31/07/2026
🚫 মাওয়া ঘাটে ইলিশ ভোজন বয়কট!!
পদ্মার ইলিশ, মাওয়া ঘাট এবং পদ্মা সেতুর সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু মানুষ সেখানে যান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, অনেকের সেই আনন্দের ভ্রমণ বিভিন্ন ধরনের হয়রানির অভিযোগে ম্লান হয়ে যাচ্ছে।
আমাদের অভিজ্ঞতায়, মাওয়া ঘাটের পাশের প্রধান সড়কে 'টোল' নামে মোটরসাইকেল থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। আগে একটি পয়েন্টে ২০ টাকা নেওয়া হলেও বর্তমানে ঘাটের আগে অল্প দূরত্বের মধ্যেই একাধিক পয়েন্টে ৩০ টাকা ও ২০ টাকা করে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
আমাদের প্রশ্ন—
🔹 এই অর্থ কোথায় যাচ্ছে?
🔹 কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে?
🔹 এর প্রকৃত দায়িত্বে বা অংশীদার কারা?
🔹 এসব কার্যক্রমের পেছনে কারা প্রভাব বা সহযোগিতা করছে?
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু মোটরসাইকেল নয়; প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনের কাছ থেকেও আরও বেশি অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক ভ্রমণকারীর অভিযোগ—এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুললে বা প্রতিবাদ করলে দুর্ব্যবহার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মুখোমুখি হতে হয়। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।
এছাড়াও, অনেক বাইকারের অভিযোগ অনুযায়ী পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার আগে ঘাটে যাওয়ার বাম পাশের সড়কে ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটছে বলে উদ্বেগ রয়েছে। যদি এমন অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তবে ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা এবং বিষয়টি তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে ভ্রমণকারীরা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারেন।
আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যদি এই অর্থ আদায় বৈধ হয়, তাহলে এর আইনগত ভিত্তি, নির্ধারিত হার এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে জনসাধারণকে স্পষ্টভাবে জানানো হোক। আর যদি অবৈধভাবে অর্থ আদায় বা চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হন।
এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে বাংলাদেশের সকল বাইকার ও ভ্রমণপ্রেমীদের প্রতি আহ্বান—পরিস্থিতির সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মাওয়া ঘাটে ইলিশ ভোজন এবং সকল প্রকার আনুষ্ঠানিক প্রোগ্রাম বয়কট করুন।
ভ্রমণ হোক আনন্দের, হয়রানির নয়।
#বাংলার_টেসলা #টেসলা #বয়কট