Wakil Ahamed

Contact the business

Wakil Ahamed একটি স্বপ্ন যা পাখি হয়ে উড়ে চলে একটি সমৃদ্ধ শক্তিশালী শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে

30/10/2025

এক অস্থির জেনারেশন। বিলিভ অর নট, এই জেনারেশনের স্পেসিফিক কোনো লক্ষ্য নাই। এদের আদর্শিক কোনো এমবিশান নাই। পবিত্র কোনো মিশন নাই।

এরা বই পড়ে না, নিউজপেপার পড়ে না। আউটডোর খেলাধুলায়ও এদের অনীহা। Exercise করে না!

এরা রৌদ্রে হাঁটতে পছন্দ করে না। বৃষ্টিতে ভিজতে চায় না। কাঁদামাটি, ঘাস, লতাপাতায় এদের এলার্জি। এরা আধা কিলোমিটার গন্তব্যে যেতে আধা ঘন্টা রিক্সার জন্য অপেক্ষা করে।

এরা অস্থির। প্রচণ্ডরকম অস্থির এক জেনারেশন।

এরা অপরিচিত সিনিয়রদের সালাম দেবে না। পাশ কাটিয়ে হনহন করে চলে যাবে। অথবা গা ঘেষে পা পাড়া দিয়ে চলে যাবে। সরি বলার টেণ্ডেন্সি এদের মধ্যে নাই। এরা অনর্থক তর্ক জুড়ে দেবে।

না পাবেন বিনয়ী ভঙ্গি, না পাবেন কৃতজ্ঞতাবোধ। এদের উদ্ধত আচরণ, সদম্ভ চলাফেরায় আপনি ভয়ে কুকড়ে যাবেন। সংযত হওয়ার উপদেশ দিতে চাইলেই বিপদ, নাজেহাল হওয়ার সম্ভাবনা অধিক।

আপনি পাব্লিক বাসে চড়ছেন, দেখবেন খালি সীটটায় জায়গা পেতে সবচেয়ে জুনিয়র ছেলেটা বেশি প্রতিযোগিতা করবে। আপনাকে ধাক্কাটাক্কা দিয়ে সটান বসে পড়বে। তার বয়সের দ্বিগুন এই আপনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া তেমন কিছু করার থাকে না।

বলছিলাম এই জেনারেশনের কথা। সবচেয়ে ভয়াবহ ফিতনার কথা যে মজলিসে এই জেনারেশন দাঁড়িয়ে থাকার কথা, সেই মজলিসে তারা নিজের জন্য চেয়ার খোঁজ করে। যেখানে চুপ থাকার কথা, সেখানে জ্ঞান দিতে চেষ্টা করে।

সারা রাত ধরে অনলাইনে থাকে, সারা সকাল ঘুমায়। এরা সূর্যোদয় দেখে না, সূর্যাস্ত দেখে না। সূর্যোদয়ে বিছানায় থাকে, সূর্যাস্তে মোবাইলে থাকে।

এরা ফার্স্টফুডে আসক্ত।
এরা আউটডোর খেলা অপছন্দ করে। এরা ইনডোরে স্বস্তি পায়। নির্দিষ্ট করে বললে মূলত অনলাইন গেম, ফেইসবুক স্ক্রলিং, ইউটিউব দেখা, মুভি, নাটক দেখা তাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি।

এরা ইতিহাস পড়ে না। সাহিত্য বুঝে না। এরা নজরুল চিনে না, রবীন্দ্রনাথ চিনে না, ফররুখ চিনে না। সাদী, রুমি, হাফিজ ত বহু অচেনা প্রসঙ্গ। এরা বই বুঝে না, বই পড়ে না, বই কিনে না৷

এরা নন-স্কিলড। এরা হাঁটতে পারে না, দৌড়াতে পারে না, গাছে চড়তে জানে না, সাতার কাটতে পারে না। সাগর পাড়ি দেওয়ার সেই দু:সাহসিকতা নাই, পাহাড় কেটে পথ তৈরি করার সেই অদম্য মনোবল নাই। এদের উচ্ছ্বাস নাই। আবেগ নাই। সৎ সাহস নাই। এদের একটাই স্কিল- স্মার্ট ফোন দ্রুত স্ক্রল করতে পারা৷

এদের না আছে মূল্যবোধ, না আছে শ্রদ্ধাবোধ, না আছে শৃঙ্খলাবোধ।

কখন চলতে হবে, কখন থামতে হবে, কখন বলতে হবে, কখন শুনতে হবে, এরা জানে না। এরা কি যে জানেনা সেইটাও জানেনা।

তবে হাতে গোনা কিছু ব্যতিক্রম আছে।

-সংগৃহীত।

10/05/2025

অভিনন্দন বাংলাদেশ ♥️।

09/05/2025

লাল জুলাইয়ের হাতিয়ার
গর্জে উঠুক আরেকবার

26/04/2025

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে____Barrister_Fuaad

⨳𝗖𝗼𝗻𝘁𝗲𝗻𝘁 𝗥𝗶𝗴𝗵𝘁𝘀 & 𝗣𝗲𝗿𝗺𝗶𝘀𝘀𝗶𝗼𝗻𝘀⨳
JAMUNA TV retains exclusive rights to all content featured on this channel. JAMUNA TV maintains exclusive ownership of all content and extends no authorization for its use to any commercial entity or individual, except with express permission granted by JAMUNA TV (JAMUNA Television Limited).
© All rights reserved to Jamuna Television LTD, 2024.

⨳𝗛𝗮𝘀𝗵𝘁𝗮𝗴𝘀⨳
#নিউজ #যমুনাটিভি

⨳𝗞𝗲𝘆𝘄𝗼𝗿𝗱𝘀⨳
latest bangladeshi news, যমুনা টিভি, Jamuna TV, Jamuna news, আজকের খবর, Jamuna Television, bangla songbad, বাংলা সংবাদ, news, news today, খবর, নিউজ, Bangla News, Jamuna TV BD, Bangladeshi television, Live News, Live TV, TV,dr mohammad younus,দেশ সংস্কার,interim government bangladesh,dr yunus news,মুহাম্মদ ইউনূস,interim government,ড. মুহাম্মদ ইউনূস,new government,dr yunus bangladesh,bangladesh new government,ইউনূস,dr yunus,dr yunus interview,muhammad yunus,

Video credit: JAMUNA TV

দ্বিতীয়জনের আগমনে আপনার পৃথিবী নতুন আলোয় ভরে উঠেছে—নতুন কোলের ঘ্রাণ, নিষ্পাপ চোখের দৃষ্টি, আর ভালোবাসার এক নতুন অধ্যায়।...
18/04/2025

দ্বিতীয়জনের আগমনে আপনার পৃথিবী নতুন আলোয় ভরে উঠেছে—নতুন কোলের ঘ্রাণ, নিষ্পাপ চোখের দৃষ্টি, আর ভালোবাসার এক নতুন অধ্যায়। কিন্তু এই নতুন ভালোবাসার ভিড়ে, প্রথমজন যেন একটু চুপ করে যায়।

সে হয়তো এখন আর কোলের জন্য কাঁদে না, হয়তো নিজের কাজগুলো নিজে করতে শিখে ফেলেছে, কিন্তু তার ছোট্ট মনটা এখনো আপনার একটু আদর, একটু সময়, একটুখানি মনোযোগ খোঁজে।

মনে রাখবেন, একসময় তারই হাত ধরে আপনি শিখেছিলেন মা হওয়ার মানে। তার প্রথম হাঁটা, প্রথম কথা—সব ছিল আপনাদের বেঁচে থাকার একমাত্র আশ্রয়।

সে এখন বড় হয়েছে, কিন্তু তার প্রয়োজন আপনাকে আগের চেয়েও বেশি। কারণ এখন সে শেখে ভাগ করে নিতে, সহ্য করতে, অপেক্ষা করতে।

দ্বিতীয়টিকে ভালোবাসুন মন ভরে, কিন্তু প্রথমজনের নিঃশব্দ চাওয়া গুলো কখনো ভুলে যাবেন না। তার চোখেও খুঁজে নিন সেই নিঃশর্ত ভালোবাসা, যেটা একদিন শুধু আপনাকেই ঘিরে ছিল।

কারণ সন্তানের সংখ্যা বাড়ে, কিন্তু ভালোবাসা ভাগ হয় না—তা কেবল বাড়তেই থাকে, আপনার বুকের মতো।

16/04/2025

You_are_the_change-makers_who_reshaped_history_and_set_the_path_for_a_NEW_BANGLADESH

WARNING: Unauthorized reproduction of this video is strictly prohibited. All rights reserved. Piracy is illegal and will result in criminal prosecution. Please support the creators by only sharing and viewing original content from authorized sources.

Video credit:Bangladesh Cricket Board

15/04/2025

✍✍টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন আপনার আদরের সন্তান দোকানে দাঁড়িয়ে একটা খেলনা বা যে কোন জিনিস পছন্দ করে, কিন্তু আপনি সেটা কিনে দিতে ব্যর্থ হন!

✍✍টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখেন শুধুমাত্র অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে আপনাকে কম গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

✍✍টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে বুঝতে পারেন, আপনার তুলনায় অন্য জামাইকে বেশি আদর আপ্যায়ন করা হচ্ছে, কারণ সে ধনী।

✍✍টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, আপনার স্ত্রীর ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো আপনি পূরণ করতে পারেন না, আর এজন্য সে আপনাকে উঠতে বসতে খোঁটা দেয়।

পরিবার নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে, বিল দেওয়ার সময় বুঝবেন টাকা কতটা জরুরি।

যখন আপনার কাছে টাকা নেই বলে বন্ধুরাও আপনাকে মূল্যায়ন করে না, তখন উপলব্ধি করবেন কেন টাকা দরকার।

যখন দেখবেন, আপনার টাকা নেই বিধায় আত্মীয়স্বজন আপনার সাথে দূরত্ব বজায় রেখে চলে, তখন স্পষ্ট হবে টাকার মূল্য।

বিপদের সময় দেখবেন, আপনার টাকা কম বলে কেউ আপনার পাশে থাকে না, আপনার প্রতি সহানুভূতি দেখায় না! তখন সত্যিকার অর্থে বুঝবেন টাকার প্রয়োজনীয়তা।

টাকার অভাবই মানুষকে শেখায় এর গুরুত্ব। তাই নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে হলে, টাকা কামাই করতে শিখুন। কারণ, জীবনের ৮০% সমস্যার সমাধান টাকা দিয়েই সম্ভব!

15/04/2025

নির্বাচন বনাম দেশ সংস্কার কোনটি জিতবে
|
#নির্বাচন #দেশসংস্কার #বাংলাদেশ #রাজনীতি #বিএনপি #বিএনপিরদাবি #দ্রুতনির্বাচন #বাংলাদেশরাজনীতি #নির্বাচন২০২৫
#ফানিকার্টুনভিডিও #ফানিভিডিওকাটুন #বাংলাফানিকাটুনভিডিও #হাসিরকাটুনফানিভিডিও #কাটুনভিডিওদাও #বাংলাকাটুন #কাটুনভিডিওছবি #শিক্ষামূলক #বাংলাগল্প #কাটুনগল্প #বাংলাঅ্যানিমেশন #ফানি #কাটুন # #কাটুন , Bangla Funny Video, Comedy 2025,
|
►Voice, Edit & Animation : Team KOF ()
|
|--------------------------|
► For branding & Business inquiries ► [email protected]
|--------------------------|
► Follow on Social Media--
/ kof420fun
/ koffun2
/ kof_fun
/ koffun420
|-------------------------|
© Reserved to KOF [ / ] ®
KOF = Kidding or Fun
Founder & Owner - Nazmul Islam
|
►Join this channel to get access to perks:
/
|-----------------------------------------------------------|
Please be cautious that this content is meant for 14+ viewership only. Children might misunderstand the story and might misinterpret the activities. Please be aware of who is watching with you. ()

Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.

** ANTI-PIRACY WARNING ** This content's Copyright is reserved for KOF ( / . Any unauthorized reproduction, redistribution, or re-upload is strictly prohibited of this material. Legal action will be taken against those who violate the copyright of the following material presented!
|--------------------------------------------------------------------------|

►এই ভিডিওর উপাদান গুলো নিম্নরূপ (tags) :
KOF | KOFfun | KOF new cartoon | KOF bangla cartoon, bangla cartoon, bangla cartoon new, কাটুন ক্লিপ, bengali cartoon, ফানি কার্টুন শর্ট ভিডিও, কাটুন, বাংলা কাটুন, দারুন মজার কার্টুন, ভাইরাল কমেডি শর্ট ভিডিও, বাইডাল এনিমেশন শর্ট ভিডিও, বাংলা কার্টুন, meme, comedy video, short video, funny animation, new funny video, বিনোদন, বাংলা কাটুন,তুলি কার্টুন,cartoon bangla,futo new cartoon,futo fata funny bangla cartoon,fata funny,cartoon,shorts,short video,funny,funny, shortm, ফানি ভিডিও 😂🤣, রাতারাতি ভাইরাল হওয়া ভিডিও, #হাসির,new funny video,comedy videos, সোশ্যাল মিডিয়া কমেডি, মজার দৃশ্য, হাসির টুকর হাসির মুহূর্ত, comedy video, মজার ক্লিপ, হাসির গল্প, বাংলা বিনোদন, best funny videos, ফানি ক্লিপ, fun video, bangla funny video, new funny video, হাসির শো, Katun, Kartun, Kartun Video, নির্বাচন বনাম সংস্কার,দেশ সংস্কার,নির্বাচন সংস্কার,নির্বাচন নাকি সংস্কার,সংস্কার নাকি নির্বাচন,নির্বাচন না কি সংস্কার,বাংলাদেশ নির্বাচন,সংস্কার ছাড়া নির্বাচন,নির্বাচন কমিশন সংস্কার,আগে সংস্কার পরে নির্বাচন,নির্বাচন না কি সংস্কার কোনটা আগে,সংস্কার বনাম নির্বাচন,নির্বাচন আগে নাকি রাষ্ট্র সংস্কার,আবার নির্বাচন ছাড়াও সংস্কার হবে না,সংস্কার নাকি নির্বাচন: কোনটা আগে হবে?,নির্বাচন সংস্কার বনাম ভোটাধিকার,বিএনপি দ্রুত নির্বাচন চায় নাকি সংস্কার আগে দরকার?, #নাগরিকঅধিকার #গণতন্ত্র #নির্বাচনীপ্রক্রিয়া #সামাজিকবিবর্তন #রাজনৈতিকবিবর্তন #জনগণেরশক্তি #নির্বাচনীঅধিকার #দেশেরভবিষ্যৎ #সুশাসন #নাগরিকজাগরণ #রাজনৈতিকসচেতনতা #নির্বাচনীসংস্কার #দেশপ্রেম #গণতান্ত্রিকপ্রক্রিয়া #নির্বাচন2023 #রাজনৈতিকআলোচনা #দেশেরউন্নয়ন #নাগরিকসমাজ #নির্বাচনীঅংশগ্রহণ #রাজনৈতিকচিন্তা #দেশেরঅগ্রগতি #নির্বাচনবিষয়ক #সামাজিকসংস্কার #রাজনৈতিকপরিবর্তন #নাগরিকদায়িত্ব, bnp, ভোটার সচেতনতা, সামাজিক পরিবর্তন, নাগরিক অধিকার, নির্বাচন প্রক্রিয়া, নির্বাচন 2025, দেশ সংস্কার, রাজনৈতিক সংস্কার, নির্বাচন, গণতন্ত্র, নির্বাচনী আইন, নির্বাচন কৌশল, ভোটিং সিস্টেম, দেশ উন্নয়ন, বাংলা নির্বাচন,রাজনৈতিক ভিডিও, চাঁদাবাজি, পরিবহনে চাঁদাবাজি বিএনপির দখলে,বিএনপির নামে কেউ চাঁদাবাজি,বিএনপির দুই সাইফুলের চাঁদাবাজি,চাঁদাবাজি,বিএনপি,পরিবহনে চাঁদাবাজি,বিএনপির চাঁদাবাজি নিয়ে অপপ্রচার বেশি হচ্ছে,ডিপ ফেইক ভিডিও দিয়ে বিএনপির নামে চাঁদাবাজি হচ্ছে,, #দেশসংস্কার #দ্রুতনির্বাচন #বাংলাদেশ #রাজনীতি #নির্বাচন #সংস্কার #গণতন্ত্র #বাংলাদেশরাজনীতি #নাগরিকঅধিকার #রাজনৈতিকবিবেচনা #নির্বাচনীপ্রক্রিয়া #সমাজ #অর্থনীতি #জনমত #নাগরিকসমাজ #রাজনৈতিকসংস্কার #নির্বাচন2025 #বাংলাদেশেরভবিষ্যৎ #রাজনৈতিকআলোচনা #সামাজিকপরিবর্তন #নির্বাচনবিষয়ক #দেশেরউন্নয়ন #গণতান্ত্রিকপ্রক্রিয়া #রাজনৈতিকচিন্তা #নির্বাচনবিষয়কআলোচনা #বাংলাদেশেররাজনীতি #দেশসংস্কারবিষয়ক #দ্রুতনির্বাচনবিষয়ক #রাজনৈতিকবিষয় #বাংলাদেশেরসমস্যা, দেশ সংস্কার, দ্রুত নির্বাচন, বিএনপি, তারেক রহমান, খালেদা জিয়া,,

Video credit:KOFfun

আফরোজী ইউনুস, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্দাথবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটিতে পর্দাথবিজ্ঞা...
15/04/2025

আফরোজী ইউনুস, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্দাথবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটিতে পর্দাথবিজ্ঞানের গবেষক হিসেবে থাকাকালীন সময় পরিচয় হয় মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে।
প্রথম ডিভোর্সের পর দীর্ঘদিনের একাকীত্বর অবসান ঘটান ড. ইউনুস, আফরোজী ইউনুসের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন। প্রধান উপদেষ্টা হবার পর অনেক জাবিয়ান ইউনুস স্যারকে জাবির দুলাভাই বলে সম্বোধন করেন।

আফরোজী ইউনুসের বেড়ে ওঠা কিন্তু ওপার বাংলায়। কলকাতার বর্ধমান শহরের রাণীগঞ্জ বাজারের কাছে লস্করদিঘি এলাকায় আফরোজী ম্যামের শৈশব, কৈশোর পার হয়। সেই সূত্রে, ইউনুস স্যার কলকাতারও জামাই বাবু।

দাম্পত্য জীবনে তারা সুখী দম্পতি ছিলেন। কিন্তু বিপত্তি বাধে আফরোজী ইউনুসের ডিমেনশিয়া রোগ।
ধীরে ধীরে ভুলতে থাকেন নাম, নাম্বার, দৈনন্দিন কাজ, পুরানো স্মৃতি, পাড়া প্রতিবেশি সবাইকে ... একটা সময় ভুলে বসলেন তার নিত্যদিনের জগতটাকেই। শুধু স্মৃতিতে থেকে গেলেন ইউনুস স্যার।

ডিমেনশিয়ার প্রথম স্টেইজে আছি কিনা সেই নিয়ে আমার ডাক্তার অনেক চেকাপ করেন একসময়। সেই কারণেই এই রোগ সম্পর্কে আমার জানাশোনা আছে। আমি নাম্বার, অনেকের নাম ভুলে যাই (অনেকে হয়তো কষ্ট পান আমার এই আচরণে কিন্তু আসলেই আমি ভুলে যাই, মনে রাখতে পারি না অনেক কিছুই। পুরনো অনেক স্মৃতি একদমই ভুলে গিয়েছি। বিশেষ করে প্রথম বিয়ে সংসার এসব কিছু স্মরণ করতে গেলে আমার পুরানো ছবি দেখতে হয়।) তো এসব ফেইস করছি, আরো অনেক কিছুই আছে। আমার শুধু তাদের কথাই স্পষ্ট ভাবে মনে আছে যাদের সাথে খুব ভালো সময় পার করেছি। যাদের সাথে খুব সুসম্পর্ক ছিলো। আজকে আমি বলি, আমি অনেক কিছুই কেনো লিখে যাই, কারণ ভবিষ্যতে যদি এই সমস্যা আরো বেড়ে যায় অন্তত লেখাগুলো যেনো থেকে যায়।

তো নিজেকে দিয়েই বুঝেছি আফরোজী ম্যাম ইউনুস স্যারকেই কেনো মনে রেখেছেন! কারণ স্যার ম্যামকে যথেষ্ট ভালোবাসতেন, সম্মান করতেন। তার প্রমাণ তিনি প্রধান উপদেষ্টা হবার আগেই জানিয়েছিলেন যে, স্ত্রীর দেখাশোনার দায়িত্ব তার, তার স্ত্রী তাকে ছাড়া কাউকে চিনেন না, খাওয়া দাওয়ার সব দায়িত্ব তার।
একজন মানুষ বৃদ্ধ হলেও দিন দিন শিশুর মতোন হয়ে যাচ্ছেন। কাউকে চিনেন না, কাউকে তার মনে নেই... কতোটা অসহায় লাগে নিজের কাছে নিজেকে? চিনেন শুধু স্বামীকে, সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে আছেন সেই স্বামীর প্রতি।

দুজন মানুষের শেষ জীবন হয়তো এভাবেই একে অপরের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে, যত্নে, ভালোবাসায় কেটে যাবার কথা কিন্তু নাহ বাধা দিলো ৫ই আগস্ট।

আমরা দেশের জন্য যোগ্য নেতা পেলেও, আফরোজী ম্যাম আর আগের মতোন পাশে পান না স্বামী মুহাম্মদ ইউনুসকে।

কেমন যায় তার দিনকাল?
কে যত্ন নেয় তার?
তিনি তো কাউকে চিনেন না, অচেনা কারো যত্ন কি এক্সেপ্ট করতে চান?
অবিশ্বাস, দ্বিধা দ্বন্দ্বের আতংক নিয়ে কেমন যাচ্ছে একজন বয়স্ক নারীর প্রতিটা বেলা?

সম্মান, সুখ, বিলাসিতা, শান্তি, স্ত্রীর প্রতি দেখা শোনার দায়িত্ব সব রেখে একজন ব্যক্তি এই পচে যাওয়া দেশের জন্য নিত্যদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। দূর্নীতির বিরুদ্ধে রীতিমতো অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছেন, নিত্যদিনের পণ্য গরীব মানুষের হাতের নাগালে রাখার জন্য তার প্রশাসনকে সর্বোচ্চ কঠোরতা দেখিয়েছেন, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে দূর্নীতিমুক্ত, এই দেশের তরুণদের প্রতিভাকে যোগ্য জায়গায় নিয়ে যাবার জন্য প্রতিদিন একেক মহলে দেন দরবার চালাচ্ছেন, ছুটে যাচ্ছেন বিশ্বের একেক প্রান্তে ...

স্বার্থ তার একটাই, বাংলাদেশকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়া।

এই সৎ চাওয়াটুকুর জন্য, তার স্যাক্রিফাইস তার অসুস্থ ওয়াইফের স্যাক্রিফাইস সব ভুলে আমরা যা তা বলে বসছি, সুদখোর ইউনুস বলি, দাজ্জাল বলি।

নিজেদের দিকে তাকাইনা যে, আমরা কি করছি? এই দেশের জন্য, দ্বীনের জন্য আমাদের ডেডিকেশন ১৫ বছরে কি ছিলো আর এখনই বা কি আছে?

জবাবদিহি শুধু ইউনুস স্যারের হবে না, আমাদের মতোন অধম, অকৃতজ্ঞ, নালায়েকদেরও হবে। তবে, ওই মুনাফেকদের বিচার আগে হবে যারা ইনসাফের সংগ্রামে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলো।
~unknown.

13/04/2025

We want Professor Yunus in power for 5 years. If necessary, organize a referendum.

11/04/2025

জাপানে পড়তে যাওয়া এক ছাত্রী একদিন ফোনে বলল, "বড়োই ল'জ্জায় আছি।"
- "কেন কী হয়েছে?"
- "ড্রইং ক্লাসে ড্রইং বক্স নিয়ে যাইনি।"
- "তো?"
- "জাপানি স্যার একটা বড় শিক্ষা দিয়েছেন।"
- "কী করেছেন?"
- "আমার কাছে এসে ক্ষমা চেয়েছেন। বলেছেন, আজ যে ড্রইং বক্স নিয়ে আসতে হবে, তা স্মরণে রাখার মতো জোর দিয়ে তিনি আমাকে বুঝিয়ে বলতে পারেননি।
তাই তিনি দুঃখিত।"
- "হুম।"
- "আমি তো আর কোনদিন ড্রইং বক্স নিতে ভুলবো না। আজ যদি তিনি আমাকে ব'কতেন বা অন্য কোন শা'স্তি দিতেন, আমি হয়তো কোনও একটা মিথ্যা অজুহাত দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করতাম।"

জাপানি দল বিশ্বকাপে হেরে গেলেও জাপানি দর্শকরা গ্যালারি পরিষ্কার করে তবেই স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন।

এ আবার কেমন কথা?
এটা কি কোনো পরাজয়ের ভাষা! হেরেছিস যখন রেফারির গুষ্টি তুলে গা*লি দে। বলে দে পয়সা খেয়েছে। বিয়ারের ক্যান, কোকের ক্যান, চিনাবাদামের খোসা যা পাস ছুঁড়ে দে। দুই দিন হরতাল ডাক। অন্তত বুদ্ধিজীবীদের ভাষায় এটা তো বলতে পারিস যে, খেলোয়াড় নির্বাচন ঠিক হয়নি, এতে সরকার বা বি'রোধী দলের হাত আছে।

দ্বিতীয় মহাযু*দ্ধে হেরে গিয়ে জাপানের সম্রাট হিরোহিতো আমেরিকার প্রতিনিধি ম্যাক আর্থারের কাছে গেলেন। প্রতীকী হিসাবে নিয়ে গেলেন এক ব্যাগ চাল। হারিকিরির ভঙ্গিতে হাঁটু গেড়ে মাথা পেতে দিয়ে বললেন, "আমার মাথা কে'টে নিন আর এই চালটুকু গ্রহণ করুন। আমার প্রজাদের রক্ষা করুন। ওরা ভাত পছন্দ করে। ওদের যেন ভাতের অভাব না হয়।"

আরে ব্যাটা, তুই যু*দ্ধে হেরেছিস, তোর আত্মীয়স্বজন নিয়ে পালিয়ে যা। তোর দেশের চারিদিকেই তো জল। নৌপথে কিভাবে পালাতে হয় আমাদের ইতিহাস (লক্ষণ সেন) থেকে শিখে নে। কোরিয়া বা তাইওয়ান যা। ওখানকার 'মীর জা*ফর'-দের সাথে হাত মেলা। সেখান থেকে হুঙ্কার দে। সম্রাট হিরোহিতোর এই আচরণ আমেরিকানদের পছন্দ হল। দ্বিতীয় মহাযু*দ্ধের কুখ্যাত মহানায়কদের মধ্যে কেবলমাত্র হিরোহিতোকেই বিনা আঘাতে বাঁচিয়ে রাখা হলো ।

২০১১ সালের ১১ই মার্চ। সুনামির আগাম বার্তা শুনে এক ফিশারি কোম্পানির মালিক সাতো সান প্রথমেই বাঁচাতে গেলেন তার কর্মচারীদের। হাতে সময় আছে মাত্র ৩০ মিনিট। প্রায়োরিটি দিলেন বিদেশি (চাইনিজ)-দের। একে একে সব কর্মচারীদের অফিস থেকে বের করে পাশের উঁচু টিলায় নিজে পথ দেখিয়ে গিয়ে রেখে এলেন। সর্বশেষে গেলেন তার পরিবারের খোঁজ নিতে। ইতিমধ্যে সুনামি এসে হাজির। সাতো সানকে চোখের সামনে কোলে তুলে ভাসিয়ে নিয়ে গেল সুনামি। আজও খোঁজহীন হয়ে আছেন তার পরিবার (ইসস!!! সাতো সান যদি একবার আমাদের প্রমোটারের সাথে দেখা করার সুযোগ পেতেন)। সাতো সান অমর হলেন চায়নাতে। চাইনিজরা দেশে ফিরে গিয়ে শহরের চৌরাস্তায় ওনার প্রতিকৃতি বানিয়ে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন।

নয় বছরের এক ছেলে। স্কুলে ক্লাস করছিল। সুনামির আগমনের কথা শুনে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানালো এবং সব ছাত্রদের নিয়ে তিন তলায় জড়ো করলো। তিন তলার ব্যালকনি থেকে দেখলো তার বাবা স্কুলে আসছে গাড়ি নিয়ে। গাড়িকে ধাওয়া করে আসছে ফোসফোসে জলের সৈন্য দল। গাড়ির স্পিড জলের স্পিডের কাছে হার মেনে গেল। চোখের সামনে নেই হয়ে গেল বাবা। সৈকতের কাছেই ছিল তাদের বাড়ি। শুনলো, মা আর ছোট ভাই ভেসে গেছে আরো আগে। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে ছেলেটি আশ্রয় শিবিরে উঠল। শিবিরের সবাই খিদে আর শীতে কাঁপছে। ভলান্টিয়াররা রুটি বিলি করছেন। আশ্রিতরা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। ছেলেটিও আছে।

এক বিদেশী সাংবাদিক দেখলেন, যতখানি খাদ্য (রুটি) আছে তাতে লাইনের সবার হবে না। ছেলেটির কপালে জুটবে না।সাংবাদিক সাহেব তার কোট পকেটে রাখা নিজের ভাগের রুটি দুটো ছেলেটিকে দিলেন। ছেলেটি ধন্যবাদ জানিয়ে রুটি গ্রহণ করল, তারপর যেখান থেকে রুটি বিলি হচ্ছিল সেখানেই ফেরত দিয়ে আবার লাইনে এসে দাঁড়াল।

সাংবাদিক সাহেব কৌতূহল চাপতে পারলেন না। ছেলেটিকে জিজ্ঞাস করলেন, "এ কাজ কেন করলে খোকা ?"
খোকা উত্তর দিল "বন্টন তো ওখান থেকে হচ্ছে। ওদের হাতে থাকলে, বন্টনে সমতা আসবে। তাছাড়া লাইনে আমার চেয়েও বেশি ক্ষুধার্ত লোকও তো থাকতে পারে।"
সহানুভুতিশীল হতে গিয়ে বন্টনে অসমতা এনেছেন, এই ভেবে সাংবাদিক সাহেবের পা*পবোধ হল। এই ছেলের কাছে কী বলে ক্ষমা চাইবেন ভাষা হারালেন তিনি।

যাদের জাপান সম্পর্কে ধারণা আছে তারা সবাই জানেন, যদি ট্রেনে বা বাসে কোনো জিনিস হারিয়ে যায়, অনেকটা নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। ঐ জিনিস আপনি অক্ষত অবস্থায় ফেরত পাবেন।

গভীর রাতে কোনো ট্রাফিক নেই, কিন্তু পথচারীরা ট্রাফিক বাতি সবুজ না হওয়া পর্যন্ত পথ পার হচ্ছেন না।

ট্রেনে বাসে টিকিট ফাঁকি দেওয়ার হার প্রায় শূণ্যের কোঠায়।

একবার ভুলে ঘরের দরজা লক না করে এক ভারতীয় দেশে গেলেন। মাস খানেক পর এসে দেখেন, যেমন ঘর রেখে গেছেন, ঠিক তেমনই আছে।

এই শিক্ষা জাপানিরা কোথায় পান?

সামাজিক শিক্ষা শুরু হয় কিন্ডারগার্টেন লেভেল থেকে।

সর্বপ্রথম যে তিনটি শব্দ এদের শেখানো হয় তা হল -

*কননিচিওয়া* (হ্যালো)
- পরিচিত মানুষকে দেখা মাত্র 'হ্যালো' বলবে।

*আরিগাতোউ* (ধন্যবাদ)
- সমাজে বাস করতে হলে একে অপরকে উপকার করবে। তুমি যদি বিন্দুমাত্র কারো দ্বারা উপকৃত হও তাহলে ধন্যবাদ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।

*গোমেননাসাই* (দুঃখিত)
- মানুষ মাত্রই ভুল করে এবং সেই ভুলের জন্য ক্ষমা চাইবে।

এগুলো যে স্কুলে শুধু মুখস্ত করে শেখানো হয় তা নয়। বাস্তবে শিক্ষকরা প্রোএক্টিভলি সুযোগ পেলেই এগুলো ব্যবহার করেন এবং করিয়ে ছাড়েন।

সমাজে এই তিনটি শব্দের গুরুত্ব কত তা নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে পারছেন। এই শিক্ষাটা এবং প্র্যাকটিসটি ওরা বাল্যকাল থেকে করতে শেখে।

আমাদের দিক নির্দেশকেরা তাদের বাল্যকালটা যদি কোনও রকমে জাপানের কিন্ডারগার্টেনে কাটিয়ে আসতে পারতেন তাহলে কী ভালোটাই না হতো! কিন্ডারগার্টেন থেকেই স্বনির্ভরতার ট্রেনিং দেওয়া হয়।

সমাজে মানুষ হিসাবে বসবাস করার জন্য যা যা দরকার অর্থাৎ নিজের বই-খাতা, পোষাক, খেলনা, বিছানা সব নিজে গোছানো। টয়লেট ব্যবহার করে নিজেই পরিষ্কার করা। খাবার খেয়ে নিজের খাবারের প্লেট নিজেই ধুয়ে ফেলা ইত্যাদি।

প্রাইমারী স্কুল থেকে এরা নিজেরা দল বেঁধে স্কুলে যায়। দল ঠিক করে দেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। ট্রাফিক আইন, বাস-ট্রেনে চড়ার নিয়ম কানুন সবই শেখানো হয়।

আপনার গাড়ি আছে, বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে আসতেই পারেন, কিন্তু উল্টে আপনাকে লজ্জা পেয়ে আসতে হবে।

ক্লাস সেভেন থেকে সাইকেল চালিয়ে তারা স্কুলে যায়।

ক্লাসে কে ধনী, কে গরীব, কে প্রথম, কে দ্বিতীয় এসব বৈষম্য যেন তৈরি না হয় তার জন্য যথেষ্ট সতর্ক থাকেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ক্লাসে রোল নং ১ মানে এই নয় যে একাডেমিক পারফরম্যান্স সবচেয়ে ভাল। রোল নং তৈরি হয় নামের বানানের আদ্যাক্ষরের ক্রমানুসারে।

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমস্ত আইটেমগুলো থাকে গ্রুপ পারফরম্যান্স দেখার জন্য, ইন্ডিভিজুয়েল নয়।

সারা স্কুলের ছেলে মেয়েদের ভাগ করা হয় কয়েকটা গ্রুপে। সাদা দল, লাল দল, সবুজ দল ইত্যাদি। গ্রুপে কাজ করার ট্রেনিংটা ছাত্রছাত্রীরা পেয়ে যায় স্কুলের খেলাধুলা জাতীয় এ্যাক্টিভিটি থেকে।

এই জন্যই হয়তো জাপানে তথাকথিত 'লিডার' তৈরি হয় না কিন্তু এরা সবাই এক একজন বড় লিডার!
(লেখাটি ড. আশির আহমেদের জাপান কাহিনি ১ম খন্ড থেকে নেয়া)
#জীবন_চক্র

Address

Uttara
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wakil Ahamed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Wakil Ahamed:

Shortcuts

Share