04/08/2026
টাঙ্গাইলের এক হতভাগা প্রবাসী বিদেশ করছে ১২ বছর।
সব টাকা পাঠাইছে স্ত্রীর নামে । এখন ব্যাডায় অসুস্থ হইয়া দেশে আসছে । বউ থাকে বাপের বাড়ি , ঐখানে গিয়ে উঠছে।
দু'মাস রাইখা বউয়ের আর সহ্য হইলো না। রাতের আঁধারে ফেলে গেছে রাস্তার ধারে।
সারারাত মুষলধারের বৃষ্টিতে ভেজার পর সকালে
এলাকা বাসী ধইরা এই ব্যাডারে তুলছে তার ভাতিজির ঘরে।
বউয়ের সাথে প্রশাসন যোগাযোগ করলো -
"সে সরাসরি অস্বীকার করলো সম্পর্কে - তাদের নাকি ডিভোর্স হয়ে গেছে। "
ভাবতে পারেন?
অথচ ১২ বছরের ইনকাম এই বেডির একাউন্টেই নাকি ঢুকছে।
এই হইলো ব্যাডা মানুষদের সাথে বাকিদের সম্পর্কের অবস্থা।
তোমার টাকা ফুরাইয়া গেছে মানে তুমিও ফুরাইছো?
তোমরা যারা বিদেশে থাইকা নিজে ফুটো পয়সা না রাইখা বউয়ের একাউন্টে টাকা জমা রাখো - বউয়ের নামে জমি কেনো—
তোমাদের প্ল্যান কি আসলে?
ধইরা নি সবার বউ খারাপ না।
বাট গর্তে সাপ আছে কি নাই হাত ঢুকাইয়া ঐটা চেক করতে যায় বোকা লোকে।
পুরুষ আর্ন করবে। পুরুষ তার মা,বাবা, স্ত্রী'কে ভালোবেসে তাদের জন্য খরচ করবে এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু আমি মনে করি , পুরুষের আয়ের একটা অংশ তার নিজের জন্য সেভ করা উচিত।
তোমার বেতন ৫০ হাজার হইলে বাসায় ৪০ হাজার বলো।
একটা এমাউন্ট সেভ করো নিজের জন্য । নিজের যে কোনো কাজের জন্য রাখো- খুঁটি হিসেবে রাখো।
এই হিডেন এমাউন্টের জন্য তোমার পাপ হইবো বলে আমি মনে করি না।
তোমার মা - বাবা, স্ত্রী কেউই সৃষ্টিকর্তা না যে তারা তোমার জন্য হক বিচার তাদের সুনিশ্চিত।
প্রশ্ন করতে পারেন - তাহলে মা-বাবার নামে, স্ত্রীর নামে জমি কিনবো না? ব্যাংক ব্যালেন্স করবো না?
আমি বলি যদি, তোমার ক্যাপাসিটি থাকলে করো।
কখন?
নিজের সেফজোনটা আগে নিশ্চিত করো।
জীবনে মানুষের জন্য নিজেরে পরিমিত পরিমাণে খরচ করো। যাতে মানুষ তোমারে ছাইড়া গেলেও তোমার নিজের দাঁড়ানোর মতো খুঁটি থাকে।
প্রেম কইরা মানুষ মানুষরে ছাইড়া গেলে পোলাপান আত্মহত্যা করে ক্যান?
কারণ মানুষটা ছাইড়া যাওয়ার আগেই পোলাপান নিজেরে নিজে ছাইড়া যায়...
আরেকজনরে নিজের দুনিয়া ভাবে।
যদিও জানি ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতো প্রত্যেকটা মানুষের হিসেব আলাদা।
তবু বলছি , নিজের হিসেবটা কইরা বাঁচো। স্বার্থপর হইতে বলতেছি না, সেফজোনটা রাখার কথা বলছি।
আরেকজনের প্রয়োজনে নিজেরে এতটুকু খরচ কইরো না যাতে নিজেই সঞ্চয় ফুরিয়ে যাওয়ার মতো ফুরিয়ে যাও...
রোজ লাখ মানুষ ভিড় করতে থাকা ব্যাংক ও হঠাৎ দেউলিয়া হয়ে গেলে — সেই ব্যাংকে পরে মানুষ লুট করতেও আসে না।