Anas Mahbub

Anas Mahbub Assalamu Alaikum
it's me Anas Mahbub
being a content creator, I love to share my moments with you all

03/03/2026

When your brand is trusted,
clients don’t ask for discounts —
they ask for your availability 🔥💯🚀

21/02/2026

ঈদ মানেই আনন্দ, আর ব্যবসার জন্য ঈদ মানেই সবচেয়ে বড় সুযোগ।
কিন্তু শুধু অফার দিলেই সেল আসে না — কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আগে জানা খুব জরুরি।

এই বিষয়গুলো ঠিকভাবে বুঝতে পারলে আপনার ঈদ ক্যাম্পেইন হতে পারে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রফিটেবল।

এই ভিডিওতে আমি দেখিয়েছি কীভাবে ঈদে আপনার সেল ২-১০ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।
পুরোটা দেখুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।

এক ভাই দুআর মধ্যে বলছে, আল্লাহ! হাত উঠানোর তাওফিক যখন দিসো, দুআ কবুল করবা না কেন? আমি আর কার কাছে চাবো? তোমার চৌকাঠ থেকে...
10/03/2025

এক ভাই দুআর মধ্যে বলছে, আল্লাহ! হাত উঠানোর তাওফিক যখন দিসো, দুআ কবুল করবা না কেন? আমি আর কার কাছে চাবো? তোমার চৌকাঠ থেকে বিতারিত হলে চাওয়ার মত দ্বিতীয় কোন জায়গা তো নেই।

তোমার রাসুল (ﷺ) বলেছে, তুমি বান্দার হাত খালি ফেরত দিতে লজ্জা পাও। পুরো জগতের সব মিথ্যা হয়ে যেতে পারে, তোমার রসুলের কথা মিথ্যা হতে পারে না। এই দুই হাতের চেয়ে রিক্ত হস্ত আর কারো হাত নেই। আমার হাত খালি ফেরত দিও না, আল্লাহ।

আমি শুনেছি, গুনাহগারদের জন্য জমিনের মাখলুকরা বদদুআ করে। সেই পাপীর পাপের কারনে যে তাদের কষ্ট হয়। এই গুনাহগারের বিরুদ্ধে অসংখ্য বদদুআ হয়তো তোমার কাছে নিয়মিতই আসে। শাইতানের প্ররোচনায় পড়ে হাজারো পাপে পাপী এই বান্দার এতগুলো বদদুআর মোকাবেলা করার শক্তি নেই।

আল্লাহ! একজন মায়ের কাছে তার সন্তানের বিরুদ্ধে যখন পাড়ার লোকজন অভিযোগ নিয়ে আসে, মা তার সম্তানকে শাষন করেন ঠিকই। কিন্ত রাতে যখন সেই ছেলে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে, মা নীরবে তার মাথায় হাত বুলিয়েও দেন।

আল্লাহ! শত অভিযোগের কারনে আপনার রহমতের হাত আমার থেকে উঠিয়ে নিবেন না। আমাকে মাফ করে দিন।

———
দুআ - আল্লাহর সাথে কথা বলার নাম। আল্লাহর কিছু বান্দার সেই কথা বলার ধরন কী অদ্ভুত মায়ায় ভরা……

"আকাশ পরিমাণ অনিশ্চয়তার মধ্যে আল্লাহ ভরসা আর আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন! এই দুইটা কথা আমাকে অনেক বেশি স্বস্তি দেয়! ...
16/09/2024

"আকাশ পরিমাণ অনিশ্চয়তার মধ্যে আল্লাহ ভরসা আর আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন! এই দুইটা কথা আমাকে অনেক বেশি স্বস্তি দেয়! ইনশাআল্লাহ সবকিছু ভালো হবে!"

বাবার সাথে প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে ব্যাংকে বসে আছি। বিরক্ত হচ্ছি খুব।যত না  নিজের উপর,  তার চেয়ে  বেশি বাবার উপর। অনেকটা র...
06/07/2024

বাবার সাথে প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে ব্যাংকে বসে আছি।
বিরক্ত হচ্ছি খুব।
যত না নিজের উপর, তার চেয়ে বেশি বাবার উপর।
অনেকটা রাগ করেই বললাম-
"বাবা, কতবার বলেছি,অনলাইন ব্যাঙ্কিংটা শিখো। "

বাবা বললেন --
এটা শিখলে কি হবে?
-- ঘরে বসেই তুমি এই সামান্য কাজটা করতে পারতে।
শুধু ব্যাংকিং না,
শপিংটাও তুমি অন- লাইনে করতে পারো।
ঘরে বসে ডেলিভারি পেতে পারো।
খুবই সহজ।
কিন্তু এই সহজ জিনিসটাই তুমি করবে না।

বাবা জানতে চাইলেন --
করলে আমাকে ঘরের বাইরে বের হতে হতো না-
তাই না?

-- হ্যাঁ, বাবা তাই।
এখানে এসে ঘন্টা খানেক অনর্থক বসে থাকতে হতো না।

এরপর বাবা যা বললেন
তাতে আমি নির্বাক হয়ে গেলাম।

বাবা বললেন:-
এতো সময় বাঁচিয়ে তোমরা কি করো ?

ফোনেই তো সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকো।
কবে শেষদিন তুমি তোমার ফুফুর সাথে কথা বলেছো?
দশ হাত দূরে প্রতিবেশী --
বৃদ্ধ সেজো কাকার খবর নিয়েছো ?
অথচ, আপন জনের সাথে দেখা করতে
আমরা দশ মাইল পথ হেঁটেছি।
সময় বাঁচানোর চিন্তা করিনি।
মানুষ যদি মানুষের পাশেই না যায়-
তবে এতো সময় বাঁচিয়ে কি হবে বলো ?

বাবার কথা পাশ থেকে মানুষেরা শুনছেন।
আমি চুপচাপ বসে আছি।

বাবা বললেন --
ব্যাংকে প্রবেশের পর থেকে
চারজন বন্ধুর সাথে কুশল বিনিময় করেছি।
তুমি জানো, আমি ঘরে একা।
তাই ঘর থেকে বের হয়ে আসাটাই আমার আনন্দ।

এইসব মানুষের সাহচর্যটাই আমার সঙ্গ।
আমার তো এখন সময়ের কমতি নেই।
মানুষের সাহচর্যেরই কমতি আছে।
ডিভাইস, হোম-ডেলিভারি,
এনে দেবে অনেক কিছু, কিন্তু
মানুষের সাহচর্য তো আমায় এনে দেবে না।

মনে পড়ে, দু বছর আগে
আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম।
যে দোকান থেকে আমি
দৈনন্দিন কেনাকাটা করি,
তিনিই আমাকে দেখতে গিয়েছিলেন।
আমার পাশে বসে থেকে
মাথায় হাত রেখেছিলেন।
আমার চোখ অশ্রুসিক্ত হয়েছিলো।

তোমার ডিভাইস বড়জোড় একটা যান্ত্রিক ইমেইল পাঠাবে,
কিন্তু আমার পাশে বসে থেকে
চোখের জল তো মুছে দেবে না,
বরং মনের কষ্ট আরও বাড়াবে, তাই না ।

চোখের জল মুছে দেয়ার মতো
কোনো ডিভাইস কি তৈরি হয়েছে?

সকালে হাঁটতে গিয়ে তোমার মা পড়ে গিয়েছিলেন।
কে তাকে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলো?

অনলাইন মানুষের একাউন্ট চেনে,
সে তো মানুষ চেনে না!
মানুষের ঠিকানা চেনে, কিন্তু
রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষের ঘর তো চেনে না!

এই যে মানুষ আমার শয্যাপাশে ছিলো,
তোমার মাকে ঘরে পৌঁছে দিলো,
কারণ - দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে
একজন আরেকজনকে চিনেছি।

সবকিছু অনলাইন হয়ে গেলে --
মানুষ "হিউম্যান টাচটা" কোথায় পাবে বলো ?

আর পায় না বলেই --
পাশের ঘরে মানুষ মরে গিয়ে লাশ হয়ে থাকে,
দুর্গন্ধ না আসা পর্যন্ত
কেউ কারো খবরও আর রাখে না।

বড় বড় অ্যাপার্টমেন্টগুলো আমাদের
" অ্যাপার্টই " করে দিয়েছে ।

পুরো পাড়ায় একটা টেলিভিশনে
কোনো অনুষ্ঠান একসাথে দেখে সবার আনন্দ,
আমরা একসাথে জড়ো করতাম।
এখন আমরা রুমে রুমে
নানা ডিভাইস জড়ো করেছি।
আনন্দ আর জড়ো করতে পারি না।

এই যে ব্যাংকের ক্যাশিয়ারকে দেখছো --
তুমি তাঁকে ক্যাশিয়ার হিসাবেই দেখছো,
সেলসম্যানকে সেলসম্যান হিসাবেই দেখছো।

কিন্তু আমি সুখ- দুঃখের অনুভূতির
একজন মানুষকেও দেখছি।
তাঁর চোখ দেখছি।
মুখের ভাষা দেখছি।
হৃদয়ের কান্না দেখছি।
ঘরে ফেরার আকুতি দেখছি ।

এই যে মানুষ মানুষকে দেখা,
এটা একটা বন্ধন তৈরি করে।
অনলাইন শুধু সার্ভিস দিতে পারে,
এই বন্ধন দিতে পারে না।
পণ্য দিতে পারে,
পুণ্য দিতে পারে না।

এই যে মানুষের সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
কুশলাদি জিগ্যেস করা --
এখানে শুধু পণ্যের সম্পর্ক নেই,
পুণ্যের সম্পর্কও আছে।

-- বাবা, তাহলে টেকনোলজি কি খারাপ ? আমি জানতে চাই।

বাবা বললেন --
টেকনোলজি খারাপ না। অনেক কিছু সহজ করেছে নিঃসন্দেহে সত্য।
ভিডিও কলের মাধ্যমে লাখে লাখে ছেলেমেয়েরা পড়ছে,
শিখছে, এটা তো টেকনোলজিরই উপহার।

তবে, টেকনোলজির নেশাটাই খারাপ।

স্ক্রিন অ্যাডিকশন
ড্রাগ অ্যাডিকশনের চেয়ে কোনো অংশে কম না।

দেখতে হবে,
ডিভাইস যেন আমাদের মানবিক সত্ত্বার
মৃত্যু না ঘটায়।
আমরা যেন টেকনোলজির দাসে পরিণত না হই।
মানুষ ডিভাইস ব্যবহার করবে।
মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করবে।

কিন্ত ভয়ঙ্কর সত্য হলো,
এখন আমরা মানুষকে ব্যবহার করি,
আর ডিভাইসের সাথে সম্পর্ক তৈরি করি।

মানুষ ঘুম থেকে ওঠে আপন সন্তানের মুখ দেখার আগে মোবাইলের স্ক্রিন দেখে,

সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইন্সটিউট
এটাকে ভয়ঙ্কর মানসিক অসুখ বলে ঘোষণা করেছে।

কিছুদিন আগে আশা ভোঁসলে
একটা ছবি পোস্ট করে ক্যাপশান লিখেছেন-
" আমার চারপাশে মানুষ বসে আছে --
কিন্তু কথা বলার মানুষ নেই।
কারণ সবার হাতে ডিভাইস।"

বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন --
জানি না ভুল বলছি কি-না,
তবে আমার মনে হয়,
তোমরা পণ্যের লোগো যতো চেনো,
স্বজনের চেহারা ততো চেনো না।

তাই,যতো পারো মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করো,
ডিভাইসের সাথে না।
টেকনোলজি জীবন নয়।

স্পেন্ড টাইম উইথ পিপল,
নট উইথ ভিডাইস।

এ সময় বাবাকে কাকা বলে কে একজন ডাক দিলেন...।
বাবা কাউন্টারের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন।
এই প্রথম আমি বুঝতে পারলাম --
বাবা কেবল ক্যাশিয়ারের দিকে যাচ্ছেন না,
একজন মানুষ,আরেকজন মানুষের কাছেই যাচ্ছেন।

বাবাকে আমি অনলাইন শেখাতে চেয়েছিলাম,
বাবা আমাকে লাইফলাইন শিখিয়ে দিলেন।

(সংগৃহিত)


চমৎকার একটি লেখা। কপি না করে পারলাম না।আর হ্যা বাংলাদেশের  ছবিটাও দুর্দান্ত হয়েছে। আমরা যে যেভাবে পারছি এভাবেই দেশটাকে ছ...
07/05/2024

চমৎকার একটি লেখা। কপি না করে পারলাম না।
আর হ্যা বাংলাদেশের ছবিটাও দুর্দান্ত হয়েছে। আমরা যে যেভাবে পারছি এভাবেই দেশটাকে ছিড়ে ছিড়ে খাচ্ছি।

#রেকর্ড_এবং_এচিভমেন্ট 👍

রেকর্ড কাকে বলি আমরা⁉️
যখন এমন কিছু করি যা আগে কেউ করে নি, তাঁকেই রেকর্ড বলা হয়।
কিন্তু রেকর্ড মানেই কি শ্রেষ্ঠত্ব⁉️
মেসি এক পঞ্জিকা বর্ষে ৯১ গোল করেছে, এটা রেকর্ড।
আবার কুষ্টিয়ার এক লোক ৯১ মিটার লম্বা আর্জেনটিনার পতাকা বানিয়েছে, এটাও রেকর্ড⁉️
দুটো রেকর্ড কি এক⁉️
রেকর্ড যদি কোন এচিভমেন্ট না দেয়, তাহলে সে রেকর্ডের মূল্য কি?
লক্ষ কিংবা কোটি লোক এক সাথে জাতীয় সংগীত গাইল, এটা কি এচিভমেন্ট? 🤭
সিংগাপুর বর্তমান পৃথিবীতে প্রথম ধনী পাঁচ দেশের একটি।
এর মানে কি?
এর মানে ওরা স্বচ্ছল।
এর মানে ওদেরকে কুমড়া দিয়ে পিয়াজু বানাতে হয় না। 😁
এর মানে ওরা কাঁঠাল খায় এবং বীফ বার্গার খায়, কিন্তু কাঁঠালের বিফ বার্গার খায় না। 👍
ওদের দেশে ৬০০ টাকা গরুর মাংস বিক্রি করলে লাইন পরে না, এবং ওদের দেশে টিসিবির ট্রাক ও নেই। 👍
কিন্তুু সিংগাপুর দেশটির কোন খনি নেই, চাষ যোগ্য জমিও নেই। তারপরেও ওরা ধনী দেশের তালিকায় ১-৫ এর মধ্যে থাকে।
কিন্তু ওরা কিন্তু আমাদের থেকে পিছিয়ে।
কেন⁉️
কারন ওদের কোটি লোক এক সাথে জাতীয় সংগীত গায় নি। 🤣🤪😡
কেন?
কারন ওদের এত জনসংখ্যা নেই।
চীন ইচ্ছা করলে ১০ কোটি লোক দিয়ে জাতীয় সংগীত এক সাথে গাওয়াতে পারে।
তাহলে করে না কেন?
কারন চীনে এত ছাগল নেই 😜 যাঁদের বুঝানো সম্ভব যে জাতীয় সংগীত এক সাথে গেয়ে রেকর্ড করা একটা এচিভমেন্ট।
আজকেই বিশ্বের সেরা ১০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিউএস এর একটি র‌্যাংকিং বের হয়েছে।
এতে ভারতের ৪৯ টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে ব্যর্থ রাষ্ট্র পাকিস্তানের ১৪ টি 🤔😦বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে আর উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশের ৩ টি 😡😡😡😡বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে।
আবার আজকেই আমরা আরেকটি রেকর্ড করলাম। মিঠামইনে নববর্ষ উপলক্ষ্যে ১৪ কিমি দীর্ঘ আলপনা তৈরী করেছি।🤣🤪🤗 এর উদ্বোধনে থাকবেন আইসিটি মন্ত্রী। কারন এটি একটি এচিভমেন্ট। একই মন্ত্রী ইভ্যালির উদ্বোধনীতে বলেছিলেন যে ইভ্যালি হবে আমাজন। 😡😡
যা হোক, এখন একটা কথা ভাবুন। কোনটা বেশী সম্মান জনক?
১০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটির স্থান পাওয়া❗👍
নাকি ১৪ কিমি আলপনা⁉️🤣
আমাদের টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া হলো সর্বোচ্চ দুরত্ব, এবং তা ৯০০ কিমি। চীন, অস্ট্রেলিয়া এমনকি ভারতে কয়েক হাজার কিলোমিটার লম্বা হাইওয়ে রয়েছে।
ওরা ইচ্ছা করলেই তা এক রাতে পেইন্ট করে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করতে পারে।
তবে করে না কেন⁉️
কারন ওদের দেশে গাধা জনগনের সংখ্যা কম। 🤪😁😜ওদের সরকার পয়সা খরচ করে তাদের বুঝাতে পারবে না যে এটা এচিভমেন্ট। যেমন ওরা কখনোই তিন হাজার কোটি টাকা মহাশূন্যে উড়িয়ে দিবেনা শুধু রেকর্ড স্যাটেলাইট পাঠানোর জন্য। 😡😡😡
একজন রিক্সাওয়ালা মাসে ২০ হাজার টাকা কামায়। একজন কাজের বুয়াকে চিনি তার মাসিক আয় ২৫ হাজারের মত। আর একজন ইন্টার্ন ডাক্তার কিংবা একজন এমবিএ কিংবা একজন ইঞ্জিনিয়ার ১৭ বছর পড়াশুনা করা, ক্লাসে টপার হয়ে চাকরি শুরু করে ২০ হাজার টাকা বেতনে।
এটা কিন্তু শুধু আমাদের দেশেই নয়। এমেরিকাতেও একজন উবার চালক একজন ফ্রেস গ্রাজুয়েটের চেয়ে বেশী উপার্জন করে।
কিন্তু তারপরেও তাদের দেশে সবচেয়ে বড় এবং ভাল ইউনিভার্সিটি এবং সব দেশ থেকে সেখানে পড়তে যায়।
এর কারন হল একজন উবার চালকের আয় এক জায়গাতেই থাকবে, কিন্তু একজন গ্রাজুয়েটের উপার্জন লাখ লাখ ডলারে চলে যাবে একদিন।
আমদের উন্নয়ন কোটি কোটি বিদেশী কামলা আর দেশী গারমেন্টস কামলাদের জন্য। এসব কামলাদের বাইরে আমাদের কিছু নেই। এসব কামলাদের টাকা খরচ করেই আমরা ১৪ কিলোমিটারের গিনেজ রেকর্ড করি,😡😡😡😡 কোটি কন্ঠে জাতীয় সংগীত গাই। 🤪😜😁কিন্তু ১৮ কোটি জনসংখ্যার রোল মডেল দেশের মাত্র তিনটা বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা করে নিতে পারে। 😡😡😡😡😡
রেকর্ড আর এচিভমেন্টের পার্থক্য বুঝতে না পারলে আমরা শুধুই মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে ঝাড়ু দিতে পারব আর দেশে দর্জির কাজ করতে পারব। কখনোই সুন্দর পিচাই সৃষ্টি করতে পারব না।

পৃথিবীতে কোন কিছুই success নয়! অবাক হচ্ছেন?এক মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে পাওয়া চিঠি :যখন জন্মালাম বাবা মা ভাবল এটা তাদের suc...
13/04/2024

পৃথিবীতে কোন কিছুই success নয়!

অবাক হচ্ছেন?
এক মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে পাওয়া চিঠি :
যখন জন্মালাম বাবা মা ভাবল এটা তাদের success
যখন হাটতে শিখলাম মনে হল এটাই success
যখন কথা বলতে শিখলাম মনে হল এটাই success

ভুল ভাঙল

এরপর স্কুলে গেলাম, শিখলাম First হওয়াটা success
এরপর বুঝলাম না আসলে মাধ্যমিকে স্টার পাওয়াটা Success।
ভুল ভাঙল,বুঝলাম উচ্চমাধ্যমিকে এই রেসাল্টটা ধরে রাখাই Success

এখানেই শেষ নয়,

এরপর বুঝলাম ভালো সাবজেক্ট নিয়ে ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়াটাই Success,

পরে বুঝলাম না বিশ্ববিদ্যালয় শেষে চাকরী পাওয়াটা Success,
এরপর বুঝলাম না, নিজের টাকায় একটা ফ্ল্যাট কেনাটা Success,
সেটাও নয়, নিজের টাকায় এরপর গাড়ি কেনাটাই আসল Success।

আবারও ভুল ভাঙল😮

এরপর দেখলাম বিয়ে করে সংসার করাটাই Success
বছর ঘুরলো, দেখলাম আসলে বিয়ে করে বংশধর এনে তাকে বড় করাটাই Success,ছেলে হলে সে প্রতিষ্ঠিত হওয়াটাই Success, মেয়ে হলে ভালো বাড়িতে বিয়ে দেওয়াটাই Success।

এরপর এলো রিটায়ারমেন্ট, সারা জীবনের জমানো টাকার সঠিক Utilization ই Success...

এরপর যখন সবাই মিলে কবরে নামিয়ে দিল,তখন বুঝলাম পৃথিবীতে কোন কিছুই Success নয়,পুরোটাই competition।
যার মুলে আকাশ ছোঁয়া আকাঙ্ক্ষা,যা কখনো পূর্ণ হয়না।

সংগৃহিত

🌙 ঈদ মোবারক! 🌙সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ, মুকিম-মুসাফির, গ্রামবাসী-শহরবাসী, জাম...
10/04/2024

🌙 ঈদ মোবারক! 🌙
সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।

প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ, মুকিম-মুসাফির, গ্রামবাসী-শহরবাসী, জামাআতে বা একাকি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর প্রত্যেকের ওপর একবার করে তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব।
তাকবিরে তাশরিক হলো-
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُউচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, ওয়ালিল্লাহিল হামদ্।’অর্থ : ‘আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ মহান, আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই; সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আল্লাহ মহান

31/03/2024

মায়ের মত কেউ হয় না আপন
রাগের মাথায় কত বার ভেঙ্গেছি মায়ের মন
তারপরেও নাকি আমি মায়ের কাছে
সাত রাজার ধন ♥️♥️♥️

এটা একটা সত্যি কথা।
30/03/2024

এটা একটা সত্যি কথা।

25/03/2024

#ফিলি*স্তিন থেকে প্রশ্ন আসে,,
" আমার বয়স হচ্ছে ১১। আমার প্রশ্ন হল, শায়খ
মিসাইলের বিস্ফোরনের কারনে আমার মুখের ভিতর ঢুকে যাওয়া ময়লা এবং পাথরের কারনে আমার রোজা কি ভেঙে যাবে.??

" #সোমা*লিয়া থেকে প্রশ্ন আসে,,
"আমাদের যদি সাহরী বা ইফতার খাবার জন্য কোন কিছু না থাকে,
তবে কি আমাদের রোজা হবে.?

#সিরি*য়া থেকে প্রশ্ন আসে,,
"কেমিক্যাল অস্ত্রের আক্রমনে কি রোজা ভেঙে যাবে.??

#আর, আমাদের প্রশ্নের নমুনা:
তারাবীর নামাজ ৮ রাকাআত নাকি ২০ রাকায়াত.??
হাত নাভির নিচে বাঁধবো নাকি বুকে.??
শবে বরাতে রুটি হালুয়া খাওয়া যাবে কি না.??
আমিন জোরে বলবো নাকি আস্তে.??

চরম সুখে আছি আমরা তাই নাহ??
একদিন এই সুখ আর ঘুম দুটুই ভাঙ্গবে।
তখন হয়তো অনেকটা দেরী হয়ে যাবে!

আল্লাহ সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুন-! (আমিন)
#সংগৃহিত

Address

Narayanganj
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anas Mahbub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Anas Mahbub:

Shortcuts

Share

Category