Jukto Higher Study Network

Jukto Higher Study Network Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jukto Higher Study Network, Shere bangla nagar , Bangladesh (Remote & Global Service), Dhaka.

Profile Building, fully funded Scholarship application Service, SOP, LOR, and Essay review Services,10-Minute Consultation, Career Counseling, LinkedIn profile build

অস্ট্রেলিয়ায় Fully Funded PhD ও Master’s by Research করার সুযোগ! University of Western Australia (UWA) ২০২৭ সালের Intern...
19/08/2026

অস্ট্রেলিয়ায় Fully Funded PhD ও Master’s by Research করার সুযোগ!

University of Western Australia (UWA) ২০২৭ সালের International Higher Degree by Research Scholarship Round-এর আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে।

📌 Application deadline: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
📌 সম্ভাব্য commencement: ফেব্রুয়ারি–মার্চ ২০২৭
📌 ২০২৬ সালের RTP stipend: বছরে AUD $38,110
📌 International tuition-fee scholarship ও living stipend—দুটিই competitive basis-এ দেওয়া হয়।

বিদেশে উচ্চশিক্ষাকে অনেক সময় শুধু ব্যক্তিগত career বা উন্নত জীবনের সুযোগ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু একটি research degree-এর গুরুত্ব আরও অনেক বড়।

একটি দেশের প্রকৃত উন্নয়নের জন্য শুধু skilled professionals নয়—প্রয়োজন researchers, critical thinkers এবং thought leaders। এমন মানুষ প্রয়োজন, যারা দেশের সমস্যাগুলো গভীরভাবে বুঝবেন, নতুন knowledge তৈরি করবেন এবং evidence-based solutions নিয়ে কাজ করবেন।

বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে আগ্রহীদের জন্য PhD বা Master’s by Research একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হতে পারে।

তবে scholarship-এর প্রস্তুতি একদিনে হয় না। এখন থেকেই প্রয়োজন:

✅ নিজের research area নির্ধারণ করা
✅ সম্ভাব্য supervisor খুঁজে বের করা
✅ research proposal ও academic CV প্রস্তুত করা
✅ publications এবং research experience যথাযথভাবে উপস্থাপন করা
✅ English language requirements ও application documents গুছিয়ে নেওয়া

আমার YouTube channel-এ PhD scholarship preparation, supervisor-কে email করা, research proposal লেখা, academic CV তৈরি এবং সম্পূর্ণ application process নিয়ে অনেক step-by-step ভিডিও রয়েছে। আগ্রহীরা ভিডিওগুলো দেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে পারেন।

Scholarship পাওয়া competitive। তবে সঠিক preparation, clear research direction এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টা থাকলে এই সুযোগ অর্জন করা সম্ভব।

একটি research degree শুধু একটি qualification নয়—সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে সেই research একদিন দেশের জন্য meaningful change তৈরির মাধ্যম হতে পারে।

Comment link i will send you

16/08/2026

জার্মানিতে ভিসার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা, অথচ ৩ মাসের মধ্যে মাত্র ৩ - ৫ লাখ টাকার মধে সুইজারল্যান্ডের ভিসা পাওয়া সম্ভব ! অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীই সুইজারল্যান্ডকে ইউরোপে উচ্চশিক্ষার সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে খুব একটা বিবেচনা করেন না। অথচ মোটামুটি একটা একাডেমিক প্রোফাইল থাকলে দেশটি আপনার জন্য একটি আকর্ষণীয় অপশন হতে পারে।জার্মানির ভিসা প্রসেসিং ঐতিহাসিকভাবে ভালো হলেও বর্তমানে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও প্রসেসিং সংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনেক আবেদনকারীকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তাই যারা তুলনামূলক দ্রুত ইউরোপে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করছেন, তারা সুইজারল্যান্ডকেও তালিকায় রাখতে পারেন।

মাত্র ৩–৫ লাখ টাকার প্রাথমিক খরচে সুইজারল্যান্ডে মাস্টার্সের প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।

ডকুমেন্টস
একাডেমিক সাটিফিকেট ট্রান্সকিপ্ট, পাসপোর্ট, আপডেট সিভি, মোটিভেশান লেটার, স্টেটমেন্ট অফ পারপাজ,রেকমেন্ডশন লেটার প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য একাডেমিক ডকুমেন্ট। এসবের অনেকগুলোই আপনি নিজে প্রস্তুত করতে পারেন, ফলে শুরুতেই বড় অঙ্কের খরচ করার প্রয়োজন নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে এপ্লিকেশন ফি আলাদা। কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২০০–৫০০ সুইজ পর্যন্ত ফি থাকতে পারে। বাংলাদেশি টাকায় এটি আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা বা তার কাছাকাছি হতে পারে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বা নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামে খরচ আরও বেশি হতে পারে।

অফার লেটার পাওয়ার পর অনেক ক্ষেত্রে প্রথম সেমিস্টারের টিউশন ফি পরিশোধ করতে হয়। প্রোগ্রাম ও বিশ্ববিদ্যালয় অনুযায়ী এই পরিমাণ পরিবর্তিত হবে; কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রায় ১.৫–২ লাখ টাকার আশেপাশে হতে পারে।

এরপর ভিসা আবেদন করতে হবে। ভিসা সংক্রান্ত ফি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যান্টনভেদে যাচাই করা জরুরি। ভিসার সময় হাউজিং এর প্রমাণ দেখানোর প্রয়োজন হতে পারে।

স্টুডেন্ট ডরমিটরি পাওয়া গেলে মাসিক খরচ তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত রাখা সম্ভব। জায়গা ও আবাসনের ধরন অনুযায়ী মাসে প্রায় ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা বা তার বেশি খরচ হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফিনানশিয়াল প্রমাণ,এখানেই অনেক শিক্ষার্থী ভুল করেন। সুইজারল্যান্ডে পড়তে গেলে নিজের জীবনযাত্রার খরচ বহন করার সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হয়। নির্দিষ্ট অর্থের পরিমাণ ও কীভাবে তা দেখাতে হবে, সেটি বর্তমান সরকারি নিয়ম এবং আপনার ক্যান্টনের নির্দেশনা অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।

অনেক ক্ষেত্রে প্রায় ১,২০০ CHF মাসিক হিসেবে এক বছরের জীবনযাত্রার খরচের হিসাব ধরা হয়। বাংলাদেশি টাকায় এটি প্রায় ২০–২৫ লাখ টাকার কাছাকাছি হতে পারে, বিনিময় হার অনুযায়ী পরিমাণ পরিবর্তিত হবে।

এটিকে সাধারণ খরচ হিসেবে দেখবেন না। এটি মূলত আপনার লিভিং এক্সপেন্স বহনের সক্ষমতার ফিনানশিয়াল প্রুভ।

এই খরচ বাদ দিলে আবেদন, টিউশন, ভিসা, ডকুমেন্টেশন ও প্রাথমিক প্রস্তুতির মোট খরচ অনেক ক্ষেত্রে প্রায় ৩–৫ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে। তবে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রাম অনুযায়ী প্রকৃত খরচ কম বেশি হবে।

সুইজারল্যান্ডের কিছু পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা

1. University of Zurich
2. University of Geneva
3. University of Bern
4. University of Lausanne
5. University of Basel
6. University of Fribourg
7. University of Neuchâtel
8. Università della Svizzera italiana
9. University of Lucerne
10. University of St. Gallen
11. ETH Zurich
12. EPFL
13. Zurich University of Applied Sciences
14. Bern University of Applied Sciences
15. Lucerne University of Applied Sciences and Arts
16. University of Applied Sciences and Arts Western Switzerland
17. University of Applied Sciences and Arts of Southern Switzerland
18. FHNW
19. OST – Eastern Switzerland University of Applied Sciences
20. IMD Business School, Lausanne

আইএলটিএস সবসময় প্রয়োজন হয়না। কিছু কোর্স জার্মান, ফ্রেঞ্চ বা ইতালিয়ান ভাষায় পরিচালিত হয়। আবার বেশ কিছু প্রোগ্রাম ইংরেজিতেও রয়েছে।

কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ববর্তী ডিগ্রির শিক্ষার মাধ্যম ইংলিশ হওয়া প্রমাণ করতে পারলে MOI গ্রহণ করতে পারে। MOI থাকলেই IELTS লাগবে না এমন সাধারণ নিয়ম ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের অফিসিয়াল admission requirements অবশ্যই দেখে নিন।

শুধু কোনো এজেন্সি, ইউটিউব ভিডিও দেখে সুইজারল্যান্ডে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সুইস সরকারের সংশ্লিষ্ট তথ্য এবং আপনার নির্দিষ্ট ক্যান্টনের নিয়ম যাচাই করুন।

পোস্টটি তথ্য শেয়ার করার উদ্দেশ্যে তৈরি। উপকারী মনে হলে নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করতে পারেন।

- Jukto Higher Study Network

10/08/2026

Most college essays don’t fail because they’re bad.
They fail because they sound like everyone else’s.

Safe. Generic. Predictable.

The students who actually stand out are usually the ones who tell their story with clarity, reflection, and authenticity not the ones trying to sound “impressive.” ✍️

That’s why reading real successful essays can completely change how you approach your own writing.

If you want the 50 Successful College Admission Essays PDF, comment “ESSAY” and we’ll send it to you ✨

Book a FREE expert call to learn more 📞
Join our Telegram 💬

08/08/2026

Fully funded PhD opportunity worth around 2.3 crore taka waiting for you.
"The University of Houston, USA is recruiting PhD students for Spring 2027.

#স্কলারশিপ
#বিদেশে

05/08/2026

ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্টুডেন্টদের জন্য ৩ কোটি টাকার ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপের সুযোগ...

ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার অনলাইন ব্যাচেলর অব শরিয়াহ প্রোগ্রামে ভর্তি আবেদন শুরুআপনি কি ইসলামিক স্টাডিজে আন্তর্জাতি...
03/08/2026

ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার অনলাইন ব্যাচেলর অব শরিয়াহ প্রোগ্রামে ভর্তি আবেদন শুরু

আপনি কি ইসলামিক স্টাডিজে আন্তর্জাতিক মানের একটি স্বীকৃত ডিগ্রি অর্জন করতে চান? তাহলে এটি হতে পারে আপনার জন্য একটি দারুণ সুযোগ। সৌদি আরবের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা, King Abdullah bin Abdulaziz Endowment (Waqf)-এর সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন Bachelor of Sharia প্রোগ্রামে আবেদন আহ্বান করেছে।

যা থাকছে:
• ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা থেকে স্বীকৃত ব্যাচেলর ডিগ্রি।
• সম্পূর্ণ অনলাইন (Distance Learning) পদ্ধতিতে পড়াশোনার সুযোগ।
• বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে অংশগ্রহণের সুযোগ।
• যোগ্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের সুযোগ।

আবেদনের যোগ্যতা
বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ভর্তি শর্ত পূরণকারী আন্তর্জাতিক নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা
২৬ জুলাই ২০২৬ – ৮ আগস্ট ২০২৬

আবেদন অবশ্যই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
ভর্তি ও স্কলারশিপ বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্যতা যাচাই এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।
যারা ঘরে বসেই আন্তর্জাতিক মানের ইসলামিক শিক্ষা অর্জন করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি মূল্যবান সুযোগ।

আপনার পরিচিত কেউ যদি এ ধরনের প্রোগ্রামে আগ্রহী হন, তাহলে পোস্টটি শেয়ার করে তাকে জানিয়ে দিন। এই প্রোগ্রামে আবেদন করার কথা ভাবছেন? আপনার প্রশ্ন বা মতামত কমেন্টে জানান।

- Grad Academy

03/08/2026

আমরা ওয়ার্ডের সকল দেশের এবং সকল স্কলারশিপ গুলোর অ্যাপ্লিকেশন করে দেই!!

যারা নিজের অ্যাপ্লিকেশন নিজে করবেন বাট Mentorship লাগবে সেটাও আমরা করে থাকি!!

এপ্লিকেশন এর জন্য যোগাযোগ করুন এই WhatsApp নাম্বার এ -- 01711772509

IELTS score থাকলে এডমিশনে হেল্প করবো

ভালো একটা PhD Cover Letter লিখতে এই ৬টা বিষয় থাকলেই যথেষ্ট। বাকি অনেক কিছুই ততটা জরুরি নয়।১. প্রথমেই বলুন, আপনি কী নিয...
02/08/2026

ভালো একটা PhD Cover Letter লিখতে এই ৬টা বিষয় থাকলেই যথেষ্ট। বাকি অনেক কিছুই ততটা জরুরি নয়।
১. প্রথমেই বলুন, আপনি কী নিয়ে গবেষণা করতে চান
যে PhD প্রজেক্টে আবেদন করছেন, সেটার সঙ্গে আপনার আগ্রহ কীভাবে মিলে যায়, সেটা সহজভাবে লিখুন।
উদাহরণ হিসেবে, যদি আপনি জানতে চান ব্যায়াম করলে মানুষের মস্তিষ্কে কী পরিবর্তন হয়, তাহলে বলতে পারেন এই ল্যাবে সেই গবেষণার জন্য দরকারি যন্ত্রপাতি ও সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।
২. আপনার যেসব দক্ষতা এই গবেষণায় কাজে লাগবে, সেগুলো তুলে ধরুন
CV-তে যা লেখা আছে, সেগুলো আবার কপি করবেন না।
বরং লিখুন, আপনার কোন কোন দক্ষতা এই ল্যাবের কাজে কাজে লাগবে। যেমন ডেটা বিশ্লেষণ, গবেষণা করা, রিপোর্ট লেখা, প্রোগ্রামিং বা ল্যাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা।
৩. কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ বা ট্রেনিং থেকে কী শিখেছেন, সেটা বলুন
যদি কোনো সেমিনার, ওয়ার্কশপ বা প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে থাকেন, তাহলে শুধু নাম লিখলেই হবে না।
বরং বলুন, সেখানে আপনি কী শিখেছেন এবং সেই শেখা বিষয়টি এই গবেষণায় কীভাবে কাজে লাগবে।
৪. ল্যাবের আগের গবেষণাগুলো পড়ুন এবং নিজের মতামত দিন
আবেদন করার আগে ল্যাবের সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো পড়ে দেখুন।
ভাবুন—
গবেষণায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ পড়েছে কি?
ভবিষ্যতে আর কী নিয়ে কাজ করা যেতে পারে?
আপনার কোনো নতুন আইডিয়া আছে কি?
এতে বোঝা যায়, আপনি শুধু পড়েন না, নিজের মতো করেও ভাবতে পারেন।
৫. কেন এই ল্যাবেই পড়তে চান, সেটা পরিষ্কার করুন
সব ল্যাব এক রকম নয়।এই ল্যাবের এমন কী আছে, যা অন্য জায়গায় নেই? হতে পারে উন্নত প্রযুক্তি, ভালো গবেষণার পরিবেশ বা এমন কোনো বিশেষ বিষয়, যা আপনার ভবিষ্যৎ লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করবে।
৬. PhD শেষ করার পর আপনি কী করতে চান?
আপনার ভবিষ্যতের লক্ষ্য কী, সেটা লিখুন।
এছাড়া বলুন—
সেই লক্ষ্য পূরণ করতে কী কী দক্ষতা দরকার।
এখন আপনার কোন দক্ষতাগুলো আরও উন্নত করা দরকার।
এই PhD কীভাবে সেই ঘাটতি পূরণ করবে।
২০২৬/২০২৭ সালে Fully Funded PhD পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে চান?
তাহলে আমাকে "Funded" লিখে DM করুন। আমি আপনাকে আবেদন, Cover Letter, SOP এবং পুরো PhD প্রস্তুতি নিয়ে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে সাহায্য করব।
WhatsApp support: Wa.me/+8801711772509

© All rights reserved to Grad Academy

This article is written and published by Grad Academy. Unauthorized copying, reproduction, or redistribution of this content without permission is prohibited.

দ্বিতীয় মাস্টার্স নাকি একেবারে পিএইচডি?উচ্চশিক্ষায় আবেদনের সময় অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, দ্বিতীয় মাস্টার্স না পিএইচডি কোন ডিগ...
02/08/2026

দ্বিতীয় মাস্টার্স নাকি একেবারে পিএইচডি?উচ্চশিক্ষায় আবেদনের সময় অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, দ্বিতীয় মাস্টার্স না পিএইচডি কোন ডিগ্রির জন্য আবেদন করা ঠিক হবে। আমার অনেক শিক্ষার্থী যারা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কিংবা সহকর্মীরাও অনেকেই জানতে চান বিষয়টি নিয়ে।

সত্যি বলতে, এটা পুরোটাই নির্ভর করছে আবেদনকারীর ইচ্ছা, তার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং পারিপার্শ্বিক নানান বিষয়ের ওপর। যেমন আমার বিভাগের অধিকাংশ শিক্ষককে দেখেছি, দ্বিতীয় মাস্টার্স শেষে তারপর পিএইচডির জন্য কিছুটা সময় নিয়ে অন্য দেশ বা ভিন্ন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে। এখন অবশ্য সময়ও বদলেছে। অনেকেই এখন সরাসরি পিএইচডিতেই আবেদন করেন এবং ফুল ফান্ডও পেয়ে যান।

এ ক্ষেত্রে আসলে নির্ভর করে ব্যক্তি নিজে কীভাবে তার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা গোছাতে চাইছেন। অ্যাকাডেমিয়া বা শিক্ষকতা পেশায় যারা আছেন, তাদের ক্ষেত্রে পিএইচডির আগে একটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি কিংবা এমফিল যোগ হলে পোর্টফলিওতে আরেকটি ডিগ্রি এবং সে সময়কার গবেষণার এবং কাজের অভিজ্ঞতা যুক্ত হয়। যা পরবর্তীতে তার শিক্ষকতা পেশায় অভিজ্ঞতা হিসেবে গুরুত্ব রাখে। অর্থাৎ শিক্ষকতা বা গবেষণা পেশার ক্ষেত্রে একেকটি ডিগ্রি অভিজ্ঞতা হিসেবে যুক্ত হয়। আবার অনেকের অন্য পরিকল্পনাও থাকে তার পরিবার, আর্থিক অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ের কারণে।

এ তো গেল অ্যাকাডেমিয়ায় যারা আছেন। এর বাইরেও যারা উচ্চশিক্ষায় যান, তাদের অনেকেও দ্বিতীয় মাস্টার্সে আবেদন করেন। হয়তো আবেদনকারী স্নাতক, স্নাতকোত্তর কোনো একটি বিষয়ে করলেও, পুরো নতুন একটি বিষয়ে পিএইচডি করতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফান্ডিং বা স্কলারশিপের ক্ষেত্রে সাধারণত সেইসব প্রার্থীকেই বাছাই করেন, যাদের সেই নির্দিষ্ট বিষয়ে গবেষণা আর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। অধ্যাপক যাতে সেই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কাজ করতে পারেন। এমনও দেখেছি আমার সহকর্মী তৃতীয় মাস্টার্স করেছেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে, কারণ তিনি আইন বিভাগের শিক্ষক হলেও পিএইচডি করছেন দর্শনের ওপর।

এছাড়াও প্রতি বছরই জরিপে দেখা যায়, উচ্চশিক্ষায় পিএইচডি ড্রপআউটের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। তাই বিদেশে উচ্চশিক্ষা মানেই যে শুধু পিএইচডি এমনটা নয়। গবেষণা কিংবা শিক্ষকতায় আগ্রহ না থাকলে এই ডিগ্রি ছাড়াও অনেককেই দেখেছি শুধু মাস্টার্স শেষেই চাকরির জন্য আবেদন করতে। আমার শিক্ষার্থীরাও অনেকেই উন্নত জীবনব্যবস্থার জন্য উচ্চশিক্ষায় আবেদন করতে আগ্রহী। এমন অনেকেই আছেন যারা দ্রুত নতুন আরেক দেশে গুছিয়ে নিতে চান, তার ওপর নির্ভর করেও আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, আপনি কোন বিষয়ে এবং কোন ডিগ্রির জন্য আবেদন করবেন।

মোট কথা হলো উচ্চশিক্ষা আসলে একটি দীর্ঘ এবং বেশ ধৈর্যের একটা পথ। অনেক ভেবে, চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিলেও শেষ মুহূর্তে সেই পরিকল্পনামাফিক নাও হতে পারে। নিজের কয়েকজন বন্ধুকেই দেখেছি, পিএইচডিতে ফান্ড নিয়ে আসলেও, মাঝ পথে ল্যাবের অধ্যাপকের সঙ্গে ঝামেলা! তাই দুই বছর পর মাস্টার্স ডিগ্রি নিয়েই সেই ল্যাব থেকে ক্ষান্ত দিতে হয়েছে। তবে ইতিবাচক বিষয় হলো, আপনি চাইলে এবং ভালো মতো শ্রম দিলে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আপনার জন্য সুযোগ রয়েছে। তাই কেন দ্বিতীয় মাস্টার্স করে সময় নষ্ট করলেন, কিংবা সরাসরি পিএইচডির জন্য আবেদন করলে ফান্ড হবে কি না, পুরোটাই নির্ভর করছে আপনার সিদ্ধান্ত এবং আপনার নিজের পোর্টফোলিওর ওপর।দ্বিতীয় মাস্টার্স নাকি একেবারে পিএইচডি?উচ্চশিক্ষায় আবেদনের সময় অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, দ্বিতীয় মাস্টার্স না পিএইচডি কোন ডিগ্রির জন্য আবেদন করা ঠিক হবে। আমার অনেক শিক্ষার্থী যারা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কিংবা সহকর্মীরাও অনেকেই জানতে চান বিষয়টি নিয়ে।

সত্যি বলতে, এটা পুরোটাই নির্ভর করছে আবেদনকারীর ইচ্ছা, তার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং পারিপার্শ্বিক নানান বিষয়ের ওপর। যেমন আমার বিভাগের অধিকাংশ শিক্ষককে দেখেছি, দ্বিতীয় মাস্টার্স শেষে তারপর পিএইচডির জন্য কিছুটা সময় নিয়ে অন্য দেশ বা ভিন্ন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে। এখন অবশ্য সময়ও বদলেছে। অনেকেই এখন সরাসরি পিএইচডিতেই আবেদন করেন এবং ফুল ফান্ডও পেয়ে যান।

এ ক্ষেত্রে আসলে নির্ভর করে ব্যক্তি নিজে কীভাবে তার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা গোছাতে চাইছেন। অ্যাকাডেমিয়া বা শিক্ষকতা পেশায় যারা আছেন, তাদের ক্ষেত্রে পিএইচডির আগে একটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি কিংবা এমফিল যোগ হলে পোর্টফলিওতে আরেকটি ডিগ্রি এবং সে সময়কার গবেষণার এবং কাজের অভিজ্ঞতা যুক্ত হয়। যা পরবর্তীতে তার শিক্ষকতা পেশায় অভিজ্ঞতা হিসেবে গুরুত্ব রাখে। অর্থাৎ শিক্ষকতা বা গবেষণা পেশার ক্ষেত্রে একেকটি ডিগ্রি অভিজ্ঞতা হিসেবে যুক্ত হয়। আবার অনেকের অন্য পরিকল্পনাও থাকে তার পরিবার, আর্থিক অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ের কারণে।

এ তো গেল অ্যাকাডেমিয়ায় যারা আছেন। এর বাইরেও যারা উচ্চশিক্ষায় যান, তাদের অনেকেও দ্বিতীয় মাস্টার্সে আবেদন করেন। হয়তো আবেদনকারী স্নাতক, স্নাতকোত্তর কোনো একটি বিষয়ে করলেও, পুরো নতুন একটি বিষয়ে পিএইচডি করতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফান্ডিং বা স্কলারশিপের ক্ষেত্রে সাধারণত সেইসব প্রার্থীকেই বাছাই করেন, যাদের সেই নির্দিষ্ট বিষয়ে গবেষণা আর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। অধ্যাপক যাতে সেই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কাজ করতে পারেন। এমনও দেখেছি আমার সহকর্মী তৃতীয় মাস্টার্স করেছেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে, কারণ তিনি আইন বিভাগের শিক্ষক হলেও পিএইচডি করছেন দর্শনের ওপর।

এছাড়াও প্রতি বছরই জরিপে দেখা যায়, উচ্চশিক্ষায় পিএইচডি ড্রপআউটের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। তাই বিদেশে উচ্চশিক্ষা মানেই যে শুধু পিএইচডি এমনটা নয়। গবেষণা কিংবা শিক্ষকতায় আগ্রহ না থাকলে এই ডিগ্রি ছাড়াও অনেককেই দেখেছি শুধু মাস্টার্স শেষেই চাকরির জন্য আবেদন করতে। আমার শিক্ষার্থীরাও অনেকেই উন্নত জীবনব্যবস্থার জন্য উচ্চশিক্ষায় আবেদন করতে আগ্রহী। এমন অনেকেই আছেন যারা দ্রুত নতুন আরেক দেশে গুছিয়ে নিতে চান, তার ওপর নির্ভর করেও আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, আপনি কোন বিষয়ে এবং কোন ডিগ্রির জন্য আবেদন করবেন।

মোট কথা হলো উচ্চশিক্ষা আসলে একটি দীর্ঘ এবং বেশ ধৈর্যের একটা পথ। অনেক ভেবে, চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিলেও শেষ মুহূর্তে সেই পরিকল্পনামাফিক নাও হতে পারে। নিজের কয়েকজন বন্ধুকেই দেখেছি, পিএইচডিতে ফান্ড নিয়ে আসলেও, মাঝ পথে ল্যাবের অধ্যাপকের সঙ্গে ঝামেলা! তাই দুই বছর পর মাস্টার্স ডিগ্রি নিয়েই সেই ল্যাব থেকে ক্ষান্ত দিতে হয়েছে। তবে ইতিবাচক বিষয় হলো, আপনি চাইলে এবং ভালো মতো শ্রম দিলে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আপনার জন্য সুযোগ রয়েছে। তাই কেন দ্বিতীয় মাস্টার্স করে সময় নষ্ট করলেন, কিংবা সরাসরি পিএইচডির জন্য আবেদন করলে ফান্ড হবে কি না, পুরোটাই নির্ভর করছে আপনার সিদ্ধান্ত এবং আপনার নিজের পোর্টফোলিওর ওপর।

WhatsApp support: Wa.me/+8801711772509
© All rights reserved to Grad Academy
This article is written and published by Grad Academy. Unauthorized copying, reproduction, or redistribution of this content without permission is prohibited.

বিদেশে উচ্চশিক্ষার খোঁজ করতে গিয়ে ‘গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ’, ‘টিএ’ কিংবা ‘আরএ’ শব্দগুলো নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে। যুক্ত...
02/08/2026

বিদেশে উচ্চশিক্ষার খোঁজ করতে গিয়ে ‘গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ’, ‘টিএ’ কিংবা ‘আরএ’ শব্দগুলো নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে মাস্টার্স বা পিএইচডির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজলে এসব শব্দ প্রায়ই দেখা যায়। কোথাও লেখা থাকে অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের সঙ্গে স্টাইপেন্ড দেওয়া হবে, কোথাও টিউশন সহায়তার কথাও থাকে।

তখন প্রশ্ন আসতেই পারে, গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ আসলে কী? এটি কি বৃত্তি, নাকি চাকরি? আর একজন শিক্ষার্থীকে এর জন্য কী কাজ করতে হয়?

সহজভাবে বললে, গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ হলো মাস্টার্স বা পিএইচডি শিক্ষার্থীর পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাজে যুক্ত থাকার একটি ব্যবস্থা। শিক্ষার্থী শিক্ষকতা, গবেষণা বা বিভাগীয় বিভিন্ন কাজে সহায়তা করেন এবং এর বিনিময়ে আর্থিক সুবিধা পান। বিশ্ববিদ্যালয় ও পদের ধরন অনুযায়ী এই সুবিধার মধ্যে স্টাইপেন্ড, টিউশন সহায়তা বা স্বাস্থ্যবিমা থাকতে পারে। তবে সব বিশ্ববিদ্যালয় বা সব অ্যাসিস্ট্যান্টশিপে একই সুবিধা থাকে না।

গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপে শিক্ষার্থীরা সাধারণত টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট বা রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।সপ্তাহে কত ঘণ্টা কাজ করতে হয়?
কাজের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের ধরন অনুযায়ী আলাদা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০, ১৫ বা ২০ ঘণ্টার অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ দেখা যায়। পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজের নিয়ম থাকে। তবে কাগজে লেখা ঘণ্টাই পুরো গল্প নয়। টিএ হলে পরীক্ষার সময় খাতা দেখার চাপ বাড়তে পারে। আরএ হলে গবেষণার নির্দিষ্ট সময়সীমার আগে কাজ বেশি থাকতে পারে।

বিনিময়ে কী পাওয়া যায়?
এখানেই গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপে শিক্ষার্থী নিয়মিত পারিশ্রমিক পান। এর সঙ্গে পুরো বা আংশিক টিউশন সহায়তা এবং স্বাস্থ্যবিমার সুবিধাও থাকতে পারে। তবে সুবিধার ধরন বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগ এবং পদের ওপর নির্ভর করে। তাই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে শুধু অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ দেখেই ধরে নেবেন না যে আপনার পুরো টিউশন মওকুফ হবে। কত টাকা স্টাইপেন্ড, কতটুকু টিউশন সহায়তা এবং স্বাস্থ্যবিমার খরচ কে বহন করবে এসব আলাদাভাবে দেখে নিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের কাজের ঘণ্টা ও বেতনের পরিমাণ ভিন্ন হয়। ১০, ১৫ বা ২০ ঘণ্টার অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ থাকে, আর কাজের ঘণ্টার ওপরই সাধারণত বেতন নির্ধারিত হয়। একই বিশ্ববিদ্যালয়েও মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের বেতনের পরিমাণ এক রকম নাও হতে পারে। পিএইচডি শিক্ষার্থীরা মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের তুলনায় বেশি বেতন পান, যদিও এটি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের নীতির ওপর নির্ভর করে।

আবার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আরেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনের পার্থক্যও বেশ বড় হতে পারে। কোথাও ২০ ঘণ্টার গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপে মাসে প্রায় এক হাজার ডলার দেওয়া হয়, আবার কোথাও একই ধরনের দায়িত্বের জন্য এর দ্বিগুণ বা তারও বেশি বেতন পাওয়া যায়। তাই শুধু অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ আছে কি না দেখলেই হবে না, কাজের ঘণ্টা, বেতনের পরিমাণ এবং টিউশন-সহায়তার ধরনও ভালোভাবে দেখে নেওয়া উচিত।আরেকটি বিষয় হলো, সব সেমিস্টারে একই ঘণ্টার অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ পাওয়া যাবে এমন নিশ্চয়তা থাকে না। বিভাগীয় চাহিদা, তহবিল বা পদ খালি থাকার ওপর নির্ভর করে কাজের ঘণ্টা কম-বেশি হতে পারে। যেহেতু বেতন কাজের ঘণ্টার ওপর নির্ভর করে, তাই বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ২০ ঘণ্টার অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ ধরে রাখতে চান। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্ধারিত ন্যূনতম জিপিএ বজায় রাখতে না পারলে অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ ধরে রাখাও কঠিন হয়ে যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা কি অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ পান?
হ্যাঁ, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ পেতে পারেন। তবে পদের জন্য একাডেমিক যোগ্যতা, বিভাগীয় চাহিদা এবং নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম মানতে হয়। বিশেষ করে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টের ক্ষেত্রে ইংরেজিতে ক্লাস পরিচালনা বা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগের সক্ষমতা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা শর্ত থাকতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক আবেদনকারীদের টিএ-সংক্রান্ত ভাষাগত যোগ্যতার নিয়মও দেখে নেওয়া উচিত।

বিদেশে স্কলারশিপের এপ্লাইয়ের জন্য আমাদের সাপোর্ট ফর্ম পূরন করুন ফল ২০২৭ এ এপ্লাইয়ের জন্য আমরা মেন্টরশিপ ব্যাচে ২০ জনের প্রোফাইল নিয়ে কাজ করবো।

WhatsApp support: Wa.me/+8801711772509

© All rights reserved by Grad Academy
This article is written and published by Grad Academy. Unauthorized copying, reproduction, or redistribution of this content without permission is prohibited.

Address

Shere Bangla Nagar , Bangladesh (Remote & Global Service)
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jukto Higher Study Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share