।

সামান্য এই বেতনের সংসারে নেমে এসেছে পাহাড় সমান কষ্ট। স্ত্রীকে বাঁচাতে একে একে বিক্রি করে দিয়েছেন ভিটেমাটি থেকে শুরু করে জীবনের শেষ সম্বলটুকুও। ধারদেনা করে এ পর্যন্ত ৮টি কেমোথেরাপি, সার্জারি ও ২৫টি রেডিওথেরাপি দেওয়া হলেও বাঁচাতে পারছেন প্রিয়তমা স্ত্রীকে।

১ টি করে ইনজেকশন দাম ৫০ হাজার টাকা, ডাক্তার বলেছেন বাঁচাতে হলে আরও ১৭টি ইনজেকশন দেওয়ার প্রয়োজন, সামান্য ৫ হাজার টাকার বেতনের চাকরি করে কিভাবে বাঁচাবেন স্ত্রীকে? কোথায় পাবেন এতো টাকা। সব বিক্রি করে এতো দিন চিকিৎসা করেছেন। প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। আর পুরো চিকিৎসা শেষ করতে প্রয়োজন আরও ১১ থেকে ১২ লাখ টাকা। সব হারিয়ে আজ অসহায় এই পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই। তাঁদের একটি মাত্র মেয়ে থাকলেও চরম দরিদ্রতার কারণে সেও মায়ের চিকিৎসার খরচ মেটাতে পারছে না।

সব সময় সৎ পথে থাকছেন মোয়াজ্জিন মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, মুসজিদে পরে থাকেন তিনি। আল্লাহ হয়তো তার পরিক্ষা নিচ্ছে কিন্তু আল্লাহ ভক্ত বান্দার পাশে আমাদের দাঁড়ানো উচিত বগুড়া সদর থানার শেখপাড়া মন্ডলপাড়ার বাসিন্দা মোয়াজ্জিন মোহাম্মদ আব্দুল মতিন ও তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের।

আজ জায়নামাজে বসে চোখের পানি ফেলা এই মানুষটির শেষ সম্বলটুকুও ফুরিয়ে এসেছে। আসুন, সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষেরা একটু বাড়িয়ে দিই সহযোগিতার হাত। আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে একজন মায়ের জীবন আর একটি পরিবারের বুকভরা হাসি।

সাবিনা ইয়াসমিনের পরিবারের সাথে যোগাযোগের নম্বর: 01776845275

পুত্র সন্তান না হওয়ায় স্বামী দিয়েছে তালাক এবং আশ্রয় জন্য মেয়েদের কাছে গেলেও দূর দূর করে তারিয়ে দিয়েছে তারা। গ্রাম...
08/09/2026

পুত্র সন্তান না হওয়ায় স্বামী দিয়েছে তালাক এবং আশ্রয় জন্য মেয়েদের কাছে গেলেও দূর দূর করে তারিয়ে দিয়েছে তারা। গ্রামে ফিরে স্বজনদের কাছেও মেলেনি আশ্রয়। তাই তো ৫৬ বছর বয়সে এসে বাঁধের রাস্তার ঢালে ভাঙাচোরা ঘরে একাকী বসবাস করছেন এই স্বামী পরিত্যক্তা নারী।

বৃদ্ধ এই মায়ের নাম আলেকজন। জীবন যেন তাকে এতটুকুও দয়া করেনি; স্বামী, সন্তান কিংবা সংসার—কোথাও সুখ মেলেনি এই নারীর। এমনকি জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও মিলছে না একটু নিরাপদ আশ্রয়। বৃষ্টি বা ঝড়ের দিনে ভাঙাচোরা এই ঘরে চরম কষ্ট পোহাতে হয় তাকে। বর্তমানে তার তিন মেয়ে ও বহু আত্মীয়স্বজন থাকলেও কেউ খোঁজ রাখেন না, তাই ভিক্ষা করে বা মানুষের সহায়তায় দিন কাটে তার।

দিনাজপুরের এক বস্তিতে বিয়ে হলেও পুত্র সন্তান না থাকায় স্বামী তাকে তাড়িয়ে দেন। তিস্তা নদীর ভাঙনে শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে বর্তমানে তার মাথা গোজার ঠাঁই হয়েছে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ওয়াপদা বাঁধের রাস্তার ওপর।

জীবনের শেষ সময়ে এসে আলেকজনের চাওয়া ভালো একটা ঘর আর দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা। এজন্য সমাজের বৃত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, উলিপুর উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ লুতফুর রহমান জানিয়েছেন, আলেকজনের এনআইডি কার্ড না থাকায় স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে তা তৈরি করে তাকে দ্রুত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হবে।

আল্লাহর কাছে প্রাণভিক্ষা চাচ্ছেন অসহায় এই বাবা। নওগাঁর সজীব ও দীপা দম্পতির ভালোবাসার গল্পটি একসময় স্বপ্নিল হলেও আজ তা চর...
07/09/2026

আল্লাহর কাছে প্রাণভিক্ষা চাচ্ছেন অসহায় এই বাবা। নওগাঁর সজীব ও দীপা দম্পতির ভালোবাসার গল্পটি একসময় স্বপ্নিল হলেও আজ তা চরম নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখোমুখি। স্কুলজীবনের ভালোবাসাকে পরিণয় দিতে গিয়ে জীবনের যে কঠিন লড়াই তারা শুরু করেছিলেন, আজ মরণব্যাধি ক্যান্সারের কাছে তা হার মানতে বসেছে।

বিয়ের পরেই সজীবের পায়ে চার কেজি ওজনের টিউমার ধরা পড়ে এবং পরবর্তীতে তা ক্যান্সারে রূপ নেয়। স্বামীর জীবন বাঁচাতে দীপা সব বাধা উপেক্ষা করে তাকে ভারতে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসকরা সজীবের একটি পা কেটে ফেলতে বাধ্য হন। এতো বড় বিপদের পরও স্ত্রীকে ভালোবাসার টানে পাশে পেয়েছিলেন সজীব। দেশে ফিরে অটোরিক্সা চালিয়ে এবং দীপা শিক্ষকতা করে দুই সন্তান নিয়ে কোনমতে জীবন চালাচ্ছিলেন।

কিন্তু নিয়তির কি নির্মম পরিহাস! বেঁচে থাকার সেই নতুন স্বপ্নে আবারও হানা দেয় মরণব্যাধি। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে শেষ সম্বল অটোরিক্সাটিও বিক্রি করতে হয়েছে এই দম্পতিকে, হারিয়েছে দীপার চাকরিও। বর্তমানে কর্মহীন এই অসহায় পরিবারটির দুই সন্তান নিয়ে দুবেলা ভাত খাওয়া তো দূরের কথা, চিকিৎসার বিপুল খরচ জোগানো সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। নিরুপায় হয়ে সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তবান মানুষের কাছে একটু মানবিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।

আপনার সামান্য সহযোগিতা কিংবা একটু সহানুভূতি হয়তো রক্ষা করতে পারে একটি অমূল্য প্রাণ এবং ফিরিয়ে দিতে পারে একটি ভাঙা পরিবারের মুখে হাসি। আসুন, এই দুর্দিনে আমরা সজীব ও দীপার পাশে দাঁড়াই।

সজীব হোসেনের সাথে যোগাযোগের নম্বর: 01782789947

Address

Dhaka
2020

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Holy Quran BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share