Shama’s Story World

Shama’s Story World Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shama’s Story World, Digital creator, Savar, Dhaka.

 #অচেনা_মানুষটি (পর্ব–৪)সারা রাত নীলার চোখে ঘুম এল না। ডায়েরিটা বারবার খুলে পড়ছিল। প্রতিটি পাতায় যেন এক একটা অজানা রহ...
18/08/2026

#অচেনা_মানুষটি (পর্ব–৪)

সারা রাত নীলার চোখে ঘুম এল না। ডায়েরিটা বারবার খুলে পড়ছিল। প্রতিটি পাতায় যেন এক একটা অজানা রহস্য লুকিয়ে আছে।

পরের পাতায় বড় বড় অক্ষরে লেখা—

"দুই বছর আগে..."

নীলা পড়তে শুরু করল।

"সেদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। হঠাৎ দেখলাম, একটি ছোট ছেলে রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ির সামনে চলে যাচ্ছে। সবাই শুধু তাকিয়ে ছিল, কিন্তু একজন মেয়ে দৌড়ে গিয়ে ছেলেটিকে বাঁচিয়ে দিল। সেই মেয়েটি ছিলে তুমি।"

"তুমি হয়তো ঘটনাটা ভুলে গিয়েছ। কিন্তু আমি ভুলিনি। কারণ সেদিন তোমার সাহস আমাকে শিখিয়েছিল, পৃথিবীতে এখনো ভালো মানুষ আছে।"

নীলার হঠাৎ সব মনে পড়ে গেল।

হ্যাঁ, দুই বছর আগে এমন একটি ঘটনা সত্যিই ঘটেছিল। কিন্তু সে কখনো ভাবেনি, সেই ঘটনার একজন নীরব সাক্ষী তার জীবনে আবার ফিরে আসবে।

ডায়েরির পরের পাতায় আরও লেখা ছিল—

"তোমার সঙ্গে পরিচয় করার সাহস আমার কখনো হয়নি। শুধু দূর থেকে দেখেছি, তুমি সব সময় অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করো। তাই সেদিন বাসস্ট্যান্ডে তোমার ব্যাগটা পড়ে যেতে দেখে মনে হলো, এবার হয়তো ভাগ্য নিজেই আমাদের পরিচয় করিয়ে দিতে চাইছে।"

নীলার চোখ ভিজে উঠল।

ঠিক তখনই ডায়েরির ভেতর থেকে একটি ছোট কাগজ মাটিতে পড়ে গেল।

তাতে একটি ঠিকানা লেখা।

নিচে মাত্র একটি লাইন—

"যদি সত্যিই জানতে চাও আমি কেন চলে গেছি, তাহলে একবার এখানে এসো। হয়তো তখন সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবে।"

কাগজটা শক্ত করে হাতে ধরে নীলা সিদ্ধান্ত নিল—

সে যাবে।

কিন্তু সে জানত না, সেই ঠিকানায় পৌঁছে এমন এক সত্যের মুখোমুখি হবে, যা তার জীবনকে চিরদিনের জন্য বদলে দেবে...

চলবে... (পর্ব–৫)

 #অচেনা_মানুষটি (পর্ব–৩)চিঠিটা বারবার পড়ছিল নীলা। মাত্র কয়েকটি লাইন, অথচ যেন হাজারটা না বলা কথা লুকিয়ে আছে তার ভেতরে।...
13/08/2026

#অচেনা_মানুষটি (পর্ব–৩)

চিঠিটা বারবার পড়ছিল নীলা। মাত্র কয়েকটি লাইন, অথচ যেন হাজারটা না বলা কথা লুকিয়ে আছে তার ভেতরে।

পরের কয়েকদিন নীলা প্রতিদিন একই সময়ে বাসস্ট্যান্ডে যেত। হয়তো আজ দেখা হবে... হয়তো আজ সে ফিরে আসবে। কিন্তু প্রতিবারই হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হতো।

একদিন অফিস থেকে ফেরার পথে প্রবল বৃষ্টি শুরু হলো। সবাই আশ্রয় খুঁজতে ব্যস্ত। নীলাও একটি ছোট চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়াল।

ঠিক তখনই দোকানের মালিক বললেন,
— "মা, তুমি কি ওই ছেলেটার খোঁজ করছ?"

নীলা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল,
— "আপনি কীভাবে জানলেন?"

বৃদ্ধ লোকটি মুচকি হেসে বললেন,
— "সে প্রায়ই তোমার কথা বলত। বলত, 'মেয়েটা খুব ভালো। সব সময় অন্যের কথা ভাবে, কিন্তু নিজের কষ্ট কাউকে বুঝতে দেয় না।'"

নীলার বুকটা ধক করে উঠল।

— "আপনি কি জানেন, সে কোথায় গেছে?"

লোকটি কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন,
— "জানি... কিন্তু যাওয়ার আগে আমাকে কথা দিয়ে গেছে, কাউকে যেন কিছু না বলি। শুধু এটুকু বলেছিল, যদি কখনো তোমার সঙ্গে দেখা হয়, তাহলে এটা দিয়ে দিতে।"

এই বলে তিনি কাউন্টারের নিচ থেকে একটি ছোট ডায়েরি বের করলেন।

ডায়েরির প্রথম পাতায় লেখা ছিল—

"কিছু গল্পের শেষটা দূরে গিয়েও শেষ হয় না। আবার শুরু হওয়ার অপেক্ষায় থাকে।"

নীলা ধীরে ধীরে পরের পাতাটি খুলল।

সেখানে তারই একটি ছবি।

ছবিটি দেখে সে বিস্ময়ে স্থির হয়ে গেল। এটি সেই দিনের ছবি, যেদিন প্রথম তাদের দেখা হয়েছিল। কিন্তু ছবিটি তুলল কে?

ডায়েরির নিচে ছোট করে লেখা ছিল—

"যেদিন তুমি আমাকে প্রথম দেখেছিলে, সেদিনই আমি তোমাকে প্রথমবার নয়, দ্বিতীয়বার দেখছিলাম..."

নীলার মনে হাজারো প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে লাগল।

আরিয়ান কি আগে থেকেই তাকে চিনত?

তাদের কি এর আগেও কোথাও দেখা হয়েছিল?

উত্তরগুলো লুকিয়ে আছে ডায়েরির পরের পাতাগুলোতে...

চলবে... (পর্ব–৪)

 #অচেনা_মানুষটি (পর্ব–২)পরদিনও একই সময়ে বাসস্ট্যান্ডে দেখা হলো দুজনের।ছেলেটি হেসে বলল,— "আজ আর কিছু হারাননি তো?"নীলাও হ...
01/08/2026

#অচেনা_মানুষটি (পর্ব–২)

পরদিনও একই সময়ে বাসস্ট্যান্ডে দেখা হলো দুজনের।

ছেলেটি হেসে বলল,
— "আজ আর কিছু হারাননি তো?"

নীলাও হেসে উত্তর দিল,
— "না, আজ সবকিছু ঠিক আছে।"

— "ভালো। তবে মানুষ কখনো কখনো জিনিস নয়, নিজের হাসিটাই হারিয়ে ফেলে।"

কথাটা শুনে নীলা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। অচেনা একজন মানুষ এত সহজে তার মনের কথা বুঝে ফেলল কীভাবে?

বাস চলে আসতেই দুজন পাশাপাশি উঠে বসল। প্রথমে কেউ কোনো কথা বলছিল না। কিছুক্ষণ পর ছেলেটিই নীরবতা ভাঙল।

— "আমি আরিয়ান। আর আপনি?"

— "আমি নীলা।"

সেদিনের পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই তাদের দেখা হতে লাগল। কখনো পাঁচ মিনিট, কখনো দশ মিনিট—ছোট ছোট কথায় কেটে যেত সময়। নীলা বুঝতে পারছিল, ছেলেটি অন্য সবার মতো নয়। তার কথায় কোনো বাড়াবাড়ি নেই, নেই অযথা কাছাকাছি আসার চেষ্টা। শুধু ভদ্রতা আর সম্মান।

একদিন হঠাৎ নীলা বাসস্ট্যান্ডে এসে দেখল, আরিয়ান নেই।

সেদিন সে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করল। একটার পর একটা বাস এল, মানুষ এল-গেল, কিন্তু সেই পরিচিত মুখটি আর দেখা দিল না।

পরদিনও না...

তারও পরদিন না...

অজানা এক শূন্যতা নীলার মনকে ঘিরে ধরল। সে বুঝতে পারল, অচেনা মানুষটি আর অচেনা নেই। অল্প কিছু দিনের পরিচয়েই মানুষটা তার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে।

ঠিক এক সপ্তাহ পর, বাসস্ট্যান্ডের পাশের বেঞ্চে একটি ছোট খাম দেখতে পেল নীলা। খামের ওপর শুধু একটি কথাই লেখা ছিল—

"নীলার জন্য।"

কাঁপা হাতে খামটি খুলতেই ভেতরে একটি চিঠি...

সেখানে লেখা ছিল,

"কিছু প্রয়োজনের কারণে আমাকে হঠাৎ করেই চলে যেতে হয়েছে। তোমাকে না জানিয়ে চলে আসার জন্য ক্ষমা চাইছি। যদি ভাগ্যে আবার দেখা লেখা থাকে, তাহলে একদিন ঠিকই দেখা হবে। ততদিন নিজের হাসিটা হারিয়ে ফেলো না।"

চিঠিটা পড়ে নীলার চোখ ভিজে উঠল।

কিন্তু সে জানত না, এই চিঠির পেছনে এমন এক সত্য লুকিয়ে আছে, যা জানার পর তার পুরো জীবন বদলে যাবে...

চলবে... (পর্ব–৩)

 #অচেনা_মানুষটি (পর্ব–১)বিকেলের শেষ আলোটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছিল। বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিল নীলা। আজও অফিস থেকে ফির...
31/07/2026

#অচেনা_মানুষটি (পর্ব–১)

বিকেলের শেষ আলোটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছিল। বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিল নীলা। আজও অফিস থেকে ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গেছে। চারপাশে মানুষের ভিড় থাকলেও তার মনে হচ্ছিল, সে যেন ভীষণ একা।

হঠাৎ একটি কণ্ঠ ভেসে এল—

"আপনি কি ঠিক আছেন?"

নীলা চমকে তাকাল। সামনে একজন অচেনা যুবক। মুখে শান্ত একটা হাসি। চোখে অদ্ভুত এক আন্তরিকতা।

"জি... আমি ঠিক আছি," একটু ইতস্তত করে উত্তর দিল নীলা।

ছেলেটি আর কিছু বলল না। শুধু মাটিতে পড়ে থাকা একটি ব্যাগ তুলে দিয়ে বলল, "এটা সম্ভবত আপনার।"

নীলা অবাক হয়ে দেখল, সত্যিই ওটা তার ব্যাগ। এত চিন্তায় ছিল যে খেয়ালই করেনি কখন ব্যাগটা হাত থেকে পড়ে গেছে।

"ধন্যবাদ," মৃদু হেসে বলল সে।

"ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নেই। নিজের জিনিস নিজের কাছেই থাকা উচিত," বলে ছেলেটি ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে গেল।

নীলা অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। অদ্ভুত মানুষ! নাম জিজ্ঞেস করারও সুযোগ পেল না।

সেদিন রাতেও বারবার সেই অচেনা মুখটাই তার মনে পড়ছিল। কেন জানি মনে হচ্ছিল, মানুষটার সঙ্গে আবারও দেখা হবে।

পরদিন ঠিক একই সময়ে নীলা আবার সেই বাসস্ট্যান্ডে এল। নিজের অজান্তেই চারদিকে তাকাতে লাগল। কাকে যেন খুঁজছে।

ঠিক তখনই পেছন থেকে পরিচিত সেই কণ্ঠ—

"আজ ব্যাগটা শক্ত করে ধরে রেখেছেন তো?"

নীলা ঘুরে দাঁড়াতেই দেখল, সেই ছেলেটি দাঁড়িয়ে আছে। এবার দুজনেই হেসে ফেলল।

কিন্তু নীলা তখনও জানত না, এই সাধারণ পরিচয় একদিন তার জীবনের সবচেয়ে বড় গল্প হয়ে উঠবে...

চলবে... (পর্ব–২)

30/07/2026

🌼 অনেক দিন পর আবার ফিরে এলাম।
আশা করি আগের মতোই পাশে থাকবেন। ভালোবাসা রইল সবাইকে। 🤍

26/06/2026

"কিছু দিন ক্যালেন্ডারে নয়, স্মৃতিতে চিরদিন বেঁচে থাকে। আজকের দিনটি ঠিক তেমনই একটি দিন।" 🌸

22/06/2026
21/06/2026

চেতলে এমন ভাবে চেতি, যারা ঠান্ডা করতে আসে তারাও চেইতা যায়!🙂

20/06/2026

নিজের বলতে একটা
facebook account
আছে, তাও
password মনে নাই।🤣

18/06/2026

তাবিজ কইরা হইলেও আমারে কেউ পড়তে বসা ভাই, আমার সামনে পরীক্ষা।😩

Address

Savar
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shama’s Story World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share