19/01/2026
যদি অশুভ ছায়া তাঁর দিকে হাত বাড়ায়,
তবে তোমরা ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।
চরমোনাইয়ের নায়েবে আমির—তিনি সোজা মানুষ।
যা অন্তরে, তাই বাহিরে। কোনো ভণিতা নেই, কোনো মোড়ক নেই। কণ্ঠে কঠোরতা আছে, কিন্তু সেই কঠোরতার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এক গভীর দরদ, এক অদ্ভুত সততা।
নায়েবে আমিরকে দেখে রাখো—এই কণ্ঠ যদি একদিন থেমে যায়, সেদিন বুঝবে আমরা কী হারিয়েছি।
আমি ভেবেছিলাম, তিনি বুঝি সব সময়ই ধমকের সুরে কথা বলেন। কিন্তু বয়ানের ময়দানে তাঁকে দেখে সে ভুল ভেঙে গেল। সেখানে তিনি আর কেবল একজন বক্তা নন—তিনি যেন জ্ঞানের সাগর। যুক্তির আলোয় পথ দেখান, ইতিহাসের আয়নায় বর্তমানকে দাঁড় করান, আর বয়ানের শেষ প্রান্তে এসে হৃদয় ভেঙে কান্নার ভাষায় ডেকে নেন মানুষকে। সে কান্না অভিনয় নয়—সে কান্না অন্তরের।
এই মানুষটিকে ঘিরে ষড়যন্ত্র হবেই।
বি.এন.পি তাঁকে অপছন্দ করে—খাম্বা কেসের কথা বলার অপরাধে।
আওয়ামী লীগ ক্ষুব্ধ—“শেখ হাসিনা, আপনাকে ভারতও বাঁচাতে পারবে না”—এই অকপট উচ্চারণের জন্য।
আর দিনশেষে জামায়াতের কাছেও তিনি যেন এক অস্বস্তিকর আতঙ্ক—কারণ সত্য কখনোই কারো স্বার্থের সঙ্গে আপস করে না।
জনাব ফয়জুল করিম সাহেব—তিনি কারো দলের নন, তিনি সত্যের পক্ষে। আর সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষ চিরকালই একা, চিরকালই লক্ষ্যবস্তু।
তাই অনুরোধ রেখে যাচ্ছি—
এই মানুষটিকে দেখে রেখো।
শত্রু যদি পাশে ঘেঁষে আসে,
যদি অশুভ ছায়া তাঁর দিকে হাত বাড়ায়,
তবে তোমরা ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।
শায়েখকে বাঁচাতে,
সত্যকে বাঁচাতে,
তোমরা ঝাঁপিয়ে পড়বে—