Farjana yeasmin

Farjana yeasmin Sharing My Journey, Creativity, and Daily Adventures | Let’s Grow Together!

14/11/2025

Du’aa kobuler jonno আলহামদুলিল্লাহ,দারুদ 1 time,
আল্লাহুমা ইন্নী আসআলুকা বি আন্নি আশহাদু আন্নাকা আনতাল্লাহ লা ইলাহা ইল্লা আনত,আল আহাদ, আস সামাদ ,আল্লাজি লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ,,

14/11/2025

❤️🖤রাব্বি ইন্নি লিমা আনজালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিন ফাক্কির❤️🖤
1. সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
2. আস্তাগফিরুল্লাহ
3. ইয়া জাল জালালী ওয়াল ইকরাম
4. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
5. লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমীন।
6. সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ,আল্লাহু আকবার।
7.আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদলিক 🖤❤️
8.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ,( সাঃ)🌹🌹🌹

9.আল্লাহুম্মা ইকফিনি বি হালালিকা আন হারমিকা ওয়া আগনিনি বি ফাদলিকা আম্মান সিওয়াকা
10. হাসবি আল্লাহ ওয়া নি'মাল ওয়াকীল ।

—তওবা—🌸
❝আস্তাগফিরুল্লাহ্-হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি,লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযী'ম❞❤️🖤❤️❤️❤️

14/11/2025

আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতিল্লাতি লা ইউজাউইজুহুন্না বাররুন ওয়ালা ফাজিরুন, মিন শাররি মা খালাক, ওয়া জরআ, ওয়া বারআ, ওয়া মিন শাররি মা ইয়ানযিলু মিনাসসামা, ওয়া মিন শাররি মা ইয়াআরুজু ফিহা, ওয়া মিন শাররি মা জরআ ফিল আরদ, ওয়া মিন শাররি মা ইয়াখরুজু মিনহা, ওয়া মিন ফিতানিল লাইলি ওয়ান্নাহার, ওয়া মিন তাওয়ারিকিল লাইলি ওয়ান্নাহার, ইল্লা তাওরিকাঁই ইয়াত্রুকু বিখাইর, বা রাহমন" - এটি একটি দোয়া, যার অর্থ হল: "আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামসমূহের মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যা সৎ ও অসৎ কেউ অতিক্রম করতে পারে না। আকাশ থেকে যা নাজিল হয়, যা আকাশে উত্থিত হয়, যা পৃথিবীতে উৎপন্ন হয় এবং যা পৃথিবী থেকে নির্গত হয়, এবং রাত্রি ও দিনের ফিতনা এবং রাত্রি ও দিনের বিপদাপদ থেকে, তবে যা কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত, হে পরম দয়ালু।"
এই দোয়াটি সাধারণত বিভিন্ন বিপদাপদ থেকে মুক্তি পেতে, যেমন- বিষাক্ত প্রাণী, শয়তানের কুমন্ত্রণা, বদ নজর ইত্যাদি থেকে বাঁচতে পড়া হয়। বিশেষ করে, সকাল-সন্ধ্যায় এই দোয়াটি ৩ বার পড়লে আল্লাহ তা'আলা বান্দাকে সকল সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে রক্ষা করেন, এমনটাই হাদিসে বর্ণিত আছে।

13/11/2025

২২ বছরের সংসার করলাম।সেই সংসার ছিল শুধু পেয়াজ, রসূনের সংসার।
টাকার হিসাবের সংসার!
প্রবাসী স্বামীর কাছ থেকে কখনও ভালোবাসা, মায়া কিছুই পেলাম না😰!

ফোনে কখনও কোন ভালোবাসার কথা থাকত না,থাকত শুধুই পেয়াজ,রসূনের হিসাব!

একজন প্রবাসীর স্ত্রী জানে,স্বামী ছাড়া স্বামীর সংসারে টিকে থাকা কত কষ্ট।

এভাবেই ডুকরে কেঁদে কেঁদে বলছিলেন ২২ বছরের সংসারের অবহেলায় পিষ্ট হওয়া আহত এক নারী।আহত এক মা।

২২ বছরে স্বামী কখনই তাকে ভালোবাসে নি।
ভালো ব্যবহার করে নি।

এত বছরে মাত্র কয়বার তার স্বামী দেশে এসেছে। এসে তিনটি মেয়ে সন্তান তাকে দিয়েছে।

কিন্তু স্বামীর অভাব, ভালোবাসার অভাব, ভালো ব্যবহারের অভাব প্রতিদিন তাকে একটু একটু করে ভেঙেচূড়ে শেষ করে দিয়েছে।তবুও সে সংসার ছেড়ে চলে আসতে পারে নি।
তার কারণ,সে সন্তানের মা।

প্রথমে সংসার ছাড়তে পারে নি, কারণ,তার মনে হয়েছে, একবার বিয়ে যখন হয়েছে করি সংসার। ছেড়ে গেলে সমাজ কি বলবে।
হয়ত পরে ঠিক হয়ে যাবে।

তারপর যখন সন্তান হল,তখন ভাবল,এখন ছাড়লে আমার সন্তানের কি হবে?
বাবা ছাড়া ওদের ভবিষ্যতে কি হবে?

তাই তো শত অবহেলা মেনে নিয়ে, মানিয়ে নিয়ে সংসার করতে লাগল।

যখন মেয়ে বড় হল তখন স্বামীর মানসিক অত্যাচারে কষ্টের জীবন মেনে নিল শুধু এই ভয়ে যে,মেয়ে বড় হয়েছে, মা যদি সংসার ছেড়ে চলে যায়, তাহলে মেয়ের বিয়ে দিবে কিভাবে? আর যদি বিয়ে হয়,তাহলে মেয়েটাকে মায়ের জন্য কথা শুনতে হবে 😭।

তাই তো সন্তানের সুখের চিন্তায়,স্বামীর করা অবহেলা,মানসিক যন্ত্রণা মেনে নিল দিনের পর দিন।

সংসারটাকে আর ছেড়ে আসা হল না তার।

কিন্তু মেয়ে মানুষের কি ভাগ্য!
যে সন্তানের জন্য একজন মা শ্বশুর বাড়ির সব কষ্ট নিরবে হজম করে, সেই সন্তান যখন বড় হয় তখন মায়ের ত্যাগকে অস্বীকার করে অবলীলায়!
এত যন্ত্রণা তিনি যে মেয়ের জন্য সহ্য করলেন,সেই বড় মেয়ে (যাকে তিনি কয়মাস আগে বিয়ে দিয়েছেন) তার মায়ের উপর কোন একটা কারণে রাগ করে মায়ের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে বহুদিন!

মায়ের সাথে কথা পর্যন্ত বলে না।
কিন্তু মা জাতটা তো বেহায়া😭!
তারা সব ছাড়তে পারে কিন্তু সন্তানের মায়া ছাড়তে পারে না😭!

তাই তো তিনি মেয়ের করা তাচ্ছিল্য, অপমান হজম করে অন্যের ফোন থেকে নিজের মেয়ের নম্বরে ফোন দেন শুধুমাত্র মেয়ের কণ্ঠস্বর শোনার জন্য 😭!

কিন্তু মেয়ে মায়ের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ফোন কেটে দেয়।

ওদিকে স্বামী এখনও কথায় কথায় তাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে!
এতদিন পর তিনিও জানিয়ে দিয়েছেন তার নামমাত্র স্বামীকে-
এখন আর তার কোন ভয় নেই।যে সন্তানের জন্য তিনি ২২ টা বছর স্বামীর দেওয়া কষ্ট হজম করেছেন,আজ সেই সন্তান তাকে ভুলে গেছে😭😭!!
তাই তিনি তার স্বামীকে জানিয়ে দিয়েছেন তাকে যেন সে এখন মুক্ত করে দেয়😭!!
তার আর কোন অভিযোগ নেই!
তার কিছু পাওয়ার নেই😭

সৌজন্যে : Love Guru Studio
আমাদের গ্রুপ লিংক।। গ্রুপের সাথে এড হয়ে যে কোন সমস্যা আমাদের গ্রুপেও শেষ শেয়ার করতে পারেন।
Justice For Women, Bangladesh - JFWBD

The Confession Spot

10/11/2025

আত্মসম্মানবোধ মানে গরম গরম কথা বলা নয়, অহংকারপূর্ণ নাকউঁচু স্বভাব নয়! আত্মসম্মানবোধ মানে যা কিছু আমাকে ছোট করে, তা থেকে দূরে থাকা!

09/11/2025

কিছু মানুষ জানে তারা তোমাকে কষ্ট দিয়েছে, কিন্তু সেই সত্যটা মেনে নেওয়ার সাহস তাদের থাকে না।

তাই তারা নিজেদের ভেতরে গল্পটা এমনভাবে বদলে ফেলে যেন দোষটা তোমারই মনে হয়।

ধীরে ধীরে তারা এমনভাবে আচরণ করে যে মনে হয়, তুমিই বাড়াবাড়ি করেছিলে।

এটা ভুল বোঝাবুঝি নয়, এটা একধরনের এড়িয়ে যাওয়া।

কারণ দায় স্বীকার করার চেয়ে অভিনয় করা তাদের জন্য সহজ। এতে মন হালকা হলেও, সত্য বদলে যায় না।

তাদের না স্বীকার করার মানে এই নয় যে আপনি ভুল ছিলেন।

আপনি সত্যটা জানেন। তাই কারও তৈরি করা গল্প যেন আপনার বাস্তবতাকে ঢেকে না দেয়।

নিজের সততায় বিস্বাস রাখুন, কারণ সত্যের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, সেটি কারও অস্বীকারের মধ্যেও বদলে যায় না।

03/11/2025

অপরিচিত কারো কাছে ঠকলে এতটা খারাপ লাগে না কিন্তু পরিচিত কেউ ঠকালে সেটা জেনে ,বুঝে যাবার পর মনটা স্রেফ উঠে যায় । আসলে বিশ্বাস এমন একটা ব্যাপার একবার হারিয়ে গেলে ফেরত আসে না!
বিশ্বাসের অমর্যাদা খুব খারাপ অনুভূতি। বিশ্বাস শব্দটা হোঁচট খাওয়ার কস্ট এমনই যে ,নতুন করে বিশ্বাস ফিরে আসে না।

মাঝেমধ্যে কিছু ঘটনা সামনে আসে ,মানুষ দেদারসে বউ ,,বাচ্চাদের গালিগালাজ করে কিন্তু পেছনের ঘটনা কেউ জানেই না।
আজকে সকালে পড়েছি এমন একটা ঘটনা যেখানে বৃদ্ধ বাবাকে মৃত্যুর সময় স্ত্রী ,,সন্তান কেউ-ই দেখতে যায়নি।
মৃত্যুর পরেও যায়নি।

আমাদের দেশের মানুষ এতটা অমানবিক নিষ্ঠুর আচরণ করতে পারে বিশ্বাস যেমন হয় না আবার মনে হয় মানুষটা জীবিত অবস্থায় কেমন আচরণ করেছে সেটা কিন্তু জানা নাই।

যৌবনে কিছু পুরুষ স্ত্রীকে দাবিয়ে রাখার জন্য সবকিছু করে। কিছু পুরুষ এতটা আত্মকেন্দ্রীক হয় যে নিজের বাচ্চাদের সাথেও ভালো আচরণ করে না।
জ্বি ঠিকই শুনেছেন। তারা মনে করে জন্ম দিসে আর খাওয়ায় ,পরায় এটুকুই তার দায়িত্ব!
এতো সহজ না। প্যারেন্টিং এতটা সহজ না।
পুরাতন পৃথিবীর চশমা পরে চলে না এই জেনারেশন। তাদের ঠকিয়ে যে বাবা এতো অন্যায় করে সেই বাবার প্রতি কেন শ্রদ্ধা ,,সম্মান করবে????

আমি ভাবছি এই স্ত্রী আর বাচ্চাদের কথা। যতবারই মানুষটাকে মনে পড়বে তিক্ততায় মনে ঘৃণা রি রি করে উঠবে।
উনার মৃত্যুতে সারা দেশের মানুষ কস্ট পেয়েছে ,সহানুভুতিশীল হয়েছে অথচ মানুষটা নিজের সন্তানের মা আর সন্তানের সাথে সবচেয়ে বড় অবিচার করেছেন!
এখন উনাকে মনে পড়লে আগের মতন সেই অনুভূতি কাজ করবে না।
এই দুই বাচ্চাকে নিয়ে যুদ্ধ শুরু হবে একজন নারীর। যে নারী নিজের সবটা ছেড়ে সংসার করতে এসেছিল!

আশেপাশে প্রচুর দেখেছি অনেক পরিবারে বউদের আপন মনে না করার শিক্ষা দেয় অভিভাবক নিজেরাই!
পরের মেয়ে পর থাকে এই কথা খুব কমন একটা কথা!

এই জায়গায় নিজের বোন বা মেয়েকে ভাবার সাহস না থাকলে ছেলেকে বিয়ে করায় কেন???
মেরুদণ্ডহীন ছেলেদের বিয়ে করতে হবে কেন?
বিয়ের মতো পবিত্র ব্যাপারকে এরা কি ভাবে?
কোরআনে স্ত্রীর হক বলে যেসব ব্যাপার আছে সেসব কেন পড়ে না???

মৃত্যুর পর কে কিভাবে থাকবে সেটা যার যার হাতেই থাকে।
আল্লাহপাক কাউকে ঠকায় না কিন্তু মানুষ বড় অকৃতজ্ঞ!

এসব পরিবারের ছেলেদের বিয়ে করা মানে বেঁচে থাকতে নরক ভোগ করা।
আফসোস বিয়ের আগে এদের আসল চেহারা বোঝা যায় না!

পরিবারকে ঠকিয়ে ,বঞ্চিত করে চ্যালচ্যালাইয়া জান্নাতে যাবে!

#সংগৃহীত
Fahmida Khanom

30/10/2025

সরলতা — শব্দটা শুনতে যত সুন্দর, বাস্তবে তা অনেক সময়ই একধরনের ঝুঁকি।
কারণ সরল মানুষরা পৃথিবীকে দেখে নিজের চোখ দিয়ে, কিন্তু পৃথিবী তাদের দেখে স্বার্থের চোখে।

তারা বিশ্বাস করে, সবাই তাদের মতো সত্যবাদী, সবাই তাদের মতো আন্তরিক।
তারা সহজে কাউকে ভালোবেসে ফেলে, বিশ্বাস করে, পাশে দাঁড়ায়—
আর ঠিক সেখানেই তারা সবচেয়ে বেশি ভাঙে।

সরল মানুষদের প্রধান ভুল
সরল মানুষদের সবচেয়ে বড় ভুল হলো ভুল মানুষের উপর ভরসা করা।
তারা ভালো মনে ধরে নেয়, সবাই তাদের মতোই ভালো।
কিন্তু সবাই তা নয়।

কিছু মানুষ থাকে, যারা সম্পর্কের নাম নিয়ে নিজেদের সুবিধা নেয়।
তারা প্রয়োজনের সময় আপনাকে খোঁজে,
আর যখন আপনার প্রয়োজনের সময় আসে, তারা ‘নিরপেক্ষ’ হয়ে যায়।

এই “নিরপেক্ষতা” আসলে নীরব বিশ্বাসঘাতকতা।
কারণ কেউ যদি আপনার বিপদের সময়ে নীরব থাকে,
সে কখনও আপনার মঙ্গল কামনা করে না—
সে কেবল দেখছে আপনি কতোটা পড়ে যান।

নিরপেক্ষ বা চুপ থাকা মানে কী?
অনেকেই ভাবে—“আমি তো খারাপ কিছু বলিনি, শুধু চুপ ছিলাম।”
কিন্তু বুঝে রাখতে হবে, চুপ থাকা মানেই কখনও কখনও অন্যায়ের পাশে দাঁড়ানো।

যে আপনার ভালো সময়ে হাসে, কিন্তু খারাপ সময়ে নীরব থাকে— সে বন্ধু নয়, সে দর্শক।
বন্ধুত্ব মানে কেবল আনন্দ ভাগ করা নয়;
বন্ধুত্ব মানে বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানোর সাহস।

সরলতা ও সচেতনতার ভারসাম্য
সরল থাকা দোষ নয়।
বরং সরলতা হলো একধরনের সৌন্দর্য—যা এখনকার কৃত্রিম পৃথিবীতে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু সরলতার সঙ্গে সচেতনতা না থাকলে, তা একসময় পরিণত হয় যন্ত্রণায়।

তাই সরল মানুষদের শিখতে হবে—
সবাইকে বিশ্বাস করা নয়, বরং সঠিক মানুষকে বিশ্বাস করা।
সবাইকে ভালোবাসা নয়, বরং যারা আপনাকে মূল্য দেয় তাদের ভালোবাসা।
সবাইকে পাশে চাওয়া নয়, বরং যারা চুপ থাকলে আপনার অভাব বুঝতে পারে,
তাদের সাথেই সম্পর্ক রাখা।

যা মনে রাখা দরকার
১️⃣ যে মানুষ আপনার বিপদের দিনে চুপ থাকে, সে আপনার বন্ধু নয়।
২️⃣ যে মানুষ অন্যের সামনে আপনার নিন্দা করে, সে আপনার সামনেও মিথ্যা বলবে।
৩️⃣ যে মানুষ কেবল সুবিধা পেলেই আসে, সে প্রয়োজন ফুরোলেই হারিয়ে যাবে।
৪️⃣ যে মানুষ আপনাকে বদলাতে বলে, সে আপনাকে মেনে নিতে পারে না।

এই পৃথিবীতে মানুষ চেনা সত্যিই কঠিন কাজ।
তবে অসম্ভব নয়।
যতবার প্রতারণা পাবেন, ততবার বুঝে নিন—
আপনার সরলতা নয়, আপনার বিশ্বাসটাই ছিল সঠিক; ভুল ছিল মানুষটা।

তাই নিজের সরলতাকে লুকাবেন না,
শুধু শেখেন কাকে তা দেখাতে হবে আর কাকে নয়।
কারণ পৃথিবী আজও সেই সরল হৃদয়ের মানুষদের প্রয়োজন করে—
যারা ভান নয়, ভালোবাসা দিয়ে পৃথিবীটাকে একটু হলেও সুন্দর করে তুলতে চায়।

29/10/2025

নিরবতার শক্তি বুঝলেনা প্রিয়,
আল্লাহর জন্য যে চুপ করে যায়,
তার নিরবতাকে ভয় পেও।

✍️Ustaja

সামান্য ঝগড়ার জের ধরে যেদিন স্বামী বলল, 'আমার বাসা থেকে বের হয়ে যাও।' নাজমা সেদিন চলে যেতে পারেনি। কারণ এভাবে বললেই মেয়ে...
17/10/2025

সামান্য ঝগড়ার জের ধরে যেদিন স্বামী বলল, 'আমার বাসা থেকে বের হয়ে যাও।'

নাজমা সেদিন চলে যেতে পারেনি। কারণ এভাবে বললেই মেয়েরা বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে পারেনা। তাছাড়া তার যাওয়ারও তো জায়গা নেই। নাজমা জানে, এভাবে অনেক স্বামীরাই বউদেরকে বাসা থেকে বের হয়ে যেতে বলে। তাই বলে বের হয়ে যেতে হয় না।

থেকে গেলেও নাজমার মন থেকে মঈনুলের ওপর সম্মানটা আর আগের মতো রইলো না। সবসময় তার ওই কথাটাই মনে পড়ে, 'আমার বাসা থেকে বের হয়ে যাও।' যেন মঈনুল তাকে আশ্রয় দিয়েছে। যেন এই সংসারে সে সামান্য দাসী, কিংবা বিনে পয়সায় ভাত কাপড় পাওয়া এক আশ্রিতা মাত্র। যাকে চাইলেই বলা যায়, বের হয়ে যাও।

নাজমার অন্তরে এক সুক্ষ্ম ক্ষত তৈরি হয়ে গেছে। মাঝেমাঝে ভাবে সে, পুরুষদের এত দাপট কেন? তার বাড়িতে মেয়েরা বউ হয়ে আসে বলে? নাকি বাড়িভাড়া সে দেয় বলে?

এই জেদ থেকেই নাজমা একটা চাকরিতে ঢুকলো। সারাদিন অফিস করে বাসায় ফিরে ক্লান্ত শরীরে রান্না করে। ঘরদোর পরিষ্কার করে, থালাবাসন ধোয়। আর মঈনুল অফিস থেকে এসে গোসল সেরে হাত ধুয়ে ভাত খায়। তারপর শুয়ে শুয়ে মোবাইলে রিলস দেখে। ওদিকে নাজমা তখনো রান্নাঘরে, সকালের নাস্তার জন্য কিছু একটা রেডি করছে নয়তো রান্নাঘর পরিষ্কার করছে। নাজমা তো চেয়েছিলো শুধু সংসারী হতে। তাতে তো স্বামী একবিন্দু দাম দেয় না। দুটো পয়সা ইনকাম করলে যদি স্বামীর কাছে একটু মূল্য পাওয়া যায়! সেই আশাতেই চাকরিতে ঢুকেছে সে। বড় আফসোস হয় নাজমার, তার নিজের জন্য।

এত পড়াশোনা করেও শেষমেশ এতটুকু সম্মান নেই সংসারে। অথচ তার সমান পড়াশোনা করে মঈনুল এই সংসারের কর্তা। আত্মীয়রা সবাই কত দাম দেয় ওকে! শ্বশুরশাশুড়ী সবাই মাথায় করে রাখে। নাজমার নিজের বাবা মাও জামাই বলতে পাগল। জামাইয়ের জন্য টেবিল সাজিয়ে রান্না করে। অথচ নাজমার শাশুড়ী কোনোদিন ভালোমতো যত্ন করে নাজমাকে একবেলা খাওয়ায়নি। শুধু পুরুষ বলেই সবখানে কত সম্মানিত তারা! কত আদর, সম্মান, আপ্যায়ন!

চাকরি করে বাসার খরচের অর্ধেক টানলেও নাজমার জীবনে সম্মানটুকু ফিরলো না। কয়েকদিন পরপর স্বামী বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় যায়। গাজা খেয়ে বাসায় ফেরে আর জগতের সব পুরনো বিষয় টেনে এনে ঝগড়া লাগায়। ঝগড়া হলেই অপবাদ, ফ্যামিলি নিয়ে কথা শোনানো। এসব তবুও সহ্য করা যায়। কিন্তু ওই বিশ্রি কথাটা, যা নাজমার সহ্য হয় না- আবারও একদিন ঝগড়ার জের ধরে মঈনুল বলল, 'আমার বাসা থেকে বের হয়ে যা।' তুই আমার মন থেকে উঠে গেছোস৷ তুই তোকারি ভাষায় সবসময় পান থেকে চুন ঘষলেই কথা বলে।
নাজমার এবার সামান্য সাহস হয়েছে। উত্তর দেবে না ভেবেও বলে বসলো, 'তোমার একার বাসা না। বাসার ভাড়া আমিও দেই।'
কিন্তু এখানেও তাকে শুনতে হলো, 'দুইদিন হলো চাকরিতে ঢুকেছো। এরমধ্যেই এত তেজ হয়ে গেছে? পাখনা গজাইছে না?'

একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে নাজমা ভাবে, 'তাও যদি একটু দাম দিতা!'

দশ বছরের সংসার জীবনে গুণে গুণে বারো বার শুনতে হয়েছে এই কথা, 'আমার বাসা থেকে বের হয়ে যাও।' প্রত্যেকবারই নাজমার ইচ্ছে হয়েছে বের হয়ে যেতে। যেদিকে দুচোখ যায়, চলে যেতে। কিন্তু পারেনি। চাকরি করতে গিয়ে বাইরের দুনিয়া দেখেছে নাজমা। বাইরের দুনিয়াটা মেয়েমানুষকে বেশ্যা ছাড়া আর কিছুই মনে করেনা। ঘরে অন্তত তাকে একটু হলেও ভালোভাবে বাঁচতে দেয়া হয়। বাইরে তো তাও কঠিন। সংসার ছেড়ে বের হয়ে গেলে দুইটা ছেলেমেয়ে বাবার আদর থেকে বঞ্চিত হবে। হয়তো তার জীবনে দুঃখ আছে, কিন্তু ছেলেমেয়েরা তো ভালো আছে! দিনশেষে ছেলেমেয়ে দুইটা নিরাপদ আশ্রয়ে বড় হচ্ছে। বাবার পরিচয় তো আছে! বেরিয়ে গেলে তো বাবার পরিচয়টাও থাকবে না। ওরা কি আর বুঝবে এই ঘরে তার মাকে দাসীর মতো ট্রিট করা হয়? ওরা শুধু ভাববে, 'আমার মায়ের খুব দেমাগ তাই বাবাকে ছেড়ে দিয়েছে। মা খারাপ, খুব খারাপ।'

এরকম কত কিছু ভেবে নাজমার কোনোদিন বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া হয় না। গালি খেয়ে, অপমানিত হয়ে, সকাল সন্ধ্যা মনোমালিন্য নিয়েই সংসারে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে সে। সংসার ছেড়ে দেয়া মেয়েদেরকে সমাজ 'খারাপ' ভাবে। অথচ কি কঠিন কষ্ট সইতে সইতে বাধ্য হয়ে কেউ সংসার ছাড়ে, তা সমাজ জানেনা।

আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এরকম লাখো নাজমা। পর্দার আড়ালে। যাদের ধারালো হাসির অন্তরালে লুকিয়ে আছে বছরের পর বছর ধরে চেপে রাখা বেদনাবিধুর যন্ত্রণা। মেয়েরা আবার খুব শক্ত। মরণ পর্যন্ত মুখ বুজে সহ্য করে যায়, তবু কাউকে বুঝতে দেয় না কোন গহীন শিখার জ্বলন্ত আগুনে পুড়ে পুড়ে কবেই মরে গিয়েছে সে!

মিশু মনি

কেউ কেউ তো এমন অত্যাচার -জুলুম করে ঘরের বউকে ঘর ছাড়া করেই ছাড়ে! অনেক মেয়েরাই আছে হাত-পা ধরে, ধৈর্য্য সবর করে থেকেও আর থাকতে পারেনাহ এতো অত্যাচারের কারণে, কারণ বাঁচতে কে না চায়, সুখ শান্তির জীবন সবাই চায়। 💔 তাদের বুলি এবং তাদের চাওয়া পাওয়া সত্য করে ফেলে, সুখে থাকুক তারা সুখী হোক পরনারী আসক্ত হয়ে যার জন্য এতোকিছু..........

16/10/2025

✨ ইস্তিগফারের শক্তি ✨

🌹 আমি একটি সত্য ঘটনা শেয়ার করতে চাই, কীভাবে ইস্তিগফার (আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা) এক বোনের জীবনে পরিবর্তন এনেছিল।

❤️‍🩹 তিনি বহু বছর ধরে জাদু এবং অজানা বাঁধার কষ্টে ভুগছিলেন। এক রাতে তিনি একটি স্বপ্ন দেখলেন—সূরা আল-বাকারাহ তাঁর সামনে উপস্থিত হলো এক মহিলার রূপে, যিনি কালো আবায়া ও হিজাব পরিহিতা। তাঁর পাশে দেয়ালে লেখা ছিল ❝শান্তি❞ এবং চেয়ারে লেখা ছিল ❝স্বস্তি❞। তিনি বুঝলেন, এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে বার্তা, সূরা আল-বাকারার সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকার জন্য।

🍂 কিন্তু যখন তিনি তা ধারাবাহিকভাবে করতে পারছিলেন না, তখন শুরু করলেন এক নতুন যাত্রা—প্রতি রাতে ১,০০০ বার ইস্তিগফার...🌼

💝 শীঘ্রই তিনি বরকতময় স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেন—এরই মধ্যে একবার স্বপ্নে এক ব্যক্তি তাঁকে বললেন: ❝আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করেছেন।❞

🌺 এরপর থেকে তাঁর ইবাদতের দরজা খুলে গেল, তিনি প্রতি ৩ দিনে একবার পুরো কুরআন শেষ করতে সক্ষম হলেন। এর পর তিনি নবী করীম ﷺ-কে স্বপ্নে দেখলেন—একবার নয়, বরং ১৪ বার!
সুবহানাআল্লাহ...💚

🌿 তিনি বললেন, তিনি নিম্নলিখিত দরুদটি পাঠ করছিলেন—

❝আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বারিক ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ❞

🌷 তিনি এটিকে প্রতিদিনের অভ্যাস বানালেন এই নিয়তে যে, তিনি নবী ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে চান, আর আল্লাহ তাঁর এই ইচ্ছাকে কবুল করলেন।

🌻 ইস্তিগফার ও সূরা আল-বাকারাহ চালিয়ে যেতে যেতে তিনি শারীরিকভাবেও আরোগ্য লাভ করতে লাগলেন, তাঁর দেহ থেকে জাদুর প্রভাব সরে যেতে থাকল। বহু বছরের কষ্টের পর তাঁর জীবন সম্পূর্ণ বদলে গেল। জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু হলো— তিনি একটি ছোট ব্যবসা শুরু করলেন, আর আল্লাহর বরকতে তা ক্রমেই বড় হতে লাগলো, সাফল্য লাভ করলো...🌸

✅ তাঁর গোপন রহস্য হচ্ছে—

◾ ইস্তিগফার
◾ কুরআন
◾ রাসূল ﷺ-এর ওপর দরুদ
◾ধৈর্য ও নেক নিয়ত

🌹 এই ঘটনা থেকে আমরা শিক্ষা পাই—

➡️ ইস্তিগফার আল্লাহর রহমতের দরজা খোলে।
➡️ কুরআন হলো শিফা অর্থাৎ আরোগ্যের উৎস।
➡️ দরুদ আমাদেরকে রাসূল ﷺ-র কাছে নিয়ে যায়।
➡️ ধৈর্য ও নেক নিয়ত সফলতার চাবিকাঠি।

🌷 তাই কখনো ইস্তিগফার থামিও না—এটি হতে পারে তোমার শিফা (আরোগ্য), রিজিক, বিবাহ এবং হৃদয়ের প্রশান্তির চাবিকাঠি.....💖

✍🏻

✅ বি:দ্র: কপি বা শেয়ার করুন, অনুমতি লাগবে না। তবে নামটা কেটে দিবেন না কেউ ❌

16/10/2025

আপনার সন্তানকে কখনোই খাওয়া দাওয়া, ভরণপোষণ এবং লেখাপড়া শেখানোর জন্য কথা শোনাবেন না।
"তোমাকে এটা সেটা খাইয়ে ঋণ করে বড় করেছি"
"জীবন ত্যানা ত্যানা করে লেখাপড়া শিখিয়েছি"
"মানুষ করতে গিয়ে নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছি"

এগুলো সন্তানের বেসিক নীড, যেগুলো প্রোভাইড করা বাবা মা হিসেবে আপনার আমার দায়িত্ব। অবশ্যই আমাদের অনেকেরই এগুলো ম্যানেজ করতে অনেক অনেক কষ্ট হয় কিন্তু তার মানে এই না যে এই কষ্টের বিনিময় হিসেবে এই তিক্ত কথাগুলোর ভার সন্তানকে আজীবন বহন করতে হবে।
আমরা তাদেরকে আমাদের স্ট্রাগলের কথা অবশ্যই বলবো। কিন্তু সেটা একটা টিম মেম্বার হিসেবে। অপজিশন হিসেবে না, যে আমি এতো কিছু করেছি এখন তোমাকেও এর প্রতিদান দিতে হবে! প্রতিদান পাওয়ার মানসিকতা থাকলে সন্তান জন্ম দেওয়ার দরকার নেই। আপনি সন্তান এর বাবা/মা হওয়ার দরকার নাই।©

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Farjana yeasmin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share