26/09/2026
মুসলিমদের বিশ্বাস অনুযায়ী, শেষ জামানায় বা কেয়ামতের পূর্বে মুসলিম ও ইহুদিদের মধ্যে এক যুদ্ধ হবে। তখন মুসলমানরা ইহুদিদের বিরুদ্ধে লড়বে। হাদিসে বলা হয়েছে, সেই যুদ্ধে পরাজিত হয়ে যখন ইহুদিরা পাথর বা গাছের আড়ালে লুকিয়ে থাকবে, তখন পাথর ও গাছ কথা বলে উঠবে - "হে মুসলিম! আমার পেছনে এক ইহুদি লুকিয়ে আছে, এসে তাকে হত্যা করো।" তবে একমাত্র গারকাদ গাছ কথা বলবে না এবং ইহুদিদের রক্ষা করতে সাহায্য করবে, কারণ এটি ইহুদিদের গাছ বলে গণ্য করা হয়।
অবার তারা এও মেনে নিয়ে বসে থাকে গেকো ইব্রাহিমের আগুনে ফু দিয়ে আগুন বাড়িয়ে দিয়েছিল। কোরআন তাদের এই শিক্ষা দেয়। সেজন্য তাদের গেকো মারার নির্দেশ দেয়া আছে। সুলাইমান নবী তার রাজপ্রাসাদ, দূর্গ, সৈন্য, প্রাণী, পরিবারের লোকজন, মন্ত্রী, পাইক পেয়াদা নিয়ে বাতাসে ভেসে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারতেন। এক নবী ইউশা বিন নুন হাতের ইশারায় সূর্যকে থামিয়ে রেখেছিলেন। নবী মুহাম্মদ হাতের ইশারায় চাঁদ দ্বিখন্ডিত করেন, তার দুই টুকরা আরবের এক পাহাড়ের দুইদিকে পড়ে। অবার কালো কুকুর শয়তান, তাকে মেরে ফেলতে হবে। কালো কবুতর শয়তান!
মুসলিম হতে হলে এগুলো মেনে নিয়েই আপনাকে আগাতে হবে। এগুলো কোরআন, হাদিসের কথা। এমন আরো অনেক আছে। আধুনিক বিজ্ঞানকে এগুলো যেভাবেই পুং মাং সাং করে দিক আপনাকে মেনে নিতে হবে বিজ্ঞান ভুল হতে পারে, কিন্তু এগুলো নয়। এই মেনে নেয়া মুমিন ভাইরা অবার তাদের কুরানিক বিজ্ঞান নিয়ে যুক্তির ত্যানা নিয়ে হাজির হয়। সেখানে রিপ্লাই না দিলে অবার কান্নাকাটি করেন তারা।
আচ্ছা বলেন, কমন সেন্স বিসর্জন দিয়ে যারা আধুনিক বিজ্ঞানের বিরোধী এমন ডজন ডজন ননসেন্স জিনিস অকাট্য বলে মেনে নিয়েছেন, তাদের সঙ্গে বিজ্ঞানের আলাপ চলে? দুইদিন আগে আমি কোরআনের ২০ টি বৈজ্ঞানিক ভুল নামে যে পোস্ট দিলাম সেখানে কিছু মুমিন ভাই তাদের ভাষায় দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়েছেন। মুমিন ভাইরা বরাবরই তাই করেন বলে দাবি করেন। ওখানেও আমি পোস্টেই বলে দিয়েছি যারা বিজ্ঞানের এই সংশ্লিষ্ট টার্মগুলো বোঝেন না, তাদের জন্য সেই পোস্ট না। বলেন, কোরআন, হাদিসের এমন শত শত ননসেন্স জিনিস যারা মাথায় পুরে বসে আছে তারা এআই দিয়ে কি যুক্তি বা কুযুক্তি দিলো - তা কি পড়ে দেখারও দরকার হয়? বিজ্ঞানের ডিসকাশন করতে হলে তো বৈজ্ঞানিক কর্ম পদ্ধতির ধারা ও প্রতিষ্ঠিত থিওরিগুলো মেনে নিতে হবে অথবা তার ভুল বের করে দেখাতে হবে.!